Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

26

মোংলায় করোনার মধ্যেও জুয়ার রমরমা আসর, পুলিশ নির্বিকার


মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিধি নিষেধ না মেনে দোকানপাট খুলে রেখে মোংলায় প্রকাশ্যে রমরমা জুয়ার আসর বসিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে উত্তর চাঁদপাই মোড় সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে দিনে রাতে প্রকাশ্যে এ জুয়ার আসর চললেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই নেয়নি।
এ ব্যাপারে চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি একাধিকবার পুলিশকে জানিয়েছি, তবে তারা অভিযান চালায়নি’। চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক মেম্বর রাবেয়া বেগমের ছেলে মোঃ মিঠুন হাওলাদার এই জুয়ার আসর বসিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে সরেজমিনে উত্তর চাঁদপাই মোড় সংলগ্ন মোঃ মিঠুন হাওলাদারের চায়ের দোকানে গেলে দেখা মেলে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর। সেখানে একদল জুয়াড়ি টাকার বিনিময়ে তাস, পাশা এবং দাবা খেলছেন। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের ক্যামেরা দেখে সেখান থেকে মিঠুনসহ জুয়াড়িরা দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা এ সময় অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এখানে জুয়া চললেও কখনো পুলিশ এসে অভিযান চালায়নি। এতে করে যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে, এভাবে তো চলতে দেয়া যায়না।
চাঁদপাই মোড় এলাকায় মিঠুনের দোকান ও জনৈক হাবিব মোড়লের বাড়ীসহ কয়েকটি পয়েন্টে প্রতিনিয়ত বসছে জুয়ার রমরমা আসর।
এ প্রসঙ্গে মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা আপনাদের কাজ করেন, আর আমরা আমাদের কাজ করবো’।
এদিকে চাঁদপাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম বলেন, উত্তর চাঁদপাই গ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে জুয়ার আসর বসে বলে আমার কাছে তথ্য আছে, এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলে কোন কাজ হয়নি। তবে আবারো বিশেষ করে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও থানার সাথে কথা বলে দেখি এ নিয়ে কি করা যায়।
এদিকে পুলিশের (মোংলা সার্কেল’র) এএসপি আসিফ ইকবাল বলেন, আমি শিগগিরই মোংলা উপজেলার এসিল্যান্ডকে নিয়ে এই জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান চালাবো।

করোনাকালীন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা ও মহানগরের বিবৃতি


খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাকালীন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি, খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির পক্ষে পার্টির জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম আজ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার প্রথম থেকে ঢিলেঢালা লকডাউন, ত্রাণ সামগ্রীর অপ্রতুলতা, বিতরণে মারাত্মক অসংগতি-দুর্নীতি ও দলীয় ভাবমূর্তি প্রকাশের কুটিল প্রয়াস। সেই সাথে করোনা টেস্টের নানাবিধ বিড়ম্বনা। টেস্ট রিপোর্ট পেতে ৫/৬ বা তার বেশি সময় লাগা। অন্যদিকে আক্রান্ত পরিবারকে কড়াকড়িভাবে লকডাইন করার ফলে তাদের সাংসারিক ব্যয় নির্বাহের কোনো ব্যবস্থা না করা, এ সকল কারণে জনগণের মাঝে সরকারকে প্রশ্নের সম্মুখে দাঁড় করেছে। ১৪ দলীয় সরকার হিসেবে এ সকল বিব্রতকর ব্যর্থতার দায় আমরা এড়াতে পারি না। উল্লেখ্য, করোনা আমাদের দেশে সংক্রমিত হওয়ার পূর্বেই পৃথিবীর বহু দেশেই সংক্রমিত হয়েছে। সমৃদ্ধশালী বহু দেশের করোনার ভয়বহতা দেখেছি, আবার অনেক দেশ অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা না থাকা সত্বেও তারা চমৎকারভাবে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পেরেছে, যা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। সুতরাং এর থেকে আমাদের অনেক কিছু জানা বা বোঝার ছিল। এমতাবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট এ সকল বিষয়ের প্রতি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। সেই সাথে উপজেলা ভিত্তিক করোনা টেস্টের দ্রুত ব্যবস্থা করা, যাতে একদিনের মধ্যেই রিপোর্ট পাওয়া যায়।

ঝিনাইদহে গর্ভবতী মায়েদের জন্য সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ঝিনাইদহে গর্ভবতী মায়েদের বিনামুল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদাণ করেছে সেনাবাহিনী। সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কোটচাঁদপুর উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ক্যাম্পের আয়োজন করে সেনাবাহিনীর যশোর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন। দিনব্যাপী এ ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর ৫ জন ও ৩ জন বেসামরিক চিকিৎসক ৩ শতাধিক গর্ভবতী নারীকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ বিনামূল্যে ওষুধ প্রদাণ করে। ক্যাম্পের পরিচালনায় ছিল ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জুনিয়র টাইগার্স ও ৪১ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ৮৮ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ বিএম ফয়সাল বাতেন, ২ ইস্ট বেংগল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল নাসির উদ্দিন আহমেদ।
ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক নারী জানান, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাদেরকে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়ম মেনে চিকিৎসা পরামর্শের পাশাপাশি ওষুধ, সাবান ও হ্যান্ড সেনিটাইজার প্রদান করা হয়েছে। এসময় কর্মকর্তারা জানান, সেনা প্রধানের নির্দেশে করোনাকালে গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা এ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা এ কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পেরে গর্ববোধ করছেন।

মোংলায় পৌর কাউন্সিলরসহ ১৪ জনকে অর্থদন্ড


মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতিতে মোংলায় আইন অমাণ্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রম্যমান আদালত। এ সময় নিয়ম ভঙ্গ করে খাবার বিক্রি করায় হোটেল প্যারডাইসের মালিক ও পৌর কাউন্সিলর খোরশেদ আলমকেও অর্থ দন্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুরে পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে পথযাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার না করা ও মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এ অর্থ দন্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদলতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশি এই জরিমানা করেন। তিনি বলেন, করোনার এই মহামারীতে আইন অমাণ্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পৌর কাউন্সিলর ও হোটেল মালিক খোরশেদ আলম আইন অমান্য করে দুপুর ২ টার পর হোটেল খোলা রাখায় তাকেও জরিমানা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। #

মোংলা ও বরগুনায় নৌবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা এবং জীবাণুনাশক বিতরণ


খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী উপকূলীয় অঞ্চলে সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে নতুন নতুন স্থানে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন ব্যানার স্থাপন করে ও পাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন, অসহায় ও দরিদ্র জনগণের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী শুরু থেকেই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, চরকানাই, কচুবুনিয়া, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও সুন্দরবন ইউনিয়নে স্থানীয় প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণে সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিত টহল ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে । অপরদিকে নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, আমতলী, বামনা ও তালতলী এলাকায় নিয়মিত টহল প্রদান করে। পাশাপাশি উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ২০০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং বামনা এলাকায় বিভিন্ন মসজিদে ০৮ কেজি বিচিং পাউডার বিতরণ করে। সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জনগণকে বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও অন্যান্য যানবাহন ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। সরকার নির্ধারিত সময়ের পর সকল বাজার, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখতে এবং ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে ব্যবসায়ীদের বোঝানো হয়। সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনী তাদের এ ধারা অব্যাহত রাখবে।

