মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বোনের ইন্তেকাল: শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি’র বোন জাহানারা রহমান (৮২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)। শনিবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকার মীরপুরের নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন। শনিবার বাদ আছর মীরপুরে মরহুমার নামাজে জানাযা ও সম্পন্ন হয়।
মনিরুজ্জামান মনি’র বোনের ইন্তেকালে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন নগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
যশোরে বিষাক্ত মদ সেবনে মৃত্যুর ঘটনায় ৫ জন আসামীকে পুনরায় গ্রেফতার : ১ দিনের রিমান্ডে
যশোর অফিস
বিষাক্ত মদ সেবন করে যশোর শহর ও শহরতলীতে ৩জনসহ জেলায় ১৫ জন সেবনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মদ বিক্রি করে অবহেলাজনিত কারনে তিন যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ জামিনে যাওয়া পাঁচ আসামীকে ফের গ্রেফতার পূর্বক শনিবার আদালতে সোপর্দ করেছে। আদালতে সোপর্দ করে তাদের প্রত্যেকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে বিজ্ঞ বিজ্ঞ আদালতের বিচারক শুনানী শেষে সকলকে দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। কোতয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলা নং ৪৫ তারিখ ২৫/০৪/২০ ধারা ৩০৪-ক/৩৪ পেনাল কোডের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম ও কোতয়ালি মডেল থানার মামলা নং ৪৬ তারিখ ২৫/০৪/২০ ইং ধারা ৩০৪-ক/৩৪ পেনাল কোডের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কাইয়ূম মুন্সী রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিমান্ডে নেওয়া আসামীরা হচ্ছে, যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত দ্বীন আলী বিশ্বাসের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক,শহরের ১ নং হাটখোলা রোডের মৃত গোলাম বিশ্বাসের ছেলে আবু বক্কার রতন,সদর উপজেলার সীতারামপুর গ্রামের নরেন পালের ছেলে পিন্টু পাল, শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোড(জামাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া) মৃত জাফর খাঁর ছেলে চান খাঁ ও শহরের উমেশ চন্দ্র লেন হোমিও প্যাথিক কলেজের পিছনে মৃত কওছার শেখের ছেলে আব্দুল শেখ। আদালত সূত্রে জানাগেছে,উক্ত আসামীদের মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম ও এসআই কাইয়ূম মুন্সী আলাদাভাবে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে শনিবার ৯ মে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শম্পা বসুর আদালতে সোপর্দ করে । আদালতে বিজ্ঞ বিচারক রিমান্ড শুনানী শেষে সকল আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শনিবার বিকেলে আসামীদের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোতয়ালি মডেল থানায় আনেন তা নিশ্চিত করেছেন এসআই শরিফুল ইসলাম ও কাইয়ূম মুন্সী।অপরএকটি সূত্র বলেছেন, কোতয়ালি মডেল থানার মামলা নং ৪৩ তারিখ ২৫/০৪/২০ ইং ধারা ৩০৪-ক পেনাল কোড এর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি মডেল থানার এসআই হারুণ অর রশীদ উক্ত ৫ আসামীকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার পূর্বক শুক্রবার ৮ মে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আকরাম হোসেনের আদালতে সোপর্দ করে। আসামী আদালতে সোপর্দ এর পর তাদেরকে বিজ্ঞ বিচারক শুনে জামিন দেন। জামিনে বের হওয়ার পর উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উক্ত আসামীদের মামলা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন নিয়ে আদালতে আসেন। আদালতে এসে জানতে পারেন আসামীরা জামিনে বের হয়ে গেছে। সূত্রগুলো বলেছেন, বিষয়টি পুলিশের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। আসামীরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে যে যার বাড়িতে যাওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে পুলিশ পুনরায় উক্ত ৫ আসামীদের তাদের বাড়ি হতে গ্রেফতার করে।
