Home আঞ্চলিক ক্ষমতায় থাকার আর কোন সম্ভাবনা নেই: হেলাল

ক্ষমতায় থাকার আর কোন সম্ভাবনা নেই: হেলাল

149

খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুৃল বারী হেলাল বলেছেন, সরকারের পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে, ক্ষমতায় থাকার আর কোন সম্ভাবনা নেই। বিদায় নেবার আগে বিএনপিকে কালিমা লিপ্ত করার জন্য নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সমস্ত দায়-দায়িত্বগুলো বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন ক্ষমতার তকতে তাউস আপনার পিছন থেকে সরে গেছে সুতরাং উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিজেকে ধোয়া তুলশিপাতার ভাবার কোন কারন নেই।

সোমবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৫টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপির কার্যালয়ের সমানে ঢাকায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে জনসমাবেশের অংশ হিসেবে খুলনায় জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আজিজুল বারী হেলাল বলেন, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ২৯ জুলাই ঢাকার সমাবেশে ২৫ লাখ মানুষের উপস্থিতি প্রমান করেছে আগামী বাংলাদেশ তারেক রহমানের বাংলাদেশ। গুগল ম্যাপের জরিপে দেখা গেছে বিশে^র ইতিহাসে এতমানুষের উপস্থিতিতে সমাবেশ দ্বিতীয়টি হয়নি। অপর এক জরিপে সবচে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমান।

তারেক রহমানের পরবর্তী ডাকের অপেক্ষায় দেশবাসি। একটি নির্দেশেই হাসিনাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। অবৈধ সরকার গণবিচ্ছিন্ন হয়ে ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে এখন জনগণের সাথে অসংলগ্ন আচরণ করতে শুরু করেছে। তারা চলমান সরকার পতনের গণআন্দোলনকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে দমন করার জন্য দমন-পীড়ন ও গণগ্রেফতারের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশ দিয়ে পেটানো হচ্ছে জাতীয় নেতাদের। আবার তাদের জন্য উপহার পাঠিয়ে সরকার নির্মম পরিহাসে লিপ্ত হয়েছে। পায়ে পারা দিয়ে গন্ডগোল করতে চায় সরকার। পুলিশের সেকেন্ড ফোর্স হিসেবে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা বিএনপির শান্তিপুর্ণ কর্মসুচিতে হামলা করে ভালো করেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন পরিনাম শুভ হবে। সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বিএনপি মনে রাখবে এদেশের মাটিতেই বিচার হবে একদিন। পুলিশের সামনে কারা গাড়িতে আগুন দিয়েছে সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ^ দেখেছে। ১৪ সালেও একই কায়দায় তারাই গাড়ি পুড়িয়ে বিএনপির ওপর দোষ চাপানোর অপচেষ্টা করেছে। পুলিশ কেন গাড়িতে অগ্নিকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করলো না প্রশ্ন রাখেন তিনি।