মণিরামপুরে এবার বৃদ্ধর করোনা পজেটিভ, মোট আক্রান্ত ১৬


মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরে এবার আব্দুল মান্নান নামে ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) সকালে যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। আক্রান্ত বৃদ্ধ উপজেলার মশ্মিমনগর গ্রামের মৃত শেফাতুল্লাহ মোড়লের ছেলে। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ।
ডা. শুভ্রা বলেন, শ্বাসকষ্টজনিত কারণে আব্দুল মান্নান কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি হলে শনিবার (২০ জুন) তার নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। এরপর সোমবার সকালে তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় রোববার সন্ধ্যায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন, বলেন ডা. শুভ্রা।
এই নিয়ে মণিরামপুরে মোট ১৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে ১১জন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। বাকি চারজন হাসপাতালসহ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন।

আজকের ডায়েরী


খুলনা প্রেসকাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে আজ দুপুর ১২টায় ‘‘ তালায় ভূয়া দলিলের বুনিয়াদে অবৈধভাবে সম্পতি দখল করতে না পেরে পত্র-পত্রিকায় মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে’ সংবাদ সম্মেলন।

ঝিনাইদহে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ পলিথিন উদ্ধার


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ র‌্যাব অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পলিথিন উদ্ধার করেছে। সোমবার দুপুরে শহরের নতুন হাটখোলা এলাকা থেকে এ পলিথিন উদ্ধার করা হয়।
ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ঝিনাইদহ শহরের নতুন হাটখোলা বাজারে কয়েকজন ব্যবসায়ী বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন মজুদ করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এসময় দুটি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ পলিথিন উদ্ধার করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মোঃ হেদায়েত উল্যাহ আদালত বসিয়ে তাদেরকে ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে সুমন স্টোরের মালিক সুমন কুমার বিশ্বাসকে ২৫ হাজার টাকা ও হানিফ স্টোরের মালিক হানিফকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত পলিথিনের মূল্য আনুমানিক প্রায় ৫ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। পরে উদ্ধারকৃত পলিথিন জব্দ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সুচন্দন মন্ডলসহ র‌্যাব সদস্যবৃন্দ।

কর্মচারীদের খুন-জখমের হুমকিতে থানায় জিডি: পাইকগাছায় বদ্ধ জলাশয় ইজারা নিয়ে বিপাকে ইজারাদার


পাইকগাছা প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় বদ্ধ জলাশয় ইজারা নিয়ে বিপাকে পড়েছে ইজারাদার। জলমহল থেকে বিতাড়িত করতে কর্মচারীদের উপর অত্যাচার ও জান-মালের ক্ষয়-ক্ষতির হুমকি দেয়ায় থানায় জিডি হয়েছে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হোল্ডিং- ৩৬, মৌখালী-ঢেমশাখালী মৌজার ১৬.০৪ একর জলমহল। যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১৪ মে ২০২০ তারিখে বাংলা ১৪২৭ সালের জন্য আশরাফুল ইসলাম সবুজকে খাস আদায়ে ইজারা প্রদান করা হয়। গত ১৯ জুন সংশ্লিষ্ট তহশীলদার ও কানুনগো ঢোল সুরতের মাধ্যমে ইজারাদারকে দখল বুঝে দেন।
যার দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত হন স্থানীয় হারুন সানা ও রব সানা। কিন্তু পূর্বের দখলদার সামছুর আলী সানা ও মহিরুদ্দীন গাজী দখলচ্যুত হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘেরের কর্মচারীদের উপর বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এমনকি তাদেরকে জান-মালের ক্ষয়-ক্ষতির হুমকি-ধামকি দেয়ায় রব সানা ও হারুন সানা বাদী হয়ে মহিরুদ্দীন গাজী, সামছুর রহমান সহ ৪জনের নামে সোমবার পাইকগাছা থানায় পৃথক ২টি জিডি করেছেন। ওসি এজাজ শফী জানান, জিডি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির জরুরি সভা: খুলনা সিটির ১৭ ও ২৪ ওয়ার্ড এবং রূপসার আইচগাতি লকডাউন


তথ্য বিবরনী
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং রূপসা উপজেলার আইচগাতিকে রেড জোন হিসেবে লকডাউন করা হবে। ২৫ জুনের পর থেকে দোকানপাট-শপিংমল রবি, সোম ও মঙ্গলবার খোলা থাকবে। নমুনা জমা দেওয়ার পর রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত ঐ ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় বাড়ি বা বাসায় অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হবে। খুলনা জেনারেল হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ৪২টি বেডে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় দ্রুত নতুন একটি হাসপাতাল তৈরি করা হবে। খুলনা জেলা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভায় এসকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে সোমবার দুপুরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
২৫ জুন মধ্যরাত থেকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং রূপসার আইচগাতি ইউনিয়নে অধিকমাত্রায় করোনাভাইসে আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ায় এই তিনটি এলাকা রেড জোনের আওতায় নিয়ে লকডাউন করা হবে। ১৬ জুলাই পর্যন্ত এই লকডাউন কার্যকর থাকবে। লকডাউন এলাকার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং কাঁচাবাজারসমূহ লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। লকডাউন শুরুর আগে ঐ সকল এলাকায় মাইকিং করে জনসাধারণকে জানানো হবে।
করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদানের পর ঐ ব্যক্তিকে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত স্বেচ্ছায় নিজ বাড়িতে অথবা বাসায় অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হবে। ল্যাবের ধারণ ক্ষমতার তুলনায় নমুনা সংগ্রহ বেশি হওয়ায় রির্পোট প্রদানে বিলম্ব ঘটছে। বর্তমানে খুলনা জেলায় শপিংমলসহ দোকান-পাট ২৫ জুন পর্যন্ত থাকবে। ২৬ জুন থেকে সপ্তাহে রবি, সোম ও মঙ্গলবার তিনদিন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।
কোভিড-১৯ রোগী ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে খুলনা জেনারেল হাসপাতালের চুর্তথ তলায় ৪২টি বেড নিয়ে নতুন কোভিড-১৯ চিকিৎসাকেন্দ্র অতি দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা হবে। ডায়বেটিক হাসপাতালে (বর্তমানে কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র) একটি হাই ফো অক্সিজেন ন্যাজাল ক্যানোল ক্রয় করা হবে। কোভিড-১৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সুস্থবোধ করলে এবং পরপর তিনদিন জ¦র না থাকলে তাঁকে পরীক্ষা ছাড়াই হাসপাতাল থেকে অবমুক্ত (রিলিজ) করা হবে। করোনভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর বাড়িতে লাল পতাকা উড়িয়ে চিহ্নিত করা হবে। জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।

