নগরীতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর লবনচরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গতকাল মঙ্গলবার অধিদপ্তরের খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অধিদপ্তর জানায়, গতকাল লবনচরা থানাধীন গল্লামারি বাজারে তদারকি করে সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারিকে ঘি এর বোতলে মেয়াদ, মূল্য, ওজন উল্লেখ না করায় ৫ হাজার টাকা, লবনচরা বান্ধা বাজারে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় মোল্লা মেডিকেল হলকে ৫০০ টাকা, মূল্যবিহীন ওষুধ রাখায় মায়ের দোয়া ফার্মেসীকে ৫০০ টাকা এবং মূল্য তালিকা না থাকায় শামীম মামার হোটেলকে ৫০০ টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
এছাড়া কয়েকটি চালের মিল তদারকি করা হয়। ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান তদারকি করে সঠিক দামে বিক্রয় করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রয় না করা, ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রর্দশন করাসহ সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার অনুরোধ করা হয়। অভিযানে সহযোগিতা করেন লবনচরা থানা পুলিশ।
তালায় র্যাবের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২
স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরা জেলার তালা থানাধীন বারাত গ্রামে অভিযান চালিয়ে এক কেজি গাঁজাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যব-৬। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার দু’মাদক ব্যবসায়ী হলেন খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার আরশ নগর গ্রামের জদু দাসের ছেলে রতন দাস (৩২) ও সাতক্ষীরা জেলার তালা থানার জাদপুর গ্রামের শের আলী বিশ্বাসের ছেলে মো. আমজাদ হোসেন বিশ্বাস (৪৫)।
র্যাব-৬ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা জেলার তালা থানাধীন বারাত গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ওই গ্রামের আবুল হোসেনের মুদির দোকানের সামনে থেকে এক কেজি গাঁজাসহ রতন দাস ও আমজাদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা দীর্ঘদিন যাবত তালা থানা এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবস্যা চালিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে তালা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
নানা বাড়িতে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যু
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরে বিদ্যুৎস্পর্শে ঐশয্য বিশ্বাস (১৩) নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার হানুয়ার গ্রামে নানা গোপাল ম-লের বাড়িতে এঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর একই উপজেলার নেহালপুর ইউপির পাঁচাকড়ি গ্রামের দেবু বিশ্বাসের ছেলে। সে ¯’ানীয় একটি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ছাত্র। নেহালপুর ইউপি চেয়ারম্যান নজমুস সাদৎ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চেয়ারম্যানসহ ¯’ানীয়রা জানান, সোমবার (৬ জুলাই) বাবা মার সাথে নানা বাড়িতে বেড়াতে যায় ঐশয্য। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির সবাই এক ঘরে খাবার খা”িছলেন। ওই সময় পাশের ঘরে টেবিল ফ্যানের তার নাড়াচাড়া করছিলো সে। একপর্যায়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে সেখানেই মৃত্যু হয় ঐশয্যর।
রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎস্পর্শে কোন প্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যুর বিষয়টি আমাদের কেউ জানায়নি। আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
শেখ সোহেল’কে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা পরিস্থিতিতে হাজারো দুঃসংবাদের ভীড়ে খুলনাবাসীর জন্য- ‘বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র, খুলনার মানুষের অতি আপনজন, যুব সমাজের অভিভাবক, বিসিবি’র পরিচালক শেখ সোহেল’র প্রচেষ্টায় সোনাডাঙ্গার ডেল্টা টাওয়ার (২২ তলা) করোনা হাসপাতাল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
খুলনাবাসী সম্পূর্ন বিনামূল্যে এই কোভিট-১৯ হাসপাতালে করোনার যাবতীয় চিকিৎসাসহ ঔষধ, ওঈট, অক্সিজেন সেবা গ্রহণ করতে পারবে। সময় উপযোগী এমন মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, সম্মানিত কাউন্সিল ও সাধারণ সম্পাদক জেড.এ. মাহামুদ ডন, সহ-সভাপতি মীর বরকত আলী, এম.এ. নাসিম, ড. সাঈদুর রহমান, গোলাম রাব্বানী টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান জিয়া, সহ-দফতর সম্পাদক মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, অন্যতম সদস্য আহমেদ ফিরোজ ইব্রাহিম তন্ময়, সকল থানার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক- মোঃ রেজাউল ইসলাম টুকু, মোঃ কালরুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট(পিপি) আহাদুজ্জামান আহাদ, প্রফেসর গাজী মোফাজ্জেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান কামাল, আশরাফুল আলম বাবু, এস এম হোসেনুজ্জামান হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, কাজী হারুন-অর-রশিদ, নজরুল ইসলাম নবী, ইসমাঈল হোসেন, শফিকুল ইসলাম অভি, আমিরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ;
নগর ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. রজব আলী সরদার, খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ ও খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের চাচা আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. এনামুল হকের সুস্থতা কামনা করে এবং সোনাডাঙ্গা থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর যুবলীগের সাবেক সদস্য, সাবেক ছাত্রনেতা সদ্য প্রয়াত শেখ শহীদ আলীর বিহেদী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল করেছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ। গতকাল মঙ্গলবার বাদ আসর শঙ্কমার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।
দোয়া মহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.ডি.এ বাবুল রানা, আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, মহানগর যুবলীগ নেতা কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা রনবীর বাড়ই সজল, মাহমুদুল হাসান শাওন, জব্বার আলী হীরা, মেহেদী হাসান সুজন, মাহামুদুল ইসলাম সুজন, দিদারুল আলম, সোহান হোসেন শাওন, মাহমুদুল ইসলাম রাজেশ, রায়জিদ সিনা, জোয়েব সিদ্দিকী, মোঃ আলামিন হাওলাদার, চিন্ময় মিত্র, আহানাফ অর্পন, শঙ্কর কুন্ডু, মেহেদী হাসান সজীব, আমিনুল ইসলাম, গালিব হোসেন, শাহরিয়ান নেওয়াজ রাব্বি, অভিজিৎ সরকার রাহুল, সোহান সাদী, রুমান আহমেদ, মোঃ মিজানুর রহমান, পিয়াল হাসান, হাসান শেখ, ইমতাজুল মুন্না, জীবন ইসলাম জয়, মোঃ মহারাজ, সাইফুল ইসলাম, নাজমুল সাকিব,মোঃ আলামিন প্রমুখ।
দৌলতপুরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির শোক সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর দৌলতপুর থানা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে দৌলতপুর বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কার্যালয়ে সোমবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবি কামাল লোহানী, মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর অবঃ শওকত আলী (বীর প্রতিক), খুলনার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রফেসর মুহম্মদ কায়কোবাদ সহ উল্লেখ্যদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম বন্দ। সভা পরিচালনা করেন সদস্য সচিব শাহীন জামাল পন। আলোচনা করেন সাংস্কৃতিক জোটের শেখ সৈয়দ আলী, শেখ মফিজুর রহমান হিরু, শ্যামল কুমার সিংহ, ব্রিক নির্বাহী পরিচালক এ, এস, এম অহিদুল ইসলাম, অধ্যাঃ হাসিবুজ্জামান বাবু, সংগীত প্রশিক্ষক রবীন বসাক, অধ্যাঃ রিপন আহম্মেদ, ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগ সাঃ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশীদ, শিল্পী সুজাত কবির। উল্লেখিত মরহুমদের আত্মার মাগফেরাত কামনা সহ, মরহুমের শোকাহত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান নেতৃবৃন্দ।
পাইকগাছায় প্রধানমন্ত্রী’র উপহার বিতরণ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছার দেলুটি ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস এবং ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ১০ কেজি হারে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় দেলুটি ইউনিয়ান পরিষদ মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর এসমস্ত উপহার বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল। ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, ট্যাগ অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম, ইউপি সদস্য রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, রনধীর মন্ডল, সুকুমার কবিরাজ, সুপদ রায়, বিশ্বজিত রায়, চম্পক বিশ্বাস, আশিষ হালদার, কিংশুক রায়, নিরাপদ দফাদার, চঞ্চলা রানী মন্ডল, ডালিম রায়, ইউপি সচিব নিরাপদ মল্লিক সহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ।
বাগেরহাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালামাল চুরি
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের করোনাকে পুজি করে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চিতলমারীর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালামাল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। ৩০শে জুন সংগঠিত চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার মালামাল খোয়া যায়।
প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান,প্রতিষ্ঠান সংস্কার করার সময় প্রতিষ্ঠানে রাখা চুরি হওয়া ইট,রড,টিন,জানালা,দরজাসহ বিভিন্ন মালামাল স্থানীয় ডুমুরিয়া গ্রামের কিশোর চৌধুরী, শেখর চৌধুরী , অনন্ত চৌধুরী ও রশো চৌধুরীর নিজ বাড়িতে দেখতে পায় স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বিষয়টি প্রতিষ্ঠানকে জানালে গত ৪ঠা জুলাই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, অবিভাবকগনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তরা অভিযুক্তদের বাড়িতে স্কুলের চুরি হওয়া মালামাল দেখতে পায়। মালামাল সম্পর্কে অভিযুক্তদের কাছে জানতে চাইলে তারা কোন সঠিক উত্তর না দিয়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের উপর উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ,ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। ইতিপূর্বেও আসামীদের বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি,ডাকাতি, চাদাবাজি,ঘের দখলসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রিয়াজ হোসেন, শেখ জুলাস হোসেনসহ একাধিক সদস্য অভিযোগ করে বলেন,প্রতিষ্ঠানের মালামাল চুরি হওয়ার পর জরুরী মিটিংয়ে মালামাল চুরির জন্য মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরের দিন রবিবার প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্রনাথ মন্ডল চিতলমারী থানায় এজাহার দায়ের করেন। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক আসামীদের যোগ-সাজোসে এজাহারের কপি তুলে আনেন বলে তারা অভিযোগ করেন। তারা আরো বলেন, অনেকে প্রধান শিক্ষককে মামলা করার জন্য অনুরোধ করা হলেও প্রধান শিক্ষক কোন কর্নপাত করেননি বলে জানান।
এ বিষয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সরদার টিটো বলেন, মালামাল চুরির পরই আমি প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে বিষয়টি অবহিত করি ও স্কুলে জরুরী মিটিংয়ের আয়োজন করি। মিটিংয়ে যাদের বাড়িতে চুরিকৃত মালামাল রয়েছে তাদেরকে আসামী করে প্রধান শিক্ষককের উপর মামলা করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। কি কারনে প্রধান শিক্ষক মামলা করেন নি তা আমার জানা নাই। তিনি প্রতিষ্ঠানের মালামাল দ্রুত উদ্ধার ও আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন,স্কুলের বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংশার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।
হুমকির মুখে রাস্তাসহ ফসলি জমি: বাগেরহাটের খানপুরে নিষিদ্ধ ড্রেজারে বালু উত্তোলন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার উত্তর খানপুর গ্রামে উপজেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে অবাদে চলছে আতœঘাতি স্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন, হুকির মুখে সরকারী রাস্তা সহ কয়েক একর ফসলি জমি। এব্যাপারে গত রবিবার বাগেরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী উত্তর খানপুর গ্রামের মৃত রাজ্জাক মোল্লার পুত্র আলফাজ মোল্লা।
সরেজমিনে অনুসন্ধান ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার উত্তর খানপুর গ্রামের সরকারী পুকুর এলাকায় স্থানীয় মৃতঃ ওহিদ শেখের পুত্র জামাল শেখ উত্তর খানপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমানের বাড়ির সামনের ইটের রাস্তার সাথে থাকা জামালের নিজ জমি থেকে অবৈধভাবে স্যালো মেশিন দিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন ধরে বালু উত্তোলন করছেন। ফলে ধসের হুমকিতে পড়েছে ওই এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ইটের রাস্তা টি এবং পাশর্^বর্তী অবঃ সেনা সদস্য আলম মোল্লা ও কৃষক আলফাজ মোল্লার ফসলি জমি।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আলফাজ মোল্লা বলেন, বালু তোলায় তার ফসলি জমিতে ধস নেমেছে। এ দিকে অভিযোগ পেয়ে আজ সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পাঠিয়েছেন ভাটপাড়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা শেখ আকবার আলীকে।
এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা শেখ আকবার আলী বলেন ইউএনও স্যারের নির্দেশে উক্ত স্থানে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে জামাল শেখ কে আমি সরেজমিনে গিয়ে নির্দেশ দিয়েছি, নির্দেশ অমান্য করলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে আইনানুক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মোছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, স্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।
বিএমএর সাবেক সম্পাদকের কন্যার ইন্তেকাল
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিএমএ’র আজীবন সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. সেখ মোঃ আখতারুজ্জামান এর কন্যা সেখ ঐশী বিনতে জামান ৩২ বছর বয়সে মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন ( ইন্না……….. রাজেউন)। তাঁর অকাল মৃত্যুতে খুলনা বিএমএ’র সকল সদস্য শোকাহত। শোক প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন খুলনা বিএমএ’র সভাপতি ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম, খুলনা বিএমএ’র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. ধীরাজ মোহন বিশ্বাস,ডা. গাজী মিজানুর রহমান, ডা. মোল্যা হারুন অর রশিদ, সাধারন সম্পাদক ডা. মোঃ মেহেদী নেওয়াজ,কোষাধ্যক্ষ ডা. প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, যুগ্ম-সম্পাদক ডা. বঙ্গ কমল বসু, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ মামুনূর রশিদ, প্রচার ও জন-সংযোগ সম্পাদক ডা. সুমন রায়, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা. এস কে বল্লভ, সাংস্কৃতি ও আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. পরিতোষ কুমার চৌধূরী ,সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রকাশনা ও গ্রন্থাগার সম্পাদক ডা. মাহমুদ হাসান লেনিন, কার্যকরী পরিষদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল আজাদ,অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মহসীন, অধ্যাপক ডা. মনোজ কুমার বোস, ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ, ডা. ডালিয়া আখতার, ডা. খান আহমেদ হেলালি, ডা. মোহাম্মদ হাসান, ডা. হিমেল সাহা, ডা. সোহানা সেলিম,ডা.দেবনাথ তালুকদার রনি, ডা. কাজী করিম নেওয়াজ, ডা. ইউনুচউজ্জামান খাঁন তারিম, ডা. বাপ্পারাজ দও, ডা.এস এম তুষার আলম, ডা.মোঃ রকিবুল ইসলাম, ডা. শহিদুল ইসলাম মুকুল, ডা. পলাশ কুমার দে, ডা. শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ডা. পার্থ সারথী শিকদার, ডা. সুদীপ পাল, ডা. তন্ময় সাহা প্রমূখ।
বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ, খুলনা জেলা শাখার শোক:
বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার্স এসোসিয়েশন (বিপিএমপিএ), খুলনা জেলা শাখার আজীবন সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), খুলনা জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনা বিভাগের স্বনামধন্য চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. সেখ মো: আকতার-উজ-জামান এর একমাত্র কণ্যা সেখ ঐশি বিনতে জামান করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকালে (ইন্নালিলাহে……….রাজেউন) বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ, খুলনা জেলা শাখা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৩২ বছর। মরহুমের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন বিপিএমপিএ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ডা. গাজী মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতিবৃন্দরা ডা. আর. কে নাথ, ডা. মো: বোরহানউদ্দিন আহমেদ, ডা. এম. আর. খান, ডা. মো: মোস্তফা কামাল। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো: সওকাত আলী লস্কর, যুগ্ম-সম্পাদক ডা. বঙ্গ কমল বসু, কোষাধ্যক্ষ ডা. এম. এ. হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো: মামুনুর রশীদ, দপ্তর-সম্পাদক ডা. এম. বি. জামান, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা. কাজি হাফিজুর রহমান, চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক ডা. শাহীন নওরোজী, কার্যকরী পরিষদের সিনিয়র সদস্যগণ ডা. মো. শরাফত হোসেন, ডা. মো. বজলুল হক, ডা. মো: সোলায়মান, ডা. সৈয়েদা জাহানারা বেগম, প্রফেসর ডা. মনোজ কুমার বোস, ডা. মোল্লা হারুন-অর-রশীদ, ডা. কানিজ ফাহমিদা, ডা. রিয়াজ শাহীদ দিপু, ডা. স্বপন কুমার হালদার, ডা. চন্দন কুমার সাহা, ডা. বিশ্বজিৎ সরকার ও ডা. মোস্তফা-আল-মামুন, বিপিএইচসিডিওএ, খুলনা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো: রুহুল আমিন এছাড়া কার্যকরী পরিষদের সিনিয়র সদসবৃন্দরা হলেন ডা. এম. আশরাফ আলী, ডা. জগ বন্ধু দাস, এ্যাড: সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, অসীত বরণ বিশ^াস, বিপ্লব কুমার দাস, মো: হাবিবুর রহমান, শামীম আরা নীলা, বিধান বিশ^াস সহ সকল বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ, খুলনা জেলা শাখার সম্মানিত সকল সদস্যবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
কপিলমুনির বিশিষ্ট ঘের ব্যবসায়ী রফিকুলের ইন্তেকাল
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি ঃ
কপিলমুনির বিশিষ্ট ঘের ব্যবসায়ী, খুলনার ক্রীড়া সংগঠক, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সহ-সভাপতি ও প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট কাব কপিলমুনি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (কেকেএসপি) পরিচালক সরদার রফিকুল ইসলাম আর নেই। তিনি মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি নগরীর ছোট মির্জাপুরের বাসিন্দা।
গতকাল জোহর বাদ পাইকগাছার হরিঢালী ইউনিয়নের উত্তর সলুয়া গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র সন্তানসহ অসংখ্যগুনাগ্রাহী রেখে গেছেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ও করোনা হাসপাতালের মুখপাত্র ডাঃ মোঃ শেখ ফরিদ উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়াতের দাফনের জন্য তার পরিবারকে বলা হয়েছে।’ জানাগেছে তার করোনা টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হলেও এখনো পর্যন্ত তার ফলাফল আসেনি।
লোহাগড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু
লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে । মৃত্যুর পর তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের পার শালনগর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন (৫২) খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১ জুলাই সেখানে তিনি করোনা উপসর্গ জ্বর, কাশি, গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করতে দিয়ে ছুটিতে বাড়ি আসেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,গত ১ জুলাই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করার জন্য দেওয়া হলেও আজও সেই নমুনার ফলাফল পাওয়া যায়নি। আমার বাবা বাড়িতে হোমকোয়ারেন্টাইনে থেকে চিকিৎসারত অবস্থায় গত সোমবার রাতে উপসর্গ বেড়ে গুরুত্বর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এ সময় পরিবারের লোকজন রাত ১১টার দিকে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃত মোশারফ হোসেন খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে পুলিশ পরিদর্শক ছিলেন । মঙ্গলবার সকালে ওই কর্মকর্তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে,স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিহতের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে ।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিয়মিত আদালত পরিচালনার দাবীতে খুলনার আইনজীবীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি
খবর বিজ্ঞপ্তি
স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম চালুর দাবীতে খুলনার সর্বস্তরের আইনজীবীদের উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা ১১:৩০টায় খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এড. মোঃ বাবুল হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং এড. এস এম মাসুদুর রহমান ও এড. খন্দকার মহাসিন-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেনÑএড. এস আর ফারুক, এড. মিনা মিজানুর রহমান, এড. সুমলা ধর, এড. মফিজ উদ্দিন, এড. আলমগীর হোসেন, এড. খান লিয়াকত আলী, এড. মোঃ আসাদুজ্জামান মিল্টন, এড. মেহেদী হাসান, এড. শহীদুল ইসলাম, এড. জামাল উদ্দীন, এড. নিত্যানন্দ ঢালী, এড. নওরোজ, এড. আব্দাল মান্নান, এড. মনজিলুর রহমান, এড. হাবিবুর রহমান মালী, এড. কামাল হোসেন, এড. মাজহারাুল ইসলাম মিলন, এড. ত্রিদিপ সাহা, শিক্ষানবীশ আইনজীবী অপু রায়হান প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক মহামারী তরোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মানা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে আইনজীবীরা সচেতন। কিন্তু দেশের নির্বাহী বিভাগ, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট, যানবাহন সবই খোলা। অথচ বিগত প্রায় ৪ মাস ধরে আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ। সে কারণে একদিকে যেমন বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে আইনজীবীরা বেকার হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে স্বচ্ছ প্রাকটিশনার ও জুনিয়র আইনজীবীরা বেশী অসুবিধার মধ্যে আছেন। বক্তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় প্রধান বিচারপতি এবং মাননীয় আইনমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এ দাবী কারো বিরুদ্ধে নয়, সর্বস্তরের আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণের পক্ষে। আইনজীবীগণ অনতিবিলম্বে সীমিত হলেও আদালত চালুর আহ্বান জানান। প্রয়োজনে অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও মামলা ফাইলিং, সারেন্ডার এবং হাজতি আসামীদের জামিন শুনানী কার্যক্রম শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে, সীমিত আকারে হলেও নিয়মিত আদালত চালু হওয়া প্রয়োজন। ভার্চুয়াল কোর্টেও বিচারক, আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ মানা সম্ভব হচ্ছে না, যা হচ্ছে পরিকল্পিত উপায়ে আদালতের কার্যক্রম চালু হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব। সমাবেশে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এড. কে এস ইকবাল হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী এড. সরদার রজব আলীসহ করোনা আক্রান্ত আইনজীবীদের সুস্থতা কামনা করা হয়।
সাবেক ছাত্রনেতা মিঠু ও চিকিৎসক নেতা আকতারুজ্জামানের মেয়ের ইন্তেকাল : বিএনপি’র শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা এম এম সিটি কলেজের সাবেক জনপ্রিয় ছাত্র নেতা রেজাদৌল্লাহ মিঠু (৪৫) ও ড্যাব খুলনা মেডেক্যাল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি ও বিএমএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. শেখ আকতারুজ্জামানের মেয়ে শেখ ঐশী বিনতে জামান (৩২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)। মঙ্গলবার বাদ আসর বাগমারা এমদামুল মাদ্রাসায় মরহুমের নামাজে জানাযা শেষে তাকে নিরালা সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার নাজাযায় নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। অপরদিকে বিকেল ৪টায় টুটুপাড়ায় নামাজে জানাযা শেষে তাকে টুটপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়। মিঠু ও ঐশীর ইন্তেকালে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন নগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দরা হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ভাষাসৈনিক এম নুরুল ইসলাম, নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মোঃ মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
করোনার কারণে দেশের সাধারণ জনগণ না খেয়ে থাকবে না: সিটি মেয়র
তথ্য বিবরণী
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে নগরীর ৬ ও ৭ নম্বর ঘাট জেটি হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন চত্বরে ১৪ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তিনশত ঘরে থাকা কর্মহীন শ্রমিকদের মাঝে চাল, ডাল, লবণ, আলু, সাবানসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র বলেন, করোনার কারণে দেশের সাধারণ জনগণ না খেয়ে থাকবে না। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের পাশে রয়েছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার, বার বার হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চালা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে না পরলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তিনি বলেন, করোনা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সরকারি নির্দেশনা সকলের মেনে চলতে হবে। সরকার শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, কেসিসি’র প্যানেল মেয়র মোঃ আমিনুল ইসলাম মুন্না, ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোসারাফ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক জোড়াগেট ট্রাক টার্মিনাল চত্বরে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের দুইশত ঘরে থাকা কর্মহীন শ্রমিকদের মাঝে চাল, ডাল, লবণ, আলু, সাবানসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে।
