Home আঞ্চলিক রামপালে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা অভিযোগ

রামপালে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা অভিযোগ

43

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা।।
রামপালের সগুনা গ্রামে আদালতের ১৪৪ ধরার আদেশ অমান্য করে বাস্ত ভিটেবাড়ী দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ করার পরেও প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার সগুনা গ্রামের মৃত প্রদীপ কুমার পালের পুত্র সজীব কুমার পাল পৈতৃক সূত্রে ০.১৭ শতাংশ জমির মধ্যে ০.৮৫০ শতাংশ বাস্ত জমি প্রাপ্ত হন।

যা সগুনা বিআরএস মৌজার ২০৫ খতিয়ানের ১৭০ দাগে অবস্থিত। ওই জমিতে একই গ্রামের দীনরাম পালের পুত্র রাখাল চন্দ্র পাল ও কিশোর কুমার পালের স্ত্রী শিল্পী রানী পাল দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করছেন। বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত থেকে গত ইং ৯ জুলাই রামপাল থানা পুলিশকে ১৪৪ ধারা বলবতের নির্দেশ দিলে পুলিশ তফসিল সম্পত্তির সম্পত্তির উপর নোটিশ করেন। সেই নোটিশ উপেক্ষা করে রাখাল পাল গংয়েরা ঘর নির্মাণ করছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা তফসিল সম্পত্তি জোর দখল করে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এমনকি তারা খুন, জখম ও মামলা করে জেলের ঘানি টানাবে বলে হুমকি দিচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী প্রদীপ পাল ও তার পরিবার মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবী করেন। তারা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।#

“শহুরে অনানুষ্ঠানিক বসতিতে মৌলিক পরিসেবাসহ পর্যাপ্ত বাসস্থানের সুযোগ” শীর্ষক অংশীজন সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, খুলনা মহানগরী এবং শহরতলী এলাকার মানুষের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাসমূহের মাঝে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। তিনি বলেন খুলনায় পর্যাপ্ত খাস জমি নাই, সেকারণে জমি ক্রয় করে বহুতল ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করলে আবাসন সংকট নিরসন করা সম্ভব। রেলওয়ের জায়গাসহ যে সব সরকারি জায়গায় ছিন্নমূল মানুষেরা বসবাস করছে সেখানে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে এই সব মানুষ সংকটে পতিত হবে। সে কারণে সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরী।