Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

69

মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্দ্যোগে সবজী বিতরন

খবর বিজ্ঞপ্তি

রবিবার দুপুর ৩টায় করোনা ভাইরাস দূর্যোগে গৃহবন্দী দুঃস্থ, অসহায়, কর্মহীন ক্ষতিগ্রস্থ গরিব ও মধ্যবিত্ত রোজাদার পরিবারের মাঝে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় উপকরণ উপহার হিসাবে বিভিন্ন প্রকারের সবজী বিতরণ করা হয়। বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ-সভাপতি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম, আসাদুজ্জামান মুন্না, বীরমুক্তিযোদ্ধা হাসমত আলী,বীরমুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দির সরদার, রোটাঃ ইঞ্জিঃ মিজানুর রহমান, প্রভাষক ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি, মোঃ সেলিম চৌধুরী, আবুল কালাম মোল্লা, আলহাজ¦ হাফেজ শেখ আসলাম,কাজী জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী (জুয়েল), মশিউর রহমান মিলন, হারুন অর রশিদ, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, আফজাল হোসেন আমজাল, আব্দুস সালাম সর্দার, আঃ জব্বার কমান্ডার, আঃ জলিল সরদার, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ আয়নাল, মোঃ আনোয়ার হোসেন মনু, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ মুজিবর রহমান, মোঃ ফিরোজ সর্দার, আঃ রহমান, মোসাঃ ইতি বেগম, লিভানা আক্তার, হাসী বেগম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মণিরামপুরে দুঃস্থদের তালিকায় স্বচ্ছলদের নাম!

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন গৃহবন্দি ও দুঃস্থদের ঈদ উপলক্ষে সরকারি সহায়তার জন্য যশোরের মণিরামপুরে ১২ হাজার লোকের তালিকা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যে তালিকা উপজেলা প্রশাসন হয়ে ত্রাণ মন্ত্রনালয়ে জমা পড়েছে। অধিক স্বচ্ছতার জন্য জমাপড়া তালিকা রোববার (১০ মে) শিক্ষকদের দিয়ে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাই করা তালিকায় উঠে এসেছে স্বচ্ছল, চাকরিজীবি ও প্রবাসীদের পরিবারের নাম।

অভিযোগ করা হচ্ছে, যারা তালিকা তৈরির কাজ করেছেন তারাই দুঃস্থদের বাদ দিয়ে নিজের পরিবাররের এমনকি নিজের নাম তালিকাভুক্ত করেছেন।

এমন অভিযোগ রয়েছে উপজেলার খেদাপাড়া ইউপির সাত নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষমতাশীন দলের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করা হচ্ছে ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুকুল হোসেন ১৬ জনের নাম দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি কদমবাড়িয়া বিলপাড়া এলাকার বহু অস্বচ্ছল ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে নিজের বড়ভাই দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মতিয়ার রহমানের স্ত্রী নাছিমা খাতুন ও ছেলে সাগরের নাম দিয়েছেন। দিয়েছেন খুলনার কয়রা এলাকায় বিয়ে দেওয়া নিজের বোন শাহিনা সুলতানার নাম। যদিও শাহিনা সুলতানার স্বামী কামরুল ইসলাম ওই এলাকার একটি হাইস্কুলের বেতনভুক্ত শিক্ষক। লকডাউনের কারণে গত দুইমাস ধরে তিনি পরিবার নিয়ে মণিরামপুরের কদমবাড়িয়ায় শ^শুর বাড়িতে আছেন। এখানে শেষ নয়। মুকুল হোসেন তালিকায় তার শালিকা খাদিজা খাতুনের নামও দিয়েছেন। যার স্বামী নূর নবী বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। খেদাপাড়া ইউনিয়নের তালিকায় এদের সিরিয়াল নম্বর ৪৫৩, ৪৫৭, ৪৬১ ও ৪৬২।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যাদের নাম ফেয়ারপ্রাইজ ও ভিজিডির তালিকায় রয়েছে এমন পরিবারের কেউ এই তালিকায় স্থায় পাবে না। যদিও সাত নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর তায়জুল ইসলাম এমন নামও দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

রোববার এই তালিকা যাচাই-বাছাই করেছেন মাহমুদকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কদমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও টেংরামারী হাইস্কুলের শিক্ষকরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, কদমবাড়িয়া বিলপাড়ায় নয়টি নাম তদারকির দায়িত্ব পেয়েছি। তারমধ্যে ৪৪৯ ও ৪৫০ নম্বর সিরিয়ালের দুই ব্যক্তির হদিস ওই এলাকায় মেলেনি। এছাড়া বাকি সাতটি নামের মধ্যে তিনটি নাম একই পরিবারের। তারা শিক্ষক পরিবারের স্ত্রী ও সন্তান।

স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বর তায়জুল ইসলাম মিলন বলেন, আমি ২০ জনের তালিকা দিয়েছি। তাতে কোন অভিযোগ পাওয়া যাবে না। বাকি তালিকা করেছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সমভাপতি-সেক্রেটারিসহ অন্যরা। তারমধ্যে সেক্রেটারি আব্দুর রহমান নিজের নাম দিয়েছেন।

তবে,খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সেক্রেটারি আব্দুর রহমান আকিজ জুট মিলের শ্রমিক। কাজ বন্ধ থাকায় গত দুইমাস তিনি আর্থিক সংকটে ভুগছেন।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে সাত নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুকুল হোসেন বলেন, আমি ১৬ জনের নাম দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। দুঃস্থ লোক খুঁজে না পেয়ে নিজের স্কুল শিক্ষক ভাইয়ের স্ত্রী ও ছেলে এবং নিজের বোনের (স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী) নাম দিয়েছি। আর আমার শালিকা খাদিজা খাতুনের যে নাম দিয়েছি তার স্বামী বিদেশে থাকলেও সে সহায়তা পাওয়ার যোগ্য।

খেদাপাড়া ইউপি সচিব মৃনাল কান্তি বলেন, ঈদের আগে সরকারিভাবে অসহায় ও কর্মহীন কিছু লোককে মোবাইলে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। তালিকায় চাকরিজীবি পরিবার, ফেয়ারপ্রাইজ ও ভিজিডি ভোগীদের নাম দেওয়া যাবে না। খেদাপাড়া ইউনিয়ন থেকে ৭৩২ জনের তালিকা জমা পড়েছে। সেই তালিকা আবার যাচাই-বাছাই হচ্ছে।

মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মণিরামপুরের ১২ হাজার লোকের তালিকা চাওয়া হয়েছে। যার মধ্যে পৌরসভায় এক হাজার ও বাকি ১৭টি ইউনিয়ন থেকে ১১ হাজার নাম পাঠানো হয়েছে। তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাই হচ্ছে। যেসব নামের ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া যাবে সেগুলো বাদ দেওয়া হবে।

বটিয়াঘাটায় ২ শত বছর ধরে চলাচলের রাস্তা দখল : অর্ধ শতাধিক মানুষ অবরুদ্ধ

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটাঃ

বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের শৈলমারী এলাকায় প্রায় ২ শত বছর ধরে চলাচলের রাস্তা  রাতারাতি ঘেরা দিয়ে গাছপালা রোপন করে বন্ধ করে দিয়েছে একটি চক্র। ফলে ৮টি পরিবারের অর্ধ শতাধিক মানুষ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে। এ ব্যাপারে ভূক্তভোগীরা প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। সুত্রে প্রকাশ, উপজেলার শৈলমারী এলাকায় পরামানিকের খালের পশ্চিম পাশ দিয়ে চলাচলের রাস্তাটি উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে তৎকালীন জলমা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সনজিৎ কুমার মন্ডল রাস্তাটি পুঃন নির্মান করেন। গত শুক্রবার স্থানীয় দেবেন্দ্র নাথ বৈরাগী, শংকর, বৈরাগী, কার্তিক রায়সহ তাদের সহযোগীরা রাতের আধাঁরে তারের ঘেরা বেড়া দিয়ে রাস্তাটি দখল করে নিয়েছে। যে কারনে ৮টি পরিবারের অর্ধ শতাধিক মানুষ এবং গবাদী পশু নিয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবার গুলো বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

খুলনা শহরের বিভিন্ন স্থানে নৌবাহিনীর ইফতার বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে নৌবাহিনী। অসহায় ও দুস্থ পরিবারে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী পৌছানোসহ জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক ০৫ নং ঘাট বস্তি এলাকায় ২০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নৌ  ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক মোক্তার হোসেন রোড, পুথিমারি এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একইসময় বিএসও খুলনা কর্তৃক খুলনা শহর এলাকা এলাকায় ৪৪৫ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।  অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ও ২০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, মংলা বন্দর, চিলা, চাঁদপাই, বৌদ্ধমারি, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল পরিচালনা করে। এ সময় ২০৮টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়াও ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় স্থানীয় প্রসাশনকে সহায়তা করা হয়। এসময় কয়েকজন মটর সাইকেল চালক এর নিকট হইতে টাকা দুই হাজার চরশত জরিমানা করা হয়।

