Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

49

বাগেরহাট-৩ আসনে নৌকার বিপরীতে ইউপি চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যানরা  একাট্টা

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-০৩ আসনের (মোংলা-রামপাল) স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারাদারের ঈগল প্রতীককে জেতাতে মোংলা ও রামপাল উপজেলার ১৬জন ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে ১০জনই নৌকা প্রতীকের বিপরীতে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের  হেভিওয়েট প্রার্থী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর বিপরীতে এদলেরই বেশির ভাগ জনপ্রতিনিধি এবং নেতারা মাঠে নামায় স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। রবিবার (৩১ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পেড়িখালী বাজারের ঈগল প্রতীকের এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী এ সভায় মোংলা-রামপালের ১০জন ইউপি চেয়ারম্যান, মোংলা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা পরিষদ সদস্যসহ দুই উপজেলার আওয়ামী লীগসহ তার সকল সহযোগী সংগঠনের বেশিসংখ্যক বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এক হয়েছেন।

 

রামপালের পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার রফিকুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে ও রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ সাদীর সঞ্চালনায় এ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন বাগেরহাট-০৩ (মোংলা-রামপাল) আসনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বর্তমান বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী ইজারাদার।

ঈগল প্রতীকের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ মোঃ আবু সাইদ, মোংলা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদ সদস্য জলিল শিকদার, রামপাল সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাসির  উদ্দিন, বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড, ভোজপাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তরফদার মাহফুজুল হক টুকু, গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান রাজিব সরদার, মোংলার মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান উৎপল বিশ্বাস, রামপাল উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হামিম নূরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার হাফিজুর রহমান, রামপাল উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, মোংলা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পীযুষ মজুমদার, রামপাল উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরদার বোরহান উদ্দিন ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ফকির রবিউল ইসলাম।

 

পথসভায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী  ইদ্রিস আলী ইজারদার বলেন, পেড়িখালী আমার জন্মস্থান ও শ্বশুর বাড়ী এলাকা। আমি এ এলাকারই সন্তান, তাই আমি ৭জানুয়ারী আপনাদের সকলের ভোট পাওয়ার দাবী রাখি। আমি নির্বাচিত হলে সর্বদাই আপনার পাশে থাকবো, উন্নয়ন করবো। আর না হলেও আমাকে আপনারা পাশেই পাবেন। এ সময় পথসভায় উপস্থিত হাজার হাজার নারী-পুরুষ হা নেড়ে তাকে ভোট দিতে সমর্থন জানান।

 

 

জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক গাউসুল আযম এর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

রবিবার আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী জননেতা অধ্যাপক গাউসুল আযম নির্বাচনী প্রচারনা উপলক্ষে নগরীর ১৯ নংওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা, হোটেল আলীশান মোড়, বয়রা আন্দির পাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। তিনি খুলনা-২ আসনের আপামোর জনসাধারণকে নববর্ষের শুভে”ছা জানিয়ে সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মোঃ এরশাদ এর লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান। এসময় অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপ¯ি’ত ছিলেন শেখ নাজমুল কবির সাদি, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ রজব আলী, মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ আসলাম, মোঃ শহিদুল, মোঃ সিরাজ হোসেন, মোঃ রাজু, মামুন শিকদার, আহসান শেখ, শাহজাহান আলী সাজু, গাজী খোকন, শহিদুল ইসলাম, রহমত আলী, মোঃ রানা প্রমুখ।

 

রূপসায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নির্বাচনী  মতবিনিময় সভা

রূপসা প্রতিনিধি

খুলনা-৪ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের  নরনিয়া বিলমৌভোগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক এমএম আসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শ্যামল কুমার দাস,ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,ছাগলাদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দীন ইসলাম,আওয়ামীলীগ নেতা সাখাওয়াত মোল্যা,সোহরাব হোসেন  মোল্যা।

আওয়ামীলীগ নেতা মজনু মিনার পরিচালনায় বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগ নেতা মনোয়ার হোসেন মোল্যা, আজাদ মিনা,আল ইমরান মজনু,ইমরান মোল্যা,আবু সালেহ,রাসেল আহম্মেদ,খান সেলিম,খোকন মন্ডল, বিনোদীনি পাল, আজিজুল ইসলাম,ইমরান মোল্যা,মিঠু মুন্সী,সামসুল আলম বাবু,ইরান মোল্যা,আঃ করিম শেখ,মিনা আজাদ প্রমূখ।

 

কেশবপুরে মির্জাপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুরে মির্জাপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ২০২৩ সালের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান রবিবার সকালে  অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম সরদার এর সভাপতিত্বে ও মাষ্টার আব্দুস সালামের পরিচালনায় মাদ্রাসার হল রুমে ফলাফল প্রকাশ ও পুরুষ্কার বিতরণ  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সুপার মাওলানা খলিলুর রহমান, সহ সুপার হাফেজ  মাওলানা ফারুক হুসাইন, সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, মাওলানা আসাদুজ্জামান, মাষ্টার শাহিন রেজা, মোঃ নুরুন্নবী, শরিফুল বারী, মাওলানা মাহবুর রহমান,  মাওলানা  আবুল কাসেম, নিশিৎ মন্ডল,আফসার হোসেন,ফারজানা ইয়াসমিন, রিজিযা খাতুন, রেজাউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল হাই ছিদ্দিক প্রমুখ।  এ সময় প্রথম শ্রেনী থেকে ১০ শ্রেনী পর্যন্ত প্রতি ক্লাসের ১-২-৩ রেজাল করা ছাত্র- ছাত্রীদের পুরুষ্কৃত করা হয়। তা ছাড়াও সকল ছাত্র -ছাত্রীদেরকে সান্তনা পুরুষ্কার দেওয়া হয়েছে।

 

“বাংলাদেশের বিজয় দিবস, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ খুলনা বিভাগ এর আয়োজনে “বাংলাদেশের বিজয় দিবস, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর রবিবার দুপুর ১২টায় সোনাডাঙ্গাস্থ আইইবি ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল , বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডি এ বাবুল রানা, খুলনা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল্লাহ পিইঞ্জ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, প্রকৌশলী কাজী খাইরুল বাশার। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ খুলনা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী এমডি কামাল উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. প্রকৌশলী সোবহান মিয়া ও প্রকৌশলী মোঃ মাহমুদুল হাসান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কুয়েট, খুবি, ওজোপাডিকো, পিডিবি, এলজিইডি, খুলনা ওয়াসাসহ খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন প্রকৌশলী নিবির মন্ডল, প্রকৌশলী ইলোরা নাহিদ, প্রকৌশলী ড. জুলফিকার হোসেন, প্রকৌশলী হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ, প্রকৌশলী রাফিজুল ইসলাম, প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান, প্রকৌশলী মাহফুজুর দারাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায় প্রমূখ।

 

 

আমি নির্বাচিত হতে পারলে জনকল্যাণে নিবেদিত হয়ে কাজ করবো: দোলন

কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে নির্বাচনী বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এসএম আতাউল হক দোলন।রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় চৌমুহনী হাইস্কুলের মাঠে ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নুরুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক নিরঞ্জন কুমার পাল বাচ্ছু’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম শফিউল আযম লেলিন, শ্যামনগর উপজেলা আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী আনিছুর রহমান।কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী।

 

কালিগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মাষ্টার নরিম আলী মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হোসেন ছোট, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নাজমুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আ’লীগের নেতা শেখ আব্দুল্লাহ। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এজাজ আহম্মেদ স্বপন, উপদেষ্টা মাসুদা খানম মেধা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী ঘোষ, ভুরুলিয়া চেয়ারম্যান একেএম জাফরুল আলম বাবু, মথুরেশপুর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিমসহ চেয়ারম্যানবৃন্দ, আ’লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার নেতাকর্মী। বিশাল জনসভায় বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন আমি আপনাদের দেওয়া ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়েছি। সাতই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর প্রতীক নৌকায় আপনার মূল্যবান ভোট দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে ভূমিকা রাখবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে চরেছেন। দেশী এবং বিদেশি চক্রান্তকে রুখেদিয়ে তিনি পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেলসহ বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রূপান্তর করতে কাজ করছে। এসময়ে তিনি আরও বলেন সাতক্ষীরা ৪ আসনে ২০ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে কালিগঞ্জ অংশের ৮ টি ইউনিয়নকে আমি নির্বাচিত হতে পারলে বেশি অবদান রাখবো।বিগত সংসদরা যে ভূলটা করে ৮টি ইউনিয়নকে বঞ্চিত করেছে, আমি সেইটা মাথায় রেখেই কাজ করবো। গোয়েন্দা সংস্থা, মিডিয়া কর্মিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী এইচ এম গোলাম রেজা প্রতিনিয়ত আচারণবিধি লঙ্ঘন করেই চলেছে। আপনারা কলমের মাধ্যমে অপপ্রচার ও আচারণ বিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কলম ধরবেন আশাকরি।পরিশেষে বলি জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীক দিয়েছেন এই জনপদে উন্নয়নের লক্ষে। সুতারং সকলকে আমার প্রাণের প্রতীক নৌকায় আপনার মূল্যবান ভোটটি দিয়ে এই জনপদের উন্নয়নে অবদান রাখতে সচেষ্ট থাকব জয়বাংলা। প্রতিপক্ষ আমার ও আমার পরিবারের পাশাপাশি বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি এবং নেতাকর্মী সমর্থকদের নানান হুমকী ধমকী দিয়ে নির্বাচনী আচারণ বিধি লঙ্ঘন করেই চলেছে। আমি তাদের হীনমন্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। উক্ত জনসভায় নৌকার শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে তোলেন বর্ষিয়ান আ’লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ রিয়াজ উদ্দিন সমর্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মী।

 

আজ সাংবাদিকদের সাথে শেখ জুয়েল এর মতবিনিময়

খবর বিজ্ঞপ্তি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল আজ ১ জানুয়ারি সোমবার রাত ৮ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের শহীদ শেখ আবু নাসের ব্যাংকুয়েট হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন।

 

খুলনায় কর্মরত সকল সাংবাদিককে উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত থাকার জন্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

 

পাইকগাছায় জমি ক্রায় করে বিপাকে পড়েছে ক্রেতা: দখল পাল্টা দখল হামলা মামলা

পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি:

পাইকগাছায় জমি ক্রায় করে বিপাকে পড়েছে ক্রেতা। এ নিয়ে দখল পাল্টা দখল হামলা মামলার ঘটনা ঘটেছে। জানাগেছে উপজেলার শ্যমনগর গ্রামের মোস্তাফা সরদার(৫০) গং সাথে গদাইপুরের সাত্তার সরদার(৫৫) এর জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। মোস্তাফা সরদার জানান, আব্দুস সাত্তার তার শাশুড়ি তারা বেগমের নিকট থেকে ভূল বুঝিয়ে ২৮ শতক জমি দানপত্র করে নেয়। পরবর্তিতে তারা বেগম জানতে পেরে দলীল বাতিল চেয়ে পাইকগাছা বিজ্ঞ সিনিয়র জজ আদালতে মামলা কেের। মামলা চলাকালী সময় ওই জমি তারা বেগম বোন কমলা বেগমের  নিকট কোবলা মুলে বিক্রি করে মৃত্যবরণ করে। মামলায় হেরে গিয়ে তারার ছেলে মেজবা খুলনা দায়রা জজ আদালতে মামলা করে। মামলায় সাত্তার ও তার স্ত্রী তসলিমার দানপত্র দলিল রোদ রহিত করে তারা বেগমের পক্ষে রায় দেয়। সে অনুযায়ী তার নিকট থেকে ক্রায় কৃত মালিক কমলার ওয়ারেশরা ভোগ দখল করে আসছে। ওই জমিতে আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী বহিরাগতদের নিয়ে জমি দখলের পাঁয়তারা করে এবং জমিতে থাকা ফসলাদি ক্ষয়ক্ষতি করে উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে কমলার ছেলে মোস্তাফা জান। এ বিষয় আব্দুস সাত্তার জানান, আমার শাশুড়ি আমাকে দানপত্র করে দিয়েছে। এ জমি নিয়ে মামলা চলছে মামলা যে পবে সেই নিবে। ওই জমিতে গেলে আমাদেরকে মারপিট করে আহত করেছে। সে করণে আমরা মামলা করেছি।

 

 

ফ্যাসিষ্ট আ’লীগ হীনস্বার্থে জনগনের সাথে যখন যেমন-তখন তেমনিই ব্যবহার করে

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের স্বার্থ নিসর্জন ও জনমত উপেক্ষা করে এহেন কর্ম নেই যা ক্ষমতালিপ্সু আওয়ামী লীগ করিনি বা করছে না। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে দেয়নি আওয়ামী লীগ। এবার বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দলবিহীন আওয়ামীলীগের সাজানো-পাতানো নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে নিতে ভোটারদের পা ধরছে; তবুও সাড়া মেলেনি। তাই ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে নেওয়ার চেষ্টা করছে আওয়ামীলীগ। লুটেরা আওয়ামী লীগের এক হাত থাকে জনগনের পায়ে, অন্য হাত গলায়-তাদের হীনস্বার্থে জনগনের সাথে যখন যেমন-তখন তেমন ব্যবহার করে। মাফিয়া সরকারের মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের নিয়ে পূর্বনির্ধারিত সাজানো-পাতানো নির্বাচনে ভোটের নামে এবারও জনগনের সাথে তামাশা করছে; অন্যদিকে, দেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে আওয়ামীলীগ। এবারের নির্বাচনে জনগনের পছন্দের প্রার্থী না থাকায় ভোট বর্জন করুন। দেশ রক্ষায় বিএনপি’র অসহযোগ আন্দোলনে সকলেই নিজ-নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়েছেন খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

গতকাল রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার শেষপ্রান্ত ও শহরের প্রবেশদ্বার গল্লামারী বাজার এলাকায় ভোটবর্জনে জনমতগঠন ও অসহযোগ আন্দোলনে কেন্দ্র ঘোষিত প্রচারপত্র বিতরণকালে বিএনপি নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক ও জেলা যুবদলের সভাপতি এসএম শামীম কবির, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ডাঃ আব্দুল মজিদ, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোল্লা সাইফুর রহমান, কয়রা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব নূরুল আমিন বাবুল, যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ শরিফুল  আলম ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. মঞ্জুর আলম নান্নু, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসএম মাছুম বিল্লাহ, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, জিএম শহিদুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোল্লা আইয়ুব হোসেন, হাবিবুর  রহমান বেলাল, বাহদুর মুন্সী, মফিজুল ইসলাম, মশিউর রহমান শফিক, গাজী শহীদুল ইসলাম, আনিচুর রহমান, কালাম লস্কর, আব্দুর রব আকুঞ্জি, শেখ ফারুখ, হেলাল উদ্দীন, ফিরোজ মাহমুদ, মিল্টন রায়, ইমরান খান, তানভীর আলম, জাকারিয়া, জাহিদুল ইসলাম, শফিক মোল্লা, বাদল, জাফর হাসান, ইস্রাইল বাবু, ইসমাইল খান, আবু দারদা, আরিফ শেখ, রায়হান, বিরেশ্বর, হুরায়রা বাদশা, আলামিন, বায়জিদ মামুন শেখ, নাইম, সাব্বির, ইয়াছিন, মাসুম বিল্লাহ, বেলাল হোসেন, সাদিক রানা, নাহিদ, ইয়াছিন ও তরিকুল প্রমুখ।

লিফলেট বিতরণকালে বিএনপি নেতৃবৃন্দ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সাজানো-পাতানো ডামি নির্বাচন উল্লেখ করে ভোট বর্জনের আহ্বান জানান। একই সাথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার যুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে সর্বাত্মক সমর্থন দিতে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।।

 

 

গাজী-গনি পরিষদ পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হওয়ায় খুলনা অঞ্চল জামায়াতে ইসলামীর অভিনন্দন

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে অবিসংবাদিত সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী সভাপতি ও বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী মহাসচিব এবং মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সহ-সভাপতি দৈনিক আমার দেশ এর ব্যুরো প্রধান এহতেশামুল হক শাওনসহ গাজী-গনি পরিষদ পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হওয়ায় খুলনা অঞ্চল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন-বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, টিম সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান ও মাস্টার শফিকুল আলম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতির বর্তমান এই দুর্দিনে সাংবাদিক সমাজ রুহুল আমিন গাজী ও কাদের গনি চৌধুরী পরিষদকে পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ী করায় সাংবাদিক সমাজকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। তাদের এ বিজয় চলমান একদলীয় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিক সমাজের ভূমিকা আরো বলিষ্ঠ ও বেগবান করবে।

জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে নবনির্বাচিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ দেশের গণমাধ্যমকে নির্যাতিত-নিপীড়ন মানুষের কণ্ঠস্বরের ঐতিহ্যে প্রত্যাবর্তনের সোচ্চার হবেন । দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টেলিভিশন, চ্যানেল ওয়ানসহ আওয়ামী রোষানলে বন্ধ সকল সকল গণমাধ্যম খুলতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে নবনির্বাচিত জাতীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে অগ্রণী ভুমিকা রাখার আহবান জানান।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত সাংবাদিক নেতাদের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া করেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাদের যোগ্যতাকে আরো বৃদ্ধি করুন, যাতে তারা সাংবাদিক সমাজ এবং দেশের আরো বেশি খেদমত করতে পারে ও জনগণের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

 

কথা থাকলেও আজ মোংলা-খুলনা রুটে যাত্রীবাহী রেল চলবে না

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

কথা ছিল নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মোংলা-খুলনা রুটে যাত্রীবাহী রেল চলবে। সেই হিসেবে রেল চলাচলের সময় সূচীও ঠিক হয়েছে যশোর থেকে ফুলতলা হয়ে প্রতিদিন দুইবার মোংলায় যাতায়াত করবে যাত্রীবাহী রেল। তাই জোরেশোরে চলেছিল শেষ সময়ের প্রস্তুতিও। নতুন এই রেলপথ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিল যাত্রীরাও। দ্রুত পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু বিধি বাম, কথা থাকলেও নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে এই রুটে বাজবেনা ট্রেনের হুইসেল। কবে নাগাদ ট্রেন চলবে তাও বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।

মোংলা-খুলনা রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক মোঃ আরিফুজ্জামান রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জানান, পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৪সালের ১লা জানুয়ারী থেকে খুলনা-মোংলা রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চলবেনা। কবে নাগাদ চলবে তার সঠিক দিনক্ষণও ঠিক হয়নি। তবে ট্রেন না চলার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার যথা সময়ে কাজ বুঝিয়ে দিতে না পারায় এখনই ট্রেন চলছে না।

 

জানা গেছে, মোংলা বন্দরের সঙ্গে রেল যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন সহজ করতে ২০১০সালে খুলনা-মোংলা রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। ২০১০সালে একনেকে অনুমোদন হলেও জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৬সালের সেপ্টেম্বরে। রেলপথ, রেলসেতুসহ মূল রেল লিংকিংয়ের কাজ শেষ হয় চলতি বছরের অক্টোবরে। ৯১কিলোমিটার রেলপথের পাশাপাশি রূপসা নদীর উপর ৫দশমিক ১৩কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু, ১১টি প্লাটফর্ম, ১০৭টি কালভার্ট, ৩১টি ছোট ব্রিজ ও ৯টি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।

 

নির্মাণ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১লা নভেম্বর ভার্চুয়ালী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এই রেলপথ। অপেক্ষা ছিল আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চালুর। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই এই পথে রেল চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। যশোর থেকে ফুলতলা হয়ে মোংলায় আসবে প্রতিদিন দুইটি ট্রেন। সহজ যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ায় নতুন এই রেলপথ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিল খুলনা, যশোর ও মোংলা অঞ্চলের যাত্রীরা।

 

মোংলা ইপিজেডে কাজ করেন খুলনা বয়রা এলাকার বাসিন্দা ওবায়দুল তিনি বলেন, এই রেলপথ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় ছিলাম। সকালে ট্রেনে ইপিজেড স্টেশনে নেমে কাজ শেষ করে আবারও ট্রেনে বাড়ী ফিরতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখনতো অনিশ্চিতয়তার মুখে পড়লাম। তিনি আরও বলেন, শুধু আমি না, আমার মতো আরও অনেকে খুলনা থেকে মোংলা বন্দর ও মোংলা ইপিজেডে কাজ করতে খুলনা থেকে মোংলায় যাতায়াত করেন। এতদিন ধরে আমাদের নানা দুর্ভোগে যাতায়াত করতে হয়।

 

মুরাদ হাওলাদার নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, নতুন রেলপথ আমাদের এই অঞ্চলের যোগাযোগে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করবে। এতে আমরা দারুণ খুশি ছিলাম। যাত্রা শুরুর প্রথম দিনেই আমি এই রেলে উঠতে চেয়েছিলাম।

 

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় সমিতির মহাসচিব অ্যাড. সাইফুল ইসলাম বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরুর বিষয়টি আমাদের জন্য দারুণ সুখবর ছিল। তবে ব্যবসায়ীরা অপেক্ষায় আছি এই পথে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের। আমাদের সাথে বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা যোগাযোগ করছেন এই পথ দিয়ে ভারতে পণ্য আমদানি-রফতানির জন্য। এই রেলপথের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে পণ্য আমদানি-রফতানি বাড়বে। আর তাতে এ অঞ্চলের অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