সভায় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ঈদের সময়ে জনসাধারণের যথেচ্ছ চলাফেরায় খুলনায় করোনভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা যদি আজকের সভার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করি এবং সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলি তাহলে সকলের প্রচেষ্টায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে আমরা মুক্ত হতে পারবো।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসালম, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মোঃ রেজা সেকেন্দার, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, খুলনার সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিয়াউর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আব্দুল আলিম, খুলনা প্রেসকাবে সভাপতি এসএম নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

ছাত্রদলের স্মারকলিপি প্রদান


খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সব সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবীর পক্ষে সোচ্চার। তারই ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে সোমবার দুপুর ১২ ঘটিকায় বর্তবামান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে খুলনা জেলা শাখার প্রশাসকের কার্যালয়ে কয়েকটি দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারক লিপিতে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের বেতন-ভাতা মওকুফ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-লাইন ভিত্তিক কাস ও ভর্তি পরীক্ষা স্থগীতের আহ্বান এবং যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি রাজস্ব থেকে বেতন পায়না সে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদেরকে সরকারি তহবিল থেকে প্রদানের জোর দাবী এবং করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ভয়-শংকাকে পিছনে ফেলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত ও শিক্ষা ব্যবস্থা সমুন্নত করতে সেশন জট এর বিষয়টি বিবেচনা করে একটি পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার জোর দাবী জানানো হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন- খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, হুমায়ুন কবির রুবেল, গাজী শহিদুল ইসলাম, রাসেল আকন বাবু, মোঃ আবু জাফর, মোঃ হৃদয় শেখ, নুর উল্লাহ নুর প্রমুখ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল খুলনা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক আবু হানিফ এর মাতা হোসনেয়ারা বেগম গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে নগরীর শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। খুলনা জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তার আসু সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতি দাতারা হলেন- খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিনসহ খুলনা জেলা ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দ।

খুলনায় ইসলামী আন্দোলন নেতা আঃ মান্নানের ইন্তেকালে শোক


খবর বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরের আওতাধীন সদর থানার ২৪নং ওয়ার্ডের কার্যনির্বাহী সদস্য, নামাজ বাস্তবায়ন কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল মান্নান (৬৫) সোমবার (২২ জুন) ভোর ৬ টায় নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে ইন্তেকাল করেন, ইন্নালিল্লাহে …. রাজিউন। বাদ জোহর মরহুমের জানাজার নামাজ শেরে বাংলা রোড সাবেক বিভাগীয় নির্বাচন অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম কিবরিয়া। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, মুজাহিদ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, বিএনপি নেতা হাফেজ আবুল বাশার, যুবলীগ নেতা শেখ শহীদ আলী, ইসলামী আন্দোলন সদর থানার সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, যুব আন্দোলনের গাজী ফেরদাউস সুমনসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আব্দুল মান্নান ও আড়ংঘাটার সহ সভাপতি তোফায়েল আহমেদের পিতার মৃত্যুতে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি মাওঃ মোজাফ্ফার হোসাইন, মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সজীব মোল্লা, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ প্রচার আব্দুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর মুফতী আমিরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ অর্থ আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী ইসহাক ফরীদি, সহ প্রশিক্ষণ মাওঃ হাফিজুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ ইমরান হোসাইন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি ইঞ্জিনিয়ার এজাজ মানসুর, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস ছালাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, সংখ্যালঘু বিষয়ক আলহাজ্ব আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করায় নাগরিক নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদ সভা


খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে একদিকে হট স্পট, রেড জোন ঘোষণা, স্বাস্থ্যবিধি মানা ক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ঘোষণা, অন্যদিকে খোদ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাস্থ্য বিভাগ এবং প্রশাসনের সম্পূর্ণ অজ্ঞাতে ইউপি’র হিসাবরক্ষক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষার নামে হাজারো নিয়োগ প্রার্থী এবং তাদের স্বজনদের জড়ো করে সম্পূর্ণরূপে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ানোর ঘটনার প্রতিবাদে খুলনা নাগরিক নেতৃবৃন্দের এক প্রতিবাদ সভা সোমবার বিকেল ৫টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ, খুলনার আহ্বায়ক এ্যাড. কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে এবং খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেনÑখুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাড. আ ফ ম মহসীন, খুলনা আয়কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এস এম শাহনওয়াজ আলী, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র খুলনা মহানগর আহ্বায়ক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, আইন ও অধিকার বাস্তবায়ন ফোরামের বিভাগীয় সভাপতি এস এম দেলোয়ার হোসেন, খুলনা উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, এনসিআরবি’র সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম, উন্নয়ন সংগঠক আফজাল হোসেন রাজু, আওয়ান ৭১-এর আব্দুল্লাহ চৌধুরী, কাজী জাবেদ খালিদ পাশা জয়, মেরিনা যুথি প্রমুখ। প্রতিবাদ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনায় যখন করোনা পরিস্থিতি মারাত্মক অবনতির দিকে, সারাদেশে সব ধরনের পরীক্ষা বন্ধ, মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছে, ঠিক তখনই পুরো খুলনা জেলা এবং বিভিন্ন জেলায় অবস্থানরত পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নিয়োগ পরীক্ষা খুলনার করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি অনেকগুণে বাড়িয়ে দিল। শুধু তাই নয়, প্রশাসনের এ ধরনের দ্বিচারিতামূলক আচরণে জনসাধারণও স্বাস্থ্যবিধি পালনে নিরুৎসাহী হবে। এ পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে চুপিসারে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ অনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবী করে বক্তারা বলেন, বিষয়টি খুলনার মানুষের কাছে মারাত্মক প্রশ্নবিদ্ধ এবং রহস্যজনক। প্রশাসনকে এহেন কর্মকা- থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর শোকবার্তা


খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর দৌলতপুর থানাধীন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম উকিল (৫৫) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার এক শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, “খুলনা মহানগর দৌলতপুর থানাধীন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি-কে শক্তিশালী করতে মরহুম জাহিদুল ইসলাম উকিল বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন। উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালে পুলিশের গুলিতে তার একটি চোখ অন্ধ হয়েছিল এবং তিনি রাজনৈতিক কারণে বহু মিথ্যা মামলার আসামী।
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে মরহুম জাহিদুল ইসলাম উকিল সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তার ইন্তেকালে আমি তার পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া করি তিনি যেন তাকে জান্নাত নসীব এবং শোকাহত পরিবারবর্গকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।” বিএনপি মহাসচিব শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। অপর এক শোকবার্তায় খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাবুল আরেফিন লুপিন এর মাতা শামসুন্নাহার (৫৮) এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
অনুরুপ এক শোকবার্তায় খুলনা মহানগর যুবদলের সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জি এম মনসুর আজাদ এর মাতা সুখমনি (৬৫) এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক বিহব্বল পরিবারবর্গ ও শুভাকাঙ্খীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়া অপর এক শোকবার্তায় খুলনা মহানগর শ্রমিক দল নেতা ও ক্যাবল সিবিএ-এর সাবেক সভাপতি আতাহার আলী (৬৫) এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মরহুম আতাহার আলীকে খুলনা মহানগর শ্রমিক দলের একজন বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “ক্যাবল সিবিএ-এর সাবেক সভাপতি হিসেবেও সিবিএ-কে শক্তিশালী করতে তার অবদান ছিল প্রশংসনীয়। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

বেনাপোল দিয়ে পণ্য যাচ্ছে না ভারতে, দুই হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য ঘাটতি


বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রায় তিন মাস ধরে রফতানি বাণিজ্য বন্ধ। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার মতো। দফায় দফায় বৈঠক করেও সচল করা সম্ভব হয়নি রফতানি বাণিজ্য। এতে উৎপাদিত পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্ম হারিয়ে বাড়ছে বেকারত্বের সংখ্যা। ব্যবসায়ীর বলছেন, দেশীয় পণ্য রফতানির বড় বাজার প্রতিবেশী দেশ ভারত। রফতানি বন্ধ থাকায় তাদের লোকসানের পাল্লা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এ পথে যেহেতু আমদানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে, তাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আলোচনা হলে রফতানি বাণিজ্যও শুরু হবে। এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছেন, বিষয়টি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে। আশা করা যাচ্ছে খুব দ্রুত রফতানি বাণিজ্য চালু হবে।
জানা গেছে, দেশ থেকে স্থলপথে যে রফতানি বাণিজ্য হয়, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় প্রায় ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। প্রতি বছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার ৯ হাজার মেট্রিক টন পণ্য ভারতে রফতানি হয়। রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে যেমন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, তেমনি সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনও বাড়ে। সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ভারত সরকারের লকডাউনের কারণে গত ২২ মার্চ থেকে এ পথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। এতে বন্দরের দুই পাড়ে প্রবেশের অপেক্ষায় পণ্য নিয়ে আটকা পড়ে কয়েক হাজার পন্যবাহী ট্রাক। ভারতে লকডাউন শিথিল হওয়ার পর দফায় দফায় বৈঠকের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ রোধের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে গত ৭ জুন ভারতীয় পণ্যের আমদানি শুরু হয়। তবে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি এখনও বন্ধ রয়েছে। রফতানি চালুর বিষয়ে ব্যবসায়ীরা স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতীয়রা এই মুহূর্তে রফতানি পণ্য নিতে চাইছেন না।
পণ্য পরিবহনকারী ট্রাক চালকেরা বলছেন, রফতানি বাণিজ্য সচল হবে এমন আসা নিয়ে তারা বন্দরে তিন মাস ধরে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু ভারত পণ্য নিচ্ছে না। এতে তাদের থাকা খাওয়া সহ নানান ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমদানি পণ্য ছাড়করণ প্রতিষ্ঠান সি অ্যান্ড এফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, ‘রফতানি বাণিজ্য সচল হবে এমন প্রত্যাশায় বন্দরে তিন মাস ধরে অপেক্ষা করছেন ট্রাক চালকরা। স্থানীয়ভাবে রফতানি বাণিজ্য সচলের বিষয়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। কিন্তু ভারতীয়দের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। কখন কীভাবে পণ্য তারা নেবে, এর কোনও আশ্বাসও দিচ্ছে না।’ বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, ‘তিন মাস যাবত এ বন্দরে রফতানি বাণিজ্য বন্ধ। এতে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বৈঠক করে রফতানি বাণিজ্য সচলের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সফলতা আসেনি। আমদানি বাণিজ্য যেহেতু শুরু হয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে আলোচনা করলে রফতানি বাণিজ্যও চালু হবে।’
ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মতিয়ার রহমান বলেন, ‘এ বছর ১০ হাজার কোটি টাকার রফতানি বাণিজ্য হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনায় তা থমকে দিয়েছে। রফতানি বাণিজ্য সচলের জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। করোনার মধ্যে বাণিজ্য সচল নিয়ে তারা একটি এসওপি পাঠিয়েছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।’ বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, ‘রফতানি বাণিজ্য সচলের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই আমদানির পাশাপাশি রফতানি বাণিজ্যও চালু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড়শ থেকে ২’শ ট্রাক পণ্য ভারতে রফতানি হয়। রফতানি পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল, বসুন্ধরা টিস্যু, চালের কুড়া, মেহেগনী ফল, মাছ ও অক্সিজেনসহ প্রায় ৩০ ধরনের পণ্য রয়েছে।

বটিয়াঘাটা লোকজ সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত


বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
কোভিড ১৯ মোকাবিলায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে কৃষিতে ভর্তুকী বাড়ানো, প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ধান ক্রয়, কৃষি ঋণ গ্রহণে ব্যাংকের ঘুষ গ্রহণ বন্ধ ও সুদের পরিমাণ কমানো সহ বিভিন্ন দাবীতে বটিয়াঘাটায় লোকজ ও কৃষক ফেডারেশনের কৃষি-প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা এবং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবীতে গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় বটিয়াঘাটা লোকজ সভা কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লোকজ ও মৈত্রী কৃষক ফেডারেশনের যৌথ আয়োজনে লোকজের নির্বাহী পরিচালক দেব প্রসাদ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কৃষকের দাবী সম্বলিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লোকজ মৈত্রী কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ম-ল। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারন সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীন বিশ্বাস, সাংবাদিক মো: আহসান কবির ও রিংটন ম-ল। এছাড়াও প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কৃষক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আশালতা হালদার, মো: মনসুর আলী শেখ, নিকুঞ্জ বিহারী সরকার, তাপস মল্লিক, মো: ফজলুর রহমান, লোকজের সমন্বয়কারী পলাশ দাশ, মিলন কান্তি ম-ল প্রমুখ।


কালীগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে রোজিনা নামে সাড়ে ৩ বছরের এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকালে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহতের স্বজনরা জানায়, বালিয়াডাঙ্গা পূর্বপাড়া গ্রামের বাবুল বিশ^াসের শিশু কন্যা রোজিনা বিকালে খেলতে খেলতে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের একটি পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। কিছু সময় পর পরিবারের লোকজন তাকে না পেয়ে খোজাখুজি শুরু করে। পরে বাড়ির সামনে পুকুরে শিশুটির লাশ ভাঁসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান মিয়া পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঝিনাইদহে জোড়া খুনের মামলার ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা হরিশংকরপুর গ্রামের দু গ্রুপের সংঘর্ষে জোড়া খুনের মামলার ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো হরিশংকরপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে লতা মিয়া (৬৩), কাজী আবুল হোসেনের ছেলে খালেক (৬১) ও কাজী মোসলেম উদ্দিন (৬৪) মৃত তোজাম শেখের ছেলে তোরাপ শেখ (৪৫,) মৃত আফিল উদ্দীনের ছেলে আজমত শেখ (৬৫) ও আতিয়ার রহমানের ছেলে জুয়েল রানা (২৭)। ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এমদাদুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার পাশ্ববর্তী জেলা মাগুরা, কুষ্টিয়া ও জেলার শৈলকুপা থেকে পলাতক ৬ আসামীকে গ্রেফতার করে। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাসুমের সমর্থকরা সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের সমর্থক আলাপ শেখ ও নুর ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে।

মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়ায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে খাদ্যসহায়তা প্রদান


এম.পলাশ শরীফ, মোড়েলগঞ্জ:
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া এক হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে ধারাবাহিকতায় ৫৫ পরিবারকে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক মোজাম, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক পৌর যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম আরিফ, আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল হোসেন বাদল, মালেক গাজী, ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, যুবলীগ নেতা আনিচুর রহমান কাইয়ুম, তানভীর হোসেন তুহিন। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে গত একসপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকতায় ১৬টি ইউনিয়নে এ খাদ্যসহায়তা বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, করোনায় ভয় নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক সকলকে নিজগৃহে অবস্থান করতে হবে। খাদ্য সংকটে কোন দুশ্চিন্তা নয়, প্রতিিট পরিবারকেই পর্যায়ক্রমে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে।

ফকিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন


ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নির্মল কুমার রায়ের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কার্যাদী সম্পন্ন হয়েছে। তিনি রবিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার মূলঘরের সোনাখালী গ্রামে নিজ বাসভবনে পরোলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪বছর। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার দুপুর ১২টায় ফকিরহাট এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রহিমা সুলতানা নেতৃত্বে তার গার্ঢ অব অনার প্রদান করেন জেলার চৌকশ পুলিশের একটি দল। শেষে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এসময় ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম, মূলঘর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড: হিটলার গোলদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলতাফ হোসেন টিপু, শংকর নাগ, শেখ মো: আবু বকর, শাহাদাৎ হোসেন, মহিলা ইউপি সদস্য সাধনা মন্ডল সহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ফকিরহাটের লখপুরে ৪২৯টি পরিবারের মাঝে চাউল বিতরন


ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৪২৯টি অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরন করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় পরিষদ মিলনায়তনে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আহম্মদ আলী, ইউপি সচিব প্রসুন কুমার দাশ, ইউপি সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবির, মোতালেব মোড়ল, হারুনার রশিদ, বিল্লাল হোসে মিলন, ফিরোজ খান, আরিদ হোসেন, মোঃ বজলুর রহমান মোড়ল ও মহিলা সদস্যা তাসলিমা বেগম লতা সহ ইউনিয়নের ট্রাগ অফিসারবৃন্দ। পরে ৪২৯টি পরিবারের মাঝে ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরন করা হয়।

খানজাহান আলী থানা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রার্থনা সভা


ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর এ্যাড. রানা দাশ গুপ্ত ও তার সহধর্মীনী রিতা দাশ গুপ্ত করোনা পজিটিভ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে । হিন্দুবৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের খানজাহান আলী থানা শাখার উদ্যোগে আটরা পাল পাড়া পূজা মন্দির প্রাঙ্গনে ও আটরা ক্যাথলিক পাড়া গির্জায় পৃথক পৃথক ভাবে রবিবার সন্ধা ৬ টায় থানা শাখার সভাপতি কমল কৃষ্ণ পালের সভাপতিতে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে এক প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রার্থনা সভায় পৌরহিত্য করেন স্কনের সদস্য শংকর কুমার বিশ্বাস । এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভপতি যোশেফ সিকদার , সাধারণ সম্পাদক মিলন মজুমদার , সুভাষ পাল ,সন্তস পাল , সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মিহির রঞ্জন বিশ্বাস, কৈশর বালা, শংকর পাল , দুলাল বিশ্বাস, চিত্ত বাড়ই, প্রদ্বীপ বিশ্বাস , পল্টু প্রমুখ।

খানজাহান আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক চয়নের পিতা গুরুতর অসুস্থ

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
খুলনা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ন সম্পাদক ও খানজাহান আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শরিফ ওবায়দুর রহমান চয়নের পিতা ও আটরা শিল্প এলাকায় বন্ধকৃত ব্যক্তি মালিকানাধীন আফিল জুট মিলস এর মান নিয়ন্ত্রন বিভাগের সহকারি অফিসার মোঃ শরীফ সামছুর রহমান (৬০) গুরতর অসুস্থ হয়ে ফুলতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । প্রায় ২ মাস আগে তার ঘাড়ে ২ টি গুরুতর ফোড়া অপরেশন করা হয় । তার শারিরিক অবস্থা বর্তমানে আশংকাজনক । ছাত্রদল নেতা শরিফ ওবায়দুর রহমান চয়ন তার পিতার সুস্থতা কামনার জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন ।

প্যাসেন্টস্ নার্সিং হোমের স্বত্বাধিকারী মন্টুর মৃত্যু এবং ড. গিরীন্দ্রনাথ করোনায় আক্রান্তের গুজব ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়


ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
নগরীর ফুলবাড়ীগেট প্যাসেন্টস্ নার্সিং হোমের স্বত্বাধিকারী, খুলনা ড্রাগ এ্যাসেসিয়েশনের নেতা কাজী নেছার উদ্দিন আহম্মেদ মন্টুর মৃত্যুর গুজবটি ছড়িয়ে পড়ে মহেশ^রপাশা-ফুলবাড়ীগেট সহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মাঝে। খবর জানতে ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, রাজনিতিবীদ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ গতকাল সারা দিন স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে ফোন করে এবং সারাদিনে বহু ফোনকল আসে স্থানীয় সাংবাদিক ও অনেকে স্বশরীরে ছুটে আসে কিনিকে। গুজব ছড়িয়ে পড়ে কাজী নেছার উদ্দিন আহম্মেদ মন্টু করোনায় ঢাকায় মৃত্যু বরণ করেছে। করোনার মধ্যে যেখানে অনেক কিনিক বা ডাক্তার করোনাভাইরাসের ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। সেখানে প্যাসেন্টস্ নার্সিং হোমের ডাক্তার গিরীন্দ্র নাথ কুন্ডু এবং নেসারউদ্দিন আহম্মেদ মন্টু দু’জনই জীবনের ঝুকি নিয়ে দিনরাত সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন। এমন একজন ব্যক্তির মৃত্যুর খবরের সত্যতা যাচাই করতে কথা হয় কিনিকের প্রধান চিকিৎসক ডা. গিরীন্দ্র নাথ কুন্ডুর সাথে তিনি বলেন, মৃত্যুর খবরটি সম্পুন্ন মিথ্যা ও গুজব, মন্টু ঢাকাতে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। ডাক্তার গিরীন্দ্র নাথ কুন্ডু জানান, দুই দিন আগে তিনি ফুসফুসে চিকিৎসার বিষয়ে পরামর্শের জন্য ঢাকাতে যান। সেখানে তিনি ফুটবলার জসির বাড়ীতে আছেন। সর্বশেষ গতকাল রবিবার বিকাল ৫টায় ডা. মন্টুর সাথে কথা হয় তিনি ভালো আছেন সুস্থ আছেন। এর আগে এই কিনিকের ডা. গিরীন্দ্র নাথ কুন্ডুর করোনাভাইরাসে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে ডা. গিরীন্দ্র নাথ কুন্ড বলেন মন্টু এবং আমি বিধাতার আর্শিবাদে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি এ সকল কথা সবই গুজব। তিনি এই ক্রান্তিকালে মানুষের যাতে সেবা দিতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

করোনা উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কৃষকসহ তিনজনের মৃত্যু


খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কৃষকসহ তিন’জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার তারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, কলারোয়া উপজেলার গোয়ালচাতর গ্রামের জাহাবক্স দালালের ছেলে গোলাম রব্বানী (৬২), তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাধীন শাকদাহ গ্রামের সামছুদ্দিন সরদারের ছেলে মৃত ইউনুস আলী (৪২) ও সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রুস্তুম আলী (৭০)।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, জ¦র ও শ^াসকষ্ট নিয়ে বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি হন ইউনুছ আলী (৪২)। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান। এদিকে, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোববার সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের রুস্তুম আলী(৭০)। সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এর আগে জ্বর, শ^াসকষ্ট ও ডায়েরিয়া নিয়ে রোববার কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি হন কৃষক গোলাম রব্বানী (৬২)। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাত ১১ টার দিকে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিও পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর চারটার দিকে তিনি মারা যান। মৃত তিন জনেরই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান ডাঃ জয়ন্ত সরকার। তাদের বাড়ি লক ডাউন করার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে, এনিয়ে সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ১২টি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া, সাতক্ষীরা জেলায় আজ পর্যন্ত মোট ১০০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

করোনার মধ্যেও কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা অব্যাহত


আলমগীর হোসেন, কেশবপুর
বৈশি^ক মহামারী করোনা কালীন সময় কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সেবা প্রদানে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। করোনা আক্রান্ত রোগীর পাশাপাশি বর্হিবিভাগ সহ ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদানে ডাক্তার-সেবিকারা নিষ্ঠার সাথে কর্তব্য পালন করছেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়া ডাক্তার ও সেবিকারা সুস্থ হয়েই রোগীর সেবাই ফিওে এসেছেন। তাদের সেবা পেয়ে রোগীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সোমবার সকালে সরেজমিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখাযায়, পুরুষ ওয়ার্ডে ১৬ জন এবং মহিলা ওয়ার্ডে ১৫ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি আছে দুই শিশু। বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে ১‘শ ৬৫ জন রোগী। করোনাকালীন আগেরমত এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সেবা অব্যহত থাকায় কেশবপুরের পাশাপাশি পাশ্ববর্তী মনিরামপুর, কলারোয়া, তালা ও ডুমুরিয়া এলাকার রোগীরাও চিকিৎসা সেবা নিতে আসছেন। পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী আব্দুল মান্নান (৫০) বলেন, তাকে সেবা দেওয়ার জন্য নিয়মিত ডাক্তার ও নার্স তার নিকট আসছেন। মহিলা ওয়ার্ডের রোগী তানিয়া (২৫)জানায়, ডাক্তারদের সেবায় খুশি। এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালনকালে ২ জন ডাক্তার, ৩ জন সেবিকা, ২ জনস্যাকমো, ২ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ১ জন ইউনিয়ন প্রোভাইডার ও ১ জন টিএলসিএ করোনায় আক্রান্ত হন। করোনা মুক্ত হয়েই তাঁরা পূর্বের ন্যায় রোগীর সেবা শুরু করায় রোগীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কেশপুওে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার আগপর্যন্ত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে বর্হিবিভাগে ৮ হাজার ১‘শ ১৪ জন পুরুষ, ১১ হাজার ৯‘শ ২০ জন মহিলা এবং ৫ হাজার ৬‘ শ ৮৮ জন শিশু চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। এ সময় ৯‘শ ৪২ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ১‘শ ৪২ জন মহিলা ভর্তি হন।

গত ৩১ মার্চ কেশবপুরে প্রথম করোনা রোগীশনাক্ত হওয়ার পর এপ্রিল ও মে মাসে ১ হাজার ৭‘শ ৩৩ জন পুরুষ, ২ হাজার ২‘শ ৮৯ জন মহিলা এবং ১ হাজার ৮২ জন শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। এ সময় ৩‘শ ২২ জন পুরুষ এবং ৩‘শ ০২ জন মহিলা চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন। করোনাকালীন রোগীর সেবা-সচেতনতা বৃদ্ধিও পাশাপাশি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়নে দৃশ্যমান কর্মকান্ড অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিস সময়সূচী গেটের সামনে স্থাপন করা হয়েছে। সৌন্দর্য বর্ধনে হাসপাতাল চত্ত্বরে লাইটিং, মুজিববর্ষ উপলক্ষে লিয়নবাতি স্থাপন, বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবের জীবন সম্বলিত বিভিন্ন ছবি দ্বারা বিলবোর্ড স্থাপন, মুজিবকর্ণার স্থাপন, বিভিন্ন ধরনের ব্যানার ও ফেস্টুন স্থাপন, বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। কোভিড-১৯ সন্দেহজনক রোগীদের নমুনা সংগ্রহ বুথ স্থাপন, অন্তঃবিভাগে রোগী এবং দর্শনার্থীদেও জন্য লাইব্রেরী, পেপার স্ট্যান্ড, দেয়াল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে পোস্টার বোর্ড, ফুলের বাগানসহ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। এছাড়া জন সাধারণের হাত ধোয়ার জন্য দুটি বেসিন স্থাপন করা হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। কমিউনিটি কিনিক সংশ্লিষ্টদের সকাল ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রোগীর সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর এলাকায় আগেভাগেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাক্তার মোঃ আলমগীর বলেন, কেশবপুরে করোনা রোগীর পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি ও বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা করোনা ভাইরাস শুরুর আগেরমতোই অব্যাহত রয়েছে। করোনা শুরু হলেও হাসপাতাল থেকে কোন রোগী চিকিৎসানা পেয়ে ফিওে যাননি।

শরণখোলায় কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যা


শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় হাফিজুর রহমান (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দিবাগত রাত ৯টায় উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের শৈলাবুনিয়া গ্রামে। হাফিজুর ড. মাসুম বিল্লাহ কারিগরি কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য তপু বিশ্বাস জানান, শৈলাবুনিয়া গ্রামের ছত্তার তালুকদারের ছেলে হাফিজুর রহমানের মায়ের মৃত্যুর পর তাকে প্রায়ই রান্না করাসহ বিভিন্ন পারিবারিক কাজকর্ম করতে হতো। এ কারণে বিভিন্ন সময় তার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হতো। বাড়িতে কেউ না থাকায় প্রতিদিনের মতো ওই দিনও হাফিজুর একা সন্ধ্যা থেকে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগির খাবার দেয়াসহ পারিবারিক কাজ করছিল। এরপর রাত হওয়ায় তার কোন সাড়া-শব্দ পায়নি প্রতিবেশীরা। রাত ৯টার দিকে তার পিতা ছত্তার তালুকদার বাড়িতে এসে ছেলেকে ডাকাডাকি করলেও কোন সাড়া পাচ্ছিল না। পরে ঘরের দরজা ভেঙ্গে আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়া আবস্থায় ছেলের মৃতদেহ ঝুলতে দেখেন। ধারনা করা হচ্ছে, প্রতিনিয়ত পারিবারিক কাজ করতে গিয়ে বন্ধুদের মতো ঘুরে বেড়াতে না পেরে তার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরপর অভিমান করে সে আত্মহত্যা করে। শরণখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, এব্যাপারে একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ স্থানীয় ভাবে দাফন দেয়া হয়েছে।