কয়রায় ২৩ মন ভেজাল মধুসহ ২ জন আটক

কয়রা প্রতিনিধি

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়রা থানা পুলিশ ভেজাল মধু পাচারের সময় ২০ টি ড্রামে থাকা ২৩ মন মধু পিকাপ সহ ২ জনকে আটক করেছে। শনিবার রাত আনুঃ ৮ টার সময় কযরা চাঁদালী ব্রীজের উপর থেকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। জানা গেছে দীর্ঘ দিনের ভেজাল মধু ব্যবসায়ী ফজলু গাজী ও তার ভাই মাস্টার মালেক গাজী ভেজাল মধুর ব্যবসার সাথে জড়িত। সূত্র জানায় এই চক্রটি সুন্দরবনের মৌয়ালদের কাছ থেকে খাঁটি মধু ক্রয় করে চিনি জালিয়ে উক্ত মধুর সাথে মিশিয়ে খুলনা শহরে বিক্রি করে। এছাড়া ১০ বছর আগে উক্ত মালেক মাষ্টার চিনি মিশানো মধু ভ্যান যোগে পাচার কালে পুরিশের হাতে ধরা পড়ে। কিন্তু ভ্যান ওয়ালা জেল হাজতে গেলেও মূল হোতা মালেক মাষ্টার কৌশলে মামলা থেকে অব্যহাত পায়্। এদিকে মধু আটকের পর একটি মহল পুলিশের কাছে ব্যাপক তদবীর চালিয়েও ব্যর্থ হয়। তবে পিকাপে থাকা ড্রাইভার সহ অপর ৩ জনের মধ্যে ২ জন পালিয়ে যায়। তবে ড্রাইভার রবিউল ও মালেক মাষ্টারের ছোট বাই ফজলু গাজী পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এ বিষয় ৪ নং কয়রার পল্লী মঙ্গলের একাধীক ব্যক্তি জনায়, চিহ্নিত ভেজাল মধু ব্যবসায়ীর হোতা এই চক্রটি। এবং পালিয়ে যাওয়া মিজান আটক ফজলুর জামাই ও মালেক মাষ্টার বলে তাদের ধারণা। মালেক মাষ্টারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয় ওসি (তদন্ত) মোঃ শাহাদাৎ হোসেন জানান, ২০ টি ড্রাম মধু একটি পিকাপ ও ২ জন কে আটক করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত দুইজন সহ ৪ জনের নামে মামলা হয়েছে যার নং ০৯ তাং ০৯/০৫/২০২০ ইং । খবর নিয়ে জানা গেছে চলতি বছরের সুন্দরবনের মধু কাটা মৌসুম শুরু হয়েছে এপ্রিলের শুরু থেকে এবং প্রথম টিপের মধুতেই ভেজাল শুরু করেছে এই ভেজাল চক্র। এছাড়া পল্লীমঙ্গল এলাকায় চিনি জালিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে মধু ব্যবসা করে প্রায় দেড় যুগ ধরে। যে কারনে এলাকায় অনেকের নামে মামলা আছে বলে শোনা গেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলের বদলি শ্রমিকদের স্মারকলিপি প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

আগামী ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বে এরিয়ার টাকা, বকেয়া মজুরি ও উৎসব ভাতা পরিশোধ করার দাবিতে রবিবার বেলা ১১টায় খুলনা-যশোর অঞ্চলের সকল রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলের প্রকল্প পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বদলি শ্রমিক সংগঠন, খুলনা-যশোর আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের খুলনা-যশোর আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার এবং যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সুমন স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি প্রত্যেক মিলে প্রকল্প প্রধান বরবার পেশ করেন স্ব-স্ব মিলের বদলি শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বর্তমানে কর্মহীন সকল রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বদলি শ্রমিকদের করুণ অবস্থা তুলে ধরে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ‘কাজ থাকলে মজুরি, কাজ না থাকলে নয়’ এ পদ্ধতিতে কাজ করতে হয় বলে বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে নিদারুণ অনিশ্চয়তায় দিন কাটাতে হচ্ছে বদলি শ্রমিকদের। দীর্ঘদিন বদলি শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণ বন্ধ।

মজুরি কমিশন-২০১৫ বাস্তবায়নের ঘোষণা আসার পর সকল মিলে বদলি শ্রমিক নিয়োগ প্রায় শূন্য। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার গত ২৬ মার্চ ২০২০ থেকে ৫ মে ২০২০ পর্যন্ত রাষ্টায়ত্ব পাটকলসমূহের সাধারণ ছুটি পালন করায় বদলি শ্রমিকরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েছে। ফলে অনাহার-অর্ধাহারে বদলি শ্রমিকরা তাদের পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করছে। এরূপ পরিস্থিতিতে ঈদ অত্যাসন্ন। অভুক্ত থেকে ঈদ উৎযাপনের মত বাস্তবতা এখন শ্রমিকদের সামনে হাজির। তাই শ্রমিকরা ঈদের পূর্বে ২০১৫ সালের মজুরি কমিশন অনুযায়ী এরিয়ার টাকা, বকেয়া মজুরি ও উৎসব ভাতা পরিশোধ এবং সাধারণ ছুটির আগের দিন অর্থাৎ ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে মিলে কর্মরত সকল বদলি শ্রমিকদের ছুটির টাকা প্রদানের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।  

বদলি পাটকল শ্রমিকের মাঝে সিটি মেয়রের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

তথ্য বিবরণী

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় রবিবার দুপুরে খুলনার খালিশপুর প্লাটিনাম জুবলি জুট মিলসের তিনশত ৭৫ বদলি পাটকল শ্রমিকের মাঝে আট কেজি চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, সরকার অসহায়, দুস্থ, নি¤œআয় ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ কারে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে সরকার ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, মিল ইউনিয়নের সভাপতি সাহানা শারমিন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সরদার আলী আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সকালে খুলনা বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে খুলনা, বাগেরহাট ও মাগুরা জেলার ২৪ জন অসহায় পাটকল শ্রমিক ও তাদের পরিবারের মাঝে পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান এসব চেক বিতরণ করেন।

খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সমগ্রী প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে প্রেসকাবকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। আজ রবিবার দুপুরে প্রেসকাব চত্তরে ১টি জীবানু নাশক ¯্রে ম্যাশিন, ২০টি সাবান ও ২০টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রদান করেন খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট ও খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসকাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা, জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারী ও খুলনা প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, প্রেসকাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সোহেল মাহমুদ, সহকারী সম্পাদক বিমল সাহা, নির্বাহী সদস্য মো. রাশিদুল ইসলাম, মো. জাহিদুল ইসলাম ও মো. আনিস উদ্দিন, কাব সদস্য আলমগীর হান্নান, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ইউনিট লেবেল কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম প্রমুখ।

খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যন শেখ হারুনুর রশীদ ব্যক্তিগতভাবে এ সময়ে খুলনা প্রেসকাবে সাংবাদিকদের জন্য ২০টি পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইক্্ুযইপমেন্ট (পিপিই) প্রদান করেন।

পাইকগাছায় স্ত্রী, শ্বশুর, শ্যালিকা ও শ্যালকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে জামাতা থানায় সাধারণ ডায়েরী

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় স্ত্রী, শ্বশুর, শ্যালিকা ও শ্যালকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে জামাতা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে। অভিযোগে দেখা যায়, ২০১৬ সালে প্রেমের ফাঁদে ফেলে উপজেলার মঠবাটী গ্রামের মৃত কওসার আলীর ছেলে কায়ুমকে বিয়ে করেন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের হামিদ গাইনের মেয়ে রোজিনা হামিদ। যাকে নিয়ে ঢাকার মুগদা থানার পাশে ভাড়া বাসায় বসবাস করে। কায়ুম জানায়, বিগত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে একটি মামলায় কায়ুম জেলহাজতে গেলে স্ত্রী রোজিনা তার বাড়ী থেকে নগদ টাকা সহ ৫ লাখ টাকার গহনা, সার্টিফিকেট, এনআইডি ও ব্যাংকের চেক বই নিয়ে চলে যায়। স্ত্রী রোজিনা, স্বামী কায়ুমের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না রাখায় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে তালাক দেয়। এ ঘটনায় স্ত্রী তার বোন রেহানা খাতুনকে দিয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতে ১০ লাখ টাকার মামলা করেছে। এদিকে নানাভাবে জানমালের হুমকি-ধামকি দেয়ায় কায়ুম স্ত্রী রোজিনা হামিদ, শ্বশুর আব্দুল হামিদ গাইন, শ্যালিকা রেহানা খাতুন ও শ্যালক মোঃ মোশারফের নামের থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে। যার নং- ৬৬৮/২০। এ ব্যাপারে রোজিনা হামিদ জানায়, তার কোন কাগজপত্র ঢাকার বাসায় ছিল না। সে আমাকে তালাক দিয়েছে।

পাইকগাছার ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় প্রতিবন্ধী ছেলেকে ফিরে পেলো পিতামাতা

পাইকগাছা প্রতিনিধি

দীর্ঘ আড়াই মাস পর পাইকগাছার এক ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় হারিয়ে যাওয়া প্রতিবন্ধী ছেলেকে ফিরে পেলো পিতা-মাতা। রোববার সকালে আরিফের ভাই আফেল চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ভাইকে বুঝে নেয়।

জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিং-এর কতোয়ালী থাকার আলকাজ মিয়ার প্রতিবন্ধী ছেলে আরিফ আহম্মেদ হারিয়ে যায়। সেই থেকে আরিফ খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লক্ষ্মীখোলার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান তুহিনের দৃষ্টিগোচর হলে ছেলেটিকে তার পরিষদে ডেকে নিয়ে বিস্তারিত পরিচয় জানতে চাই। শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী আরিফ কোন মতে তার পিতা ও জেলার নাম বলতে পারে। পিতা-মাতার সাথে যোগাযোগের আগ পর্যন্ত দীর্ঘ এ আড়াই মাস যাবৎ সে চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধায়নে তার বাড়ীতে ছিল। আলোর দিশারী নামে একটি ফেইসবুক আইডিতে কয়েকটি মোবাইল নম্বর দিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়। বুধবার ময়মনসিং-এ তার পিতা ছেলের ছবি দেখে চিনতে পারে ও চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করে।

মহানগর বিএনপি নেত্রীর স্বামীর দাফন সম্পন্ন

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য নিঘাত সীমার স্বামী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সানোয়ার হোসেনের (৬৫) দাফন রবিবার সম্পন্ন হয়েছে। যোহরবাদ খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেটস্থ দারুল মোকাররম মাদ্রাসা ময়দানে জানাজা নামাজ শেষে গোয়ালখালি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজা নামাজে অংশ নেন মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাঃ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, যুবদলের সাবেক নেতা শাহিনুল ইসলাম পাখি, খালিশপুর থানা বিএনপি সভাপতি এড. ফজলে হালিম লিটন, সদর থানা বিএনপি নেতা আরিফুজ্জামান অপু, দৌলতপুর থানা বিএনপির সাঃ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক ফারুখ হিল্টন, শেখ মহিউদ্দীন হোসেন, সামসুর রহমান, কাজী আঃ লতিফ, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আহসানুল্লাহ বুলবুল, বিএনপি নেতা ইমাম হাসান, সাবেক কাউন্সিলর আবু সালেক ও শেখ জাহিদ হোসেন, লিটন খান, বাদশা, খালিশপুর বণিক সমিতির সভাপতি আঃ মতিন বাচ্চু, শ্রমিকদলের নেতা আবুল কালাম জিয়া, মোবাশ্বির হোসেন শ্যামল, স্বপন, সাইফুল ইসলাম সান্টু, ডিয়ার, আঃ বারেক, নগর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল, নগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রসিউর রহমান রুবেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালেহ শিমুল, খালিশপুর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব উজ্জল হোসেন সুমন, শফিক, মফিজ,ইউনুসসহ বিএনপির ও তার অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নামাজের ইমামতি করেন অত্র মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ মুফতি নজির বিন হাশেম।

উল্লেখ্য, শনিবার বিকেল পৌনে পা্চঁটায় হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সানোয়ার হোসেন মারা যান।

মহেশপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ইউপি সদস্য ও সরকারী কর্মচারী  নিহত

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ট্রাকের ধাক্কায় এক ইউপি সদস্য ও সরকারী কর্মচারী নিহত হয়েছে। রবিবার (১০ মে) সকালে মহেশপুর উপজেলা শহরের হাসপাতাল মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

থানা সূত্রে জানান, মহেশপুর উপজেলার আজমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলামপুর গ্রামের নিয়ত আলীর ছেলে লুৎফর রহমান ও  কোটচাঁদপুর উপজেলার দয়ারামপুর গ্রামের মৃত আনারুলের ছেলে মহেশপুর উপজেলার সমাজসেবা কর্মী আব্দুল কুদ্দুস বাড়ী থেকে মহেশপুরে যাচ্ছিল।

পথে শহরের হাসপাতাল মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মোটর সাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। সে সময় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান ঘটনাস্থলে নিহত হয়। মোটরসাইকেলে থাকা  আব্দুল কুদ্দুস  গুরুতর আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে ৪ঘন্টা পর তারও মৃত্যু হয়। বিষয়টি মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোর্শেদ হোসেন খাঁন নিশ্চিত করেছেন।

রূপসায় শ্রমিক সংকটে কৃষকের পাশে বিভিন্ন সংগঠন

রূপসা (খুলনা) প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব রোধে ধান কাটার শ্রমিক না পাওয়ায় খুলনার রূপসা উপজেলার বিভিন্ন সংগনের নেতারা কৃষকের ধান কাটা অব্যহত রয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও টিএসবি ইউনিয়নের এমপির প্রতিনিধি মোরশেদুল আলম বাবুর  নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মী ও অন্য সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে ১৫ জন কৃষকের ধান কেটছে।

গোয়ালবাথান গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলামের ১ বিঘা, বিল্লাল শেখের দেড় বিঘা,নাজিম শেখের ২ বিঘা, পাচানী এলাকার হালিম কাজীর প্রায় ১ বিঘা, নজরুল শেখের ২ বিঘা, তালতলা এলাকার গফ্ফার ফকিরের ১ বিঘা জমির ধান কেটে মাড়াই করে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক আ. রাজ্জাক শেখ, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আ. মজিদ শেখ,ইউপি সদস্য আ. জব্বার সরদার, আওয়ামীলীগের আইয়ুব আলী খান, কৃষকলীগ নেতা মিথুন চৌধুরী ডাবলু, আমির হোসেন বাবু, অপারজিতা সংগঠনের ফাতেমা ইয়াসমিন বুলু, সাবেক ইউপি সদস্য আসমানী বেগমসহ অর্ধশত লোক ধান কাটায় অংশ নেই।

শরণখোলায় ভেরিবাঁধের ভাঙ্গন কবলিতএলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলার ৩৫/১ পোল্ডারের বেরিবাঁধের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন। রোববার দুপুরে উপজেলার ৩৫/১ পোল্ডারের বেরিবাঁধের ভাঙ্গন কবলিত গাবতলা গ্রামের আশার আলো মসজিদ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশ্রাফুল আলম, বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহীন, শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ এস.কে আব্দুল্লাহ আল-সাঈদ, ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, আসাদুজ্জামান মিলন প্রমুখ। এসময় আশার আলো মসজিদের নীচ তলায় সমবেত ভাঙ্গন কবলিত এলাকাবাসীর সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ্যাড. আমিরুল আলম এম.পি বলেন, এলাকার ভাঙ্গন রোধে বগী বন্দর থেকে গাবতলা পর্যন্ত ৩ হাজার ১শ’ মিটার ও সন্ন্যাসী এলাকায় ৩ হাজার ৭শ’ মিটার এলাকা শীঘ্রই নদী শাসনে ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করা হবে। এছাড়া তিনি তাৎক্ষণিক মোবাইল ফোনে পানি সম্পদ মন্ত্রী জাহিদ ফারুক এম.পি নিকট ভাঙ্গন কবলিত এলাকার চিত্র তুলে ধরেন। এসময় মন্ত্রী আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে শরণখোলার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের আশ্বাস দেন। এ ব্যাপারে খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশ্রাফুল আলম জানান, ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ডাম্বিংয়ের কাজের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভূমি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে কাগজপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু করোনার পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি বিলম্বিত হয়েছে। তবে, আপতত: ভাঙ্গন এলাকায় একটি রিং বাঁধ দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খুলনায় জীবাণুনাশক স্প্রে করছে জনউদ্যোগ,খুলনার স্বোচ্ছাসেবক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগরীর রাস্তাঘাটে এবং জরসমাগম এলাকায় করোনা ভাইরাসমুক্ত জীবাণুনাশক স্প্রে করছে জনউদ্যোগ,খুলনার স্বোচ্ছাসেবকরা।

রবিবার বেরা ১১টায় শহীদ মিলন চত্বরে আইইডি’র সহযোগিতায় জনউদ্যোগ, খুলনার আয়োজনে করোনা ভাইরাসমুক্ত জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটানোর সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ সূচনা হয়েছে। কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিএম এ’র সভাপতি ডা: বাহারুল আলম। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ নারী সেলের আহবায়ক এ্যাড: শামীমা সুলতানা শীলু। অন্যনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক এ্যাড: আ ফ ম মহসীন, নূরুন নাহার হীরা, এ্যাড: আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা , সঞ্জয় মলিক, রিপন বিশ্বাস , অনিমেশ চক্রবর্ত্তী, মো: বাদশা , শেখ জুয়েল, অভিজিৎ সাহা প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন জনউদ্যোগ,খুলনা সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন। সভায় বক্তারা বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অযাথা ঘরের বাইরের থাকা যাবে না। সাবান দিয়ে বারবার হাত ধুতে হবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখলে ডাক্তারের পরামশ নিতে হবে। করোনা এমন কোন ভয় পাওয়ার রোগ নয়। করোনাকে জয় করার মত শক্তি আমাদের আছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পাররে করোনা ভাইরাসের যে চেইন আছে তা ভেঙ্গে ফেরা যাবেনা। অযাথা ভয় পাওয়া যাবে না। মার্স্ক ব্যবহার করতে হবে। পরিবেশের সাথে আমরা যেন বিরুপ ব্যবহার না করি তার দিকে নজর রাখতে হবে হবে। মনে রাখতে হবে পরিবেশকে আমরা যদি খেপিয়ে তুলি পরিবেশ আমাদের সাথে বিরুপ ব্যবহার করবে। সভায় কমহীন মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোগ বাড়ানো আহবান জানান।স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যেশে বক্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় শ্রম দেওয়ার প্রবণতা আগেও ছিল বর্তমানেও আছে। অঅপনারা জাতির ভবিষ্যৎ আপনাদের দিকে জাতি চেয়ে আছে এই দূর্যোগ মূহুতে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। আমাদের বিশ্বাস আমরা এই মহামারিকে জয় করতে পারবো। অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের তাই বলছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু: চারিদিকে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে

খবর বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত না বলেই বর্তমান সরকার মানুষের বেঁচে থাকা নিয়ে ভাবছেন না। মানুষ বাঁচলো কি মরলো, এটা তাদের দেখার বিষয় নয়, তাদের শুধু টাকার প্রয়োজন। রাতের ভোটে নির্বাচিত সরকার মুখে শুধু উন্নয়নের কথা বলে। তিনি বলেন, হাসপাতালের স্বল্পতা, স্যানিটাইজার তৈরীর কোন ব্যবস্থা নেই। ডাক্তার, পুলিশ, সাংবাদিক মারা যাচ্ছে, যারা সেবা দিচ্ছে তারা বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। তাহলে সরকার উন্নয়ন কোথায়? সরকারের উন্নয়নের টাকা ক্যাসিনো থেকে পাওয়া যায়। আমরা সরকারের ত্রাণ পাই না। তারপরও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। রবিবার বিকেল ৩ টায় ২৫নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বানিয়াখামার বানরগাতি এলাকার গৃহবন্ধি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জু আরও বলেন, বিএনপি মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করে। দুর্যোগ মহামারির সাথে দুর্ভিক্ষের সম্পর্ক রয়েছে। চারিদিকে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণের ট্রাক আটকে দিচ্ছে। কখন এ কাজ করে, যখন ক্ষুধার জ্বালা দাউদাউ করে জ্বলে, তখন এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। জনগণের টাকায় কেনা ত্রাণ অসহায় মানুষকে না দিয়ে আওয়ামী লীগের লোকেরা আত্মসাৎ করছে। এই দুর্যোগময় মুহুর্তে নগরীর সকল স্তরের মানুষকে আরো সচেতন এবং সুস্থ জীবন-যাপন করার আহবান জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, শরিফুল ইসলাম বাবু, আনিসুর রহমান আরজু, রবিউল ইসলাম রবি, শেখ শওকত হোসেন, হেদায়েত হোসেন হেদু, ওহেদুজ্জামান খোকন,  ইকবাল হোসেন, শামীম আশরাফ, শরিফুল ইসলাম সাগর, মনিরুজ্জামান মনি, মোস্তফা জামান মিন্টু, সৈয়দ আব্দুল্লাহ, মহিম আহমেদ রুবেল, আশিকুর রহমান, মুশফিকুর রহমান অভি, ইমরান হোসেন, শেখ মারুফ রহমান, মাসুদ আল শামীম, রাজিবুল আলম বাপ্পী, মাহমুদ হোসেন মুন্না, আজাদ হোসেন জুয়েল, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, মহিদুল হক দিহান। এছাড়াও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রতন কুমার মন্ডল, বারিত্ত বরণ রায়, অ্যাড, কিশোর বৈরাগী, আশুতোষ রায়, বিহান চৌধুরী, রনজিৎ রায়, সুশান্ত রায় প্রমুখ।

খুলনার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই দিলেন কোরিয়া প্রবাসীরা

তথ্য বিবরণী

খুলনার করোনা হাসপাতালে কর্মরত ফ্রন্টলাইনযোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই উপহার দিলো কোরিয়াস্থ বাংলাদেশ প্রবাসীদের সংগঠন ‘ইপিএস বাংলা কমিউনিটি ইন কোরিয়া’। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের হাতে পিপিইগুলো তুলে দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্তদের স্বাগত জানিয়ে এই ক্রান্তিলগ্নে দেশের সেবায় প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ এবং ডাক্তার শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের হাতে পিপিইগুলো তুলে দেন।

এ সময় খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, ডা. সাদিয়া মনোয়ারা, খুলনা প্রেসকাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মাহাবুব আলম সোহগ ও স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সংগঠনের নেতা কোরিয়া প্রবাসী পুষ্পক কুমার ধর ও শান্ত শেখের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পিপিইগুলো খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মল্লিক সুধাংশুর কাছে পৌঁছালে তাঁর অনুরোধে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পিপিইগুলো চিকিৎসকদের হাতে তুলে দেয়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

৩৭ মন্দিরের ৩৭ জন পুরোহিতের পাশে যুবলীগ

খবর বিজ্ঞপ্তি

৩৭ মন্দিরের ৩৭ জন পুরোহিতের পাশে দাড়িয়েছে মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন। খুলনা তিন আসনের সংসদ সদস্য ও শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের নির্দেশনায় যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের উদ্যোগে এই কর্মসূচী বাস্তবায়ম করা হয়। শুক্রবার সকাল থেকে যুবলীগের নেতা কর্মীরা খালিশপুর ও দৌলতপুর এলাকার মন্দিরের পুরোহিত দের বাড়ী বাড়ী গিয়ে এই খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন। খাদ্য সামগ্রীর মাঝে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, ছোলা, চিড়া, চিনি, দুধ, সেমাই, লাউ, কুমড়া, ইত্যাদি। পর্যায় ক্রমে মহানগরীর অন্যান্য এলাকার পুরোহিতদের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হবে বলে জানান, নগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা নগরী জুড়ে বিভিন্ন ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছি। যার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম চলছে। আপরদিকে  খুলনার করোনাভাইরাসের জন্য ডেডিকেটেড হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শীলা রানী দাস এবং দৌলতপুরের মহেশ্বর পাশা কালীবাড়ি এলাকার বিষ্ণু হাজরার বাড়িতে ফুলের শুভেচ্ছা, মিষ্টি ও ফলফলাদি উপহার পাঠান খুলনা মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন।

শেখ সুজনের পাঠানো এ উপহার সামগ্রী নিয়ে তার বাসায় যান মহানগর যুবলীগের সদস্য মোঃ মশিউর রহমান সুমন, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান হোসেন শাওন ও সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি জনি বসু।

শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পাশে তারা অসুস্থ থাকা অবস্থায় যেমন ছিলাম তেমনি তারা সুস্থ্য হওয়ার পরেও আছি ইনশাআল্লাহ।

৩০নং ওয়ার্ড যুবলীগের সবজি বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

৩০ নং ওয়ার্ড যুবলীগ কর্মী রাজু মোল্যার উদ্যোগে আজ সকাল ১১ টায় ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে ২৫০ পরিবারের মাঝে তরকারির প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাডঃ ফারুখ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন, নগর যুবলীগ নেতা মোঃ আব্দুল কাদের শেখ, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, ওয়ার্ড যুবলীগ এর আহবায়ক ইমরুল হাসান রিপন, ২৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোস্তাইন বিল্লাহ চঞ্চল, ছাত্র নেতা জব্বার আলী হিরা, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা ফারুক হোসেন তুরান, আফরোজা হক কহিনুর প্রমুখ।

মোড়েলগঞ্জে কৃষকের ধান কেটে হাঁসি ফোটালেন প্যানেল প্রত্যাশীরা

এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে কৃষক মজিবুর রহমান শেখের ধান কেটে দিলেন প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্যানেল প্রত্যাশী-২০১৮ সদস্যরা।

রোববার সকাল ১১টায় ইউনিয়নের জিলবুনিয়া গ্রামে ১ একর বোরো ধানের ফসলি জমির ধান কেটে দিলেন এ সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্যানেলে নিয়োগ চাই-২০১৮ কমিটির বাগেরহাট জেলা সভাপতি মো. মিরাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাজীব শিকদার, প্রচার সম্পাদক সুজন হালদার সহ ২০/২৫ জনের সদস্যরা।

সভাপতি মিরাজ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন অঞ্চলে এ কমিটির সদস্যরা ধান কাটা ও প্রাণঘাতি করোনা প্রতিরোধে সচেতনতায় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

মোড়েলগঞ্জে বিষপানে শিশুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ১১ বছরের এক শিশু কিটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। রবিবার বেলা ৯টার দিকে পিতার সাথে অভিমান করে কামলা গ্রামের ে গোলাম  মোস্তফা শেখের ছেলে ঘরে থাকা কিটনাশক পান করে।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেলা ১২টায় তাকে মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিশুটি কচুবুনিয়া রহমাতিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। পিতার হাতে মারপিটের শিকার হয়ে ওই শিশুটি মনের দু:খে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে তার মা শিল্পী বেগম জানিয়েছেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন মুফতি বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছে। তবে সে ঝুঁকিমুক্ত নয়।

হোটেল শ্রমিকদের মাঝে সিপিবি ও টিইউসি’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা পরিস্থিতিতে খুলনা নগরীর কর্মহীন হোটেল শ্রমিকদের মঝে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) এবং বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি), খুলনার উদ্যোগে রবিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑসিপিবি খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, টিইউসি নেতা এস এম চন্দন, রঙ্গলাল মৃধা, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, ডাঃ গৌরাঙ্গ সমাদ্দার, কামরুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।

সিপিবি’র সোনাডাঙ্গা থানায় খাদ্য সামগ্রী/ত্রাণ বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

দিনব্যাপী প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে লগডাউনে থাকা কর্মহীন শ্রমজীবী ও দুর্ভোগে পড়া মানুষের মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), সোনাডাঙ্গা থানা কমিটির উদ্যোগে ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২৪ ও ২৬ ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑসিপিবি খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি নিতাই পাল, সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী হাওলাদার, সিপিবি নেতা মাহফুজুর রহমান মুকুল, শরিফুল ইসলাম সেলিম,সরোজ দাশ পিণ্টু, অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, ফিরোজ মাহমুদ, গোলাম রসুল প্রমুখ।

ঝিনাইদহে আরও ১১ জনের করোনা রিপোর্ট ২ ল্যাব দু রকম

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে আরও ১১ জনের করোনা ভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট দু ল্যাব থেকে দু রকম এসেছে। এতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে রোগী ও চিকিৎসকরা। সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানান, প্রথমে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাদের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর পুনরায় তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। রবিবার সকালে সেখান থেকে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাইড লাইন মোতাবেক আবারও তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকাতে পাঠানো হবে। জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ফের পরীক্ষা ছাড়া তাদের করোনা মুক্ত বলা যাচ্ছে না। এর আগে ১৫ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট দু ল্যাব থেকে দু রকম আসে। তাদেরও নমুনা সংগ্রহ করে ফের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

খুলনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধ, নষ্ট হচ্ছে পণ্য

স্টাফ রিপোর্টার

করোনার কারণে খুলনায় বন্ধ থাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্টলে স্টলে পণ্যসামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। ঝড়-বৃষ্টিতে মেলার প্যান্ডেল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মেলাঙ্গনে পানি জমে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। মেলায় প্রায় সোয়া কোটি টাকা বিনিয়োগ করে আয়োজকরা রয়েছেন চরম উদ্বেগে।

১৯তম খুলনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয় গত ১১ মার্চ। মহানগরীর সোনাডাঙ্গায় খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে প্রায় ২০০টি স্টল নিয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এই মেলার উদ্বোধন করেছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছিলেন খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজী আমিনুল হক। এরপর ১৬ মার্চ পর্যন্ত মেলা চলে। ১৭ মার্চ থেকে মেলা বন্ধ হয়ে যায়।

মেলার মাঠে একটি ডিজিটাল ফোয়ারসহ প্রায় দুইশ’ দেশি-বিদেশি স্টল ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে শিশুদের জন্য শিশুজোন, পুরুষ এবং নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, ওজুখানা, টয়লেট ও ফ্রি ওয়াই-ফাই জোনের ব্যবস্থাসহ সম্পূর্ণ মেলা প্রাঙ্গণ ৪০টি সিসি ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রিত।

