যশোরে যুবককে আটকে রেখে চাঁদাদাবি দুই চাঁদাবাজ গ্রেফতার
যশোর অফিস
মোবাইলের মাধ্যমে মাত্র ৬ মাস পরিচয়ের সূত্র ধরে যশোর জজ কোটের পিয়ন মাসুম বিল্লাল (৩০) কে ডেকে নিয়ে একটি বাসায় আটকে রেখে চাঁদা স্বরুপ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে মারপিট করে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ দুই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে, যশোর শহরের পুরাতন কসবা নিরিবিলি এলাকার মৃত কাজী আব্দুস সাত্তার দুলালের ছেলে কাজী সাজ্জাদ জহির তিতু ও ইউনুচ শেখের ছেলে জুয়েল শেখকে গ্রেফতার করেছে। ঘঁনাটি যশোর শহরের পুরাতন কসবা নিরিবিলি এলাকার ৩ নং আসামী কাজী হাসান নাছির মিতুর বসত বাড়িতে।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভরতপুর গ্রামের বর্তমানে যশোর শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের জনৈক রাজেক আহমেদ এর বাড়ির ভাড়াটিয়া শওকত আলীর ছেলে মাসুম বিল্লাল বৃহস্পতিবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় এক নারীসহ ৫ জনকে আসামী করে এজাহার দায়ের করেছেন। আসামীরা হচ্ছে, শহরের পুরাতন কসবা নিরিবিলি এলাকার মৃত কাজী আব্দুস সাত্তার দুলালের ছেলে কাজী সাজ্জাদ জহির তিতু,কাজী হাসান বছির ঋতু,কাজী হাসান নাছির মিতু,একই এলাকার ইউনুচ শেখের ছেলে জুয়েল শেখ ও শহরতলী নীলগঞ্জের আব্দুর রহমানের মেয়ে মোছাঃ মিনাসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জন।
মাসুম বিল্লাল তার দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন, বিগত ৬ মাস পূর্বে মোছাঃ মিনার সাথে তার পরিচয় ঘটে। পরিচয়ের সূত্র ধরে মাঝে মধ্যে তার সাথে কথা বার্তা ও দেকা সাক্ষাত হতো। বৃহস্পতিবার ১৪ মে দুপুর ১২ টায় মিনা খাতুন তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাকে ডেকে দেখা করতে বলে। শহরের পুরাতন কসবা নিরিবিলি এলাকার কাজী হাসান নাছির মিতুর বাড়িতে দেখা করতে বলে। দুপুর ১ টায় উক্ত বাড়িতে পৌছালে সেখানে অন্যান্য আসামীরা মাসুম বিল্লালকে একটি কক্ষে আটকে রেখে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাদাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে মারপিট করে। এ সময় চাঁদাবাজরা তার স্ত্রী পারভীনাকে মাসুম বিল্লালের নাম্বার থেকে ফোন করে চাঁদার টাকা দিতে বলে। কাজী হাসান নাছির মিতু ৩১ শ’ টাকা মোবাইল চাঁদা সরুপ কেড়ে নেয়। বিষয়টি পারভীনা কোতয়ালি মডেল থানা পুুলিশকে জানায়। কোতয়ালি মডেল থানার এসআই কামাল হোসেনসহ একদল পুলিশ বিকেল সোয়া ৪ টায় উক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাসুম বিল্লালকে উদ্ধার করে। এ সময় চাঁদা দাবির অভিযোগে কাজী সাজ্জাদ জহির তিতু ও জুয়েল শেখকে গ্রেফতার করে। বাকী চাঁদাবাজ দৌড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত কাজী সাজ্জাদ জহির তিতু ও জুয়েল শেখকে শুক্রবার ১৫ মে আদালতে সোপর্দ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান।
যশোরের পল্লী বানিয়াবহু গ্রাম থেকে চাঁদাবাজ আটক ঃ আদালতে জবানবন্দি প্রদান
যশোর অফিস
একটি সংঘবদ্ধ চক্র সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের বানিয়াবহু গ্রামের এক বাড়ির বারান্দায় ২লাখ টাকা চাঁদা চেয়ে চিঠি দিয়ে প্রাণ নাশের হুমকী দিয়েছে। পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের সহায়তায় কৌশলে চাঁদা দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে মহসিন নামে এক চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। সে সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের বাগেরহাট (তেতুলিয়া) গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে। মহসিন শুক্রবার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আকরাম হোসেনের আদালতে অপরাধ স্বেচ্ছায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউপি বানিয়াবহু গ্রামের মা মঞ্জিল বাড়ির আজিজুল হকের ছেলে ট্রাক ড্রাইভার ফারুক হোসেন বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় ৫ আসামীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হচ্ছে, সদর উপজেলার বাগেরহাট তেতুলিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদার ওরফে মন্টুর ছেলে বিপ্লব হোসেন, একই এলাকার মৃত আতর আলীর ছেলে মহসিন,মৃত গোপালের ছেলে আহাদুল ইসলাম,যশোর শহরের বারান্দীপাড়া খালধার রোড কদমতলার নুরুল হক ওরফে রুবেল ও খালধার রোড কদমতলার বিল্লাল ওরফে লগা বিল্লাল, ওরফে লম্বা বিল্লালসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩জন।
ট্রাক ড্রাইভার ফারুক হোসেন দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন,তার পিতা আজিজুল হক একজন সরকারী চাকুরীজীবী ড্রাইভার বর্তমানে সে অসুস্থ্য অবস্থায় বাড়িতে আছেন। গত ১১ মে রাত সাড়ে ৮ টায় ফারুক হোসেন সাতক্ষীরা কলারোয়ায় অবস্থান করাকালে মোবাইল ফোনে জানতে পারেন, তাদের বানিয়াবহু গ্রামের বাড়ির বারান্দায় অজ্ঞাতনামা ২জন ব্যক্তি একটি হাত চিঠি ফেলে গেছে। চিঠিতে জীবননাশের হুমকী ও এলাকা ছাড়া করার ভয়ভীতিসহ ২লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চিঠিতে দুস্কৃতিকারীদের মোবাইল নাম্বার দেওয়াসহ চিঠিতে বলা হয়েছে চিঠি পাওয়ার ২০/৩০ মিনিট পরে ফোন দেওয়ার জন্য বলে। বিষয়টি আজিজুল হক তার ভাইপো ইউসুফকে অবগত করে। ওই দিন ইউসুফ রাত ১০ টায় মোবাইল ফোনে তাদের পরিচয় জানতে চায়। তারা পরিচয় না দিয়ে ২লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকী দেয়। টাকা কোথায় কিভাবে দিতে হবে জানতে চাইলে তারা তেতুলিয়া গ্রামের রুদ্রপুর সাড়াপোল গামী পাকা রাস্তার দক্ষিন পার্শ্বে জনৈক অবসর প্রাপ্ত মেজর সালাউদ্দিনের ড্রাগন ফল বাগানের আশ পাশে দিতে বলে। বিষয়টি ডিবি পুলিশকে জানালে ডিবি ১৩ মে থেকে ওৎপেতে দুস্কৃতিকারীদের ধরার চেষ্টা করে। ১৪ মে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯ টায় ২ মোটর সাইকেল যোগে ৪/৫ জন দুস্কৃতিকারী উক্ত এলাকা থেকে চাঁদা নিতে আসে। সেখানে ওৎপেতে থাকা ডিবি’র একটি টিম চাঁদাবাজ গ্রামের সক্রিয় সদস্য মহসিনকে গ্রেফতার করে। বাকীরা দ্রুত তেতুলিয়া গ্রামের দিকে চলে যায়। মহসিন গ্রেফতার হওয়ার পর তার সাথে কারা জড়িত তাকে নাম প্রকাশ করে দেয়। ডিবি পুলিশ শুক্রবার মহসিনকে উক্ত মামলায় আদালতে সোপর্দ করলে মহসিন বিজ্ঞ বিচারকের সামনে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদন করেন।
যশোরের বসুন্দিয়ায় গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
যশোর অফিস
সদর উপজেলার বসুন্দিয়া খান পাড়াস্থ একটি কবরস্থানের সামনে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সেলিম নামে এক গাঁজা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া কদমতলার মালেক মোল্যার ছেলে। বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে গ্রেফতার করে রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছে।
মামলা বিবারনে জানাগেছে,বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টায় গোপন সূত্রে খবর পান বসুন্দিয়া খানপাড়া জনৈক হামিদ মোল্যার পারিবারিক কবরস্থানের সামনে জনৈক মাদক বিক্রেতা গাঁজা বিক্রি করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে পৌছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাঁজা বিক্রেতা সেলিম দৌড়ে পালানোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরে তার দখল হতে ১শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। শুক্রবার ১৫ মে সেলিমকে মাদক আইনে মামলায় আদালতে সোপর্দ করে।
যশোরে নতুন করে আরো ১জন করোনায় আক্রান্ত
যশোর অফিস
কোভিড-১৯ শুক্রবার ১৪ মে যশোরে আরো ১ জনের শরীরে পজিটিভ এসেছে। সে যশোরের মণিরামরপুর উপজেলার বাসিন্দা একজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা। এ নিয়ে যশোর জেলায় ৭৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছে। যশোর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রেহনেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান,খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুক্রবার উক্ত সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার একটি স্যাম্পুলের রিপোর্ট এসেছে যা পজিটিভ। তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার যশোর যবিপ্রবি থেকে ১৩টি স্যাম্পুলের রিপোট ও খুলনা থেকে ১৯টি স্যাম্পুলের রিপোর্ট আসে নেগেটিভ।
খুলনার উপকূলীয় এলাকা কয়রার দক্ষিণ বেদকাশীতে শুভসংঘের ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার উপকূলীয় এলাকা কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে অসচ্ছল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) বাদ আসর কয়রার আংটিহারা এলাকায় অর্ধশত অসচ্ছল মানুষের মাঝে এ ইফতার বিতরণ করেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘ খুলনা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ খান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শুভসংঘের সদস্য মামুন কবির, সাইফুর রহমান, বিশ্বজিত বিশ্বাস, চঞ্চল সরদার, আকবার আলী, রিয়াজ হোসেন, তাজমুল খান, মুজাহিদ, আবু রায়হান খান, সোহেল আমিন প্রমুখ।
করোনায় কর্মহীন দরিদ্রদের মাঝে তীর্থালোক সংঘ, খুলনা কর্তৃক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
তীর্থালোক সংঘ, খুলনা কর্তৃক আয়োজিত উমানন্দ শিব মন্দির প্রাঙ্গণে শুক্রবার সকাল ৮টায় ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, তীর্থালো সংঘ, খুলনা’র সভাপতি সুবর্ণ সাহা, সাধারণ সম্পাদক স্বপন চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার কোষাধ্যক্ষ ও রূপসা মহাশ্মশান কালী মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার নাথ, বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ, খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও রূপসা মহাশ্মশান ও শ্মশান কালীমন্দিরের প্রধান পুরোহিত সুরেশ চক্রবর্ত্তী। আরও উপস্থিত ছিলেনÑতীর্থালোক সংঘের অন্যতম নেতা পংকজ দত্ত, বরিন মজুমদার, সুজল দত্ত, রবীন্দ্র নাথ কু-ু, স্বপন রায়, বাবু শীল, গোপাল সাহা, শক্তিপদ দাস শর্মা, বাবলু দে, বিনয় বসু, বিজন দত্ত, অসিত চক্রবর্ত্তী, তাপস পাল, সচ্চিদানন্দ কু-ু, শিলাদিত্য গাইন, শংকর দাস, সিদ্ধার্থ সাহা, উত্তম বণিক, গোপাল বণিক, মৃণ¥য় বিশ্বাস, লক্ষ্মণ দত্ত, উৎপল চক্রবর্ত্তী, সুভাস দে, বিশ্বজিৎ ধর, জয়ন্ত ভৌমিক প্রমুখ।
অভয়নগর থানা,পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের উদ্বোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
অভয়নগর প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অভয়নগর থানা, পৌর ও কলেজ শাখার উদ্বোগে করোনা ভাইরাসের কারনে কর্মহীন হয়ে পাড়া মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ১ মে শুক্রবার সকালে নওয়াপাড়া বাজারের খেয়াট এলাকায় এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কিন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফারাজি মতিয়ার রহমান, যশোর জেলা বিএনপির আহব্বায়ক কমিটির সদস্য আবু নঈম মোড়ল, কাজি গোলাম হায়দার ডাবলু,রেজাউল করিম মোল্লা, বিএনপি নেতা নওয়াব সরদার, অভয়নগর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপিত মোল্লা হাবিবুর রহমান (হাবিব), যশোর জেলা যুবদল নেতা আব্দুর রশিদ বিশ^াস, মো.কামাল হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিয়াজ উদ্দিন মিঠু, মাহাবুবর রহমান সাগর, শেখ সোহেল হোসেন,একরাম হোসেন,যশোর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সমাজ সেবা সম্পাদক মো.সাইফুল ইসলাম,অভয়নগর থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক তরফদার নাজির উদ্দিন, সাবেক সহ-সভাপতি মো.মাসুদ রানা তুহিন, ছাত্রদল নেতা হানিফ মুন্সি, তাওহীদ আলওসামা, সাদ্দাম হোসেন,তানভীর তরফদার,রাকিব হোসেন,রকি শাকিল মোল্লা, নূরে-নঈম, আসাদুল ইসলাম রকি, সাজ্জাদ হোসেন,হানিফ, আকাশ মোল্লা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন তালিকা করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা শরণখোলায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার তালিকায় অনিয়ম
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
শরণখোলায় করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত আড়াই হাজার টাকা করে প্রদান কার্যক্রমের তালিকা করণে অনিয়ম ধরা পড়েছে। তালিকাভূক্ত সুফলভোগীদের নামের পাশে পৃথকভাবে প্রত্যেকের মোবাইল নম্বার উল্লেখ করার কথা থাকলেও কতিপয় ইউপি সদস্য অসৎ উদ্দেশ্যে সেখানে লিখে দিয়েছে তার নিজের ফোন নম্বর। মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সরকার সুবিধাভোগীদের স্ব-স্ব ফোন নম্বরে টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করায় তারা এ কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াও, বিভিন্ন অভিযোগ ছিল তালিকা নিয়ে। এদিকে, বিষয়টি ধরা পরার পর সরকারী কর্মকর্তাদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে উপজেলা প্রশাসন তালিকা সংশোধন করেছেন। এদিকে, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা এখনো নেয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
জানা যায়, করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া দেশের দরিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে শেখ হাসিনা সরকার। এ লক্ষ্যে শরণখোলা উপজেলায় চার ইউনিয়নে চার হাজার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তুত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের দায়িত্ব দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঈদের পূর্বে সরকার তালিকাভূক্তদের টাকা প্রদান করার লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করার পর চৌকস উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ধরা পড়ে যায় দূর্নীতির বিষয়টি। এ ঘটনা ছাড়াও ওই তালিকায় অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ও অন্যান্য সুবিধাভোগী তালিকায় অনেকের নাম থাকায় তিনি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে তালিকা হালনাগাদ করেন।
এ ব্যাপারে ইউএনও মোস্তফা শাহিন জানান, মেম্বরদের কর্তৃক প্রস্তুতকৃত তালিকায় সুবিধাভোগীদের নামের পাশে বেশ কিছু ইউপি সদস্যদের ফোন নাম্বার ছিল। এক মেম্বরের ফোন নাম্বার ছিল ৪০ জনের নামের পাশে। এছাড়া, সচ্ছল ও সরকারের অন্যান্য সুবিধাভোগী তালিকায় থাকা নাম অত্র তালিকায়ও ছিল। এসব অনিয়ম নজরে আসার পর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দিয়ে তালিকা হালনাগাদ করে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরন করা হয়েছে। অনিয়মকারী মেম্বরদের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় শোকজ করা হচ্ছে। তারপরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, ধানসাগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম হাবিবুর রহমান জমাদ্দার (৭০) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রজিউন)। এক সপ্তাহ আগে ব্র্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে খুলনার শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি আসার পথে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ্যাম্বুলেন্সে দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুকালে স্ত্রী ও পাঁচ ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের রাজাপুর বাজার মাদরাসা মাঠে সামাজিক দুরত্বে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত এমপি ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন, শরণখোলার ইউএনও সরদার মোস্তফা শাহিন, ওসি এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদসহ দুই উপজেলার দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ফুলবাড়ীগেটে হোটেল কর্মচারী ও রিক্সাচালকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রামন রোধে ঘোষিত‘‘ ঘরে থাকুন নিরাপদে থাকুন’’ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় হোটেল কর্মচারী, রিক্সা-ভ্যানচালকদের মাঝে ফুলবাড়ীগেট আল আমিন কপি হাউজের স্বত্বাধিকারী মোঃ আল আমিন গাজী ১৫ মে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ীগেট আলতাফ হোসেন প্লাজার নিচতলায় সামাজিক ও শারীরীক দুরত্ব বজায় রেখে ৭০ জন পরিবারের মধ্যে চাল, আলু তেল, পিয়াজ ও ডালসহ খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণের উদ্বোধন করেন মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ফুলবাড়ীগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানার অসিসার্স ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম, ফুলবাড়ীগেট ফাঁড়ী ইনচার্জ এসআই বিধান চন্দ্র সানা, এস আই সেলিম, মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ।
চিতলমারীতে শিল্পপতি শাহাদাত শিকদারের অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে ঈদবস্ত্র প্রদান
মাসুম হাওলাদার বাগেরহাট:
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের কলিগাতী গ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক এসএম শাহাদাত শিকদার পাঁচ শতাধিক দুস্থ এবং অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে ঈদবস্ত্র প্রদান করেছেন। শুক্রবার (১৫মে) সকাল ১০টায় তার নিজ গ্রামের বাড়িতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তার ভাই সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব মো: শাজাহান শিকদার এ বস্ত্র বিতরণ করেন । বস্ত্রের মধ্যে ছিল শাড়ীও লুঙ্গি।
এসময় এসএম শাহাদাত শিকদার বলেন, করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে আমি খাদ্য সহায়তা প্রদানের পাশাপশি বিগত দিগুলোতে ঈদবস্ত্র-শীতবস্ত্র এবং ধর্মীয় কাজে নিজ অর্থায়নে সহায়তা করে আসছি। ভবিষ্যতেও এধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে। এসময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনীপেশার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
কেশবপুরে কালভেরী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কালভেরী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের অর্থায়নে মধ্য ও দক্ষিন বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্প বালিয়াডাঙ্গা বিডি- ৩৪৩ এর নিবন্ধিত ১৮৫ পরিবার ও জাহানপুর বিডি- ৩২৯ এর নিবন্ধিত ১৪৭ পরিবার-সহ মোট ৩৩২ মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও স্বাস্থ্য সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রদীপ সিংহের পরিচালনায় শুক্রবার সকালে ১৮৫ পরিবারের মাঝে পরিবার প্রতি ১৫ কেজি করে চাউল, ২ কেজি করে ডাউল, ৫ কেজি করে আলু, ১ লিটার করে তৈল, ১ কেজি করে পেয়াজ, ১ কেজি করে লবণ, ৩টি করে সাবান ও ৫টি করে মাস্ক বিতরণ করেন কালভেরী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সাউথ কাস্টারের চেয়ারম্যান স্টিফেন বিশ্বাস। বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর আতিয়ার রহমান, পৌর কাউন্সিলর মফিজুর রহমান খান, ইউপি সদস্য মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ।
অপরদিকে শুক্রবার দুপুরে জাহানপুর বিডি- ৩২৯ এর নিবন্ধিত ১৪৭ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও স্বাস্থ্য সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। প্রজেক্ট ম্যানেজার উজ্জ্বল দাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে ১৪৭ পরিবারের মাঝে পরিবার প্রতি ১৫ কেজি করে চাউল, ২ কেজি করে ডাউল, ৫ কেজি করে আলু, ১ লিটার করে তৈল, ১ কেজি করে পেয়াজ, ১ কেজি করে লবণ, ৩টি করে সাবান ও ৫টি করে মাস্ক বিতরণ করেন সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন দফাদার। বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, প্রকল্পের পালক অনুপ বিশ্বাস প্রমুখ।
১১নং ওয়ার্ডে শেখ সুজনের পক্ষে লন্ড্রী ও চা দোকানিদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, শ্রম ও কর্ম সংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের নির্দেশনায় খুলনা মহানগর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বিকালে খালিশপুর থানাধীন ১১নং ওয়ার্ডের লন্ড্রী ও চা দোকানিদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর যুবলীগের সদস্য শেখ মোঃ মহিদুল ইসলাম মিলন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম নূর হাসান জনি, ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক আলম খাঁ, ১১ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক, হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস ও কলেজ ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক এম এম মাসুদুর রহমান, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আরাফাত এফ রহমান, খালিশপুর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মেহেদী হাসান রাব্বী, শিবলু হোসেন, শফিকুল ইসলাম রাজীব প্রমুখ।
পাইকগাছা-কয়রায় করোনা সংকট নিরসনে সাধ্যমত চেষ্টা করছি: সাংসদ বাবু
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহামারী নভেল কােভিড-১৯ মোকাবেলায় নির্বাচনী এলাকায় কর্মহীন ঘরবন্দী মধ্যবিত্ত, দরিদ্র পরিবারের মাঝে মানবিক খাদ্য সহায়তা প্রদানকালে খুলনা-৬ আসনেরএমপি আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, উপকূলীয় পাইকগাছা-কয়রা’র অনগ্রসর এ অঞ্চলে অভাবি মানুষের সংখ্যা বেশী হওয়ায় সংকট নিরসনে সাধ্যমত চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, করোনার কারণে কর্মহীন অনেক মানুষ প্রকাশ্যে সাহায্য চাইতে লজ্জা পান। তাদের উদ্দেশ্যে বলেন,আমাদের হটলাইনে ১১টি মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে। ফোন দিলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা গোপনে আপনাদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেবে। তিনি দুঃসময়ে গরীব ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে সরকারের পাশাপাশি বিত্তশালী ব্যক্তি উদ্যোগেও খাদ্য সহয়তা তুলে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
বুধবার সকালে লক্ষ্মীখোলায় লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিনের উদ্যোগে তার বসতবাড়ীতে ৩শ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরোও জানান, দেশের এ সংকট মুহুর্তে শেখ হাসিনার সরকারের পাশাপাশি বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সমাজের দানশীল ব্যক্তিরা ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অবদান রাখছেন। এমপি আক্তারুজ্জামান বাবুর উপস্থিতিতে বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল আতপ চাউল ৫ কেজি, ডাউল ১ কেজি, তেল ৫০০, পেয়াজ- ১ কেজি, লবন- ১ কেজি, আলু ২ কেজি, মিষ্টি কুমড়া দেড় কেজি, ঝাল-২৫০ গ্রাম, উচ্ছে ৫০০ গ্রাম, পুইশাক ২ কেজি, ঢেড়শ ১ কেজি ও ১ টি সাবান সহ মোট ১২ প্রকারের খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী । লস্কর ইউপি চেয়ারম্যন কেএম আরিফুজ্জামান তুহিনের সভাপতিত্বে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্য সচিব বিভূতিভূষণ সানা, প্যানেল চেয়ারম্যান আঃ ছালাম কেরু, আ’লীগ নেতা আরশাদ আলী বিশ্বাস, স্নেহেন্দু বিকাশ, শিক্ষক সরকার গোপাল চন্দ্র, চিত্তরঞ্জন মন্ডল, জেলা যুবলীগ নেতা শামিম সরকার, আমীর আলী, প্যানেল চেয়ারম্যান জি এম তাজউদ্দীন, দীপংকর মন্ডল, উপজেলা যুবলীগ নেতা এমএম আজিজুল হাকিম, আকরামুল ইসলাম, প্রভাষক বাবলু, উত্তম ঢালী, শফি মোড়ল, করিম গাজী, প্রসেন ঢালী, দেব্ব্রত মন্ডল, তছলিম হুসাইন তাজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আফি আজাদ বান্টি, জেলা ছাত্রলীগ নেতা পার্থপ্রতীম চক্রবর্তী, মাসুদুর রহমান মানিক, মীর ছদরুল আমিন, পৌরসভা ছাত্রলীগ নেতা রায়হান পারভেজ রনি, নয়নসহ বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষ।
নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা
খবর বিজ্ঞপ্তি
চলমান মহামারি করোনায় কর্মহীন নি¤œ আয়ের মানুষের পাশে দাড়িয়েছে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা। শুক্রবার বেলা ১১টায় খালিশপুর থানাধীন স্কাউট মাঠ সংলগ্ন এলাকায় নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য হাসান মোঃ হাফিজুর রহমান, খুলনা মহানগর সভাপতি কবির আহমেদ, সিনিয়র সহ সভাপতি হাসান ফেরদৌস পিপলু, সহ সভাপতি যথাক্রমে ডাঃ এ এস এম সায়েম মিয়া, আবুল বাশার, অশোক রায়, যুগ্ন সম্পাদক এস এম নূর হাসান জনি, খালিশপুর থানা সভাপতি, রাকিবুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, দৌলতপুর থানার সাধারণ সম্পাদক গৌতম রায় দিপু, ১০ নং ওয়ার্ড সভাপতি মুন্সি মোঃ মিলন, সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক সুমন, বিশিষ্ট জালানী তেল ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুর রহমান, এস এম মিলন, সুমন, সাজিদুর রহমান, সালমান সহ সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
মোড়েলগঞ্জের হোগলাবুনিয়ায় সুবিধাভোগীদের নামের তালিকায় মেম্বরের মোবাইল নম্বর !
এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নে মানবিক সহায়তার সুবিধাভোগীর তালিকায় প্রনয়নে হয়েছে চরম অনিয়ম। সুবিধাভোগীদের নিজ মোবাইল নম্বরের পরীবর্তে ইউপি মেম্বরের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসলে। মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের দ্বারা তালিকা সংশোধনী করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণে ইউপি চেয়ারম্যানের দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় না থাকায় দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ। প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে নিজগৃহে অবস্থানকারি কর্মহীন হয়ে পড়া বিভিন্ন শ্রেনীপেশার হতদরিদ্র থেকে শুরু করে নি¤œ আয় ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সহায়তা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ে চলছে খাদ্য সামগ্রীসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান। তারই ধারাবাহিকতায় এ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মানবিক সহায়তার তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এ তালিকা প্রণয়নে চরম অনিয়ম ও ত্রুটি হয়েছে একাধিক ইউনিয়নে। পরবর্তীতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার নির্দেশনায় তালিকা সংশোধন করে সঠিক তালিকা করে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোট বাদুরা ৬নং ওয়ার্ডে সুবিধাভোগী রয়েছে ৭৩ জন। সুবিধাভোগী দিনমজুর সেলিম মাতুব্বর, জাকির মৃধা, বকুল বেগম, আলী আকবর মল্লিক, মজিদ শেখ, ইসমাইল শেখ ও ইউনুছ শেখ সহ এ রকম ৯ জন সুবিধাভোগীর তালিকায় ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রমজান হাওলাদারের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর বসানো হয়েছে। বাদ পড়েনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৩ নেতার মোবাইল নম্বরও।
দিনমজুর শ্রমিক জাকির মৃধা ও সেলিম মাতুকবর বলেন, আইর্ডি কাডের ফটোকপি ও মোবাইল নম্বর নিয়েছে মেম্বর। অথচ আমাদের মোবাইল নম্বর না দিয়ে তার ব্যক্তিগত নম্বর তালিকায় দিয়েছে। পরবর্তীতে ২/৩দিন পরে স্কুল শিক্ষক বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সংশোধন করে। মাথাগোজার শুধু পৈত্রিক বসত ভিটাটুকু রয়েছে পরিবারের ভরন পোষনে স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে কোন রকম অন্যের বাড়িতে কাজ করে দিন পার করছেন তারা। ইতোমধ্যে সরকারি কোন সুবিধা পাননী ওই পরিবারগুলো। সদ্য মাত্র মানবিক সহায়তার তালিকায় তাদের নাম হয়েছে।
ওয়ার্ড ইউপি মেম্বর মো. রমজান হাওলাদার বলেন, সুবিধাভোগীদের তালিকায় তার মোবাইল নম্বর দোষ করে দেননি তিনি। তরিগরি করে তালিকা পাঠানোর ক্ষেত্রে এ সমস্যা হয়েছে। পরবর্তীতে তালিকা সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে অনিয়ম ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় হীনতার অভিযোগ তুলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। হোগলাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরাবর। একই অভিযোগের অনুলিপি দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বাগেরহাট-৪,সহ জেলা নেতৃবৃন্দের কাছে।
এ বিষয়ে ওই হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান মো. আকরামুজ্জামান দলীয় নেতাকর্মীদের ওয়ার্ড কমিটিকে ত্রাণ বিতরনে কোথাও রাখছেন না। যে কারনেই এ সব তালিকা নির্নয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডেই ত্রুটি হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. আকরামুজ্জামান বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ওয়ার্ড কমিটি দ্বারা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে তাদের সমন্বয় রয়েছে। আনিত অভিযোগটি সঠিক নয়। ইউপি সদস্যদের মোবাইল নম্বরগুলো সংশোধন করে তালিকা পাঠানো হয়েছে।
এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক মানবিক সহায়তা বাস্তবায়ন তালিকা প্রনয়নের ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে ত্রুটি হলে পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক দ্বারা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। সুবিধাভোগীরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহায়তা পাবেন।
সাতক্ষীরায় ৫’শতাধিক হত-দরিদ্র পরিবারে মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হত-দরিদ্র ৫’ শতাধিক পরিবারের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাতক্ষীরার তালায় খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে শুক্রবার সকালে তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের
ঘোষনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। খলিলনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাষ্টার শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উক্ত খাদ্যসামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক কামরুল ইসলাম ফারুক, তালা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মৃনাল কান্তি রায়, সাধারন সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, যুগ্ন সম্পাদক মির্জা আতিয়ার রহমান প্রমূখ।বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব এ সময় বৈশ্বিক এই দূর্যোগ মোকাবেলায় সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঘরে থাকার আহবান জানান। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে এ ত্রান বিতরণ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সাতক্ষীরার প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর করোনা জয়
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
অবশেষে প্রায় দুই সপ্তাহের অধিক সময় নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ হয়েছেন সাতক্ষীরার প্রথম করোনা জয়ী স্বাস্থ্যকর্মী মাহমুদুল হক সুমন। যশোরের শার্শা উপজেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের ইপিআই টেকনোশিয়ান সুমন করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে সুমন নিজেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন।
এরপর প্রশাসন তার গ্রামের বড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রাজনগর ও শহরের উত্তর কাটিয়ায় অবস্থিত তার ভাড়া বাড়ি লকডাউন করে দেয়। এদিকে, প্রথম করোনা জয়ী সুমনের সুস্থতার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে তার ভাড়া বাড়িতে ছুটে যান সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত প্রমুখ।
এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তারা তাকে ফুল ও উপহার সামগ্রী দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং তার হাতে ছাড় পত্র দেয়া হয়। একই সাথে তার বাড়ির লকডাউন তুলে নেয়া হয়। পরপর দুটি নেগেটিভ রিপোর্ট আসায় তাকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
করোনাকালে সুন্দরবনে চোরা শিকারীরা মেতেছে হরিণ শিকারে
আবু হোসাইন সুমন, মোংলা
বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট ‘সুন্দরবন’র প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রল হরিণ ও সুন্দরী গাছ। আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারীতে সম্প্রতি সুন্দরবনের বাঘ ও হরিণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। হ্রাসও পেয়েছিল সুন্দরী গাছ পাচার। কিন্তু চলমান করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবে নদ-নদী ও রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসাধু লোকজন ও চোরা শিকারীরা সুন্দরবনে মেতে উঠেছে হরিণ শিকার এবং গাছ পাচারে। সংঘবদ্ধ চোরা শিকারী চক্র হরিণ শিকার করে তার মাংস ও চামড়া বিক্রিসহ জ্যান্ত হরিণ এবং হরিণের চামড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে চলেছে। আবার ক্ষেত্র বিশেষ কার্যসিদ্ধির জন্য ভিআইপিদের টিপস হিসেবেও হরিণের মাংস, শিং ও চামড়ার রয়েছে বহুল ব্যবহার। চোরা শিকারীদের দমন করা না গেলে বিরল প্রজাতির এই হরিণ অস্তিত্ব¡ সংকটে পড়ার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুধু বন্যপ্রাণীই নয় বনের সুন্দরী, পশুর গাছ নিধনসহ বিষ দিয়ে মাছ শিকারের মহা উৎসব চলছে বনের অভ্যন্তরের নদী-খালে। সংঘবদ্ধ গাছ চোর, বিষ প্রয়োগকারী দুর্বৃত্ত ও চোরা শিকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনে রেড এলার্ট জারি করে টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
সুন্দরবনকে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বাগেরহাট জেলার শরণখোলা রেঞ্জ ও চাঁদপাই রেঞ্জ নিয়ে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ। আর পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগে রয়েছে খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকা। এরমধ্যে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগে মাত্র ৩৬ দিনের ব্যবধানে পুলিশ ও বনরক্ষীরা অভিযানে চালিয়ে চোরা শিকারীদের কবল থেকে ২৪টি জীবিত হরিণ, ৭৯ কেজি হরিণের মাংস, নাইলনের দঁড়ির ৬ হাজার ৬’শ ফুট হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার করেছে। এ সময়ে ৭ জন চোরা শিকারীকে আটকসহ তাদের শিকার কাজে ব্যবহৃত ৪ টি ট্রলার ও দুইটি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
সুন্দরবন বিভাগ জানায়, গত ৫ মে সুন্দরবনে পাথরঘাটার চরদোয়ানী এলাকার শীর্ষ তালিকাভূক্ত চোরা শিকারি মালেক গোমস্তা তার দল নিয়ে অবৈধ পথে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর-কোকিলমনি এলাকায় ঢুকেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে টিয়ারচর থেকে ভোর রাতে হরিণ শিকারকালে তিন চোরা শিকারিকে আটক করে। এ সময় শিকারীদের বনের ভেতর পেতে রাখা হরিণ শিকারের ফাঁদে আটকে থাকা জীবিত ২২টি চিত্রল হরিণ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা হয় ৩০ কেজি হরিণের মাংস, ৭০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ, ৩টি ট্রলার ও ১টি নৌকা। পওে উদ্ধারকৃত ২২টি হরিণ সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়। এই মালেক গোমস্তা বন বিভাগের হাতে আটক হয়ে মাত্র একমাস আগে কারাগার থেকে ছাড়া পায়। গত ২ মে শরণখোলা রেঞ্জের ডিমের চর থেকে দুপুরে হরিণ শিকারের প্রস্তুতিকালে দুই চোরা শিকারিকে আটক করে বন বিভাগ। এ সময় হরিণ শিকারের জন্য বনের ভেতর পেতে রাখা ১৫শ ফুট নাইলনের দড়ির ফাঁদ উদ্ধার ও একটি ট্রলার আটক করা হয়।
গত ২৭ এপ্রিল চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারি ষ্টেশনের বনরক্ষিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাংমারি থেকে ৩ কেজি হরিণের মাংসসহ এক চোরা শিকারীকে আটক করে। গত ২৫ এপ্রিল চাঁদপাই রেঞ্জের বাদামতলা খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৭০০ ফুট নাইলনের দড়ির হরিণ ধরা ফাঁদ উদ্ধার করে বন বিভাগ। এ সময়ে কোন চোরা শিকারিকে আটক করতে পারেনি বন বিভাগ। গত ২৪ এপ্রিল ভোরে সুন্দরবন সংলগ্ন সোনাখালী গ্রামের বাদল মোল্লার পুকুর পাড় থেকে এলাকাবাসী একটি হরিণ ধরে মঠবাড়িয়া থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ বনবিভাগকে খবর দিলে তারা মাদী হরিণটি উদ্ধার করে ওই দিন বিকালে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করে।
এ দিকে গত ২৩ এপ্রিল দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শরণখোলা ষ্টেশন অফিসের বনরক্ষীরা শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে কর্কশীটে রাখা পাচারের অপেক্ষায় থাকা ১০ কেজি হরিণের মাংশ উদ্ধার করে। তবে কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি। গত ২২ এপ্রিল একই উপজেলার শাপল বাজার ইউনিয়নের বলেশ^র নদীর পার হয়ে লোকালয়ে আসার সময় সুন্দরবনের প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির বারকিং ডিয়ার (মায়া হরিণ) দুলাল নামের এক জেলে উদ্ধার করে। বনবিভাগ ওই হরিণটি উদ্ধার করে বিকালে শরণখোলা রেঞ্জ সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করে। অপরদিকে গত ১৭ এপ্রিল শরণখোলা রেঞ্জের চান্দেশ^র এলাকায় বনরক্ষীরা অভিযান চালিয়ে ৭’শ ফুট, ১০ এপ্রিল কচিখালী এলাকায় ৫’শ ফুট এবং গত ২৮ মার্চ একই রেঞ্জের চরখালী এলাকা থেকে ৫’শ ফুট হরিণ ধরার ফাঁদ জব্দ করে। তবে কোন চোরা শিকারীকে আটক করতে পারেনি।
৩০ মার্চ সুন্দরবন বিভাগ এবং পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সুন্দরবন থেকে শিকার করে নৌকা যোগে লোকালয়ে ফেরার সময় চাঁদপাই রেঞ্জের সুন্দরবন সংলগ্ন চটেরহাট এলাকার নিত্তিখালী খাল থেকে ৩৬ কেজি হরিণের মাংসসহ এক শিকারিকে আটক করে। এ সময় একটি নৌকা জব্দ করা হয়।
সুন্দরন সংলগ্ন এলাকার মৎসজীবি ও বনজীবীরা জানায়, চোরা শিকারীর সংঘবদ্ধ চক্র সুন্দরবনের গভীর অরণ্যের হরিণের আবাসস্থল এলাকায় অবস্থান নেয়। কখনো ট্রলারে, কখনও নৌকায় আবার কখনো বনের গাছে মাচা বেঁধে হরিণের গতিবিধি লক্ষ্য করে চোরা শিকারীরা। শিকারীরা রাতে বিশেষ করে কৃষ্ণ পক্ষের রাতে জঙ্গলে বেশী হানা দেয়। সুন্দরবনে যে অঞ্চলে কেওড়া গাছ বেশী জন্মে, হরিণের আনাগোনা সেখানে সবচেয়ে বেশী থাকে। ভোরে অথবা পড়ন্ত বিকেলে কিংবা চাঁদনী রাতে হরিণ চরাঞ্চলে ঘাস খায়। শিকারিরা ও হরিণের এই স্বভাব বুঝে সুন্দরবনে অবস্থান পরিকল্পনা আটে এবং জীবন বাজী রেখে চোরা শিকারিরা রাতের আঁধারে গহীন অরণ্যে নামে। সুযোগ বুঝে তারা গুলি করে কিংবা ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে। হরিণ শিকারের পর গোপন আস্তানায় বসে মাংস তৈরী করা হয়। পরে তা বিক্রি করা হয় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে। এক কেজি হরিণের মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। সুন্দরবন সংলগ্ন মোংলা, দাকোপ, রায়েন্দা, তাফালবাড়ীয়া, পাথরঘাটা, মঠবাড়ীয়াসহ বনের আশপাশ এলাকায় হরিণের মাংস বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশী। এছাড়া শিকারিরা জাল দেয়া বা বরফ দেয়া মাংস, জ্যান্ত হরিণ ও হরিণের চামড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে থাকে। আবার কার্যসিদ্দির জন্য টিপস হিসাবেও হরিণের মাংস বা চামড়ার রয়েছে বহুল ব্যবহার। অনেকে আবার ড্রইংরুমের শোভাবর্ধন করেন হরিণের চামড়া দিয়ে। চোরা পথে হরিণ শিকার এবং মাংস, চামড়া ও জীবস্ত হরিণ পাচারের নেপথ্যে যে সব রাঘোব বোয়াল জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে না পারলে বিরল প্রজাতির এই হরিণ অস্তিত্ব¡ সংকটে পড়বে বলে আশংঙ্কা করা হচ্ছে।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, সুন্দরবন বিভাগসহ প্রশাসনের কঠোর নজরদারীর কারণে ইতিমধ্যে সুন্দরবন থেকে বেশ কিছু হরিণ ও হরিণ ধরা ফাঁদ, হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের ঘটনায় বন আইনে মামলাও করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনে রেড এলার্ট জারি করে বন বিভাগের টহল জোরদার করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেও বনরক্ষীরা বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও দাবী করেন তিনি।
মোংলায় নৌবাহিনী কর্তৃক ত্রাণ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে নৌবাহিনী। মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ও ২০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় ৩৮৭টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদান করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা প্রধান করা হয় এসময় মুদি দোকান ও কাপরের দোকান হতে এক হাজার চারশত টাকা জরিমানা করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, মংলা বন্দর, আপাবাড়ি, মামারঘাট, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল পরিচালনা করে। একই সময় কন্টিনজেন্ট মংলা কর্তৃক চিলা ও মিঠাখালী এলাকায় ২৫০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সরকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে: সিটি মেয়র
তথ্য বিবরণী
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় শুক্রবার বিকালে খুলনার পুরাতন রেলস্টেশনে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চাল ও সবজি ক্রয়ের জন্য নগদ একশত করে টাকাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, সরকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে। এই দুর্যোগে কোন অসহায় মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজকর্ম করতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চললে করোনাভাইরাস থেকে আমরা মুক্ত হতে পারবো।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জামিরুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরানুল হক বাবুসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ড এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮ জন করে মোট আটশত ৫৬ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চাল ও সবজি ক্রয়ের জন্য নগদ একশত করে টাকাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন।
বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং জননেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের অনুপ্রেরণায় শুক্রবার খুলনা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন (যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলাদল, জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন)-এর উদ্যোগে অদ্য বিকাল ০৪-০০টায় নগরীর ২৭নং ওয়ার্ডে করোনা’য় কর্মহীন মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য জাফারউল্লাহ খান সাচ্চু, যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা কেএম হুমায়ুন কবির, মহানগর যুবদলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদল সহ-সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আজিজা খানম এলিজা, মহানগর জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সভাপতি নিয়াজ আহমেদ তুহিন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক চৌধূরি তৌহিদুর রহমান তুষার, মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ সুমন।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, শফিকুল ইসলাম শাহীন, জামাল তালুকদার, ময়েজ উদ্দিন চুন্নু, ফয়সল জামান, তারিকুল ইসলাম তারিক, শরিফুল ইসলাম টিপু, জাকির ইকবাল বাপ্পী, শামসুন্নাহার লিপি, আসাদুজ্জামান আসাদ, সোহরাব হোসেন, মইদুল হক টুকু, মাহমুদ হাসান বিপব, হেলাল ফরাজী, শফিকুল ইসলাম শাহীন, ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান বাবু, সোহেল রানা, মুজাহিদুল ইসলাম টনি, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, শামসুজ্জামান হীরা, আনিসুর রহমান, ডেবিড হোসেন, সোহেল রানা, মুনসুর আজাদ, বায়জীদ হোসেন, মনির হাওলাদার প্রমূখ।
রূপসায় মোবাইল ও টাকা লুট ঘটনায় তেরখাদার বিপ্লব কাজী আটক : দুই দিনের রিমান্ডে
রূপসা প্রতিনিধি
রূপসায় সংঘটিত দস্যুতা ঘটনায় লুট করা মোবাইল ফোনসহ সজীব কাজী ওরফে বিপ্লব কাজী (২৫) নামে এক অপরাধী গ্যাং সদস্যকে তেরখাদার ছাগলাদাহ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৩ মে সন্ধ্যায় শিয়ালী ফাঁড়ী পুলিশ তাকে আটক করে। মামলার অধিকতর তদন্তসহ লুট করা মালামাল উদ্ধারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দুই দিনের রিমান্ডে এনেছে পুলিশ। আটক বিপ্লব তেরখাদা থানার ৫ মামলার আসামী ও ইছামতি গ্রামের জাহিদুল কাজীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারী রাতে মোল্লারহাট থানার গাংনী বাজারের মোবাইলের দোকান থেকে রূপসা উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের সোহেলরানা ও তার ভাই মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা রাত সাড়ে ১০টায় বামুনডাঙ্গা আবেদ কাজীর বাড়ীর সামনে পৌঁছালে দু’টি মোটরসাইকেলে আসা ৬ জন্য দস্যু অস্ত্র ঠেকিয়ে তাদের কাছ থেকে তিনটি দামি মোবাইল ও ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গাত ২৭ ফেব্রুয়ারী রূপসা থানায় অজ্ঞাত আসামী উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সোহেলরানা। যার মামলা নং ২০/২, ধারা ২৯২ দন্ডবিধি।
