স্টাফ রিপোর্টার:
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, সংকটময় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে জীবন যাপনে অভ্যস্ত হতে হবে। তিনি বলেন, কিছু মানুষের উদাসীনতার কারণে খুলনায় করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে।
ফলে নগরীর মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রাথমিকভাবে পনের দিনের জন্য বন্ধসহ যান চলাচলের েেত্র সীমিত আকারে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে ঔষধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর দোকানসমূহ বিধি নিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। বর্তমান সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে সিটি মেয়র সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান।
সিটি মেয়র বৃহস্পতিবার সকালে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য শিা উপকরণ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। দাতা সংস্থা ইউনিসেফ এর সহযোগিতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ এর সাহায্যপুষ্ট ১০টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিকবৃন্দের কাছে ৫’শ শিশুর জন্য শিা উপকরণ প্রদান করা হয়। শিা উপকরণের মধ্যে রয়েছে স্কুল ব্যাগ,
স্কুল ড্রেস, পেনসিল, খাতা, সাবান ইত্যাদি। শিক্ষা উপকরণ পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের লেখপড়ায় উৎসাহ যোগাবে বলে সিটি মেয়র অভিমত ব্যক্ত করেন। কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) পলাশ কান্তি বালা’র সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন কেসিসি’র সচিব (উপসচিব) মোঃ আজমুল হক। শিশু বিকাশ কেন্দ্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক-শিকিাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল’কে অভিনন্দন
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
মহান জাতীয় সংসদে মানুষের জীবন রক্ষা আর জীবিকার নিশ্চয়তা দিতে ‘‘অর্থনৈতিক উত্তরণ : ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’’ শিরোনামে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের গণমুখী বাজেট পেশ হওয়ায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল’কে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে সিটি মেয়র বলেন, করোনা ভাইরাসের সংকট মোকাবেলায় ঘোষিত বাজেটে বাস্তবভিত্তিক দিক নির্দেশনা থাকার পাশাপাশি দেশের পিছিয়ে পড়া কর্মহীন মানুষের জীবন জীবিকার পথ সুগম করতে এ বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্পখাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে যা দারিদ্র বিমোচনসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। সর্বোপরি কাঙ্খিত উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে এবং অর্থনৈতিক গতি সঞ্চারিত হবে বলে সিটি মেয়র বিবৃতিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।










