বাণিজ্য মেলার স্টল বন্ধমেলায় থাকা খুলনা যুব অ্যাগ্রোফিস এর উপদেষ্টা শাহ মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘মেলা বন্ধ হওয়ার পর বের করতে না দেওয়ায় তিন দিনে আমার ৪০ হাজার টাকার অ্যাকুরিয়াম ফিস নষ্ট হয়েছে।’ মেলায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মো.  ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘পাঁচ জন মেলার নিরাপত্তা বিধানে রয়েছেন। এখানে ৪০টি সিসি ক্যামেরায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। মেলায় দুটি অ্যাকুরিয়ামে মাছ ছিল। একটি থেকে মাছ নিয়ে গেছে। আরেকটির বড় মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন সেখানে কিছু ছোট ছোট মাছ আছে। আর কয়কটি প্রতিষ্ঠান থেকে দুধ, কেক, বিস্কুটসহ পঁচনশীল ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হচ্ছিল। দুদিন আগে নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মেলায় আরএফএল ও প্রাণ গ্রুপের স্টলের নিরাপত্তায় থাকা মো. রাসেল মোল্লা বলেন, ‘এখানে কোম্পানির চারটি স্টলে অনেক টাকার মালামাল রয়েছে। এগুলোর নিরাপত্তার জন্য তারা দায়িত্ব পালন করছেন। তারা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছেন। কোম্পানি থেকে তাদের বেতন নিয়মিত হচ্ছে।’

পণ্য নষ্ট হচ্ছেলিনা সুজ এর স্টলে থাকা নিরাপত্তাকর্মী সাধু মোল্লা বলেন, ‘স্টলে প্রায় ১৭ লাখ টাকার সামগ্রী রয়েছে। আমি নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছি। প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত খরচ পাচ্ছি। বেতন ঢাকায় ফেরার পর পাবো।’ 

মেলার আয়োজক মো. রাসেল বলেন, ‘এ মেলাঙ্গনকে দৃষ্টিনন্দন করার জন্য পুরো মাঠ সাজানো, গেট তৈরি, ফোয়ারা তৈরি, ওয়াচ টাওয়ার স্থাপনসহ সার্বিক প্রস্তুতিতে সোয়া কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। মেলায় ২০০টি ছোট বড় স্টল রয়েছে। বেচা কেনা করে দোকানিরা স্টল ভাড়া পরিশোধ করতো। কিন্তু মেলা বন্ধ থাকায় বেচাকেনা নেই। দোকানের ভাড়া দেবে কী, দোকানের মালামাল রক্ষা করার চিন্তাতেই উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা।’

হাসপাতালে ভর্তির ৬ ঘণ্টা পর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও একজন মারা গেছেন। হাসপাতলে ভর্তির সাড়ে ৬ ঘণ্টার মাথায় মারা যান খাদিজা (৬৫) নামের ওই নারী। তার বাড়ি খুলনা মহানগরীর টুটপাড়ায়।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেক্ট ওয়ার্ডের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১০ মে) ভোর ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

খুমেক হাসপাতালের করোনা সাসপেক্ট ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, খাদিজা শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের করোনা সাসপেক্ট ওয়ার্ডে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ১২টার দিকে আইসিইউতে নেওয়া হয়৷ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তিনি মারা যান। গত দু’দিন ধরে তিনি জ্বর, শাসকষ্ট, কাশিতে ভুগছিলেন। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার পর করোনা ছিল কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

প্রসঙ্গত, খুলনায় এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে ২২ জনের মৃত্যু হল। এদের মধ্যে  ৫ জন হলেন ৬০ বছরের ওপরে। হাসপাতালে এখনও ২ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

করোনায় বেনাপোল বন্দরে অচলাবস্থা

বেনাপোল প্রতিনিধি

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত দেড় মাস ধরে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সঙ্গে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর যশোরের বেনাপোলের আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। কবে নাগাদ বন্দর খুলবে তাও জানা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন, তারা বাণিজ্য সচলের সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

করোনার কারণে গত ২২ মার্চ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ট্রাকে এবং ২৫ মার্চ থেকে রেলপথে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। ১৩ মার্চ থেকে পাসপোর্টধারী যাত্রী আসা-যাওয়াও বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে গত ৩০ এপ্রিল স্বল্প পরিসরে আমদানি শুরু হলেও তৃতীয় দিনের মাথায় ভারত অংশে শ্রমিকদের বাধায় তা আবার বন্ধ হয়ে যায়। তবে এ পথে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় ভারতে আটকে থাকা বাংলাদেশিরা প্রতিদিন দেশে ফিরছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘অনেকবার দাবি জানিয়ে এক মাস পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাণিজ্য শুরু হয়েছিল। স্বল্প পরিসরে তিন দিন আমদানি চলার পর তা আবার বন্ধ হয়ে যায়। কবে নাগাদ বাণিজ্য চালু হবে তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। এতে পণ্য আটকে থাকায় ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে শিল্প কারখানাগুলোতে।’

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে লকডাউনের কারণে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে কোনও পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করছে না। বন্দরে রফতানি পণ্য নিয়ে ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় বহু ট্রাক। আটকে পড়েছেন ট্রাক চালকরাও। তবে যাতে স্বল্প পরিসরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সচল হয়, তার জন্য সব ধরনের চেষ্টা আমরা  চালিয়ে যাচ্ছি।’

বেনাপোল স্টেশন ম্যানেজার সাইদুর রহমান বলেন, ‘ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় গত ২৫ মার্চ থেকে রেলপথে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। এতে প্রবেশের অপেক্ষায় ওপারে আটকে পড়ে আছে শিল্প-কলকারখানার কাঁচামাল, ফাইঅ্যাশ (কয়লা পোড়ানো ছাই), তুলা, পাথর, জিপসাম, গমসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। ভারত অংশে লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত বাণিজ্য সচলের সম্ভবনা কম।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব বলেন, ‘ভারতে বাংলাদেশি ও ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী প্রবেশে নিষেধজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীরা দেশে ফিরছেন। যারা ফিরছেন, তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বেনাপোল পৌর বিয়েবাড়ি কমিউনিটি সেন্টার এবং যশোর গাজীর দরগাহ-তে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। সেখানে ১৪ দিন অবস্থানের পর তাদের বাড়িতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এক মাসের বেশি সময়ে প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী দেশে ফিরেছেন।’

বেনাপোল কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হক বলেন, ‘ভারত থেকে পণ্য প্রবেশ না করায় বাণিজ্য সচল করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বেনাপোল কাস্টমস হাউজ খোলা আছে এবং বন্দর পণ্যাগার থেকে আগের আমদানিকৃত পণ্য কেউ খালাস নিতে চাইলে তা দেওয়া হচ্ছে।’

জানা যায়, প্রতিবছর এই বন্দর দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন পণ্য আমদানি হয়ে থাকে; যা থেকে সরকারের প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়। আমদানি পণ্যের মধ্যে গার্মেন্টস সামগ্রী, তৈরি পোশাক, শিল্পকারখানা ও ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, কেমিক্যাল এবং খাদ্যদ্রব্য রয়েছে। রফতানি পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য উল্লেখযোগ্য।

মাদারীপুরে ১৬ বানর হত্যার দায় স্বীকার করলেন নারী

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া এলাকায় ১৬টি বানর হত্যার অভিযোগে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে থানা পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে এক নারী বানর হত্যার কথা স্বীকার করায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার বিকেলে ওই নারীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া এলাকায় সম্প্রতি ১৬টি বানরকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করে দুষ্কৃতকারীরা। পরে বন বিভাগের পক্ষ থেকে মাদারীপুর সদর থানায় বানর হত্যার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়াও চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক। এ ঘটনায় শনিবার গভীর রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলার মধ্য খাগদী এলাকা থেকে লতু হাওলাদারের স্ত্রী শাহানা বেগম ও আজিজ হাওলাদারের ছেলে আকু হাওলাদারকে আটক করে পুলিশ। আটকরা সম্পর্কে দেবর-ভাবি। পরে শাহানা দোষ স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বলেন, বানর হত্যার ঘটনায় সদর থানায় মামলা হলে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করি। এদের মধ্যে শাহানা বেগম নামে এক নারী বানর হত্যার কথা স্বীকার করেন। তবে তার দেবর দোষী না হওয়ায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

ওই নারী জানিয়েছেন, খাবারের সঙ্গে বিষ দিয়েছিলেন বানরগুলোকে। এতেই মারা গেছে বানরগুলো। তবে কোন ধরনের বিষ সেটা জানা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে।

উল্লেখ্য, গত ৬ মে বিকেলে ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি বানরের মুখ থেকে বিষাক্ত লালা পড়তে দেখা যায়। তখন কয়েকটি বানরকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। কয়েকটি বিষে কাতরাচ্ছিল। ৬ মে সন্ধ্যার দিকে ১২টি ও ৭ মে সকালে আরও ৪টি বানর মারা যায়। পরে বানরগুলো সংগ্রহ করে মাটিচাপা দেয় স্থানীয়রা।

শরণখোলায় জমিজমা নিয়ে বিরোধ প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

শরণখোলায় জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামে।

নিহতের ছোট ভাই আলমগীর খন্দকার জানায়, গত শুক্রবার সকালে উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের মৌরাশী বাজার এলাকায় মৃত মুক্তার হোসেন খন্দকারের ছেলে শাহ আলম খন্দকার (৬৫)’র সাথে প্রতিবেশী আঃ মজিদ খন্দকারের ছেলে দুলাল খন্দকার (৪৫) ও শাহজাহান খন্দকার (৪০)’র জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে কথার কাটাকাটির একপর্যায় দুলাল, শাহাজাহান, লতিফ খন্দকার সহ ৩/৪ লাঠি সোটানিয়ে শাহ আলমের উপর হামলা চালায়। এতে শাহ আলম গুরুতর আহত হয়। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দু’ দিন চিকিৎসা শেষে গতকাল (রোববার) সকালে তাকে ছাড়পত্র প্রদান করে। পরে খুলনা থেকে শরণখোলায় আসার পথে তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে বিকাল ৪টার দিকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ঘটনাটি শুনেছেন এবং লাশ উদ্ধারের করতে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি’র জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি’র জরুরি সভা রবিবার বেলা ১২ টায় ফুলবাড়ীগেটস্থ খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি’র নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় । সভার শুরুতে থানা এলাকার বর্ষীয়ান সাংবাদিক শেখ আনছার আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করা হয় । সভায় সাংবাদিকরা গত ৬ মে যোগিপোল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় । এছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্বপালনকালে এ ধরনের ঘটনার পৃনরাবৃত্তি ঘটলে সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সোচ্চার হওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করবে ।  খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি শেখ বদরউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাফেজ আহম্মেদ সরকারের পরিচালনায় ঊক্তৃতা করেন সহ- সাধারণ সম্পাদক মুক্তি মাহমুদ , সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল্লাহ তারেক, কোষাধ্যক্ষ গাজী মাকুল উদ্দীন , মিহির রঞ্জন বিশ্বাস, রবিউল ইসলাম , কাজী আজাদুর রহমান হিরোক , খানজাহান আলী থানা প্রেস কাবের  মোশারেফ হাওলাদার ও মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রমুখ