এদিকে রেল চলাচলের সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. আরিফুজ্জামান বলেন, মূল রেল লিংকিং কাজ আমরা আগেই সম্পন্ন করেছি। এখন শেষ দিকের কিছু কাজ বাকি। যেগুলো আমরা বলছি ফিনিসিং কাজ। এখন টেলিকিমিউনিকেশন ও সিগন্যালিংয়ের কিছু কাজ চলছে। যা দ্রুত শেষ হবে।

 

ভারত সরকারের ঋণ সহায়তা চুক্তির আওতায় ৪হাজার ২৬১কোটি টাকা ব্যয়ের এ রেলপথটি নির্মাণ করেছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এলঅ্যান্ডটি ও ইরকন ইন্টারন্যাশনাল।

 

নিজেরাই নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর অভিযোগ

কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুরে গণজোয়ার ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে নিজেরাই নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর নেতা-কর্মীদের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্র না আসতে পারে সেজন্যে নৌকা প্রতীকের নেতা কর্মীরা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। গত রোববার কেশবপুর প্রেসক্লাবে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্য পাঠাকালে আজিজুল ইসলাম বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯০ যশোর- ৬ (কেশবপুর) আসনে আমি দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমি এলাকার সন্তান হওয়ায় কেশবপুরে ঈগল প্রতীকের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অপারদিকে, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহীন চাকলাদার বহিরাগত হওয়ায় কেশবপুরবাসি তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। যেকারণে আমি তার পথের কাটা হয়েছি। আসন্ন নির্বাচনে নৌকার পরাজয় নিশ্চিত জেনে  আমার নেতা-কর্মীদের টার্গেট করে নির্বাচনী মাঠ থেকে দূরে রাখতে বর্তমান তিনি অপরাজনীতিসহ বিভিন্ন অপকৌশল নিয়ে মাঠে নেমেছেন। শান্ত কেশবপুরকে অশান্ত করতে যেকোন সময় তিনি অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিতে পারেন বলে আমি আশঙ্কা প্রকাশ করছি। নির্বাচনের শুরু থেকেই নৌকা প্রার্থীর লোকজন আমার কর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। ঈগল প্রতীকের গণজোয়ার ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে নিজেরাই নৌকার অফিস পুড়িয়ে সেই দায় আমার লোকদের ঘাড়ে চাপানোর বৃথা নাটক করে হয়রানি করা হচ্ছে। পৌর এলাকার বায়সা মোড়ের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাটি তার অপরাজনীতির বহি:প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, শাহীন চাকলাদারের নেতা-কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের ঘোষণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের ভোটের মাঠে না আসতে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। শাহীন চাকলাদারকে ভোট না দিলে কেন্দ্রে আসতে দেয়া হবে না বলেও হুমকি দেয়া হচ্ছে। যার অডিও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এব্যাপারে আমি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিয়েছেন। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের কারনে একজন সাংবাদিককে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে,আমি তার নিন্দা জানাই। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্নের দাবি জানিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর পৌরসভার কাউন্সিলর কবীর হোসেন, যুবলীগ নেতা টিপু সুলতান, আওয়ামীলীগ নেতা সামছুর গাজী, আব্দুল লতিফ,আব্দুস সালাম,মুজিবর রহমান,কামরুল ইসলামখন্দকার সোহরাব ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তরিকুল ইসলাম প্রমুখ। #

 

সেখ জুয়েলের পক্ষে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণসংযোগে শেখ রুবেল

খবর বিজ্ঞপ্তি

আওয়ামী লীগ মনোনীত খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের পক্ষে গণসংযোগ করেছে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ। গতকাল রবিবার সকাল ৯টা থেকে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাস্থ ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের সভাপতি এম এ নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল পরিচালনায় গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ এবং ভোট প্রার্থনা করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহণ মালিক গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ জালাল উদ্দিন রুবেল। গণসংযোগ নগরীর খলিল চেম্বার মোড় থেকে শুরু করে তেতুলতলার মোড়, গোবরচাকা মধ্যপাড়া, সাহাবাড়ির মোড়, নবীনগর. পল্লীমঙ্গল ও বসুপাড়া এলাকা হয়ে ডালমিল মোড়ে গিয়ে পথসভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এসময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ নৌকা প্রতিকের প্রার্থী সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের পক্ষে পথচারীদের মাঝে, রাস্তার পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণ এবং ভোট প্রার্থনা করেন। এতে অংশ নেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ রাজীব হোসাইন, বিজয় কুমার দে মিঠু, লিটন মাহমুদ, রবীন্দ্রনাথ ধর, মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, মোঃ রিপনুজ্জামান রিপন, মোঃ ইমরান হাওলাদার, মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল, মোঃ শাহরিয়ান নেওয়াজ রাব্বি, মোঃ রবিউল ইসলাম প্রিন্স, কাজী মোঃ জায়েনুর ইসলাম বাবু, গোলাম মাওলা টিংকু, শেখ রায়হান উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, ফাহিদ হোসেন ঐশ্বর্য, মোঃ কবির হোসেন, মোঃ ইমরান গাজী, শহিদুল ইসলাম, এ.কে.এম জান্নাতুল ফেরদৌস রুপম, মোঃ নাসির শেখ, মোঃ মারুফ হোসেন, শহিদুল ইসলাম রিপন, নিয়াজ মোরশেদ সৈকত, এস.এম দিদার, মোঃ আরিফুল ইসলাম রাসেল, মোঃ আল-আমিন হাওলাদার, মোঃ আবু হেনা, মোঃ হানিফ শেখ, মোঃ আলী সোহাগ, মোঃ মারুফ চৌধুরী রিমন, রাশেদুজ্জামান রুবেল, রাজিব হোসেন নীল, মোঃ আল-আমিন, শেখ সাহিদ, মোঃ জনি মোল্লা, রাজিব মোল্লা, রনি দাস, ফরহাদহোসেন,মোঃ মকবির,মোঃ মমুরাদ,মোঃ রুবেল,মোঃ রাজিব,মোঃ রিফাত, নয়ন, সাজু, রাসেল, সজল, রিদয়, মোঃ সহিদ, মোঃ লালু, রবীন দাশ, মোবারক খান সুমন, রায়হান চৌধুরী, দেবাশীষ, সোহাগ দাস, মোঃ ফারুখ, মোঃ মাসুম, রায়হান প্রমুখ;

 

রূপসায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম মোর্ত্তজা রশিদী দারার গনসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত

রূপসা প্রতিনিধি

খুলনা-৪ আসনে স্বতন্ত্র কেটলি প্রতীকের প্রার্থী এসএম মোর্ত্তজা রশিদী দারা দিনব্যাপী রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের নরনিয়া, বামনডাঙ্গা,শিয়ালী,গোয়ারা,ডোবা, নতুনদিয়া, বলটি, আলাইপুর সহ বিভিন্ন স্থানে গনসংযোগ ও পথসভা করেন।

 

এসময় বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা,রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি রকিব উদ্দীন,আওয়ামীলীগ নেতা গোপাল চন্দ্র মন্ডল,রবিউল ইসলাম ফকির,সাবেক ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাধন অধিকারী, রূপসা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবিএম কামরুজ্জামান,ঘাটভোগ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক চঞ্চল অধিকারী, সদস্য সচিব মোল্যা তাহিদুল ইসলাম,আওয়ামীলীগ নেত্রী মাধূরী সরকার,ইউপি সদস্য সমর কুমার মন্ডল,শফিকুল ইসলাম,রেশমা বেগম,আওয়ামীলীগ নেতা নিখিল মল্লিক, যুবলীগ নেতা মৃনাল সরকার,সুব্রত বাকচী,আবুল কালাম আজাদ,শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু,রতন মন্ডল,মুসা মোল্যা সবুজ,মিহির মুখার্জি,মনিরুল ফকির,রঞ্জু হালদার, দিবাংশু মালাকার মনি,মুরাদ মোল্যা,অলোক দাস,শিমূল দেবনাথ,হোসেন শেখ,নাহিদ শেখ,সোহেল রানা,মুরাদ শেখ,হাসান আলী,মেহেদী হাসান,প্রদীপ দাস,শাহিদুল মোল্যা,মোঃ মশিউর রহমান পান্না,মোস্তফা আরিফ,ডাঃ শাহাজান কবীর,জাহাঙ্গীর মোল্যা,ইকবাল শিকদার, খালেদ হোসেন প্রমূখ।

 

 

 

 

 

নিখোঁজের ১৪৩ দিন পর মিলল মা-মেয়ের খোঁজ

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়া থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৪ মাস ২৩ দিন পর মা-মেয়েকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে সাভার থানাধীন হেমায়েতপুর এলাকা থেকে মৌসুমী বেগম (২৮) ও তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে মারিয়াকে উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ,গত ৬ আগস্ট লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের মিঠাপুর বাজার থেকে মৌসুমী বেগম ও তার মেয়ে মারিয়া নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর পরিবারের লোকজনসহ আত্মীয়-স্বজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর মারিয়ার বাবা নূর ইসলাম লোহাগড়া থানায় একটি জিডি করেন।

 

দীর্ঘ প্রায় ৫ মাস পর শুক্রবার রাতে লোহাগড়া থানা পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে সাভার থানার হেমায়েতপুর এলাকা থেকে মৌসুমী বেগম ও মারিয়াকে উদ্ধার করে।

 

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, উদ্ধার হওয়া মৌসুমী বেগম ও তার মেয়ে মারিয়াকে তাদের অভিভাবক নূর ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

খুলনা-৪ আসনে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস স্বতন্ত্র প্রার্থী দারার

স্টাফ রিপোর্টার

উৎসব মুখর পরিবেশ নেই। প্রতিযোগিতা, প্রতিদ্বন্দিতা ও অংশগ্রহণমূলকের বালাই নেই। তাপ-উত্তাপ নেই। নির্বাচনি মাঠে মূলতঃ শাসক দল, সঙ্গে কিংস পার্টি। রাস্তার মধ্যে মাথার ওপরে টাঙানো পোস্টার প্রমাণ করছে দ্বাদশ নির্বাচন। জনগোষ্ঠী দুই ভাগে বিভক্ত। একপক্ষ নির্বাচনের দিকে। অন্যপক্ষ নির্বাচন থেকে দূরে লোকচক্ষুর অন্তরালে। শাসক দলের প্রার্থী দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নির্বাচনে নতুন মুখ, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী। তার পক্ষেই জনমত গড়ে উঠেছে।

এই চিত্র রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের শোলপুর থেকে শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দনপুর গ্রামের। গ্রামগুলো খুলনা-৪ আসনের।

 

ভৈরব নদের তীরে আইচগাতী আর আঠারোবেকী নদীর তীরে শ্রীফতলা ইউনিয়ন। শহরতলীর ইউনিয়ন দুটোই বিএনপি’র ঘাঁটি বলে খ্যাত। আইচগাতীতে পৈত্রিক ভিটে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুল বারি হেলালের। অদূরে মৈশাগুনিতে জন্ম ইসলামি আন্দোলনের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদের। তাদের ভোট ও সমর্থক হাতে গোনা নয়, ক্যালকুলেটরে গুণতে হয়।

 

 

এই আসনে শাসক দলের প্রার্থী খ্যাতিমান ফুটবল প্লেয়ার আবদুস সালাম মূর্শেদী। তিনি দশম (উপ-নির্বাচন) ও একাদশ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন। দেশের শীর্ষ শিল্পপতিদের একজন তিনি। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা। রাজনৈতিক পরিচয় তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের দর্শনে বিশ্বাসী। শাসক দলের কোনো কমিটিতে তার অবস্থান নেই। ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের একসময়ের সভাপতি ও সুন্দরবন কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি। এ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য মোস্তফা রশিদী সুজার সহোদর। প্রয়াত এ জনপ্রতিনিধির ইমেজ ও অনুকম্পা পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

 

১৯৯১ সালে খুলনা-৪ আসন থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা রশিদী সুজা দলের মনোনয়ন পান। তিনি দলের প্রাণ পুরুষ হিসেবে সেখানে আবির্ভূত হন। ১৯৯১, ১৯৯৬ (১২ জুন) ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুসলিম লীগ অধ্যুষিত আইচগাতী ও শ্রীফলতলা ইউনিয়নে তৃণমূল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দর্শনকে পৌঁছে দেন। রাজনৈতিক ইমেজ ছিল শীর্ষে। তিনি এখানকার অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেঁয়েছেন।

 

 

এলাকার সূত্র বলেছে, ২০১৪, ২০১৮ ও উপজেলা নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে না পারায় শাসক দলের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা নির্বাচন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এই ইউনিয়নের ২৪ জন ভোটারের ওপর জরিপের ফলাফলে ৫০ শতাংশ নির্বাচন বর্জনের পক্ষে। বিশেষ করে নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন, জামায়াত ইসলামী, খেলাফত মজসিল ও সিপিবি’র শক্ত ঘাটি রয়েছে।

 

নির্বাচনে ভোট দিতে যাবেন না এমন ব্যক্তিরা হচ্ছেন- জোয়ার গ্রামের সাত্তার মল্লিক, মৈষাঘুনি গ্রামের ইয়ার মল্লিক, আ. সাত্তার মল্লিক, নন্দনপুর গ্রামের মো. আফতাব হোসেন, ইসরাইল শেখ প্রমুখ। ভোটের পক্ষে যারা রয়েছেন, তাদের সিংহভাগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে।

 

যে কারণে সংসদ সদস্যের সমর্থন কমেছে: দ্রবমূল্যের উর্দ্ধগতি, দফায় দফায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, ঘরভাড়া বৃদ্ধি, ভোটে জনরায়ের প্রতিফলনের সুযোগ না থাকা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে দলের সম্পর্ক না থাকা, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয় মনোনয়নের বাইরে পছন্দমত প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া, দলের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি এবং ৫ বছর জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় বর্তমান সংসদ সদস্য বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাডভোকেট মোস্তাকুজ্জামান।

 

দারার পক্ষে সমর্থনের পাল্লা ভারি: মূলত তিনি এ আসনের রাজনীতিতে নতুন মুখ, আঞ্চলিকতার উর্দ্ধে, প্রয়াত মোস্তফা রশিদী সুজার ভাই, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরা তার পক্ষে, ইউপি নির্বাচনে সংসদ সদস্যের বিরোধীদের সমর্থন, বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফাত মজলিস ও সিপিবির একটি উৎসাহী অংশ নৌকা প্রতীককে হারাতে চায়।