দুপুরে তিনি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ২৪ এবং ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচশত ৭১ জন করে মোট এক হাজার একশত ৪২ ঘরে থাকা কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবীদের মাঝে সাত কেজি করে চাল ও সবজি ক্রয়ের জন্য নগদ অর্থসহ খাদ্যসামগ্রী এবং নগরভবন চত্বরে পাদুকা শ্রমিকদের মাঝে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সিটি ইউনিটের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এর আগে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির পক্ষ থেকে দুই হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এর কাছে হস্থান্তর করা হয়।
করোনা জয় করে দুর্ঘটনায় মারা গেলেন স্বাস্থ্যকর্মী
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরে করোনা জয়ী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সাধনা মিস্ত্রী (৫০) সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২ টার দিকে খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এরআগে সোমবার দুপুরে মণিরামপুর থেকে কেশবপুরে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গুরুত্বর আহত হন তিনি।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অনুপ বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাধনা মিস্ত্রী মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। করোনা দুর্যোগে তিনি নমুনা সংগ্রহের কাজ করতেন। তিনি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত কমলেশ চন্দ্র হালদারের স্ত্রী।
চাকরির সুবাদে সাধনা মিস্ত্রী মণিরামপুর হাসপাতাল গেটে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। ৪-৫ মাস আগে অসুস্থ হয়ে তার স্বামীর মৃত্যু হয়। এরপর থেকে তিনি এখানে একাই থাকতেন।
ডা. অনুপ বলেন, সোমবার দুপুরে অফিস শেষে স্বাস্থ্যকর্মী জাহিদের মোটরসাইকেলে চড়ে করোনা টেস্ট সংক্রান্ত কাজে কেশবপুরে যাচ্ছিলেন সাধনা। পথিমধ্যে চিনাটোলা বাজার পার হলে বাইকের চাকায় শাড়ি জড়িয়ে নিচে পড়ে মাথায় গুরুত্বর আঘাত পান তিনি। পরে ভ্যানযোগে তাকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় সেখান থেকে তাকে খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় রাত পৌনে ১২টার দিকে মারা যান তিনি।
করোনাকালীন দুর্যোগে গত ২ এপ্রিল থেকে মণিরামপুরে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন সাধনা। একপর্যায়ে ২৭ এপ্রিল তিনি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নিজেই নমুনা দেন। পরে ২৯ এপ্রিল তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর হোম আইসোলেশনে চলেযান তিনি। ১৫ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর ১৪ মে সুস্থ হন সাধনা। সুস্থ হয়ে আবার নেমে পড়েন নমুনা সংগ্রহে। সোমবার আহত হওয়ার আগেও তিনি সাতটি নমুনা সংগ্রহ করেছেন বলে জানান ডা. অনুপ।
করোনা উপসর্গ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ ২ জনের মৃত্যু
মেহেরপুর প্রতিনিধি
করোনা উপসর্গ নিয়ে মেহেরপুরের এক মুক্তিযোদ্ধাসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম (৭০) মারা যান। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে গাংনী পশু হাসপাতাল পাড়ার এক নারী (৭২) নিজ বাড়িতে মারা গেছেন। জানা যায়, বাওট গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম শ্বাসকস্ট ও ঠা-া জ্বরে ভুগছিলেন। কয়েকদিন আগে তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মুত্যু হয়।
অন্যদিকে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া নারীর ছেলের বউ ৩ জুলাই প্রথমে করোনা আক্রান্ত হন। পরে সোমবার তার মেয়ে নুসরাত জাহান ও দেবর আখতারুজ্জামান চঞ্চল আক্রান্ত হয়। একই পরিবারে তিন জন করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় দুশ্চিন্তায় ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এম রিয়াজুল আলম জানান, মৃত্যুর পর ওই নারীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে মুত্যুর প্রকৃত কারণ বোঝা যাবে। গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে এবং যেহেতু করোনা উপসর্গ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে, সেহেতু তাকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মীরা স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী দাফন করবে।
কুষ্টিয়ার পদ্মায় নৌকা ডুবে ৪ শ্রমিক নিখোঁজ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় ৪ শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরসাদীপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় চরসাদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিখোঁজ শ্রমিকরা হলেন ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের হারানের ছেলে জুয়েল (৩০), একই গ্রামের নজুর ছেলে জাকির (২৫), জলিলের ছেলে শরিফুল (৩০) এবং রঞ্জিতের ছেলে জুবা (৩০)। স্থানীয় চরসাদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ঘোষপুর গ্রামের মেম্বার মো. আব্দুল মালেক জানান, মঙ্গলবার সকালে ভেড়ামারা উপজেলার ৯জন পানবরজের শ্রমিক উলু কাটার জন্য নৌকায় আসছিলেন। এসময় পদ্মার প্রবল স্রোতে তাদের নৌকা ডুবে যায়। এসময় ৫জন শ্রমিক সাঁতরে নদী তীরে উঠতে পারলেও বাকি ৪ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয়ভাবে তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। স্থানীয় চরসাদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, সকালে দুটি নৌকায় উলু কাটার জন্য শ্রমিকরা যাচ্ছিলেন। এসময় পদ্মার প্রবল স্রোতে তাদের নৌকা ডুবে যায়। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পাবনা ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে গেছে। স্থানীয় কুমারখালী ফায়ারসার্ভিস ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। পাবনা ও রাজশাহী থেকে এসে ডুবুরিদল এসে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার অমিয় কুমার বিশ্বাস জানান, আমরা বেলা ২টা পর্যন্ত সেখানে ছিলাম। কিন্তু নদীর ভেতর অবস্থানটা শনাক্ত করতে পারিনি। পরে পাবনা ফায়ার স্টেশন থেকে ডুবুরি এসে উদ্ধার কাজে যুক্ত হয়। বেলা আড়াইটার দিকে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন। তবে এখনও নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পাবনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান, এখনও কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখানে অনেকেই উপস্থিত আছেন সেখানে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কতক্ষণ উদ্ধার কাজ চলবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ: বটিয়াঘাটায় মাদক কারবারি কর্তৃক জমি দখলের চেস্টা
স্টাফ রিপোর্টার
বটিয়াঘাটার গজালিয়া গ্রামের মোঃ রফিকুজ্জামানের জমি মাদক কারবারি কর্তৃক দখলের পায়তারা করছে। ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে তিনি জে এল নং-২৭, দাগ নং-৩০৫, গজালিয়া মৌজায় ৮৪ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছেন। যার ১৪২৪ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করা রয়েছে। এ জমি দখল করার জন্য গত ১ জুলাই মিথ্যা অভিযোগ এনে প্রতিপক্ষ জমির মালিক মোঃ রফিকুজ্জামানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেসকাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, এনসার আলি শেখের পুত্র আব্দুল মজিদ শেখকে এ জমি ইজারা দিয়েছিলাম। তারা ঠিকমত ইজারা না দেওয়ায় চুক্তি বাতিল করে অন্য লোককে ইজারা দেই। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ভয়-ভীতি দেখায়। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশিল হয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খানের কাছে গত ২০ ফেব্রুয়ারি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তিনি উভয়কে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। আমরা হাজির হলেও প্রতিপক্ষ কাগজপত্র দেখাবার কথা বলে বার বার সময় নিয়েও উপস্থিত হয়নি। বিবাদী আব্দুল মজিদ শেখ ও তার মেয়ে জেসমিন বেগমসহ তাদের সহযোগিরা জোরপূর্বক আমাদের জমির ঘেরে প্রবেশ না করার জন্য নোটিশ করে। আমার উক্ত জমিতে ইজারা গ্রহনকারীরা মাছের চাষ করেন। গত ২৫ মে ইজারা গ্রহণকারিরা মাছ ধরতে গেলে আব্দুল মজিদ শেখের মেয়ে জেসমিন বেগম ও তার স্বামী ওয়াহেদ মোল্লা বাঁধা প্রদান করেন। এ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে আমাদের নামে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ করেন। থানার এসআই স্বপন বাবুর মাধ্যমে থানা প্রশাসনকে হাত করে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে বলেন। এদের কাজ হচ্ছে বিরোধপূর্ণ জমি ইজারা নিয়ে দখল করা। গাজা বেচা-কেনা ও সেবন করার ব্যাপারে তার ছেলে মেহেদি মোল্লার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আমরা উপায়ন্তর না পেয়ে ৩০ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করি। নির্বাহী কর্মকতা উভয়কে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করলেও তারা না এসে আমাদের বিরুদ্ধে গত ১লা মে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি সম্মেলনে আরও বলেন ভূমিদস্যু ও দখলবাজ মাদক বিক্রেতা জেসমিন বেগম ও তার স্বামী ওয়াহেদ মোল্লা তারই চাচাতো ভাই মোঃ রফিকুল মোল্লার একই দাগে দুই বিঘা জমি জোর করে দখল করে নেয়। জেসমিন বেগমের ভাসুর তাহের মোল্লা দশ কাটা জমি জবর দখল করে নেয়। এই ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে অনেক অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এ ভুমিদস্যু ও মাদক কারবারিদের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এসময় মোঃ ইব্রাহীম শেখসহ এলাকাবাসি উপস্থিত ছিলেন।