এব্যাপারে রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, এঘটনার পর থেকে পুলিশ আসামী গ্রেফতার ও লুট করা টাকা এবং মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রাখে। এক পর্যায়ে মোবাইল ট্যাকিং ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত তেরখাদার বিপ্লব কাজীর অবস্থান নিশ্চিত করে লুটকৃত একটি মোবাইলসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুধু তাই নয়, মামলার অধিকতর তদন্ত ও লুটকৃত মালামাল উদ্ধার এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ মে দুপুরে আদালতে সোপর্দ করার পর দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, এই বিপ্লব সংঙ্গবদ্ধ একটি অপরাধী গ্যাংয়ের সক্রীয় সদস্য। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী। সেই সাথে চলমান পুলিশী অভিযানে অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে সক্ষম হবো বলে আশা করছি। প্রসঙ্গত, এই বিপ্লব মাদক সেবন ও বিক্রি, ছাগলাদাহ বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদাবাজিসহ নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে তেরখাদা থানায় মটর সাইকেল ভাংচুর ও টাকা ছিনতায় ও জনৈক মাসুম কাজীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয় জখম করার ঘটনায় মামলা রয়েছে। এছাড়া ছাগলাদাহ বাজারের ব্যবসায়ী নাজমুল হক লাক্সুর কাছে চাঁদা দাবির ঘটনাসহ তেরখাদা থানায় তার বিরুদ্ধে আরো ৩টি জিডি রয়েছে।
জেলা ও মহানগর সিপিবি’র নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), খুলনা জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে করোনাজনিত কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের মাঝে শুক্রবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। অর্থ সহায়তা প্রদান করেন সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি কমঃ মনোজ দাশ। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑসিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য কমঃ এস এ রশীদ, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমঃ এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা কমঃ মিজানুর রহমান বাবু, কমঃ ওয়াহিদুর রেজা বাবলু, কমঃ সাইদুর রহমান বাবু প্রমুখ। এ সময় নেতৃবৃন্দ সরকারি প্রদানকৃত অসহায় মানুষের ত্রাণ চোরদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা-ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বের গ্রেফতার ও জনগণের সামনে তাদের স্বরূপ উন্মোচনপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন এবং দ্রুততার সাথে প্রকৃতি-সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে রেশন কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য বিতরণেরও দাবী জানান।
শেখ সোহেলের নির্দেশনায় এবার সিন্ডবি কলোনীতে পরশ বিশ্বাসের ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেলের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় খুলনা মহানগরীতে ইফতার বিতরণ অব্যাহত রেখেছে তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুর রহমান পরশ বিশ্বাস। ২৫০ অসহায় ও কর্মহীন হতদরিদ্র এবং পথচারীদের মাঝে প্রতিদিন ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (১৫ মে) নগরীর ১৬নং ওয়ার্ডস্থ সিএন্ডবি কলোনী এলাকায় ইফতার বিতরণ চলে। আজকের অনুষ্ঠানে অতিথি থেকে ইফতার সামগ্রী অসহায় মানুষের হাতে তুলে দেন খুলনা মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন। সন্মানিত অতিথি ছিলেন ১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবিদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ হাসান ইফতেখার চালু। অতিথিদের মধ্যে আরও ছিলেন নগর যুবলীগের সদস্য মোস্তফা শিকদার, মশিউর রহমান সুমন, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান হোসেন শাওন, আল-মামুন সুমন, টিটু, ১৬নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আজগর বিশ্বাস, জিয়াউর রহমানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পটল ক্ষেতে নবজাতকের মস্তক
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরে পটল ক্ষেত থেকে নবজাতকের বিচ্ছিন্ন মস্তক উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ঝাঁপা মোড়লপাড়ার জালালের ক্ষেত থেকে মস্তকটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় ঝাঁপা ক্যাম্প পুলিশ। মস্তকের পাশেই একটি শিয়ালের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল। মস্তকটি অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো কোন সদ্য নবজাতকের বলে পুলিশের ধারণা। তবে মস্তক উদ্ধার হলেও খ-িত দেহের সন্ধান মেলেনি।
ঝাঁপা ক্যাম্পের আইসি এসআই সাহাবুল জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। খ-িত মস্তকের পাশেই একটি শিয়ালের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে অন্য কোন স্থান থেকে শিয়ালটি এই মস্তক পটল ক্ষেতে নিয়ে আসে। সকাল হলে কুকুরের সাথে লড়াইয়ে শিয়ালটির মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। জিডিমূলে মস্তক উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে, বলেন এসআই সাহাবুল।
বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেলের উদ্যোগে গল্লামারীতে ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা পরিস্থিতিতে অসহায় হয়ে পরা মানুষ ও রোজাদারদের জন্য নিয়মিত ইফতার বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল। খুলনা শহরের বিভিন্ন স্থানে ইফতার বিতরণের অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর যুবলীগের সিনিয়র সদস্য এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজের তত্ত্বাবধানে গল্লামারী বাজার এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মতন ইফতার বিতরণ করা হয়।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন সোনাডাংগা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ রাজুল ইসলাম রাজু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শরীফ এনামুল কবির, ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী, সাধারণ সম্পাদক সরদার আব্দুল হালিম, ১৮ নং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ জাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহাবুবুল আলম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ তৌহিদুর রহমান দিপু, ১৮ নং যুবলীগের সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম লিটন, ২৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক শিফার হায়দার, যুগ্ন আহবায়ক কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, ছাত্রলীগ নেতা সোহেল রানা প্রমুখ।
গৃহবন্ধি মটর শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু: দিন যত যাচ্ছে সমাজের প্রেক্ষাপট ভিন্ন দিকে রূপ নিচ্ছে
খবর বিজ্ঞপ্তি
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, জনসেবার ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকলে ক্ষমতা বা পদ লাগে না। মনের ইচ্ছা ও মহান আল্লাহ্তায়ালার তৌফিকে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। দিন যত যাচ্ছে সমাজের প্রেক্ষাপট ভিন্ন দিকে রূপ নিচ্ছে। যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাঁড়ছে, তেমনি মৃত্যু’র মিছিলের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা অনেকে কাঁচের গ্লাস বা এসি রুমে বসে বর্তমান সময়ের অসহায় মানুষের সুখ-দুঃখের কথা বুঝতে পারছি না, বা বোঝার চেষ্টা করছি না। হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য বিএনপি’র ত্রাণ কর্মক্রম অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সরকার দলীয় জনপ্রতিনিধিরা এখনও চুরির কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। প্রতিদিন মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারছি চাল, ডাল, তেল, ভোট চোরের প্রতিনিধিদেরকে ক্ষমতা থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে। জনগণের অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করবেনা। জনগণের টাকায় কেনা খাদ্যদ্রব্য তাদের মাঝে বন্টন করুন। আমরা বিএনপি পরিবারের নেতা-কর্মি সব সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে শহীদ জিয়ার আর্দশে অনুপ্রেরণীত হয়ে মা-মাটি ও মানুষের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ দিনের দুর্যোগ মোকাবেলার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নিয়ে গরীব দুখি মানুষের পাশে আছি ইনশাল্লাহ্।
শুক্রবার দুপুর ২টায় নগর বিএনপি’র ত্রাণ কর্মসুচির অংশ হিসেবে নগর বিএনপি’র উদ্যোগে ১৮নং ওয়ার্ডের নবপল্লী কমিউনিটি সেন্টারে গৃহবন্ধি মটর শ্রমিকদের মাঝে এবং দুপুর আড়াটায় ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে ও ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আরজু’র সার্বিক সহযোগিতায় মানবেতর বাজার নামে খ্যাত বসুপাড়া এতিমখানার মোড়ে করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রকার সবজী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, ইকবাল হোসেন খোকন, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, একরামুল কবির মিল্টন, শরিফুল ইসলাম বাবু, হাফিজুর রহমান মনি, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আনিসুর রহমান আরজু, আব্দুল আলিম, হেদায়েত হোসেন হেদু, ওহেদুজ্জামান খোকন, ইকবাল হোসেন, শামীম আশরাফ, সাইফুল ইসলাম মল্লিক, সাহেব আলি, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, শরিফুল ইসলাম সাগর, ফজলুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন বাবলু, মোস্তফা জামান মিন্টু, স্বপন তালুকদার, ফিরোজ আহমেদ, শাহাদাৎ হোসেন আশিকুর রহমান আশিক, সাজ্জাদ হোসেন জিতু, মুশফিকুর রহমান অভি, মহিম আহমেদ রুবেল, ওয়াদুদ খান, রাজিবুল আলম বাপ্পী, আব্দুল আহাদ শাহীন, ইমরান হোসেন, আল মামুন, মোস্তফা শেখ দুলাল, তুহিন ইসলাম, আসাদুজ্জামান রিপন, মোয়াজ্জেম হোসেন, ইসবুল রহমান ইমন, জাকির হোসেন, ইয়াসিন মোল্লা, ইউসুফ হোসেন আপন, আল আমিন মোল্যা শিমুল, নাইম ইসলাম, এলিন হোসেন অন্তর, আল মুহিমুন রেজা প্রমুখ।