 

এ অভিমত শিরগাতী গ্রামের রোকসানা বেগম, বাঁধাল গ্রামের সোহের মৃধা, মৌষাঘুনি গ্রামের সুফিয়া খাতুন, ডোমরা গ্রামের প্রিয়া আকতার, প্রদিপ কুমার শীল, ভদ্রাগাতি গ্রামের জামাল শেখ, শ্রীফলতলা গ্রামের রমজান মল্লিক, জুগিহাটি গ্রামের শাহিদুল ইসলাম, রোমেছা খাতুন, শোলপুর গ্রামের গাজি হুমায়ুন কবির, যুগিহাটি গ্রামের মুর্শিদা বেগম, শেখ আবু হাসান, শেখ ইসমাইল, আশিকুজ্জামান, দেয়াড়া গ্রামের আসাদুজ্জামান মুন্সী ও রাজাপুর গ্রামের মাহাবুব সর্দার। এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটার বঙ্গবন্ধু কলেজের শিক্ষার্থী শিরগাতি গ্রামের ছালমা খাতুন ভোটের সমর্থন দানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

 

প্রসঙ্গত, খুলনা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ১১ জন। এ আসনের প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ক্রীড়া সংগঠক এস এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা (কেটলী), জাতীয় পার্টির মো. ফরহাদ আহমেদ (লাঙ্গল), বিএনএমের এস এম আজমল হোসেন (নোঙর), এনপিপির মো. মোস্তাফিজুর রহমান (আম), স্বতন্ত্র এমডি এহসানুল হক (সোফা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনিরা সুলতানা (ডাব), স্বতন্ত্র জুয়েল রানা (ট্রাক), রেজভি আলম (ঈগল), ইসলামী ঐক্যজোটের রিয়াজ উদ্দিন খান (মিনার) এবং তৃণমূল বিএনপির মো. হাবিবুর রহমান (সোনালি আঁশ)।

 

খুলনা-৪ আসনে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৪১ হাজার ৬৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সুজা ৫৯ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে পুনরায় জয়লাভ করেন। ২০০১ সালে বিএনপি নেতা এম নুরুল ইসলাম ১ লাখ ২ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোল্লা জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনে সুজা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

 

সুজার মৃত্যুর পর খুলনা-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সালাম মুর্শেদী নির্বাচিত হন। খুলনা-৪ আসনে ভোটার ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৩। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৯২ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬১জন।

 

 

খুলনা-২ আসনে পিও’র সঙ্গে নৌকার সেখ সালাহউদ্দিনের এ কেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা!

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা-২ আসনে আবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন। বর্তমান এমপিও তিনি। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় এবার তার নির্বাচনী মাঠ হওয়ার কথা ছিল প্রতিযোগীশূন্য। কিন্তু এবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন তারই পিও (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা) ড. মো. সাঈদুর রহমান (স্বতন্ত্র)। পাশাপাশি ঝুলছে এই দুই প্রার্থীর পোস্টার।

 

তবে পোস্টারেই সীমাবদ্ধ মো. সাঈদুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা। এখনও তিনি সেখ সালাহউদ্দিনের পিও হিসেবেই কর্মরত। থাকছেন তারই নির্বাচনী প্রচারণায়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেখ সালাহউদ্দিন, জাতীয় পার্টির মো. গাউসুল আজম, বাংলাদেশ কংগ্রেসের দেবদাস সরকার, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) বাবু কুমার রায়, বিএনএম প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. সাঈদুর রহমান।

গত ১৮ ডিসেম্বর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পরপরই খুলনার ৬টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নেমে পড়েন প্রচার প্রচারণায়। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে বেরিয়েই প্রচারণা শুরু করেন খুলনা-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেখ সালাহউদ্দিন। তিনি একাই প্রচার প্রচারণায় থাকলেও প্রতীক বরাদ্দের ১০ দিন পরও পোস্টার টানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে অন্যান্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা। এর মধ্যে রয়েছেন সেখ সালাহউদ্দিনের পিও ড. মো. সাঈদুর রহমানও।

 

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন কেউ যেন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত না হয়। সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করতেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সেখ সালাহউদ্দিনের পিও ড. মো. সাঈদুর রহমান।

 

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সেখ সালাহউদ্দিন জয়লাভের পর তার পিও হন ড. মো. সাঈদুর রহমান। সবাই তাকে চেনে সেখ জুয়েলের পিও হিসেবে। এখনও তিনি সেই পদেই রয়েছেন। নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনিও প্রচারণা শুরু করেছেন ঈগল প্রতীক নিয়ে। খুলনা-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে তার পোস্টার।

এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাঈদুর রহমান বলেন, আমি নির্বাচন করছি।

 

এখন কোথায় আছেন জানতে চাইলে বলেন, এমপি সাহেবের (সেখ সালাহউদ্দিন এমপি) একটা জনসভা হচ্ছে সেখানেই আছি। তবে আমি নির্বাচন করছি।

প্রার্থী হয়েও কেন অন্য প্রার্থীর সঙ্গে রয়েছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তার জনসভার একটু পাশে রয়েছি।

 

 

 

 

 

ছাত্রদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

এস এম আলমগীর হোসেন

১লা জানুয়ারী ২০২৪; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার ৪৫ বছর, গণতন্ত্রের আলোক বিচ্ছুরণ অভিযাত্রার এক মহাকাব্য। ১৯৭৯ সালে শিক্ষা-ঐক্য ও প্রগতি- এ তিন মূলনীতিকে ধারণ করে  সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকার আদায় ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ জাতীয়বাদী ছাত্রদল’ নামে বিএনপি’র ভ্যানগার্ড সংগঠন সৃষ্টি করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম)। বিচক্ষণ ও দূরদর্শী সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্ব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মনে করেছিলেন তারুণ্যের বলিয়ানে সম্মৃদ্ধশালী হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ,এবং আগামীর বাংলাদেশ কে রিপ্রেজেনটেশন করবে আজকের তরুণ  প্রজন্ম।  শহীদ জিয়ার এই চিন্তাধারা থেকেই ছাত্রদলের জন্ম। শহীদ জিয়ার কর্মযজ্ঞ ও চিন্তাভাবনা দেশী ও আন্তর্জাতিক মহলে একজন মহানায়ক ও আইডল হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন বলে আজকের তৃতীয় জেনারেশন হিসেবে আমি বার বার উপলব্ধি করেছি/করছি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উপমহাদেশে একটি স্বনামধন্য ছাত্র সংগঠন নামে তৎকালীন সময় থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রী স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যোগদান করেন, ৮০ দশক থেকেই দেশের প্রতিটা কলেজ-ক্যাম্পাসের ছাত্র সংসদে ছাত্রদলের অবস্থান প্রশংসনীয়,৯০ এ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও ২০০৭’র ছাত্রজনতার উত্তাল রাজপথে ছাত্রদল সম্মুখ সারী থেকে নেতৃত্ব প্রদান ইতিহাসের পাতায় চূড়ান্ত বিজয়ের মাইলফলক হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে। পর্যায়ক্রমে, বিএনপির ভ্যানগার্ড খ্যাত ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল’ এর সাংগঠনিক অভিভাবক আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া থেকে আজ অগ্রযাত্রার ৪৫ তম বছরে জিয়া পরিবারের সূর্য সন্তান দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান।