ঝিনাইদহে ১শ ৫০ পরিবার পেল করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় মধুহাটি ইউনিয়নে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে, এলজিএসপি-৩ অর্থায়নে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ১৫০ দুঃস্থ পরিবারের মাঝে সার্জিক্যাল মাস্ক, হাত ধোয়ার সাবান, ব্লিচিং পাউডার ও ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে । মধুহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ জুয়েল এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বদরুদ্দোজা শুভ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডি,এফ ঝিনাইদহ আব্দুল্লাহ আহম্মদ ইমন বিন রেজা, ইউপি সচিব নির্মল কুমার বিশ্বাসসহ ইউপি সদস্যবৃন্দ ও উপকারভোগী ব্যক্তিবর্গ।
দেবহটায় ইউএনও’র ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যবসায়ীর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহটার মৎস্য ঘর গুলোতে চলছে বাগদা চিংড়ীতে অপদ্রব্য পুশের রমরমা ব্যবসা। পারুলিয়ার মৎস্য ঘরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা।্হনংঢ়; এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। বাগদা চিংড়ী অপদ্রব্য পুশের কারনে ৫ ক্যারেট মাছ মাটিতে পুতে বিনষ্ট। জানাযায়, সাতক্ষীরা জেলার সাদা সোনা নামে পরিচিত চিংড়ি বিদেশে রপ্তানী করে বাংলাদেশ অর্জন করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। কিন্তু কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর পুশের কারনে বাংলাদেশের এই সাদা সোনা নামে ক্ষাত চিংড়ী ব্যবসায় নামে ধ্বস। সরকার হারায় মোটা অংকের রাজস্ব।। অসাধু ব্যবসায়ীরা অধীক মুনাফার আশায় সাদা সোনা নামে পরিচিত বাগদা চিংড়িতে পুশ করছে অপদ্রব্য জেলি, সাবু, চিড়ির কদ ও ফিটকার পানি। যেখানে করোনার কারনে বিদেশে মাছ যাওয়া বন্ধ। সেখানে দেশের ভিতরে কম দামে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে এ মাছ। এ পুশের কারনে মাছে সৃষ্টি হয় জীবানু। এসব জীবানুতে হুমকিতে বাংলাদেশের মানূষের স্বাস্থ ব্যবস্থা। যে টা এক দিকে মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর অপর দিকে বিশ্ব বাজারে মূল্য হ্রাস। যে কারনে দক্ষিণ বঙ্গের মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা আজ পথে বসতে চলেছে। গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পারুলিয়া ব্রীজের নিচে মেসার্স রিচি ফিস ্এর শর্তাধীকারী আবু সাঈদের মৎস্য ঘরে সরেজমিনে প্রবেশ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীন ও সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান। এসময় দুই জন অর্ধ-বয়সী মহিলা কর্মী দিয়ে বাগদা চিংড়ির গায়ে জেলী পুশ করা দেখতে পান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তখন সেখান থেকে ৫ ক্যারেট মাছ জব্দ করেন তিনি। পরে মেসার্স রিচি ফিস ্এর শর্তাধীকারী আবু সাঈদকে অপরাধের জন্য ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তবে এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য এ সকল দূর্নিতি বাজ ব্যবসায়ীদের বাচানোর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন বলে একটি সুত্রে জানাযায়। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে এ সময় জানান,পুশ এখন সাতক্ষীরা জেলার প্রায় প্রতিটি মৎস্য ঘরে হচ্ছে। তাই জেলা ব্যাপী এ অভিযান না চললে ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলে তারা জানায়।
ঝিনাইদহে অস্বচ্ছল সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া অস্বচ্ছল সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদাণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আর্থিক সহযোগিতার চেক বিতরণ করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর একডহ কমিটির সদস্য অশোক ধর, একরামুল হক লিকু, জেলা কালচারাল অফিসার জসিম উদ্দিনসহ সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলার ৬ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১’শ জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তির মাঝে সংস্কৃত বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের দেওয়া ৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়।
ঝিনাইদহে স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঝিনাইদহে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের পুরাতন হাসপাতাল চত্বরে অরণী সাংস্কৃতিক সংসদ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এ উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এসময় পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু, সিভিল সার্জন ডা: সেলিনা বেগম, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সাজ্জাৎ হাসান, অরণী সাংস্কৃতিক সংসদের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান খুররম, সভাপতি কোরবান আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজল কুমার বিশ্বাসসহ অন্যানারা উপস্থিত ছিলেন। পরে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত শতাধিক মাঠ কর্মীদের মাঝে মাস্ক ও হ্যান্ডস্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়।
ঝিনাইদহে পথচারীদের মাঝে ট্রাফিক পুলিশের মাস্ক বিতরণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
করোনা প্রার্দুভাবের শুরু থেকে ঝিনাইদহে পুলিশের ব্যাপক ভূমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। করোনা প্রতিরোধ করতে ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশ শহরের পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের পায়রা চত্বর, পোস্ট অফিস মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক সার্জেন্ট মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে এ মাস্ক বিতরণ করা হয়। এসময় প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের এই ক্রান্তিকালে শহরে আগতদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধও জানান তিনি।
শৈলকুপায় করোনা উপর্সগ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ শৈলকুপা উপজেলার মীনগ্রামে করোনা উপর্সগ নিয়ে রফিকুল ইসলাম (৩৪) নামের এক বক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। মৃত্য রফিকুল ইসলাম ওই উপজেলার মীন গ্রামের খেলাফত জোয়ার্দারের ছেলে।
ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরচিালক মো: আব্দুল হামদি খান জানান, করোনা উপর্সগ নিয়ে রফিকুল ইসলাম গত ৬ জুলাই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে র্ভতি হয়। মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ এর অনুমতি ক্রমে ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠিতি কমিটির সদস্যগণ বিকেলে তার গ্রামের বাড়ীতে জানাযা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে তার লাশ দাফনের কাজ সম্পন্ন করনে।
মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাশ দাফন কমটির মাধ্যমে এ র্পযন্ত ১৭ জন করোনা আক্রান্ত ও করোনা উপর্সগ মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন করেছে।
সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স কাবের উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচী পালিত
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স কাবের উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই)সকাল দশটায় সার্কিট হাউজ মোড় সংলগ্ন সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স কাবের কার্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স কাবের সভাপতি গাজী মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান ,সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম ,অর্থ সম্পাদক আলহাজ্জ শাহাজান আলী,তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ,দৈনিক মুক্ত খবরের মনিরুজ্জামান মনি, দৈনিক নওয়াপাড়ার শিমুল হোসেন বাবু, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম,সহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ। দ্ইুশ বনজ, ফলজ ঔষাধি গাছ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের মাঝে এগুলো বিতরণ করা হয়। পরে রিপোটার্স কাবের মাসিক মিটিংয়ের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শিমুল হোসেন বাবু।