অপরদিকে দুপুর দেড়টার দিকে সদর থানার ২৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে নগরীর পিটিআই মোড়ে অসহায় গরীব দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র আরিফুজ্জামান অপু, মেহেদী হাসান দিপু, ইউসুফ হারুন মজনু, ইশহাক তালুকদার, কামরান হাসান, জিএম রফিকুল হাসান, মাসুদ খান বাদল, ইকবাল হোসেন, ডা. ফারুক হোসেন, টিপু হাওলাদার, আবু তালেব, নুরুল ইসলাম লিটন, হেমায়েত হোসেন, শাকিব হোসেন, মাহাতাব উদ্দিন, ইদ্রিস আলি, রাজিবুল বাপ্পী, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোতালেব আলি, হাবিবুর রহমান, জুয়েল আলি প্রমুখ।
দেশের দুর্যোগময় মুহুর্তে ছাত্রদল ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করছে: মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
ছাত্রদলের কর্মিরা হচ্ছে বিএনপি’র প্রাণ। দেশের এই দুর্যোগময় মুহুর্তে ছাত্রদল ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করছে তারা। জাতির এই কান্তিকালে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অসহায় মানুষের সেবায় ব্রত রয়েছে। বাংলাদেশের সকল সংকটময় মুহুর্তে ছাত্ররাই অগ্রগামী ভুমিকা সব সময় পালন করেছে। আশা করি এসময়ও খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সকল স্তরের কর্মিরা অসহায়, দিনমজুর, কর্মহীন মানুষের পাশে থাকবে। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৬টায় মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আল আমিন তালুকদার প্রিন্স এর সার্বিক সহযোগিতায় ২৭নং ওয়ার্ডের পুর্ব বানিয়াখামার বড় মসজিদ এলাকার পবিত্র মাহে রমজানে রোজাদার ব্যক্তিদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।এময় উপস্থিত ছিলেন আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসান মেহেদী রিজভী, আনিসুর রহমান আরজু, কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, ছাত্র নেতা শামীম আশরাফ, শরীফুল ইসলাম সাগর, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, শাহাদাৎ হোসেন, মহিম আহমেদ রুবেল, রাজিবুল আলম বাপ্পী, মুশফিকুর রহমান অভি, নাজিম উদ্দিন, শামীম, আরিফুল ইসলাম আরিফ, জুয়েল, মনিরুজ্জামান মনি, দ্বীপ জামান, তারেক হোসেন, নয়ন ইসলাম, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
করোনার দুর্যোগকালিন সময়ে সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক কাঁদা ছোঁড়াছুড়ির দেখতে চায় না: খুলনাঞ্চল সম্পাদক
স্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন বলেছেন, সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের উচিত কর্মহীন দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। করোনার দুর্যোগকালিন সময়ে সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক কাঁদা ছোঁড়াছুড়ির দেখতে চায় না। কর্মহীন অসহায় মানুষ চায় সহযোগিতা। করোনাভাইরাসের প্রকোপ যত বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাও ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ১৮নং ওয়ার্ডের বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাজুল হাসান রাজুর উদ্যোগে অসহায় কর্মহীন ২শতাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, অসহায় ক্ষুধার্ত মানুষের উপস্থিতি প্রমান করে সাধারণ মানুষ ভালো নেই। তিনি রাজুল হাসান রাজু মত সমাজের প্রতিটি সচ্ছল মানুষের উচিত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যে মন্ত্রনালয়ে নির্দেশ মেনে সম্মিলিতভাবে করোনার মহামারি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে।
এ সময় রাজুল হাসান রাজু বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সোহেল ও শেখ রুবেল এর পরামর্শে প্রায় ৪হাজার অসহায় পরিবারকে সহায়তা দিয়েছি। সাধ্যমত চেষ্টা করে যাবো ইনশাল্লাহ। তিনি সকলকে সম্মিলিভাবে এগিয়ে সাধারণ মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, আফসানা রাজুল ডালিয়া, মাহফুজুর রহমান, এনায়েত হোসেন, আবু বক্কর সিদ্দিক, ফাহিম হাসান আকাশ, রমজান আলী, মহসিন তালুকদার প্রমূখ।
চালুর পাঁচ দিনের মাথায় মার্কেটসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত
নড়াইল প্রতিনিধি
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নড়াইলবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মৃত্যুঝুঁকির কথা বিবেচনা করে চালুর পাঁচ দিনের মাথায় মার্কেটসহ সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৫ মে) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, ‘নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান, কাঁচাবাজার, কৃষিপণ্য এবং ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় দোকানপাট-সপিং মল বন্ধের নির্দেশ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার একটি বাজারে সামাজিক দূরত্ব না মেনে দোকানে মানুষের ভিড় করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে কুষ্টিয়ায় স্বাস্থ্য বিধি না মেনে মানুষের উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হাওয়ায় সব হাট-বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও সপিং মল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৫ মে) বিকাল ৪টার দিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আসলাম হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। এই আদেশ শনিবার (১৬ মে) সকাল ৬টা হতে কার্যকর হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বাজারের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না কুষ্টিয়া জেলার একটি বাজারে এতে জেলা প্রশাসক জানান, করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) বিস্তার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণসহ কিছু শর্ত সাপেক্ষে গত ৯ মে জেলার অভ্যন্তরীণ হাট-বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট, সপিং মল সীমিত আকারে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু দুর্যোগকালীন বাজার মনিটরিং কমিটির সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, শর্ত না মেনে বাজারে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা থেকে সবকিছু বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞতিতে আরও জানানো হয়, নতুন করে আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতে হবে।
করোনায় ধানের উৎপাদন খরচ বেশি, ন্যায্য দাম না পেলে ক্ষতির আশঙ্কা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় এ বছর রোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার ৭৫ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তবে করোনা মহামারিতে শ্রমিক সংকট থাকায় ধান ঘরে তুলতে বেশি খরচ পড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এমতাবস্থায় ন্যায্য দাম না পেলে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
কালীগঞ্জ উপজেলার মেগুরখিদ্দা গ্রামের মাহবুবুর রহমান, সিংগী গ্রামের বাসু দাস ও প্রবীর দাসসহ একাধিক ধান চাষি জানান, তাদের ধানের ফলন এবার ভালো হয়েছে। ধান কাটা প্রায় শেষের দিকে। এখন চলছে ঝাড়ার কাজ। করোনার কারণে বাইরের শ্রমিক না পাওয়ায়, বেশি দাম দিয়ে শ্রমিক আনতে হয়েছে। এতে খরচ বেশি পড়েছে। তাই ন্যায্য মূল না পেলে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
ধান কাটছেন কৃষককালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানান, চলতি রোরো মৌসুমে ১৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে ১৩ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৩৪ হাজার ৭২৫ জন কৃষক এ বছর রোরো আবাদ করেছেন। ইতোমধ্যে ৭৫ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। বাজারে চিকন ধান প্রতি মণ এক হাজার থেকে এক হাজার ১০ টাকা এবং মোটা ধান ৯৫০ থেকে ৯৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, আগামী রোববার থেকে সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় শুরু হবে। এই মৌসুমে দুই হাজার ৫৪৪ মে. টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার ৪৭৩ জন কৃষকের তালিকা করা হয়েছে। সেখান থেকে লটারির মাধ্যমে দুই ৫৪৪ জন কৃষককে চূড়ান্ত করে তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হবে। একজন কৃষক সর্বোচ্চ এক টন ধান বিক্রি করতে পারবেন। কৃষকদের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে ধান কেনা হবে।
ওভারটেক করতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
মেহেরপুর প্রতিনিধি
মেহেরপুরে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাক্টরের চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত জাহিদুল ইসলাম মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কুমারী ডাঙ্গা গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে।
শুক্রবার (১৫ মে) সকালে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের মদনাডাঙ্গায় এই দুর্ঘটনায় ঘটে। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, জাহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ি থেকে মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে মদনডাঙ্গায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। একই দিক থেকে আসা একটি ট্রাক্টরকে ওভারটেক করতে গিয়ে ছিটকে ট্রাক্টর নিচে চাপা পড়ে যান তিনি। এই সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পথেই তার মৃত্যু হয়।
বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার পরও পাটের গুদামে আগুন!