ছাত্রদলের গৌরবময়ী ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রেখে ইস্পাত দূঢ়  মনোবল নিয়ে স্বৈরশাসকের নাগপাশ রুখে দিয়ে আজও এগিয়ে যাচ্ছে শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে,আর ইনশাআল্লাহ  এ যুদ্ধে আমরা সফল হবো।

দেশের বিদ্যমান সংকটময় পরিস্থিতি পরিবর্তন ও জনগণের ফান্ডামেন্টল রাইটস-  কনস্টিটিউশনাল রাইটস কে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে ছাত্রদল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিটা নেতাকর্মী বিশ্বাস করে ঘাম দিয়ে যারা শরীর ভেজাই তারা ভাগ্য পরিবর্তন করে আর যারা রক্ত দিয়ে শরীর ভেজাই তারা ইতিহাস পরিবর্তন করে, ছাত্রদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আজ ইতিহাস পরিবর্তন করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে রাজপথে নেমেছে, ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াবি হবো। সর্বপরি দেশ ও দশের সাফল্য কামনা করি। লেখক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, খুলনা মহানগর শাখার নেতা।

 

 

 

২০৪১ সালে সোনার বাংলা গড়তে হলে শিক্ষার্থীদের স্বর্ণ মানব মানবী গড়ে তুলতে হবে: ইউএনও কামাল হোসেন

কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধি

“কোথাও কোন ময়লা নাই এমন একটা আঙিনা (বিদ্যালয়)চাই” এই প্রতিপাদ্যকে নিয়ে সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ফলাফল ঘোষনা অনুষ্ঠানে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামাল হোসেন বলেছেন, ২০৪১ সালে সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানবের প্রয়োজন হবে, সোনার মানবী দরকার হতে হবে। স্বর্ণ মানব কারা গড়বেন কারা, তারা সবাই এখানে আছেন তারা হলো অভিভাবক মায়েরা ও আজকের নতুন প্রজন্ম শিক্ষার্থী। সোনার বাংলা গড়তে শিক্ষকরা কি চাচ্ছেন, অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের কোথায় দেখতে চাচ্ছেন। সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের চিন্তা চেতনা মননে কোনটা ধারণ করছেন। এজন্য শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একসাথে মতবিনিময় দরকার। আর সেই সোনার বাংলার নাগরিক হতে হলে স্বর্ণ মানব ও মানবী হিসেবে আর্বিভূত হতে হবে। তা না হলে তারা যে স্বপ্ন দেখেছে তা ব্যহত হবে। আর এই সোনার বাংলার নাগরিকেরা কুসংস্কার বিশ^াস করবে না। বুৃদ্ধিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে। সেখানে কোন মাদকাশক্তি নাগরিক থাকবে না। যদি কোন মাদকাসক্ত নাগরিক থাকে তাহলে সোনার বাংলা গঠনে সম্ভব হবে না। এ জন্য এখানে যে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আছে তাদের আজ থেকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে  আজকে থেকে আমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবো, সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হবো। আজকের নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশপাশি সুস্থ দেহ ও মন ও আত্মার বিকাশ ঘটাতে হবে। এ বিকাশ ঘটাতে অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত রাখতে হবে। তাদের নীতি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। শুধু বই পড়লাম, ভাল রেজাল্ট করলাম আর কিছু জানলাম না, দুনিয়ার খবর রাখলাম না। শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকতে হবে। সদা সত্য কথা বলতে হবে। মানুষের প্রতি দরদ থাকতে হবে। দেশের প্রতি দরদ থাকতে হবে। দেশত্ববোধ নিয়ে বেড়ে উঠতে হবে। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের সাথে মায়েরা আছে, আপনার স্বামী, সন্তুানের ভাল করার দায়িত্ব পরিবর্তন করার দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে। এর মধ্যে যে সকল মায়েরা বাল্য বিবাহের শিকার হয়েছেন তারা জানেন বাল্য বিবাহে কি সমস্যার সম্মুখিন হয়েছেন। তাহলে আপনাকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে যে আমার একটা কন্যা সন্তান থাকলে বাল্য বিবাহ থেকে প্রতিবাদ করতে হবে এবং সমাজ থেকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করতে হবে। যদি এটা পারি তবে আমাদের উন্নয়ন হবে। এভাবে যদি আমরা ইতিবাচক উন্নয়ন, ব্যাক্তিগত উন্নয়ন ও পারিবারিক উন্নয়ন করতে পারি তাহলে সোনার বাংলা গড়তে পারব। মায়ের বলছি আপনারা সতর্ক থাকলে  মাদক মুক্ত ও বাল্য বিবাহ মুক্ত করা সম্ভব। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এই অর্জনের মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা। ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।  রবিবার সকাল ১১ টায় সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালম আজাদ, মদিনাবাদ সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুচিত্র মন্ডল, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদ সরোয়ার, সাংবাদিক শাহজাহান সিরাজ, প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রভাষক মিজানুর রহমান, সহকারি শিক্ষক দেবদাস মন্ডল, আঃ সবুর। ফলাফল ঘোষনা শেষে প্রধান অতিথি কৃতকার্য ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

 

 

শিরোমণিতে নারায়ণ চন্দ্র চন্দের নৌকা প্রতীকের পক্ষে  লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত পদপ্রার্থী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এর পক্ষে নৌকা প্রতীকের  লিফলেট বিতরণ ও গণ সংযোগ গতকাল  সোমবার সকাল ১০টায় শিরোমনি বাজারের সকল বিভিন্নস্থানে  খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ শেখ আবিদ হোসেনের নেতৃত্বে নৌকা প্রতীকের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করা হয়।এ সময় তার সাথে ছিলেন, আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খ. ম লিয়াকত আলী, শেখ আব্দুল গফফার, শেখ ফজলুল হক, ৭ নং ওয়ার্ড নির্বাচন কমিটির আহবায়ক ও সাবেক সিবিএ নেতা শেখ রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা তাঁতী লীগ সদস্য কাজী আজাদুর রহমান হিরোক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মনিলাল মন্ডল। শেখ বাশির হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান,কাজী মেহেদী হাসান, ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য নবীরুল ইসলাম রাজা, শেখ তরিকুল ইসলাম, মীর সিরাজ উদ্দীন, শেখ হায়দার আলী, শেখ শামিম হোসেন, খান মোস্তাক আহমেদ, ৩৪নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক শেখ আকবার আলী, ৩৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আব্দুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা কাজী মিনহাজুর রহমান রিপ্ত, মোঃ শামীম হোসেন, আশিক রেজা, কাজী মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, বরকত আলী, মোঃ লাভলু , জিসান, মেহেদী হাসান, আজিম, আশিক, তুষার, মফিজুর রহমান, শেখ রুম্মান, শেখ রয়েল সহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের বিভিন পর্যায়ের নেতা-কর্মী, বাজারের দোকানদার বৃন্দ ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। গণসংযোগ কালে নেতৃবৃন্দ বলেন, নৌকা উন্নয়নের প্রতীক, নৌকা গণতন্ত্রের প্রতীক, নৌকা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের প্রতীক, তাই আগামী ৭ জানুয়ারী নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদান করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান।