যশোরে জমি দখলের চেষ্টা হামলা মারপিট ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা
যশোর অফিস
সদর উপজেলার তোলাগোলদার পাড়ায় প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ৬৮ শতক জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা মারপিট নগদ টাকা লুট স্বর্ণালংকর ছিনিয়ে নিয়ে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার ৮ মে রাতে তোলা গোলদার পাড়ার মৃত অতুুল কৃষ্ণ বিশ্বাসের ছেলে মধু সুদন বিশ্বাস বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করেছেন, নারীসহ ১০ জনকে। এরা হচ্ছে, প্রতিবেশী তোলাগোলদার পাড়ার কৃষ্ণ পদ বিশ্বাসের ছেলে কিশোর বিশ্বাস, পতিত বিশ্বাসের ছেলে অলোক বিশ্বাস,সাধন বিশ্বাসের ছেলে রিপন বিশ্বাস, মৃত নিরাপদ বিশ্বাসের ছেলে ছিরাম বিশ্বাস, বিরাম বিশ্বাস, মৃত তারাপদ বিশ্বাসের ছেলে পতিত বিশ্বাস, মৃত অমূল্য বিশ্বাসের ছেলে কৃষ্ণপদ বিশ্বাস, কৃষ্ণপদ বিশ্বাসের ছেলে সুইটি বিশ্বাস, কৃষ্ণ পদ বিশ্বাসের স্ত্রী পিপাসা রানী ও সাধন বিশ্বাসের স্ত্রী সোমা রানী।
মধূ সুদন বিশ্বাস মামলার এজাহারে বলেছেন,উক্ত গ্রামের মৌজায় ৬৮ শতক জমি তার পিতা অুুল কৃষ্ণ বিশ্বাসের। কবলা দলিল মুলে খরিদ করে তার পিতা সেখানে ফলজ ও বনজ গাছ রোপন করেন। যা তার ওয়ারেশগণ ভোগ দখল করে আসছে। উক্ত আসামীরা উক্ত জমি দখলের জন্য নানা ষড়যন্ত্র করতে থাকে। গত ২ মে দুপুর পৌনে ১ টায় সকল আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উক্ত জমির বাগানে আসে। তারা আমগাছ থেকে জোরপূর্বক আম পাড়তে থাকে। মধু সূদন বিশ্বাস বাধ নিষেধ ও প্রতিবাদ জানালে বিরাম বিশ্বাসের হুকুমে সকল আসামীরা তার উপর হামলা করে। মধু সুদন বিশ্বাসের চিৎকারে ছোট ভাই অনিল বিশ্বাস (৫০), ভাইপো জয়ন্ত (২১) ভাইপো সরজিৎ (৩০) ভাবি তরুলতা বিশ্বাস (৪০),পুত্র বধু লক্ষী রানী (২৫) ঠেকাতে গেলে তাদেরকেও মারপিট করে জখম করে। আসামীরা লোহার রড দিয়ে মারপিট করে ভাইয়ের স্ত্রী তরুলতার শাড়ী ধরে টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানী করে। মধু সুদন বিশ্বাসের পকেটে থাকা ধান বিক্রির নগদ ১৬ হাজার টাকা ভাইপো সরজিতের স্ত্রী লক্ষী রানীর পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। আসামী সুইট লক্ষী রানীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আসামীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য চিৎকার দিলে আসামীরা স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহতদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
যশোরের বকচরে গুলিবর্ষন ও হামলার ঘটনায় চোর বিল্লালসহ ৪ সন্ত্রাসীর নামে মামলা
যশোর অফিস
শহরের বকচর হুশতলা চক্ষু হসপিটালের দক্ষিনে কপোতাক্ষ আবাসিক প্রকল্প গেটের কামরুলের চায়ের দোকানের সামনে ইমাদাদুল হক ( ইমাদুল) ও মিন্টু গাজীকের গুলি বর্ষন করে হত্যার ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় শুক্রবার ৮ মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি দায়ের করেন ইমদাদুল হক (ইমাদুল) এর ভাই বকচর হুশতলার মুক্তিযোদ্ধা মৃত শেখ আলাউদ্দিনের ছেলে শেখ রেজাউল করিম। মামলায় চোর বিল্লালসহ ৪ সন্ত্রাসীর নাম উল্লেখ এবং অপ্সাতনামা ৪/৫জনকে আসামী করেছেন। আসামীরা হচ্ছে,বকচর হুশতলা তানিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত ইসমাইলের ছেলে বিল্লাল, একই এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী (নুরু ড্রাইভার) এর ছেলে লিটন পাটোয়ারী,নজরুল ইসলাম ওরফে বাবলু পাটোয়ারী,সাইফুল পাটোয়ারী।