কয়রায় উত্তর বেদকাশীতে হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন
কয়রা প্রতিনিধি
কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের উত্তর বেদকাশী গ্রামে হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে ভিডিও কনফারেন্স মাধ্যমে। সোমবার সকালে উত্তর বেদকাশী গ্রামে হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) মসজিদ কমিটির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন ভিডিও কনফারেন্সর মাধ্যমে উদ্বোধন করেন জেনিউজ বিডি ডট কমের সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল মামুন। মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ-এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর বেদকাশী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম কোম্পানী, বেদকাশী কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ আব্দুল মাজেদ,ইউপি সদস্য আবু হাসান, মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক আইয়ুব হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আনছার সরদার প্রমূখ। মসজিদ উদ্বোধন শেষে দেশ জাতির কল্যাণ কামনা করে ও অত্র মসজিদের উন্নয়নের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন অত্র মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ আব্দুর রহমান।
কয়রায় করোনা প্রতিরোধে করণীয় ও বেড়িবাঁধ মেরামত বিষয়ক মতবিনিময় সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
কয়রা উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে করোনা প্রতিরোধে করণীয় ও আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার বিকালে কয়রার বেদকাশী কলেজিয়েট স্কুল এ্যান্ড কলেজের হল রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। সভায় এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু করোনা ভাইরাস এবং এর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং করোনা ভাইরাস বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানতা অবলম্বনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া বেড়িবাঁধ মেরামতের বিষয়ে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, আগামী অক্টোবর/নভেম্বর মাস থেকে টেকসই ও মজবুত বেড়িবাঁধের কাজ শুরু হবে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস এম শফিকুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ ফজলুল হক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান ও সরদার মতিয়ার রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য গনেশ চন্দ্র মন্ডল, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামিম সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম টিংকু। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মহেশপুরে পুলিশের হাতে ফেন্সিডিলসহ দু’ব্যবসায়ী আটক
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর থানা পুলিশ গত সোমবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ১৫৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ব্যবসায়ী হাবিল (৪৫) ও সুমনকে (২৫) আটক করেছে। আটক কৃত হাবিল মহেশপুর উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের দুরুদ আলীর ছেলে ও সুমন মান্দারবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুস সবুরের ছেলে।
থানা সুত্রে জানাগেছে, সোমবার গভীর রাতে থানার এস আই আব্দুল জলিল,এএস আই সজল কুমার ও এএস আই সালাউদ্দীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের হাবিলের বাড়ী থেকে ও মান্দারবাড়ীয়া গ্রামের সুমনের বাড়ী থেকে ১৫৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী হাবিল ও সুমনকে আটক করে।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খান জানান,ফেন্সিডিলসহ আটক দু’ব্যবসায়ী হাবিল ও সুমনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে। এঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে মহেশপুর থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে।
করোনায় নতুন সনাক্ত তেরো জন নমুনা সংগ্রহ করা হলো চব্বিশ জনের
ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটে নতুন করে করোনা সনাক্ত হয়েছেন আরো ১৩ জন। এ নিয়ে উপজেলায় মোট কোভিড সনাক্ত রোগির সংখ্যা দাড়ালো ৬৩ জনে। মঙ্গলবার ৭ জুলাই দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: অসিম কুমার সমাদ্দার।
জেলায় করোনার হট ষ্পট ফকিরহাটে এ পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুবরন করেছে একজন ডাক্তার ও একজন চা-দোকানী সহ দুজন।করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরন করেছেন একজন।আক্রান্ত রোগীদের মধ্য থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন।
ডা: অসীম কুমার সমাদ্দার আরো জানিয়েছেন,উপসর্গ থাকায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় ফকিরহাট উপজেলায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে চব্বিশ জনের। সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সচেতনতাই পারে ফকিরহাটকে কোভিড করোনা সংক্রমন থেকে রক্ষা করতে বলে তিনি মনে করেন।
রামপালে বেহাল দশায় শোলাকুড়া দক্ষিনপাড়া সংযোগ সড়ক : ভোগান্তিতে কয়েক হাজার গ্রামবাসী
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপালের শোলাকুড়া দক্ষিনপাড়া সংযোগ সড়কটির বেহাল দশায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একদিকে সদ্য খননকৃত রেকর্ডিয় খালে ভাঙ্গন অপরদিকে লাগাতর বৃষ্টির কারনে রাস্তার অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। আর শোলাকুড়া দক্ষিন পাড়ায় যাবার একমাত্র এই সংযোগ রাস্তার কারনে বিপাকে পড়েছে কয়েক হাজার গ্রামবাসী।
সরেজমিনে দেখাগেছে, রামপালের গিলাতলা মেইন রোড এর দেয়ালডাঙ্গা সংলগ্ন তেতুলতলা এলাকা থেকে প্রায় ৩/৪ কিঃমিঃ ভিতরে বাইনতলা ইউনিয়নে অবস্থিত শোলাকুড়া দক্ষিনপাড়া গ্রাম। কয়েক হাজার গ্রামবাসীর জন্য এই একটি মাত্র সংযোগ রাস্তা। গ্রামবাসীরা জানান, অন্য সব জায়গাতে উন্নয়নের ছোয়া লাগলেও এই রাস্তাটির উন্নয়ন কখনই হয়নি। গ্রামবাসীরা নিজস্ব উদ্যোগে অনেক আগে ইটের সোলিং করেছিলো। তবে কালক্রমে তা নষ্ট হয়ে গেছে। তার উপর সদ্য খনন করা রেকর্ডিয় খালে ভাঙ্গনের কারনে রাস্তার কিছু, কিছু স্থানের অনেকাংশই নদীগর্ভে বিলীন। এখন একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাটুজল আর কাদা মাখামাখি হয়ে যায়। রাস্তার অনেক অংশই এখনও পানির নিচে তলিয়ে আছে। লোকজন বাজার সদয় ও পানি নিয়ে সেখান ঝুঁকিপূর্নভাবে চলাফেরা করছেন। রাস্তার ঠিক মধ্যভাগে এমনভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে যে জোয়ারের সময় রাস্তার ওই অংশ সম্পূর্ন ডুবে যায়। তখন সেখানে পারাপারের একমাত্র মাধ্যম একটি নৌকায় পার হতে হয়। এমনিতেই প্রাকৃতিক দূর্যোগের সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধে টিকে থাকতে হয় সুন্দরবনের উপকূলবর্তী রামপালের বাসিন্দাদের। সম্প্রতি ঘূর্নিঝড় আমফানেও এখানে পানির স্তর বেড় বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছিলো। যারা এই এলাকার দিনমজুর ভ্যানচালক এই রাস্তাটি তাদের কাছে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাড়িয়েছে।
মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, এই গ্রামে ৩/৪ হাজার লোকের বাস, আমাদের এখান থেকে খানিকটা দুরে সপ্তাহে বাজার বসে। এই রাস্তার কারনে আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার করে চলাচলে ব্যাপক সমস্যা হয়। মসজিদ, মাদ্রাসা বিদ্যালয়ে যাতায়েত করতে এবং পানি আনতে গেলে আমাদের একরকম পানিতে সাতার কেটে যাওয়া লাগে। তিনি দ্রুত এই রাস্তাটির বাস্তবায়নের জন্য কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ওই এলাকার প্রাথমিক স্কুল পড়–ুয়া একাধিক শিক্ষার্থী জানান, এই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে গেলে তাদের একপ্রকার ভিজে যাওয়া লাগে। রাস্তাটির সংস্কারের দাবী জানান তারা।
এছাড়া শেখ আবু তাহের, ইসমাইল হোসেন, তৈয়েব, মোসলেম মল্লিক, আনিছ মল্লিক, আবু হান্নান সহ আরো ২০/৩০ গ্রামবাসী বলেন, রাস্তার কারনে মহিলারা একরকম বাড়ি থেকে বের হতে পারেনা। বর্ষাকালে এলাকার ছেলে-মেয়েরা স্কুল কলেজে যাতায়েত করতে পারে না। রাস্তাটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য রামপালের সংসদ সদস্য ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন পরিবেশ ও জলবায়ু উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তারা।