রাষ্ট্রয়াত্ব পাটকল সংগ্রাম পরিষদের জরুরী সভায় সকল রাষ্ট্রয়াত্ব মিলে ৩ দিনের কর্মসুচি ঘোষনা

 ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

রাষ্ট্রয়াত্ব পাটকল সংগ্রাম পরিষদের জরুরি সভা শনিবার আলীম জুট মিল ওয়াকার্স ইউনিয়ন কার্য়ালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ন আহবায়ক ও প্লাটিনাম জুট মিলেন সিবিএ সভাপতি সাহানা শািরমিন  সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক আলীম জুট মিল ওয়াকার্স ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আঃ হামিদ সরদার, ক্রিসেন্ট জুট মিলের সভাপতি দীন ইসলাম,ষ্টার জুট মিলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন,দৌলতপুর জুট মিলের সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন, খালিশপুর জুট মিলের সভাপতি আবুদাউদ খান, ক্রিসেন্টে জুট মিলের সাবেক সভাপতি মুরাদ হোসেন, ইষ্টার্নজুট মিলের সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন, আলীম জুট মিল সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম লিটু, দৌলতপুর জুট মিলের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ফিরোজুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন আলীম জুট মিলের মালিকানা ষড়যন্ত্র নাটক বন্ধ করতে হবে। আলিমজুট মিলের  শ্রমিকদের  ১৬ সপ্তাহের মজুরি ও কর্মচারীদের চার মাসের বেতন  এবং রাষ্ট্রয়াত্ব সকল পাটকলের বোনাস সহ বিল বেতন পরিশোধের দাবীতে সংগ্রাম পরিষদের সভায় ৩ দিনের কর্মসুচি ঘোষনা করা হয় । কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে   আজ ১১ মে  সোমবার সকাল ১০টায়  স্বস্ব মিল গেটে গেট সভা, ১৩ ও ১৪ মে বুধ এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায়  রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল । তাদের সকল দাবী ১৪ মে ভিতর না মানা হলে ১৫ মে শুক্রবার সংগ্রাম পরিষদ শ্রমিক জনসভার মাধ্যমে রাজপথ, রেলপথ অবোরোধ সহ কঠিন কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে।

চিতলমারী আদিপত্ত বিস্থারকে কেন্দ্রকরে সংঘর্ষে নারীসহ ১০ জন আহত

চিতলমারী প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে পূর্ব বিরোধ ও অদিপত্ত বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ওই এলকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এব্যাপারে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। ওই এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব বিরোধের জেরে রবিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আড়–য়াবর্ণী গ্রামের খাঁ এর পুল নামক স্থানে গাউস মোল্লা ও আবুল খান গ্রুপের মধ্য বিরোধ হয়। বিরোধের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন আবুল খান (৫০), বাবুল খান (৪৫), সালেহীন খান (১৮) সাগর খান (২১), রাশেল মোল্লা (৩০), জুয়েল মোল্লা (৩৮), সাইদ মোল্লা (৪০), মাসুম বিল্লাহ (২৭), জসিম মোল্লা (২৮), রুমিসা বেগম (৫৫), রজিনা বেগম (৩২), শিউলি বেগম (৩৮)। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে বাবুল খান ও আবুল খানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 এ ব্যাপারে চিতলমারী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর শরিফুলক হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে আছে।ওই এলাকায় পুলিশ টহল জোর দার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষের কেউই কোন অভিযোগ দায়ের করেন নি। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাতক্ষীরার মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়, সচেতন মহলে উদ্বেগ উৎকন্ঠা

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

করোনা পরিস্থিতির এই ঝুকির মধ্যে সাতক্ষীরায় আজ থেকে খুলে দেয়া হয়েছে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এর ফলে সাতক্ষীরা শহর ফিরে পেয়েছে তার চির চেনা রুপ। শহরের অধিকাংশ সড়ক এখন রিক্সা, ভ্যান ও ইজিবাইকের দখলে। শহরের অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ সড়ক গুলোতে দেখা গেছে অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ সাধারন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। এর ফলে মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব। এতে সাতক্ষীরার সচেতন মহলের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। যদিও, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য ইতিমধ্যে ৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার সভাপতি এড. ফাহিমুল হক কিসলু জানান, সাধারন মানুষ সামাজিক দূরত্ব না মেনে শহরের চলাচল করছেন এবং কেনা কাটা করছেন। এর ফলে করোনা ভাইরাস আরো বেশী সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সচেতন মহলের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। তিনি আরো জানান, সরকার অর্থনীতির চাকা চালু করার জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও সাধারন মানুষ কিন্তু সামাজিক দূরত্ব মানছেননা। মানুষ যদি সামাজিক দূরত্ব এবং সরকারের স্বাস্থ্য বিধি মেনে শহরের চলাচল করতেন তাহলে করোনা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থকতো না।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল জানান, শপিংমলসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা, ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের মাস্ক পরা, হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার করা, চার ফুট দরত্বে ক্রেতাদের অবস্থান নিশ্চিত করা, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেয়াসহ ৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই ৮ দফা নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আগনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসনের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেটদের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। তারা এগুলো দেখভাল করছেন।

সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহকর্মীর মৃত্যু

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের কুশোডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত গৃহকর্মীর নাম ফাইমা খাতুন। তিনি কুশোডাঙ্গা গ্রামের শেখ পাড়ার হাফিজুর রহমানের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, ফাইমা খাতুন একই এলাকার শাহাজান শেখের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় সকালে তিনি তার বাড়ির উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেন।পথিমধ্যে শফিকুল সানার বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। এদিকে, তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায় নেমে এসেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি।

যশোরের ৮ উপজেলা ভূমি অফিসের ৮ নৈশ প্রহরীর মানবেতর জীবন-যাপন ঃ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোর জেলার ৮ উপজেলা ভূমি অফিসের ৮জন নৈশ প্রহরী বিগত ১৯ মাস যাবৎ বেতন-ভাতা না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। বেতন-ভাতার জন্য ঐ ৮জন নৈশ প্রহরী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানাগেছে, ঢাকা -১০০০, ৩৯/১ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ স্টেট সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর ০১-০৬-২০১৫ তারিখের ৫৮১ নম্বর স্মারকের প্রেক্ষিতে যশোর জেলার রাজস্ব প্রশাসনের অধীন উপজেলা ভূমি অফিস সমূহের জন্য আউটসোর্সিং পদ্ধতির মাধ্যমে ৮ জন নৈশ প্রহরী পদে জনবল সরবরাহের নিমিত্তে আউটসোর্সিং নীতিমালা ২০০৮ অনুযায়ী বিধি মোতাবেক সর্বসাকুল্যে নির্ধারিত ৮ হাজার ৭ শত টাকা বেতনে নিয়োগ প্রদান করা হয়। ৮ উপজেলার ভূমি অফিসে নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ প্রাপ্তরা হলেন, মণিরামপুর উপজেলা ভূমি অফিসে মোঃ আসাদুল হোসেন, শার্শা উপজেলা ভূমি অফিসে এম এ হালিম, কেশবপুর উপজেলা ভূমি অফিসে নাছির উদ্দীন, যশোর সদর উপজেলা ভূমি অফিসে কামরুল হাসান, ঝিকরগাছা উপজেলা ভূমি অফিসে আশরাফ হোসেন, চৌগাছা উপজেলা ভূমি অফিসে এমদাদুল হক, অভয়নগর উপজেলা ভূমি অফিসে কামরুজ্জামান গাজী ও বাঘারপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসে শরিফুল ইসলাম। নিয়োগের পর থেকে যশোর জেলার ৮ উপজেলা ভূমি অফিসের ৮জন নৈশ প্রহরী তাদের বেতন পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে-শান্তিতে জীবন-যাপন করে আসছিলেন। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রনালয়ের অর্থ বিভাগের ব্যায় ব্যবস্থাপনা ৩ শাখার পরিপত্র অনুযায়ী আউটসোর্সিং প্রত্রিয়ার সেবাগ্রহণ নীতিমালা ২০০৮ অনুযায়ী সেবাক্রয়ের ক্ষেত্রে সেবামূল্য নির্ধারণ আউটসোর্সিং শর্তাবলী সাপেক্ষে জনপ্রতি ১৭ হাজার ৬ শত ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা আদৌ কার্যকরী হয়নি।

সকাল ৯ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিকাল ৫ টায় জাতীয় পতাকা নামানোর মাধ্যমে উপজেলা ভূমি অফিসের কোটি কোটি টাকার সম্পদ এই নৈশ প্রহরীরা রাত জেগে পাহারা দেয়। সকল জাতীয় দিবসেও তাদের কোন ছুটি থাকে না। বিগত ১৯ মাস দায়িত্ব পালন করার পরও নৈশ প্রহরীরা তাদের বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ১৯ মাস যাবৎ তারা ঘরভাড়ার টাকা, বিদ্যুৎ বিলের টাকা, চালের দোকানের টাকা, মুদি দোকানের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় বর্তমানে তাদের গাঢাকা দিতে হচ্ছে। এব্যাপারে ভুক্তোভোগি যশোর জেলার ৮ উপজেলা ভূমি অফিসের ৮জন নৈশ প্রহরী তাদের বিগত ১৯ মাসের বেতন পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কেশবপুরের সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত শিশুখাদ্য বিতরণ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে কর্মহীন পরিবারের শিশুদের উপহার স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে শিশুখাদ্য প্রদান করেছেন। রবিবার সকালে উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদ সম্মুখে ১৯ টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার উপহার শিশুখাদ্য শিশুদের মাঝে বিতরণ করেন সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহব্বায়ক কাজী আযাহারুল ইসলাম মানিক, উপজেলা ত্রান শাখার অফিস সহকারী নিয়াজ মোঃ ফাইসাল, ইউপি সদস্য কবিতা বেগম, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা বেগম, আনছার ভিডিপি কমান্ডার আলী হোসেন, ডাঃ হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