স্টাফ রিপোর্ট
লকডাউনের মধ্যেই খুলনার দিঘলিয়ায় একটি পাটের গুদামে রহস্যজনক অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। যদিও ওই গুদমে বিদ্যুতের কোনও সংযোগ ছিল না। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দেয়াড়া কলোনি খেয়াঘাট সংলগ্ন আবদুস সাত্তারের পাটের গুদামে এ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে প্রায় ১০ লাখ টাকার কাঁচাপাট পুড়ে গেছে বলে মালিক দাবি করছেন।
দিঘলিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা কাইমুজ্জামান বলেন, গুদামে বিদ্যুতের সংযোগ ছিল না। তাই ঘটনাটি রহস্যজনক। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এছাড়া দু’লক্ষাধিক টাকার কাঁচা পাট উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্তের পর আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো সম্ভব হবে। তবে গুদাম মালিক আবদুস সাত্তার বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। গুদামে ৯০০ মণ কাটিং পাট ছিল। প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
দিঘলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাফিজ আল আসাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় পাট গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকা-ের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলছে।
বেনাপোল দিয়ে ভারতফেরত যাত্রীদের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাতিল
বেনাপোল প্রতিনিধি
ভারতে লকডাউনের কারণে আটকে পড়া যে সব বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরছিলেন তাদের প্রত্যেককে বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়ি কমিউনিটি সেন্টার ও ঝিকরগাছার গাজির দরগাহ’র প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছিল। কিন্তু সে আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে এ আদেশে ভারত ফেরত যাত্রীদের প্রাথমিক পরিক্ষা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বাড়ি গিয়ে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য।
এর আগে বুধবার (১৩ মে) ২৭০ বাংলাদেশি যাত্রী ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় দেশে ফেরেন। ব্যবসা, চিকিৎসা ও বেড়াতে গিয়ে তারা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আটকা পড়েছিলেন।
জানা যায়, গত ৬ এপ্রিলের আগে ভারত থেকে যারা দেশে ফিরছিলেন করোনা সংক্রমণ রোধে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তারা নিয়ম না মানায় হোম কোয়ারেন্টিন নিয়ম বাতিল করে সরকারি তত্ত্বাবধানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন চালু করা হয় গত ৬ এপ্রিল থেকে। এরপর থেকে ভারতফেরত যাত্রীরা সবাই বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়ি ও যশোর গাজীর দরগাহের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ১৪ দিন অবস্থান করছিলেন। পরে ঝুঁকি মুক্ত হলে বাড়ি ফিরছিলেন। ১৩ মে সরকারি নতুন নির্দেশনা জারি করে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কারো শরীরে করোনা উপসর্গ না থাকলে তারা নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এই নির্দেশের পর সবা যাত্রীই বাড়ি ফিরছেন। বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার আবু তাহের জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যাত্রীদের হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নির্ধারণ করা হচ্ছে। গতকাল ১৩ মে পর্যন্ত যারা দেশে ফিরেছেন তাদের কারো শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ না থাকলেও সবাইকে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল। এখন সবাইকে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে কেউ করোনার সন্দেহজনক হলে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। যারা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন তারা নিয়ম মানছেন কিনা তা নিয়মিত খোঁজ খবর নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩৬ দিনে বেনাপোল স্থলপথে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ৩ হাজার ৬২৪ জন নারী,পুরুষ ও শিশু। এরা প্রত্যেকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। তাদের কারও করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিক ফখরে আলমের দাফন সম্পন্ন
যশোর প্রতিনিধি
প্রথিতযশা সাংবাদিক কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি ফখরে আলমকে (৫৯) সমাহিত করা হয়েছে। সন্ধ্যায় ইফতারের পর যশোর সদরের চাঁচড়া ইউনিয়নের ভাতুড়িয়া মধ্যপাড়ায় নিহতের নিহতের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। কালের কণ্ঠের যশোর প্রতিনিধি ফিরোজ গাজী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বিকেলে ফখরে আলমের শিক্ষালয় যশোর জিলা স্কুল মাঠে প্রথম জানাজা এবং পরে তার গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেল সাড়ে চারটায় তার মরদেহ প্রেসকাব যশোরে আনা হলে সাংবাদিক, রাজনীতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। প্রেসকাব যশোর, সাংবাদিকদের বিভিন্ন ইউনিয়ন, সংবাদপত্র পরিষদ, যশোর থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদকসহ সংবাদকর্মী, যশোর-৩ আসনের এমপি কাজী নাবিল আহমেদের পক্ষে, জেলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, ছাত্রলীগ, যশোর ইনস্টিটিউট, কালের কণ্ঠ শুভসংঘ, জয়তী সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে তার কফিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। যশোর জিলা স্কুল মাঠে সাংবাদিক ফখরে আলমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। এদিকে, সাংবাদিক ফখরে আলমের মৃত্যুতে প্রেসকাব যশোর বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে কালো ব্যাজ ধারণ, কাবভবনে কালো পতাকা উত্তোলন এবং দোয়া মাহফিল। মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে আগামী ১৭ মে রবিবার বেলা ১২টায় প্রেসকাবে দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
প্রথিতযশা সাংবাদিক ফখরে আলম ১৪ মে সকালে ইন্তেকাল করেন। তিনি বৃদ্ধা মা, স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়েসহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে যান। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন ফখরে আলম। একপর্যায়ে তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নেন তিনি।
ফখরে আলম সর্বশেষ দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সালে সাপ্তাহিক রোববারের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরে তিনি আজকের কাগজ, মানবজমিন, জনকণ্ঠ, আমাদের সময়, যায়যায় দিন, ভোরের কাগজ, বাংলা বাজার পত্রিকায় কাজ করেছেন।
সাংবাদিকতা জীবনে তিনি মোনাজাত উদ্দিন স্মৃতি পুরস্কার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বজলুর রহমান স্মৃতিপদক, এফপিএবি পুরস্কার, মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, এফইজেবি পুরস্কার, টিআইবির অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কারসহ নানা পদক, পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। কবি হিসেবেও ফখরে আলমের ব্যাপক পরিচিতি ছিল। এক সময় যশোর সাহিত্য পরিষদেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।
কবিতা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ প্রভৃতি বিষয়ে ফখরে আলম ৩৪টি বই লিখেছেন। তার মধ্যে ‘রিপোর্টারের ডায়েরি’, ‘হাতের মুঠোয় সাংবাদিকতা’, ‘ডাকে প্রেম তুষার চুম্বন’, ‘যশোরের গণহত্যা’, ‘তুই কনেরে পাতাসী’, ‘খুলে ফেলি নক্ষত্রের ছিপি’, ‘এ আমায় কনে নিয়ে আলি’, ‘অন্ধকার চুর্ণ করি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ১৯৬১ সালের ২১ জুন জন্ম গ্রহণ করেন ফখরে আলম। যশোর শহরতলীর চাঁচড়া ভাতুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা তার বাবা মরহুম শামসুল হুদা ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা।











