শরণখোলায় ৩তলা থাকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিক আহত


শরণখোলা ( বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় নির্মাণাধীন কৃষি ভবনের ৩য় তলার দেয়াল ভেঙ্গে নিচে পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছে। গতকাল বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার প্রশাসন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শ্রমিককে তাৎক্ষণিক শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, গতকাল (সোমবার) বিকেলে নির্মাণ শ্রমিক লিভাস আলী (৩৫) উপজেলার নির্মানাধীন কৃষি ভবনের ৩য় তলায় ইট গাথুনির কাজ করছিল। এ সময় সে হঠাৎ দেয়াল ভেঙ্গে নীচে পড়ে গুরুতর আহত। আহত লিভাস আলী হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচন্দ্র গ্রমের রোমান আলীর ছেলে।

সিটি কলেজের সাবেক ভিপির সুস্থতা কামনা


খবর বিজ্ঞপ্তি
জিয়া পরিষদ খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিটি কলেজের সাবেক ভিপি মোঃ হুমাউন কবির হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকাস্থ ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার আসু রোগমুক্তি কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন জিয়া পরিষদ খুলনা জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, প্রফেসর ড. মোঃ রকিব উদ্দিন, প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম রাক্কিবু, প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মান্নান, জেলা সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, মহানগর সভাপতি মোল্লা মসিউর রহমান নান্নু, এস, এম, মোহাম্মদ আলী, মোঃ আতিয়ার রহমান, কাজী ফেরদাউস বাবু, জেলা সম্পাদক মোঃ সফিকুর রহমান, অধ্যাপক মুন্সি শফিকুল আলম, অধ্যাপক শেখ মুনিবুর রহমান, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, মোঃ মিশকাত হোসেন, অধ্যাপক জাকির হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ মনজুর রহমান, অধ্যাপক শফিকুর রহমান, এ্যাডঃ মহসীন মোল্লা, এ্যাডঃ আব্দুস সোবাহান, মোঃ জাহিদুর রহমান রাজু, এম এম এ বাসার, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম শামীম, শেখ আবু সাঈদ, মাহামুদুল হাসান, মোঃ জাহেদ আলম, মুকুল হোসেন মোল্লা, রবিউল ইসলাম রবি, মল্লিক আলমগীর সিদ্দিকী, মোঃ জায়েদ আলম, মোঃ আলী মোর্ত্তজা, প্রমুখ।

গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর রুদ্রপুর সীমান্তের চোরাচালানী সিন্ডিকেটের গডফাদার কুতুব বেসামাল


বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
শার্শার রুদ্রপুর সীমান্তের কুখ্যাত চোরাচালানি কুতুব উদ্দিন রুদ্রপুর সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে গনমাধ্যেমে সংবাদ প্রকাশ এর পর বেসামাল হয়ে পড়েছে। সে সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেছে। সাংবাদিককে সায়েস্তা করতে ৫লাখ টাকা খরচ করবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করে। সে এভাবে তার ব্যাক্তিগত মোবাইল নং থেকে হুমকি প্রদান করে। যার অডিও কল রেকর্ড রয়েছে। এত সাহস সে কোথা থেকে পায় এটা জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
রুদ্রপুর সীমান্তের কুখ্যাত চোরাচালানি হানিফ ও কুতুব উদ্দিন সহোদর। তারা ওই গ্রামের আমির চাঁন এর ছেলে। তারা এলাকায় দাপটের সাথে ভারতের সাথে বিভিন্ন পন্য সহ মাদকদ্রব্য চোরাচালানি অব্যাহত রেখেছে। আজ বেলা ১টার সময় হানিফ তার মোটর সাইকেলে ফেনসিডিল বহনের সময় বিজিবি ধাওয়া করে বলে এলাকার একটি সুত্র জানায়। সুত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হানিফ যখন মোটরসাইকেলে ফেনসিডিল নিয়ে যায় তখন বিজিবি তাকে ধাওয়া করে ধরতে পারে নাই। কারন সামনে একটা ভ্যান ওভারটিক করতে গিয়ে হানিফ পালিয়ে যায়।
ওই এলাকার চোরাচালান সিন্ডিগেটের ত্রাস কুতুব উদ্দিনের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। কুতুব ও ফোন করে এ প্রতিনিধিকে বলে আমার বিরুদ্ধে কে আপনাকে তথ্য দিচ্ছে নামটা বলেন আপনাকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। আমি তাকে দেখেন কি করি। সন্ত্রাসী চোরাচালানী কুতুবের বিরুদ্ধে সবাই নাম প্রকাশ করতে ভয় পায়। নির্ভরযোগ্য সুত্র বলে গতকাল রাত্রে ও সে ভারত থেকে মাছের ডিমের একটি চালান সহ অন্যান্য পন্য নিয়ে এসেছে তার চোরাচালানি গ্রুপ নিয়ে। এই চালানেই তার ভাই হানিফ ফেনসিডিলের একটি চালান নিয়ে আসে। সুত্রটি দাবি করে বলে হানিফ কুতুব উদ্দিনের নামে একাধিক চোরাচালানি মামলাও রয়েছে। কুতুব উদ্দিন বলে এখন গরুর লাইন নেই,আমি দুই একটা গরু নিয়ে আসি। আমি কোন মাদকদ্রব্য আনি না। করোনা ভাইরাসের কারনে আগের মত আমরা সীমান্ত দিয়ে ব্যবসা করতে পারছি না। এ ব্যাপারে কায়বা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার শরিফুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বাড়ি থেকে ওদের বাড়ি অনেক দুরে। তবে ওরা ওখানে ভারত বাংলাদেশ এর ঘাটের কাজ করে থাকে। আর দুই একটা গরু চোরাই ভাবে আনে। রুদ্রপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন আমি এখন বাইরে রয়েছি পরে ফোন দেন। এরপর তাকে বেলা ৪.৩৩, ৪.৩৪.৪.৪০ ও ৪.৫৩ টার সময় ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিরোধী বিক্ষুব্ধ নাগরিক মঞ্চের প্রতিবাদী মানববন্ধন


