পাইকগাছা প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় চিংড়ি ঘেরের জমির দখল নিয়ে বিবাদমান দু’পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে। ৯৯৯ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে দু’পক্ষকে হঠিয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার লতা’র পুটিমারিতে ঘের মালিক কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার-জমি মালিক পক্ষ ও প্রতিপক্ষ স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আলমগীর খলিফা পক্ষের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। যে কোন মুহুর্তে অনাকাঙ্খিত ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
জানাগেছে, লতা’র পুটিমারী মৌজাতে সাবেক ইউপি সদস্য আলমগীর খলিফা পাওযার নামা বলে রাতের আধারে কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার, জমির মালিক নিশিকান্ত, সমরেন্দ্র মন্ডল, পীর আলী গাজী জমিতে বাঁধ দিয়ে দখল চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় অভিযোগ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারিতে থানায় দু’পক্ষের বসাবসির এক পর্যায়ে ওসি জিয়াউর রহমান জানান,যেহেতু এ জমি নিয়ে মামলা চলছে, সে কারনে আদালতের সিদ্ধান্ত ছাড়া দু’পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন। পুলিশ জানিয়েছে, কপিলমুনি চেয়ারম্যান সহ জমির মালিক নিশিকান্ত, সমরেন্দ্র বিধান সানা গংরা ও প্রতিপক্ষ সাবেক ইউপি সদস্য আলমগীর খলিফা মালথের বাসিন্দা আলহাজ্ব সানাউল্লাহ ও দেলুটির দিঘলিয়ার বাসিন্দা শিক্ষক প্রদীপ মল্লিক গংরা ওসি’র সিদ্ধান্ত মেনে নিজ-নিজ অবস্থানে থাকার কথা মেনে চলে আসেন। কিন্তু কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার ও নিশিকান্ত মন্ডল, সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন আলমগীর খলিফার লোকজন গত রাতে আমাদের দখলীয় চিংড়ি ঘেরে বাঁধ দিয়ে আবারও দখল চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে চেয়ারম্যান কওসার আলী ও জমির মালিকরা একত্রিত হয়ে তাদের ঘেরে পানি তোলার চেষ্টা করলে আলমগীর খলিফার স্ত্রী সহ অনেকেই বাঁধা দেয়। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশের এসআই তাকবীর হোসাইন ও রেজাউল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌছিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এ সময় আলমগীর খলিফার স্ত্রী অভিযোগ করেন পানি তোলার সময় বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষ ঘের মালিকের লোকেরা আমাকে লাঞ্ছিত করেন। এ বিষয়ে ওসি মোঃ জিয়াউর রহমান স্ফপ্ট করে বলেন,আদালত সিদ্ধান্ত ছাড়া কোন পক্ষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে










































