Home জাতীয় তৈমূর-সালাম-আক্কাসকে নিয়ে ক্ষোভ, মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ

তৈমূর-সালাম-আক্কাসকে নিয়ে ক্ষোভ, মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ

44

ঢাকা অফিস।।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হাঁকডাক করে তিনশ আসনে প্রার্থী দেয়ার ঘোষণা দেন তৃণমূল বিএনপির দায়িত্ব পাওয়া সমশের মোবিন চৌধুরী ও তৈমূর আলম খন্দকার। ব্যাপক প্রস্তুতি ও ক্ষমতাসীনদের সহযোগিতা পেলেও প্রভাবশালী এবং আলোচিত কাউকেই মনোনয়ন দিতে পারেনি কিংস পার্টিখ্যাত দলটি।

সবশেষ বুধবার ২৮০ আসনে প্রার্থী ঘোষণার পর পরই প্রতিবাদ জানায় গাইবান্ধা-৪ থেকে মনোনয়ন পাওয়া মোহাম্মদ ওবায়দুল হক সরকার। তিনি বলেন, তৃণমূল বিএনপি থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ না করেও তালিকায় নাম আসা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। আজীবন বিএনপি করেই যাবো।

এবিষেয়ে জানতে চাইলে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, কেউ না কেউ পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনে তার নামে হয়তো জমা দিয়েছে।

এদিকে দিন যত গড়াচ্ছে হতাশা ভর করছে দলটির নেতাদের মধ্যে। কেউ কেউ দলের মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার, ভাইস চেয়ারপারসন ও মিডিয়া উইং চিফ সালাম মাহমুদ এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আক্কাস আলী খানের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছেন। বিশেষ করে আক্কাস আলী এবং সালাম মাহমুদের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ করেন অনেকে।

দুপুরে রাজধানীর মেহেরবা প্লাজায় দলটির কার্যালয় গিয়ে দেখা যায়, মনোনয়ন পাওয়া বেশ কয়েকজন নেতা এসেছেন কাগজপত্রে কিছু জটিলতার সমাধান করতে। কিন্তু দুজন অফিস সহকারি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। ফলে তাদের বিরম্বনায় পড়তে হয়েছে। প্রকাশ করেন ক্ষোভ।

তৃণমূল বিএনপি’র চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী ও নাজমুল হুদার মেয়ে তৃণমূল বিএনপির নির্বাহী চেয়ারপারসন অন্তরা হুদাকে বাদ দিয়েই বুধবার বিকেলে প্রার্থী ঘোষণা দেন মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দাকার। এনিয়ে চলছে দলের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসন নিয়ে দেন-দরবারের ফোনালাপ প্রকাশ পাওয়ায় বিতর্কের মুখে পড়েছেন তৈমূর আলম খন্দকার।