খবর বিজ্ঞপ্তি
রাজশাহী বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমান ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানজুম মুনিরাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক করার প্রতিবাদে ও তাঁদের মুক্তির দাবীতে এবং প্রতিবাদরত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক-এর প্রতি সংহতি জানিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিরোধী বিক্ষুব্ধ নগারিক মঞ্চ, খুলনা সোমবার বেলা ১১টায় খুলনা প্রেস কাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন, খুলনা জেলা আহ্বায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল। ছাত্র ফেডারেশন, খুলনা নগর আহ্বায়ক ছাত্রনেতা আল আমিন শেখের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেনÑআকবর হোসেন, রোমেল রহমান, রুহুল আমিন, শেখ হিরা প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-গণবিরোধী ও নিপীড়নমূলক আইন। প্রত্যেক নাগরিকের স্বাধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। অথচ এ আইনের মাধ্যমে জনগণের বাক-স্বাধীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের সর্বশেষ উদাহরণÑএই দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের আটকের ঘটনা। রাষ্ট্র ও সরকারের অন্যায়মূলক কর্মকা-ের সমালোচনা, মন্তব্য বা প্রতিবাদ করা নাগরিকের অধিকারের মধ্যে পড়ে। বক্তারা আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রবর্তনের অর্থ হলো রাষ্ট্রের ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অদক্ষতা আড়ালের আইনী অস্ত্র।

তালায় পিতা-মাতা কর্তৃক মধ্যযুগের কায়দায় শিশু নির্যাতন

ইলিয়াস হোসেন, তালা
সাতক্ষীরা তালা খেশরায় পল্লি চিকিৎসক নজরুল ইসলাম কর্তৃক নিজ কন্যা শিশু নির্যাতনের অপরাধ ঢাকতে, একই এলাকার নওয়াব আলীকে ফাসাতে নিজ সন্তানের অপহরনের নাটক সাজিয়ে তালা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার বিবরনে, খেশরা ইউনিয়নের শাহীন সানা(নওয়াব আলী) জানান, আমাদেরকে ফাসাতে একই এলাকার মোঃ নজরুল ইসলাম কাগুচি তার কন্যা শিশু রোকাইয়া খাতুন(১৬) অপহরনের অভিযোগ এনে তালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি আদৌও এর সাথে জড়িত নয়। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে নজরুল ইসলাম এর কন্যা রোকাইয়া খাতুন এর সহিত ২বৎসর যাবত আমার পুত্র মোঃ খোরশেদ আলম সৈকত সানা(২০) প্রেমের সম্পর্ক হয়। এর ফলে তার পিতা ও মাতা রোকাইয়া খাতুনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় বেধকড় মারপিট করে। তাকে বিষাক্ত ইনজেকশান পুশ করে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো। আঘাত করে তার ২ পা ভেঙ্গে দিয়েছে। ১ মাস যাবৎ ব্যান্ডেস ছিলো। এমন মারপিট সহ্য করতে না পেরে রোকাইয়া খাতুন আমার বাড়ীতে ৫ বার চলে আসে। আমি ৫বারই মেয়েকে বুঝিয়ে তাদের কাছে রেখে আসি। যতবার মেয়েকে তাদের কাছে রেখে আসি, ততবারই তারা মেয়েকে নির্যাতন করে। শেষ বার আমার বাড়ী হতে মেয়েকে নিয়ে মারপিট করে রাত্রে চেয়ারের সাথে বেধে রাখে। রোকাইয়া খাতুন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে, জীবন বাচাতে, ঐদিন ভোর রাত্রে পলাইয়া, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ইউনিয়ন কমান্ডার ও পুলিশিং কমিটির সভাপতি শেখ আমিনুল ইসলামের বাড়ীতে যায়। সেই দিন সন্ধায় মেয়েকে ফিরাইয়া আনতে নজরুল ইসলাম আমিনুল সাহেবেব বাড়ীতে যায়। এ সময় এলাকার আ,লীগ নেতা শেখ কামরুল ইসলাম লাল্টুসহ গন্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে মেয়ের উপর নির্যাতন করবে না এবং ১৮ বৎসরের নীচে বিবাহ দিবে না মর্মে মোচলিকা দিয়ে বাড়ীতে নিয়ে আসে, কিন্ত পল্লী চিকিৎসক জামাতক্ষ্যাত নেতা নজরুল ইসলাম তাদের কোন কথা কর্নপাত না করে, মেয়েকে কলারোয়া নিয়ে জোর করে বিবাহ দিতে চাই। মেয়ে বিষয়টি টের পেয়ে কলারোয়া হতে পালাইয়া আতœীয়ের বাড়ীতে অবস্থান করে এবং জোর করে বিবাহ দেয়ার বিষয়টি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমিনুল ইসলামকে জানায়। এ সময় মেয়েকে না পেয়ে নজরুল ইসলাম আমারসহ পরিবারের ৪ জনের নামে তালা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এবং বিভিন্ন মামলা দেওয়াসহ আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তালা থানা হতে আমাকে বলা হয়, মেয়ে এনে দিতে না পারলে আমার নামে মামলা করা হবে। পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম মেয়েকে ফোন করে বাড়ীতে নিয়ে আসে এবং ২১ জুন তালা থানায় মেয়েকে হাজির করে মেয়েকে তার চাচার কাছে হস্তান্তর করে। এখন সে আমাকে ফাসাতে বিভিন্ন মামলায় জড়াতে পারে। আমি প্রশাসনের নিকট আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার জন্য নজরুল ইসলামের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে, শিশু কন্যা মোছাঃ রোকাইয়া খাতুন(১৬) জানায়, আমার পিতা-মাতা আমার উপর খুবইয় অত্যাচার নির্যাতন করে। তারা আমার বিষাক্ত ইনজেকশান পুশ করে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো। মেরে আমার সমস্ত শরীর ক্ষত বিক্ষত করেছে। আমার পা দুটো লাঠি দিয়ে পিটাইয়া ভেঙ্গে দিয়েছে। আমি তাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পালাইয়া গিয়ে আতœীয়ের বাড়ীতে উঠেছিলাম। আমি খোরশেদ আলম সৈকতকে ভাল বাসি। কিন্ত আমার পিতা-মাতা আমার কোন কথা না শুনে কলারোয়া উপজেলায় নিয়ে বিবাহ দিতে চায়। রোকাইয়া আরও বালেন, বাড়ীতে গেলে আমাকে মারধোর করবে, আমি আর অত্যাচার সহ্য করতে পারছি না। আমাকে যদি জেলেও যেতে হয় তবুও আমি বাড়ী ফিরে যেতে চায় না। আমি বর্তমানে চাচার বাড়ীতে আছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পিতা পল্লী চিকিৎসক মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ভাই,আপনি এ বিষয়ে কিছু লেখেন না। আমি আপনার সাথে সাক্ষাতে কথা বলব। তিনি আরও বলেন মেয়ে আমার বাড়ীতে। একই সময়ে মেয়ে রোকাইয়া খাতুন মোবাইল ফোনে বলেন, আমি বাড়ীতে যাইনি, চাচার বাড়ীতে আছি।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মদন মোহন বলেন, মেয়েকে থানায় হাজির করে এলাকার স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাক্ষাতে মেয়ের পিতা-মাতা ও চাচার কাছে হস্তান্তর করা হয়।