রাস্তার বেহাল দশায় বিষয়টি নিয়ে বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই রাস্তাটির ব্যাপারে আমি নিজে অবগত আছি এবং কয়েকবার পরিদর্শনে গিয়েছি। তবে এই রাস্তার জন্য যে ফান্ড প্রয়োজন তা আমার ইউনিয়ন পরিষদের নেই। বিষয়টি আমি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আঃ খালেক ও বন পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার মহোদয়কে অবগত করেছি। আপাতত চলার জন্য যদি কোনো ফান্ড লাগে তাও আমি ব্যাক্তিগতভাবে দেয়ার কথা বলেছি। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদে এই রাস্তার জন্য কোনো ফান্ড নেই। আমি রাস্তার জন্য সর্বাতœক চেষ্টা করবো।
রামপাল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ গোলজার হোসেন জানান, এই মূহূর্তে আমাদের রানিং কোনো প্রকল্প নেই। যদি প্রকল্প আসে তখন আমরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে এই রাস্তাটি করে দিতে পারবো। আপাতত উপজেলা পরিষদ থেকে সেখানে ইট সোলিং রাস্তা করা যেতে পারে।
সূরের যাদুকর এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুতে চিতলমারীর ইউএনও’র শোক
চিতলমারী প্রতিনিধি
অধুনিক বাংলা গানের কিংবদন্তি সূরের যাদুকর এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মারুফুল আলম।এক বিবৃতিতে মো: মারুফুল আলম বলেন ,আধুনিক বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্প ও সূরের যাদুকর কে হারানোর ফলে বাংলা গানের জগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো তা পুরন করার নয়। তিনি গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে গুণী এই শিল্পীর আত্মার শান্তি কামনা করেন।
প্রসঙ্গ ইউএনও মো: মারুফুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়ন কালে এন্ড্রু কিশোরের বিখ্যাত জীবনের গল্প আছেবাকি অল্প; হায়রে মানুষ রঙ্গিন ফানুষ, ডাক দিয়েছেন দয়াল আমওে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি.আমার বাবার মুকের মধ্যেখানে,ভেঙ্গেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানাসহ অশঙ্খ গান গুলি গেয়ে শুনাম অর্জন করেন। সূরের যাদুকর এন্ড্রু কিশোরের বিখ্যাত এই গানগুলি গাওয়ার জন্য দেশের প্রশাসন ক্যাডারে তার সুনাম রয়েছে। অনুরুপ বিবৃতি দিয়েছেন চিতলমারী উপজেলা প্রেসকাব। বিবৃতি দতারা হলেন প্রেসকাবের সভাপতি পংকজ মন্ডল, সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাফা, সাবেক সভাপতি এস এস সাগর, সাধারন সম্পাদক শেখর ভক্ত, সাংবাদিক প্রদীপ মন্ডল, কপিল ঘোষ, তাওহীদুর রহমান বাবু, দেবাশীষ বিশ্বাস, পংকজ রায়, টিটব বিশ্বাস,কামরুজ্জামান প্রমুখ।
কেশবপুরে বিরোধপূর্ণ জমির দখল নিয়ে দু- গ্রুপের মধ্যে টানটান উত্তেজনা : পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
আলমগীর হোসেন, কেশবপুর
যশোরের কেশবপুরে বিরোধপূর্ন ৬৬ শতক জমির দখল নিয়ে আব্দুল কাদের গং ও বিশ্বনাথ হালদার গংদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় উভয়য়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করছে। এঘটনায় আদালতসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাল্টা-পাল্টি মামলা ও অভিযোগ হয়েছে। উপজেলার মাগুরখালি গ্রামের সাজ্জাত আলী খাঁর ছেলে আব্দুল কাদের খাঁ তার মামলায় উল্লেখ করেন, কেশবপুর থানার আন্তর্গত ১১৪ নং ঘাঘা মৌজার সাবেক ৪৩৫ ও ৬১৩ দাগের ৬৬ শতকসহ মোট ১০৭ শতক জমি তার পরিবার বংশানুক্রমে প্রায় শত বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছে। সম্প্রতি জানতে পারে যে,উল্লেখিত দাগের ৬৬ শতক জমি ভ্রামাত্বকভাবে শ্বশ্মানের নামে রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু উক্ত স্থানে কখনো শ্বশ্মান এর অস্থিত্ব ছিল না এবং বর্তমানে সেখানে শ্বশ্মানের কোন চিহ্ন নেই। উক্ত দখলীয় সম্পত্তির দখল নিতে প্রতিপক্ষ বিশ্বনাথ হালদার তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তাকেসহ তার পরিবারের লোকজনদেরকে বিভন্নভাবে হুমকী প্রদান করায় তিনি গত ৯ মার্চ-২০ তারিখ বিশ্বনাথ হালদারকে ১ নং আসামী করে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে যশোর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করে। যার নং-দেওয়ানী ২৯/২০।
অপর দিকে একই গ্রামের বিনয় কৃষ্ণ হালদারের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য বিশ্বনাথ হালদার তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, উল্লেখিত মৌজার ৬১৩ দাগের ৬৬শতক জমি পূর্ব থেকেই শ্বশ্মানের নামে বিদ্যমান ছিল। যা ‘শাপলা মহাশ্বশ্মান’ হিসেবে আজও পরিচিত। তাছাড়া আর এস চুড়ান্ত ১ নং খতিয়ানে আর এস-৮৭০ নং দাগে শ্রেনী শ্বশ্মান হিসেবে উক্ত জমি চুড়ান্তভাবে প্রকাশিত রয়েছে। উক্ত শ্বশ্মানের জমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার প্রভাবশালী কাদের ও তার পিতা সাজ্জাদ আলী খাঁ ভোগ দখলের মোহে শ্বশ্মানের স্মৃতি নিঃচিহ্ন পূর্বক জোর করে দখলে রেখেছে। এমনকি তাদের দখলে থাকা ঐ ৬৬ শতক জমির কোন বৈধ কাগজ পত্র নেই।
এদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা উক্ত শ্বশ্মানের জমিতে গেলে কাদের গং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাননাশের হুমকী প্রদান করছে। তাছাড়া শ্বশ্মান উদ্ধারকারী নেতাদের বিরুদ্ধে তারা একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা দিচ্ছেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সৎকারের জন্য উক্ত শ্বশ্মানের জমি কাদের গংদের কবল থেকে দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিশ্বনাথ হালদার বাদী হয়ে গত ২৫ জুন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেছে। স্থানীয় শ্বশ্মানের অনতিদূরে বসবাসকারী হদ গ্রামের আসমানতুল্য বিশ্বাসের পুত্র ৯২ বছর বয়সী আমজাদ হোসেন বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে বৃদ্ধ বলেন, ঐ স্থানে আমি জীবনে কখনো কারো পোড়াতে দেখিনি। তবে জায়গাটা একটু উচু থাকায় ‘ভাগাড়’ নামক ঐ স্থানে এলাকাবাসী মরা গরু-ছাগল ফেলতো। কখনো মৃত শিশু ভূমিষ্ট হলে হাড়িভরে পুতে রেখে যাওয়ার কথা শুনেছি ও দেখেছি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে উক্ত ৬৬ শতক জমির দখল-বে-দখল নিয়ে কাদের খাঁ ও বিশ্বনাথ হালদার দু‘গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় উক্ত জমির দখল নিয়ে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে।
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে কেশবপুরে বৃক্ষরোপণ
কেশবপুর প্রতিনিধি :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সারাদেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও প্রদান কর্মসূচির অংশ হিসাবে যশোরের কেশবপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা কৃষকলীগের যৌথ উদ্যোগেবৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানার তও¡াবধানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসাবে আটন্ডা-শ্রীফলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বনজ, ভেষজ ও ফলজ বৃক্ষ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণকালে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা কৃষকলীগের সাধারণ স¤পাদক এডভোকেট মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক স¤পাদক আসাদুজ্জামান, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ হাসান, সাধারণ স¤পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত, কৃষি স¤পসারণ কর্মকর্তা মনির হোসেন, আটন্ডা-শ্রীফলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পপি রাণী বিশ্বাস, সহকারি কৃষি উপপরিচালক অনাথ বন্ধু দাস প্রমুখ।
ইন্দুরকানীতে রাস্তার সরকারী গাছ বিক্রির অভিযোগ
ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধি ঃ
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে রাস্তার সরকারী গাছ বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রাম বাসীর পক্ষে মো. আলী আজিম জেলা প্রশাসক সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই গাছ বিক্রির সাথে জড়িত রয়েছে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা বন কর্মকর্তা অনুপ মিস্ত্রী ও স্থানীয় মোতালেব খানের পুত্র রাজীব খান।
গত ৫ জুলাই দেয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে ও স্থাণীয়দের দেয়া তথ্য মতে জানা গেছে, রাজিব খানের বাড়ির সামনে থেকে খেজুরতলা বাজার পর্যন্ত রাস্তার দেড় কি.মি. রাস্তার দুই পাশের সরকারী গাছ ঘুর্নিঝড় বুলবুল ও আম্ফানের আঘাতে কাত হয়ে পড়ে। ওই সব গাছ বনবিভাগের উদ্যোগে কেটে তা ওই রাজিব খানের কাছে জিম্মা রাখেন বন বিভাগ। উপজেলা বন প্রহরী অনুপ মিস্ত্রির জোগ সাজসে রজিব খান স্থানীয় লোকের কাছে ওই সব গাছ বিক্রি করেন। স্থানীয়রা আরো বলেন,ঘুর্ণিঝড় বুলবুলে পরে কাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ একাধিক জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া সত্বেও রাজিব খনের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ।