লুটেরা হাসিনা সরকারকে দেশের মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সম্প্রতি দুটি আসনের নির্বাচনে ১১% ভোট তারা প্রমানবহন করে। ১১% ভোটের মধ্যে জালিয়াতি ভোটও রয়েছে। আওয়ামী লীগের ভোট এখন শুন্যের কোঠায়। তিনি অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি করে বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামীর নির্বাচন হবে। হাসিনার অধীনের এদেশের কোন ভোট হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবেন? নাকি পালিয়ে যাবেন? ব্লাকমেইল করা আওয়ামী লীগের অতীত ইতিহাস রয়েছে। মওলানা ভাসানীর ছবি তুলে যেভাবে ব্লাকমেইল করা হয়েছিলো বাবু গয়েশ^র চন্দ্র রায়ের ছবি তুলে সেভাবেই ব্লাকমেইল করা হয়েছে। জুস দেন আর ফুল দেন শেষ রক্ষা হবে না। গণভবন ছাড়তে হবে। সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে। না হলে বালুর মত ভেসে যেতে হবে জনস্রোতের মুখে। হাসিনা সরকারের বিলিয়ন ডলার ডাকাতি নিয়ে হলিউডে সিনেমা তৈরী হচ্ছে আপনাদের লজ্জা করে না। দেশের টাকা চুরি করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিনত করেছে সরকার। দিশেহারা সরকার বাচার জন্য খড়কুটো ধরার চেষ্টা করছে। পায়ে পারা দিয়ে দ্বন্দ্ব করতে চান? যেকোন সময়-যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য বিএনপি রাজপথে প্রস্তুত আছে। তাবেদার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পির পরিচালনা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, আবু হোসেন বাবু, মনিরুজ্জামান মন্টু, স ম আব্দুর রহমান, বেগম রেহানা ঈসা, জুলফিকার আলী জুলু, সাইফুর রহমান, সৈয়দা রেহেনা ইসা, অ্যাড. নুরুল হাসান রুবা, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোস্তফাউল বারী লাভলু, শের আলম সান্টু, মোল্লা মোশাররফ রহমান, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, শেখ তৈয়েবুর রহমান, শামীম কবীর, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, আশরাফুল আলম খান নান্নু, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদি, এনামুল হক সজল, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, কে এম হুমায়ূন কবীর, হাফিজুর রহমান মনি,

শেখ জাহিদুল ইসলাম, আবু মো. মুরশিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, শেখ আব্দুর রশিদ, চৌধুরী কাওসার আলী, আ. রাজ্জাক, এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম, আবদুল মজিদ, খায়রুল ইসলাম খান জনি, শাহিনুল ইসলাম পাখি, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক, অ্যাডভোকেট মাসুম রশিদ, শেখ আজগর আলী, মোল্লা এনামুল কবির, আনিছুর রহমান, সুলতান মাহমুদ, অ্যাড. চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার, মনিরুজ্জামান লেলিন, একরামুল কবির মিল্টন, মুর্শিদুর রহমান লিটন, জহর মীর, নাজমুস সাকির পিন্টু, নাজির উদ্দিন নান্নু, আরিফুর রহমান, আহসান উল্লাহ বুলবুল, খন্দকার ফারুক হোসেন, অ্যাড. মোহাম্মাদ আলী বাবু, সেলিম সরদার, রবিউল হোসেন, সরোয়ার হোসেন, শেখ জামাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, রুম্মন আজম, সাইদুজ্জামান খান, গাজী আফসার উদ্দিন, সরদার আবদুল মালেক, রাহাত আলী লাচ্চু, নাসির খান, মল্লিক আবদুস সালাম, আব্দুস সালাম, শেখ আবুল বাশার, আব্দুর রহমান ডিনো, নুরুল আমিন, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মিজানুর রহমান মিলটন, শামসুল বারিক পান্না, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, ফারুক হোসেন, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, মাসুদ খান বাদল, যুবদলের এবাদুল হক রুবায়েত, নেহিবুল হাসান নেহিম, জাবের আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিকুল ইসলাম শাহিন, মুন্তাসির আল মামুন, ছাত্রদলের ইস্তয়াক আহমেদ ইস্তি, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, তাজিম বিশ^াস, গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাঁতীদলের মেহেদী হাসান মিন্টু, মহিলা দলের এড, তছলিমা খাতুন ছন্দা, সেতারা সুলতানা, শ্রমিকদলের উজ্জল কুমার সাহা, খান ইসমাইল হোসেন, কৃষক দলের মোল্লা কবির হোসেন, সজীব তালুকদার, শেখ আবু সাঈদ প্রমূখ।

সমাবেশ থেকে ঢাকায় গ্রেফতারকৃত খুলনা বিএনপির ১২ নেতাকর্মীসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির দাবি জনান বক্তারা। সমাবেশ শুরুর আগে বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা, উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হন।