খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা নিছক একটি হত্যাকান্ড নয়। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে মার্কিন সাম্রজ্যবাদের কাছে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র করেছিলো। তিনি আরো বলেন, ‘৭১ এর অপশক্তি পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে না পেরে প্রতিশোধ নিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এটা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নয়, এটা বিশ্ব মানবতাকে হত্যা করা হয়েছিলো। এ হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে গোলামের জাতিকে পরিণত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা মানে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, মানুষের অধিকারকে হত্যা করা। সে কারণেই সেদিন মানুষ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেনি। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংবিধানকে অকার্যকর করা হয়েছিলো। তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের জীবন বিপন্ন করে দেশে ফিরে বাংলার মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাকে ২৩ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। পরিবারের সবাইকে হারিয়েও তিনি ১৮ কোটি মানুষকে পরিবারের সদস্য করে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে পুনরায় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করতে হবে। সেজন্য সকলকে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রাজপথে নেমে বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসকে মোকাবেলা করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারীর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, অধ্যা. নিমাই চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, কামরম্নজ্জামাল জামাল, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ নেতা সরদার আবু সালেহ, খালেদীন রশিদী সুকর্ণ, জুবায়ের আহমেদ খান জবা, কাজী শামীম আহসান, হালিমা ইসলাম, রফিকুল ইসলাম লাবু, শ্রীমন্ত্র অধিকারী রাহুল, মোল্লা মোজাফ্ফার হোসেন, মো. খায়রম্নল আলম, শিউলি সারোয়ার, আজগর বিশ্বাস তারা, জামিল খান, ফারজানা নিশা, বুলু রায় গাঙ্গুলী, অমিও অধিকারী, হোসনেয়ারা চম্পা, নাজনিন নাহার কণা, মানিকুজ্জামান অশোক, এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, মনোয়ারা খাতুন শিউলি, হাজি সাইফুল খান, সরদার জাকির হোসেন, এ বিএম কামরম্নজ্জামান, অজিত বিশ্বাস, জলিল তালুকদার, দেব দুলাল বাড়ৈ বাপ্পি, পারভেজ হাওলাদার, ইমরান হোসেন, শিউলি বেগম, শারমিন, তৈয়েবুর রহমান, মৃনাল কাšিত্ম বাছাড়, তানভির রহমান আকাশ, চিশতী নাজমুল বাশার, সম্রাট বাদল হালদার, মো. রাসেল, সাইফুল ইসলাম সাঈফ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।##








































