খবর বিজ্ঞপ্তি।।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় কর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে খুলনার আভা সেন্টারে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ভোটার অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এ্্যাকটিভ সিটেজেনারি প্রকল্পের সহায়তায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এ কর্মশালার আয়োজক। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। অতিথি ছিলেন সুজন বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জাফর ইমাম, খুলনা মহানগর আ’লীগের সাঃ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, বিএনপির মহানগর কমিটির সাবেক নেতা অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম,জাসদ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খালিদ হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগর সভাপতি মফিদুল ইসলাম, বাসদ নেতা জর্নান্দন দত্ত নান্টু, জেএসডি জেলা কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আ.ফ. ম মুহসীন, বাংলাদেশ জাসদ নেতা রফিকুল হক খোকন, নারী নেত্রী তাজিমা মজুমদার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ চন্দ্র সরকার, আঃ লতিফ, রফিকুল আলম বকুল, আঃ রহমান, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. তসলিমা খাতুন ছন্দা, সাইফুল ইসলাম, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রুবিনা আক্তার।
সভাপতির বক্তব্যে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গণতন্ত্র, সুশাসন ও ভোটাধিকার রক্ষায় সচেতন মানুষ হিসেবে সমাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে গ্রহণযোগ্য হয় সে জন্য জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার বিকল্প নেই। মহান মুক্তিযুদ্ধ যে উদ্দেশ্যে করা হয়েছে সেই ভোটাধিকার দেশ স্বাধীনের ৫২ বছরেও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার কোন বিকল্প নেই। একটি মহল আটিফিসিয়ালি দেশের একটি বড় মহলকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী করে ফেলেছে। কারণ ওই মহলটি তাদের মতামতকে সমর্থন করে না। সচেতন নাগরিক হিসেবে চিন্তা চেতনা তুলে ধরার সুযোগ হয়েছে। ভোটাধিকার সার্বজনিন বিষয়। এটা সরকার মানতে বাধ্য। তিনি বলেন, সরকার সামনে সাজানো নির্বাচনের দিকে এগুচ্ছে। দেশ সহিংসতার দিকে ধাবিত হবে।
এতে করে দেশের কেউই নিরাপদ নয়। এ থেকে বাঁচতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। দেশ স্বাধীনের গত ৫২ বছরেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি কেউ। মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয়। কিন্তু এ দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে বাধ্যবাধকতা রয়েছে ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেয়ার বিষয়টি। সব দলের অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক এটাই সবার চাওয়া। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তার অনুকুলে নেই। এ পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে। কিন্তু দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দু’দলের এমন মনোভাব নেই। এতে করে দেশে সংকট ও সহিংসতা আরো বাড়বে। সমস্যা সমাধানে কর্মশালায় ১৫ দফা সুপারিশমালা পেশ করা হয়। কর্মশালায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন এবং তাদের মতামত তুলে ধরেন।










































