বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি।।
বটিয়াঘাটা উপজেলাধীন কেএমপির হরিনটানা থানার রাজবাঁধ প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুরঞ্জন সুতার যৌন নিপীড়ন, কু প্রস্তাব ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় শ্রীঘরে। কিছুদিন আগে ওই বিদ্যাপীঠের ৪ টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।নিয়োগ পরীক্ষায় আয়া পদে অংশগ্রহণকারী হোগলাডাঙ্গা গ্রামের বিকাশ রায়ের কন্যা প্রেমা রায় গত ২৪ এপ্রিল হরিণটানা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৩ জনকে আসামী করে ৭নং মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলো নিজখামার গ্রামের নারায়ন সুতারের পুত্র সুরঞ্জন সুতার, কৈয়াবাজার এলাকার মৃত: মহিউদ্দিনের পুত্র তরিকুল ইসলাম ও নিজখামার ঘোলা গ্রামের মৃত: দিলীপ বিশ্বাসের পুত্র পলাশ বিশ্বাস। মামলার বিবরনীতে প্রকাশ, সম্প্রতি ওই বিদ্যাপীঠে ৪র্থ শ্রেণির আয়া পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রেমা রায় আবেদন করেন। আসামি পলাশ বিশ্বাস তাকে চাকুরী পেতে হলে স্কুল উন্নয়নের জন্য কিছু টাকা লাগবে বলে জানায়। চাকুরী পাওয়ার আশায় প্রেমা উক্ত প্রস্তাবে রাজি হয়। তার বাবার ডিপিএস ভেঙ্গে ও ৬ টি গরু বিক্রি করে সর্বমোট ৭ লক্ষ টাকা জোগাড় করে গত ৫ মার্চ সন্ধ্যায় ১ নং আসামী সুরঞ্জন সুতারের হোগলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন জমির প্রজেক্টে গিয়ে পলাশ বিশ্বাসের সামনে তার মা নিজ হাতে ৭ লক্ষ নগদ টাকা সুরঞ্জন সুতারকে বুঝিয়ে দেন। তারপর থেকে আসামী তরিকুল ইসলাম ও পলাশ বিশ্বাস মোবাইল ফোনে প্রেমাকে কু প্রস্তাব দেয়। সে প্রস্তাবে প্রেমা রাজী না হওয়ায় তার চাকুরী পাওয়ার পথে বিভিন্ন বাঁধা সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত তার চাকুরী না হওয়ায় প্রেমা টাকা ফেরত চাইতে গেলে তারা বিভিন্ন তালবাহানা করে এবং টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মাসুম বিল্লাহ জানান, আসামি সুরঞ্জন সুতারকে গত ২৪ এপ্রিল রাত ৯ টার দিকে কৈয়াবাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়। গত ২৫ এপ্রিল তাকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেল হাজতে প্রেরণ করে। অন্য দুই আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদেরকে আটকের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক নানান অভিযোগ রয়েছে।










































