Home খেলাধুলা রেফারিকে ‘গালি’ দিলেন সিটির হালান্ড

রেফারিকে ‘গালি’ দিলেন সিটির হালান্ড

29

স্পোর্টস ডেস্ক

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হয়েছিল টটেনহ্যাম। তবে ৬ গোলের ম্যাচটিতে জিততে পারেনি কেউই। উল্টো ম্যাচ শেষে ছড়িয়েছে তুমুল উত্তেজনা। এমন ম্যাচেই রেফারিকে গালি দিয়েছেন সিটিজেনদের নরওয়েজিয়ান তারকা আর্লিং হালান্ড।

রোববার ঘরের মাঠে ইতিহাদের স্বাগতিক সিটির বিপক্ষে মাঠে নামে টটেনহ্যাম। তবে ম্যাচটি ৩-৩ গোলের ব্যবধানে সমাপ্ত হয়। এদিকে ম্যাচের ফলাফলকে ছাপিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে হালান্ডের কাণ্ড নিয়ে।

ইতিহাদে তখন চলছিল অতিরিক্ত সময়ের খেলা। ৩-৩ এ সমতায় লড়াই। গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি করেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। কিন্তু সেই আক্রমণ পেল না পূর্ণতা।

পূর্ণতা পাওয়ার আগেই ফ্রিকিকের বাঁশি বাজান রেফারি সাইমন হোপার। কেননা এই আক্রমণের আগেই হালান্ডকে ফাউল করে বসে টটেনহামের এক ফুটবলার। কিন্তু সেসময় ফাউলের বাঁশি না বাজানোয় দ্রুত উঠে আক্রমণে যান হালান্ড। যখনই হালান্ডের বাড়ানো বল নিয়ে গোলমুখের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন গ্রিয়েলিশ তখনই বাঁশি বাজান রেফারি।

দেরিতে বাঁশি বাজানোয় নষ্ট হয়ে যায় দারুণ একটি সুযোগ। রেফারির এমন কাণ্ডে মাঠেই তাৎক্ষণিক সাইমন হোপারকে ঘিরে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আর্লিং হালান্ড ছাড়াও ম্যানসিটির খেলোয়াড়রা। রেফারির সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে হলুদ কার্ডও দেখেন হালান্ড। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রেফারির ওপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন হালান্ড।

ক্ষোভের ভাষাও স্বাভাবিক নয়। সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’তে একটি ভিডিও শেয়ার করে হালান্ড লিখেছেন এমন শব্দ, যেটাকে গালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমন শব্দ ব্যবহারে শাস্তিও হতে পারে নরওয়েজিয়ান এই ফরোয়ার্ডের।

ম্যাচের পর ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা বলেছেন, ‘এটা স্বাভাবিক। অন্য ১০ জন ফুটবলারের মতোই তার (হালান্ডের) প্রতিক্রিয়া একই। নিয়ম বলে আপনি রেফারি অথবা চতুর্থ রেফারির সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। যদি কথা বলতাম তাহলে আমাদের ১০ জন ফুটবলারই লাল কার্ড দেখত। এই রেফারি যদি আজ ম্যান সিটির হয়ে খেলত নিশ্চিত সেও হতাশা প্রকাশ করত।’