যুব সমাজের উদ্যোগে ৬৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

ঈদকে সামনে রেখে মণিরামপুরে করোনায় গৃহবন্দি কর্মহীন ৬৫০ দুঃস্থ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে যুব সমাজ। রোববার দুপুরে উপজেলার ফকিররাস্তা যুবসমাজের উদ্যোগে শ্যামকুড় ইউপির দুই নম্বর ওয়ার্ডের ফকিররাস্তা, হাসাডাঙ্গা ও নাগোরঘোপসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দুঃস্থদের মাঝে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় নাগোরঘোপ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম।

অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি, শ্যামকুড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহীন, সমাজ সেবক ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসেন, যুবলীগ নেতা হোসেন আলী, আবুল কালাম প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্যোক্তা ইকরামুল কাবির বলেন, ফকিররাস্তা যুবসমাজের উদ্যোগে আমরা ইউনিয়নের করোনায় গৃহবন্দি ৬৫০টি দুঃস্থ পরিবারকে ঈদ উপলক্ষে তিনলাখ টাকা মূল্যের খাদ্য সামগ্রী দিয়েছি। প্রতি পরিবার পাঁচ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি আলু ও আধা লিটার ভোজ্য তেল পেয়েছেন।

ফুলতলায় ৪ তরকারি ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

ফুলতলা প্রতিনিধি

খুলনায় ফুলতলায় নির্ধারিত স্থানে কাঁচামাল বিক্রি না করার অভিযোগে রোববার বেলা ১১টায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও পারভীন সুলতানার নেতেৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত ৪ তরকারী ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করেন। এর মধ্যে জাফর হোসেনকে ৫ হাজার টাকা, ফয়সালকে ১০ হাজার টাকা, রনিকে ৫ হাজার টাকা ও আলামিনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য এবং আদায় করা হয়।

ফুলতলায় বোরো ধান ক্রয়ে “কৃষকের হাসি” মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন

ফুলতলা প্রতিনিধি

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কৃষকের নিকট থেকে বোরো ধান ক্রয়ের জন্য রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ফুলতলা উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবিত “কৃষকের হাসি” মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন করা হয়। ইউএনও পারভীন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ জিয়াউর রহমান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ রীনা খাতুন, খাদ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান, কৃষক প্রতিনিধি রবিউল ইসলামসহ কৃষি বিভাগের ব্লক সুপারভাইজার প্রতিনিধিবৃন্দ।

প্রসঙ্গতঃ সরকার কৃষকের নিকট থেকে ২৬ টাকা দরে ৫১৪ মেট্রিকটন বোরোধান ক্রয় করবে। গতকাল  (রোববার) থেকে নিবন্ধন শুরু হয়ে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত চলবে। নিবন্ধিত কৃষকের মধ্য থেকে লটারীর মাধ্যমে ধান ক্রয়ের জন্য কৃষকের তালিকা প্রনয়ন করা হবে। প্রত্যেক তালিকাভুক্ত কৃষক সর্বোচ্চ ১ মেট্রিকটন ধান বিক্রি করতে পারবে। এ সময় কৃষকদের পক্ষ থেকে রেজিষ্ট্রেশনের সময় বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।  

নওয়াপাড়া বেঙ্গল টেক্সটাইল মিল শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

অভয়নগর প্রতিনিধি

নওয়াপাড়া বেঙ্গল টেক্সটাইল মিল শ্রমিকদের হাতে ধাদ্যসামগ্রী তুরেদেন পৌর মেয়র সুশান্ত কুমার দাস শান্ত। ৯মে শনিবার রাতে বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের এক নম্বার গেটে মহামারী করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পাড়া ৬৩জন শ্রমিকের মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের জিএম মাধব কুন্ড বসু, নওয়াপাড়া প্রেসকাবের সিনিয়ির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, পৌর ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউদ্দিন পলাশ, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নূর ইসলাম মহদার সহ সাস্থনীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী।

যশোরে বিষাক্ত মদ সেবন করে মৃত্যুর ঘটনায় রিমান্ডে থাকা আসামীদের গুরুত্বপূর্ন তথ্য প্রদান

যশোর অফিস

বিষাক্ত মদ সেবনে রিমান্ডে থাকা ৫ জনের মধ্যে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ন তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখছে। শনিবার কোতয়ালি মডেল থানার দু’টি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলাদা আলাদা এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। রিমান্ডের প্রথম দিন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফজলুর রহমান চুক্কি কার কাছ থেকে মদ সেবন করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন তার নাম পেয়েছেন। এখন সে আটক হলে চুক্কির মৃত্যুর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ন তথ্য মিলবে বলে তিনি জানিয়েছেন। অপরদিকে,অপরদিকে শরিফ উদ্দিন মুন্না মদ সেবন করে মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী হিরা খাতুনের দায়ের করা মামলায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কাইয়ূম মুন্সী জানান, তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না কার কাছ থেকে মদ কিনে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছে এমন তথ্য পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। শনিবার গ্রেফতারকৃত যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত দ্বীন আলী বিশ্বাসের  ছেলে আব্দুর রাজ্জাক,শহরের ১ নং হাটখোলা রোডের মৃত গোলাম বিশ্বাসের ছেলে আবু বক্কার রতন,সদর উপজেলার সীতারামপুর গ্রামের নরেন পালের ছেলে পিন্টু পাল,শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোড(জামাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া) মৃত জাফর খাঁর ছেলে চান খাঁ ও শহরের উমেশ চন্দ্র লেন হোমিও প্যাথিক কলেজের পিছনে মৃত কওছার শেখের ছেলে আব্দুল শেখকে আদালতে পাঠালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শম্পা বসু ৭ দিনের রিমান্ড শুনানী শেষে দুই মামলায় আলাদা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

যশোর নীলগঞ্জ থেকে মোটর সাইকেল চুরি

যশোর অফিস

গভীর রাতে যশোর শহরের নীলগঞ্জ সুপারী বাগান মাহাতাপ উদ্দিন মুন্নার বাড়ির ভাড়াটিয়া জুয়েল রানা নামে এক যুবকের মোটর সাইকেল চুরি হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে তিনি কোতয়ালি মডেল থানায়  চুরি সংক্রান্ত ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার কাদিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বর্তমানে যশোর শহররের নীলগঞ্জ সুপারী বাগান এলাকার জনৈক ব্যক্তির বাড়ির ভাড়াটিয়া মোকলেচুর রহমানের ছেলে জুয়েল রানা কোতয়ালি মডেল থানায় রোববার অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি অভিযোগে বলেছেন, তার লাল কালো রংয়ের হ্যাংক মোটর সাইকেল উক্ত ভাড়া বাড়ির সিড়ি ঘরের নীচ তলায় তালা মেরে রেখে দেয়। রাতে পরিবারের সাথে ঘুমিয়ে পড়ার পর রাত ১০ টা হতে ভোর ৪ টার মধ্যে যে কোন সময় সংঘবদ্ধ চোরেরা মোটর সাইকেলের তালা ভেঙ্গে ও খুলে কৌশলে চুরি করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ উক্ত বাড়িতে তদন্ত করতে যায়।

যশোরে স্পিরিট সেবনে ট্রাক চালকের মৃত্যু

যশোর অফিস

স্পিরিট সেবন করে ট্রাক ড্রাইভার বাবলু  মোড়ল (৪২) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। সে যশোর সদর উপজেলার মুড়োলী খাঁ পাড়ার ফকির আলী  মোড়লের ছেলে।

কোতয়ালি মডেল থানার কনস্টেবল রুহুল আমিন জানান, শনিবার রাতে ট্রাক চালক বাবলু মোড়ল স্পিরিট সেবন করে বাড়িতে যায়। বাড়িতে যাওয়ার পর সে চরমভাবে অসুস্থ্য  হয়ে পড়ে। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোরে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়েগে অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ

যশোর অফিস

যশোর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার বলরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কয়েকজন শিক্ষক জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করেছেন। আর এ থেকে কয়েক লাখ টাকা অর্থ বাণিজ্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে তিনি এই জাল-জালিয়াতিতে সামিল হয়েছেন। শুধু তাই নয়, অর্থের বিনিময়ে এই নিয়োগ বাণিজ্য জায়েজ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। ভুক্তভোগি প্রতারিত শিক্ষকরা প্রতিকার চেয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা যায়, বলরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে লাইলা পারভীন ১৯৯৯ সাল থেকে এবং ২০০৪ সাল থেকে সহিদুল ইসলাম সহকারী শিক্ষক সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিদ্যালয়টি গত বছর এমপিওভুক্ত হয়। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর বিদ্যালয়ের সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান যোগসাজস করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই শিক্ষকদের পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করে। যাদেরকে এমপিওভুক্ত করার জন্য কাগজপত্র দাখিল করেছেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষক লাইলা পারভীনকে সহকারী গ্রন্থগারিক পদে এবং সহিদুল ইসলামকে সহকারী শিক্ষক শরিরচর্চা বিষয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র তৈরি করে জমা দিয়েছে। লাইলা পারভীনের গ্রন্থগারিক ও সহিদুল ইসলামের শারীর চর্চা বিষয়ে কোন সনদপত্র নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের সভাপতি আকরাম বিশ্বাস তার বউমা (বেটার বউ) কে বিদ্যালয়ের কেরানি পদে নিয়োগ দিতে এসব জাল-জালিয়াতি করেছেন। আর বিদ্যালয়ের কেরানি নূর ইসলামকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছেন। সভাপতি আকরাম বিশ্বাস ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান চাচা-ভাইপো হওয়ার সুবাদে এসব অনিয়ম করেছেন।