 

বেনাপোল-যশোর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আব্দুল সাংবাদিক নিহত, আহত-১

বেনাপোল প্রতিনিধি

বেনাপোল-যশোর মহা সড়কের কলাগাছি এলাকায়  মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আব্দুল আলিম (২৫) নামে স্থানীয় এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এ সময় তার সাথে থাকা মোটরসাইকেলের অন্য এক আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে কলাগাছি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই সাংবাদিক বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। স্থানীয় পত্রিকা ‘প্রজন্মের ভাবনা পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন তিনি ।

 

পুলিশ জানায়, যশোরের বাঘারপাড়ায় ফুটবল খেলা শেষে গতকাল রাতে দুইজন মোটরসাইকেল যোগে  বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সড়কের পাশে গাছে ধক্কা খায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে র শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানেই সে মারা যায।

 

তবে পুলিশ বলছে, ওভারটেক করতে গিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে তারা দুইজন রাস্তায় পড়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল আলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

নাভারণ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কলাগাছিতে সড়ক দুর্ঘটনার সাংবাদিক নিহত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে নিহত সাংবাদিকের মরদেহ তার পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

 

 

 

নৌকা প্রতিকে ভোট চেয়ে সালাউদ্দীন মিয়াজীর সহধর্মিনীর গনসংযোগ 

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে নৌকা প্রতিকে ভোট চেয়ে গনসংযোগ করেছেন নৌকার মাঝি সালাউদ্দীন মিয়াজীর সহধর্মিনী মিসেস নাজমা বেগম। তিনি গতকাল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পান্তাপাড়া ইউনিয়নের পান্তাপাড়া, ঘুগরী, হুশরখালি, পীরগাছা, কাগমারী,গাবতলাপাড়া,ঝোড়পাড়া,মনিকদিহি,শ্যামবাজারসহ বিভিন্ন গ্রামে নৗকা প্রতিকে ভোট চেয়ে গনসংযোগ করেছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা শরীফুল ইসলাম ভোলন,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী শামীমা সুলতানা শিউলী,নাসরিন বেগম,ঝরনা খাতুনসহ পান্তাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা কর্মীরা।

 

 

নৌকা প্রতিকে ভোট চেয়ে সালাউদ্দীন মিয়াজীর সহধর্মিনীর গনসংযোগ 

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে নৌকা প্রতিকে ভোট চেয়ে গনসংযোগ করেছেন নৌকার মাঝি সালাউদ্দীন মিয়াজীর সহধর্মিনী মিসেস নাজমা বেগম। তিনি গতকাল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পান্তাপাড়া ইউনিয়নের পান্তাপাড়া, ঘুগরী, হুশরখালি, পীরগাছা, কাগমারী,গাবতলাপাড়া,ঝোড়পাড়া,মনিকদিহি,শ্যামবাজারসহ বিভিন্ন গ্রামে নৗকা প্রতিকে ভোট চেয়ে গনসংযোগ করেছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা শরীফুল ইসলাম ভোলন,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী শামীমা সুলতানা শিউলী,নাসরিন বেগম,ঝরনা খাতুনসহ পান্তাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা কর্মীরা।

 

 

 

গুনাকরকাটি এসএবি ব্রিক্স ভাঁটায় ব্যবহার হচ্ছে কাঠ: বিপর্যয়ে মুখে পরিবেশ

জ্বলেমিন হোসেন,আশাশুনি

গত ২৯ ডিসেম্বর দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকায় শিরোনামে  গুনাকরকাটি এস এ বি ব্রিক্স ভাঁটায় ব্যবহার হচ্ছে কাঠ, বিপর্যয়ে পরিবেশ বেতনা নদীর মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে ইট, ওয়াবদার স্লোবে ভাটার অফিস সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় ভাঁটা মাহাজন আজগর আলি ও ম্যানেজার রফিকুলের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে । টাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছে। এলাকার কিছু মাস্তান সাথে নিয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান করছে। এসকল মাস্তান টাকার বিনিময়ে তাদের সকল অবৈধ কাজ করে দেয়। প্রতিবছর বেতনা নদীর মাটি লুট তাদের প্রধান কাজ। সংবাদে বলা হয আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি এস এ বি ব্রিক্স ভাঁটায় অবাধে কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইট, দেখার যেন কেউ নেই। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে, নিয়ম নীতি না মেনে পোড়ানো হচ্ছে কাঁঠ। মানছেনা ইট তৈরি ও ভাঁটা স্থাপনা আইন।  সরকারি মাটি, কৃষি জমির মাটি ব্যবহার হচ্ছে ভাঁটায়। ভাঁটার কাজে ব্যবহৃত ডাম্পার গাড়ি ও ট্রলিতে রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই ভাঁটার মাহাজন আজগর আলি বেতনা নদীর মাটি দিয়ে তৈরি করছেন ইট। ওয়াবদার স্লোবে দুই তালা পাঁকা ঘর ও অফিস থাকলেও দেখার কেউ নেই।। ভাঁটার শুরুতে বিভিন্ন খাঁস জায়গার সম্পত্তির মাটি ক্রয় করেন তিনি। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে গুনাকরকাটি এস এ ব্রিক্সে গেলে দেখা যায় ভাঁটায় বিভিন্ন জায়গায় বনজ ও ফলজ কাঠের স্তুফ। তুষ কাঠ ভর্তি ঘরে। কিন্তু কোন জায়গায় কয়লার দেখা পাওয়া যায়নি। বেতনা নদীর মাটি কেটে ভাঁটার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ভাঁটায় ইট তৈরির ফলে পাশে কৃষি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া পাশে লোকালয় অবস্থিত।  যার ফলে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের বায়ুবাহিত রোগ হচ্ছে। বিপর্যয় ঘটছে পরিবেশের। স্থানীয়রা জানান দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এলাকাবাসি। এছাড়া জানা যায় ফসলি জমি নষ্ট করে এ ভাঁটা তৈরি করা হয়েছে । এবিষয়ে এলাকাবাসি আইনপ্রয়োগকারি সংস্থাসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

 

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চামেলী ট্রেডার্সের মালিক রাসেলের বাবা আর নেই

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চামেলী ট্রেডার্সের মালিক মোঃ রাসেল মিয়ার বাবা ও খুলনার টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নুরুল ইসলাম(৭৫) আর নেই। তিনি বার্ধক্যজনিত  সমস্যায় গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকাল ৬টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। যহোরবাদ খুলনা নগরীর করিম নগর জামে মসজিদে জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজা নামাজে ইমামতি করেন করিমনগর জামে মসজিদের ইমাম মুফতি আবুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সাবেক যুবলীগ নেতা মুন্সী নাহিদুজ্জামান, শাকিল আহমেদ, ১৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ সরদার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ইসরাফুর রহমান খান শাকিল, ১৭নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি খান মিথুন রহমান, ইসফাক হোসেন স্বপন,  দেশ আহমেদ রাজুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আগামী মঙ্গলবার যহোরবাদ করিমনগর মসজিদে মরহুমের আত্নার মাগফেরাত কামনা দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত দোয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন পরিবারের বড় ছেলে মোঃ রাসেল মিয়া।