ওই সব গাছের কিছু অংশ ক্রয় করা আ: ছত্তার জানান, তিনি রাজীব খানের কাছ থেকে ওই গাছের ৪ পিচ ক্রয় করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রাজিব খান ও বন প্রহরী অনুপ মিস্ত্রি তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন। রাজিব খান বলেন,আমার বিরুদ্ধে গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। পরে যাওয়া গাছ আমার জিম্মায় আছে। আর বন প্রহরী অনুপ মিস্ত্রি বলেন, ওই গাছ স্থানীয় রাজীব খানের কাছে জিম্মা রাখা হয়েছে। ওই গাছ তার কাছ থেকেই বুঝে নেয়া হবে।
উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, ঘুর্ণিঝড় বুলবুল ও আম্ফানে পরে যাওয়া গাছ রাজিব খানের জিম্মায় রাখা হয়েছে । গাছ বিক্রির করার অভিযোগ শুনছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মাদ আল মুজাহিদ জানান, সরকারি গাছ বিক্রির একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইন্দুরকানীতে ১২টি কমিউনিটি কিনিকের ল্যাপটপ নস্ট এক বছর যাবত
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার ১২টি কমিউনিটি কিনিকের ল্যাপটপ এক বছর যাবত নস্ট রয়েছে। আর এ জন্য ল্যাপটপে সিসি গুলোর স্বাস্থ্য সেবার তথ্য সংরক্ষণ এবং অনলাইনে নিয়মিত রিপোর্টিং করতে না পারায় ভোগান্তিতে রয়েছে কমিউনিটি কিনিকে কর্মরত সিএইচসিপিরা।
জানা যায়, ২০০৯ সালে বর্তমান আ.লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকা কমিউনিটি কিনিক গুলো পুন:রুজ্জীবিত করতে ২০১১ সালের শেষের দিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবার জন্য এসব কমিউনিটি কিনিক গুলোতে আগত রোগীদের জন্য ২৯ ধরনের ফ্রি ঔষধ প্রদান করা সহ একজন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগ দেন। এরপর পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য বান্ধব সরকার কমিউনিটি কিনিকের সেবা কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন করতে অনলাইনে নিয়মিত রিপোর্টিং এর জন্য কমিউনিটি কিনিক প্রকল্প এর আওতায় এদের হাতে সিবিএইচসি কার্যালয় থেকে ইন্টারনেট সংযোগ সহ একটি করে ল্যাপটপ প্রদান করেন। কিন্তু এ উপজেলার বর্তমানে চালুকৃত ১২টি কমিউনিটি কিনিকের সব গুলোতেই গত এক বছর যাবত ব্যবহারকৃত ল্যাপটপ গুলো নস্ট রয়েছে। অকেজো হওয়ায় এসব ল্যাপটপ গুলো এক বছর আগে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরে জমা দিয়েছেন। অথচ সিএইচসিপিদের অনলাইনে কমিউনিটি কিনিকের স্বাস্থ্য সেবার দৈনন্দিন ও মাসিক রিপোর্টং করতে হয় ল্যাপটপ দিয়ে। কিন্তু সিসি গুলোতে ল্যাপটপ না থাকায় সিএইচসিপিদের আশপাশের বন্ধু বান্ধব কিংবা স্থানীয় হাট বাজারে গিয়ে অন্যের কম্পিউটারে স্বাস্থ্যসেবার অনলাইন রিপোর্টং করতে হচ্ছে। অনেক সময় নিয়মিত রিপোর্ট দিতে না পারায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে কর্মরত এসব সিএইচসিপিদের। আর এ কারনে এ উপজেলার বর্তমানে স্বাস্থ্য সেবার অনলাইন রিপোর্টিং এর পারফরমেন্সও খারাপ হচ্ছে।
মধ্য বালিপাড়া কমিউনিটি কিনিকের সিএইচসিপি মাসুদ রানা বলেন, আমাদের এ উপজেলার সব গুলো কিনিকের ল্যাপটপ বর্তমানে নস্ট রয়েছে। দীর্ঘ এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত অফিসিয়াল কাজের জন্য নতুন ল্যাপটপ হাতে না পাওয়ায় চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছি আমরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা: আমিন-উল ইসলাম জানান, আমি কয়েক মাস আগে এখানে এসেছি। তাই সিএইচসিপিদের ল্যাপটপের এ সমস্যার বিষয়টি আমার ভাল জানা নেই। তবে সিএইচসিপিরা যাতে দ্রুত ল্যাপটপ গুলো হাতে পেতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ সভাপতির ইন্তেকাল
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের শিরোমণি ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ আগা খান ৭ জুলাই বেলা ১১টায় শ^াস কষ্টজনিত কারনে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালি………রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি ৩ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার ইশাবাদ শিরোমণি পূর্বপাড়া বাইতুল আকসা জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত ও শোক শন্তপ্ত পরিবাওে প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মনি, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি এসএ রহমান বাবুল, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম শুকুর, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্যা আইউব হোসেন, মিনা মুরাদ হোসেন,মোঃ জাহিদুল ইসলাম, শেখ আব্দুস সালাম, শেখ হাসিবুল হাসান, মোল্যা সোলায়মান, শেখ নাসির উদ্দিন, শেখ সেলিম, আলহাজ¦ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম, মীর শ্হাজাহান আলী, মোঃ ফরহাদ হোসেন মোক্তার বিশ^াস,আনোয়র হোসেন, বিল্লাল হোসেন, শেখ কওসার আলী, কাজী হাফিজুর রহমান, ফকরুল ইসলাম, মারুফ হোসেন, খয়বার হোসেন, মোঃ বাসার হোসেন, মিয়া রফিকুল ইসলাম, মিয়া এমলাক হোসেন, সরদার নজরুল ইসলাম, রুহুল আমিন, বাবর আলী প্রমুখ।
পাইকগাছা প্রেসকাবের সাংবাদিকদের মাঝে ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলমের পক্ষে পিপিই ও মাস্ক বিতরণ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ঝুঁকি জেনেও সাংবাদিকবৃন্দ দেশ ও জনগনের কল্যাণে তথ্য সংগ্রহ করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সাংবাদিক হচ্ছে সমাজের দর্পন। তারা দ্বায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থেকেছেন সর্বময়। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য উপকরণ দিয়ে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর আলম। মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা প্রেসকাব মিলনাতনে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণে সভাপতিত্ব করেন পাইকগাছা প্রেসকাবের সভাপতি এ্যাড. এফএমএ রাজ্জাক। এসময়ে জেলা আ’লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম এর পক্ষে প্রেসকাবের সকল সাংবাদিকদের পিপিই, মাস্কসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকরণ তুলেদেন জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ জহুরুল হক বাচ্চু। স্বাস্থ্য উপকরণ প্রদানের সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য সচিব মোঃ ময়নুল ইসলাম সহ সকল সাংবাদিকবৃন্দ।
বাগেরহাটে শহীদ মিনার চত্বর যেন পানি ভর্তি পুকুর ডেঙ্গু প্রজননের আশংঙ্কা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাংলাদেশের যে সকল বীর বাঙ্গালী মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীর মিনার বানানো হয়েছ্্্।ে চিতলমারীর ভাষা শহীদের সৃষিÍ সুরক্ষা অভাবে বেহাল দশা । দেখার যেন কেউ নেই। সদরের প্রধান শহীদ মিনার চত্বর বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধ হয়ে আছে। এখানে ডেঙ্গু মশা প্রজনন হতে পারে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী। প্রতিনিয়ত ডাকছে ব্যাঙ। ময়লাযুক্ত পানিতে বিচরণ করছে নানা পোকা-মাকড়। জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনে উপজেলা প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনকালে স্তানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শহীদ মিনার চত্বরের তুলনায় পাশে নির্মাণাধীন চিতলমারী-বাগেরহাট প্রধান সড়কের উচ্চতা প্রায় দেড় ফুট বেশি। যার ফলে বৃষ্টি হলে এখানে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই।
পানি না শুকানো পর্যন্ত ওই জলাবদ্ধতায় নানা ধরণের পোকামাকড়ের জন্ম হয়। বিভিন্ন প্রজাতির মশাও দেখা যায়। গত বছর ডেঙ্গু মশার প্রকোপ বেড়ে স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা বলেন, সড়কের নিচ থেকে কয়েকটি পাইপ দিয়ে জলাবদ্ধতা পানি পাশের পুকুর কিংবা নদীতে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম বলেন, মহামারী করোনা মোকাবেলার জরুরী পরিস্থিতি শিথিল হলেই এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।
রূপসায় দুর্বৃত্ত কর্তৃক সবজি ক্ষেত বিনষ্ট করায় সর্বশান্ত হয়েছে কৃষক
রূপসা প্রতিনিধি
রূপসা উপজেলয় এক কৃষকের ৬০ শতাংশ জমির উপর রোপনকৃত সবজি ক্ষেত কেটে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি সাধন করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানাগেছে, উত্তর খাজাডাঙ্গা গ্রামের সৈয়দ শেখের পুত্র শহিদুল শেখ (৪৫) তার নিজ জমিতে কুশি ও বরবটি সীম সহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করে তার জীবিকা নির্বাহ করে। গত ৭ জুলাই ভোর রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জনৈক আসাদ ও ইয়ার আলী তার ক্ষেতের সমস্ত সবজি গাছের গোড়া কেটে ফেলে। এতে দুর্বৃত্তরা ১ হাজার ফলন্ত কুশি গাছ ও ১০ হাজার পিস সিমের চারা কেটে বিনষ্ট করে। সবজি ক্ষেত বিনষ্ট করায় ভুক্তভোগী সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে।











