অভিযোগের ব্যপারে সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, আমি একজন শিক্ষক। আমি নিয়োগ কমিটির কিছু না। কাউকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। নিয়োগ কমিটি ও ম্যানেজিং কমিটি নিয়োগ দেয়।

এ বিষয়ে জানতে সভাপতি এম এম আকরাম বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তেমন কিছু হয়নি। এরপর ধন্যবাদ বলে ফোন কেটে দেন।

অভিযোগের ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জমির উদ্দিন এর ০১৯৩৭০২৪৪০৯ নং মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এই নিয়োগের সময় ছিলাম না। আমি জানতে পেরেছি এক মাদ্রাসার সুপার এর সাথে জড়িত। তাকে আমি সতর্ক করে কাগজপত্র ঠিকঠাক করে দিতে বলেছি। কাগজপত্র ঠিকঠাক না হওয়া পর্যন্ত সকলের এমপিও’র কাগজপত্র আমরা পাঠাতে পারবো না।

তিনি বলেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগী তাদেরকেই স্ব স্ব স্থানে নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি লাইলা পারভীনের কাগজপত্র দেখেছি। তার সব কিছুই ঠিকঠাক আছে। সে বাংলাই নিয়োগ পাবে।

স্বাস্থবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অযুহাতে যশোরে বিপুল মানুষ

যশোর অফিস

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তের প্রথম দিনেই যশোর শহরে বিপুল সংখ্যক মানুষ নেমে আসেন। কোনো কোনো রাস্তায় সাময়িকভাবে যানজটও লেগে যায়।

বিশেষ করে পোশাকের দোকানগুলোতে অনেক ক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। জেস টাওয়ারের সামনে রাস্তার বড় অংশ জুড়েই বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রেখে মানুষকে মার্কেটের মধ্যে যেতে দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দিন যত যাবে, ক্রেতার সংখ্যা তত বাড়বে। সাধারণ মার্কেটগুলোতে কোথাও কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানা হলেও অনেক স্থানেই তা মানা হচ্ছে না।

এমন পরিস্থিতিতে যশোর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজই ভ্রাম্যমাণ আদালত স্বাস্থ্যবিধি না মানায দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন।

করোনারভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে; যা কয়েক দফা বাড়িয়ে এখনো অব্যাহত আছে। তবে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আজ ১০ মে থেকে ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলতে পারবেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল যশোর জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন জেলা প্রশাসক। যশোর জেলা প্রশাসক জানিয়েছিলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে উঠিয়ে নেওয়া হবে না। সরকারি নির্দেশনা যেভাবে আসবে, সেভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী দীর্ঘ প্রায় দেড়মাস পর রোববার অন্যান্য স্থানের মতো যশোর শহরের দোকানপাটও খোলে। প্রথম দিন সকাল থেকেই যশোর শহরে মানুষের ঢল নামে। কোথাও কোথাও যানজটও দেখা যায়।

যশোর শহরের জজ কোর্ট মার্কেট, কালেক্টরেট মার্কেট ও বড়বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মোটামুটি ভিড় দেখা যায়। বেশিরভাগ দোকানে সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও পরস্পরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা। অনেক দোকানে দেখা গেছে, ক্রেতা ও বিক্রেতারা মাস্ক ব্যবহার করলেও তারা কেউই গ্লাভস ব্যবহার করছেন না।

শপিংয়ে আসা নামে এক নারী বলেন, ‘অনেকদিন পর দোকান খুলেছে। ভয় লাগলেও প্রথম দিনেই পরিবারের কয়েকজনকে নিয়ে মার্কেটে এসেছি, যাতে কিছুটা নিরাপদ থাকা যায়।’

বড়বাজারের একতা কথ স্টোরের মালিক রশিদ উল্লাহ খান দুলু বলেন, ‘দোকানের সামনে জীবাণুনাশক স্প্রে রেখেছি। আমি ও আমার কর্মচারীরা হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক দিয়ে দোকানদারি করছি। দোকানের ভেতর এক সাথে যাতে পাঁচজনের বেশি খরিদ্দার ঢুকতে না পারে, সেজন্য একজনকে ডিউটিতে রাখা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে দুলু বলেন, ‘টাকার দরকার আছে। কিন্তু জান-মালের ক্ষতি করে না। বেঁচে থাকলে আগামিতে অনেক ব্যবসা করতে পারবো। প্রয়োজন হলে দোকান বন্ধ করে রাখবো।’

সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য হয়, সেজন্য এই ব্যবসায়ী প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ চান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সিটি প্লাজা, জেস টাওয়ার, ইডেন মার্কেট প্রভৃতি স্থানে ঢোকার আগেই মার্কেটের কর্মীরা জীবাণুনাশক দিয়ে ক্রেতাদের হাত ও পা ভিজিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া দোকানগুলোতে কর্মীরা মাস্ক, গ্লাভস ও মাথায় টুপি পরে ক্রেতাদের সামনে পণ্য উপস্থাপন করছেন।

সিটি প্লাজায় পোশাক কিনতে আসা সালমা আক্তার নামে এক নারী বলেন, ‘ভীতি নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মার্কেটে প্রবেশমুখে স্বাস্থ্যবিধি মানার কার্যক্রম দেখে ভীতি কেটে গেছে। তাছাড়া দোকানে ঢোকার পর পোশাক ধরার আগে আবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়েছে। এভাবে যদি সবখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় তাহলে সংক্রমণ হবে বলে মনে হয় না।’

জানতে চাইলে যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে একাধিকবার মিটিং করে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পরস্পরের দূরত্ব বজায় রাখতে। দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনা না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রেক্ষাপট যাই হোক, সামাজিক দূরত্বের বিকল্প নাই।

পুলিশ সুপার সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার বিধিনিষেধ সাময়িক শিথিল করা হয়েছে। তবে জনসচেতনতার সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে এবং হচ্ছে। দূরত্ব বজায় না রাখলে আইনগত ব্যবস্থা নিতেই হবে। যে কোনোভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে।

এদিন হাজী মুহম্মদ মহসিন রোডে ‘লিবার্টি সু’ এবং ‘মডার্ন কথ স্টোর’ নামে দুটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে অধিক ভিড়ের কারণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেন যথাক্রমে দশ হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।

আসামিদের পক্ষ নিয়ে বাদিকে হুমকির অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

যশোর অফিস

যশোরে কৃষক হাসেম আলী হত্যার ঘটনায় মামলা করে বিপাকে পড়েছেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা। আসামিদের ভয়ে তারা এখন বাড়ি ছাড়া। পুলিশও আসামিদের পক্ষ নিয়ে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।

রবিবার দুপুরে প্রেসকাব যশোরের সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন মামলার বাদী হাসেম আলীর স্ত্রী লিলিমা বেগম। তিনি সদর উপজেলার ভাতুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এমন পরিস্থিতিতে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ জানুয়ারি খেজুরের রস খাওয়াকে কেন্দ্র করে হাসেম আলী ছেলের উপর সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু মুহুরীর নেতৃত্বে তার ক্যাডাররা হামলা করে। এসময় হাসেম আলী এগিয়ে গেলে তাকেও মারপিট করা হয়। পরদিন হাসান আলী মারা যান। ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় ২৭ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা করা হয়। আসামি করা হয় ভাতুড়িয়া গ্রামের ওসমান আলীর ছেলে নুর ইসলাম ওরফে নুরু মুহুরী, একই গ্রামের আয়নাল আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান, আকবর আলীর ছেলে মিন্টু, আবুল কাশেমের ছেলে কবিরুজ্জামান ওরে কাজল, আব্দুস সামাদের ছেলে আতিয়ার ওরফে আতি খোকা, ওয়াজেদ ড্রাইভারের ছেলে আলামিন, লতিফ গাজীর ছেলে আহসান, নুর ইসলামের ছেলে সিরাজুল, আব্দুল মান্নানের ছেলে বাপ্পি, ওসমানের ছেলে ইউনুস, হাসেম আলীর ছেলে রফিকুল, আব্দুস সালামের ছেলে রাজু, মফিজুর রহমান মিস্ত্রির সোহেল ইমরান, ওমর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর, রওশন আলীর ছেলে আব্দুল গাফফার ও ইমামুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিরা প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। তিন চার দিন আগে আসামিদের স্ত্রীরা তাদের বাড়িতে আবার হামলা করেছে। এজন্য প্রাণভয়ে নিলিমা বেগম তার সন্তানদের নিয়ে বাড়ির বাইরে অবস্থান করছেন। বিষয়টি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহজাহান আলীকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনি আসামিদের আটক না করে বরং বাদীকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের নিরাপত্তা এবং সুবিচার পেতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন লিলিমা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে লিলিমা বেগমের ছেলে আছোর আলী, মেয়ে মাহিয়া খাতুন, প্রতিবেশী আব্দুল মজিদ, ইমদাদুল হক মিলন, ওয়াজেদ গাজী উপস্থিত ছিলেন।

বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির ত্রাণ বিতরণ

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমানের নির্দেশে বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে গতকাল রবিবার বিকাল ৩টায় করোনা সংক্রমনে লকডাউনে থাকা অসহায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়। স্থানীয় হাসপাতাল মোড়ে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক খায়রুল ইসলাম খান জনি এর সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ¦ এড. শফিকুল আলম খান মনা ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ আমির এজাজ খান উপস্থিত থেকে উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা যথাক্রমে মোল্লা খায়রুল ইসলাম, আবু হোসেন বাবু, আশরাফুল আলম নান্নু, সুলতান মাহমুদ, জসিম উদ্দিন লাবু, জাহিদুল ইসলাম রাজ, সাইফুর রহমান, হায়দার আলী সেখ, আঃ সালাম সেখ, সিরাজ সেখ, মোল্লা ইমরান আহম্মেদ, আঃ জব্বার, নাসির উদ্দিন কালু, বাহাদুর মুন্সী, মুসা আহম্মেদ, মোঃ বাদল, মোঃ বক্কার, মোঃ মনির হোসেন ছাত্রদল নেতা মফিজুল ইসলাম মিঠু, ইসমাইল হোসেন, বায়োজিদ হোসেন, বাবুল, সোহেল, মশিউর, ইমরান প্রমুখ।