বাদি তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামীরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদক,ইয়াবা ও চোরাই গাড়ী ক্রয় বিক্রয়ের সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। মিন্টু গাজীর নেতৃত্বে সকল আসামীরা স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রভাবে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কার্যকলাপ করে বেড়ায়। আসামীরা হুশতলা মাঠপাড়া মেহগুনী বাগানে জোয়ার আসর পরিচালনা করে। একের পর এক আসামীদের অপরাধের কারণে এলাকার লোকজন ও ছোট ভাই ইমদাদুল হক ( ইমাদুল) বাধা নিষেধ করায় আসামীদের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। আসামীরা ইমাদুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে সুযোগ খুজতে থাকে। গত ৪ মে বিকেলে ইমাদুল হুশতলা মোড় হকে পায়ে হেটে তার বাড়িতে ফেরার সময় বিকেল সোয়া ৪ টায় উল্লেখিত স্থানে পৌছালে পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা সকল আসামীরা পিস্তল ও মারাত্মক অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ইমাদুলকে পথের গতিরোধ করে। আসামীদের মধ্যে নজরুল ইসলাম ওরফে বাবলু পাটোয়ারী ইমাদুলকে জাপটে ধরে বিল্লাল কোমর হতে পিস্তল বের করে ইমাদুলকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। গুলি ইমাদুল হকের হাতের তালা ভেদ করে বের হয়ে যায়। মিন্টু গাজী ঠেকানোর চেষ্টা করলে বিল্লাল ইমাদুল হককে গুলি বর্ষন করলে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মিন্টু গাজীর পেটে লেগে গুরুতর আহত হয়। আসামীরা ইমাদুল হককে লাঠি সোটা দিয়ে মারপিট করে। এসময় ইমাদুলের চিৎকারে অন্যান্য লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা প্রাণ নাশের হুমকী দিয়ে চলে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ইমাদুল হককে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
যশোরে ডাক্তার দম্পতি ও গৃহবধূ করোনামুক্ত
যশোর অফিস
যশোরে দুই চিকিৎসকসহ তিনজন করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন।
শনিবার বিকেল তিনটার দিকে জেলার সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল ও ছাড়পত্র দিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান। এই নিয়ে যশোরে মোট চারজনকে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র দেওয়া হলো।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল যশোর মেডিকেল কলেজের ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এসএম নাজমুল হকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ওই সময় তার শরীরে উপসর্গ না থাকলেও করোনাভাইরাস বহন করছেন বলে পরীক্ষায় ধরা পড়ে।
এরপর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে চিকিৎসা নেন তিনি। এর একদিন পর ডা. নাজমুল হকের স্ত্রী ডা. শরিফা খাতুনের নমুনাও পরীক্ষাগার থেকে পজেটিভ আসে। তারও দৃশ্যত কোনো উপসর্গ ছিল না। তারা দুইজন সুস্থ হয়ে ওঠায় এবং ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও বড় কোনো সমস্যা দেখা না দেওয়ায় আজ তাদের ‘করোনামুক্ত’ ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রসূতি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন জান্নাতি বেগমকে নিজ অফিসে ডেকে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. আবু শাহীন। ছাড়পত্র প্রদানের সময় সিভিল সার্জনের সঙ্গে ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. রেহেনেওয়াজ।
সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের ধারণা, মণিরামপুরের প্রথম শনাক্ত করোনা রোগীর সংস্পর্শে যাওয়ায় ওই দম্পতি সংক্রমিত হন। প্রাথমিক পর্যায়ে করোনা শনাক্ত হওয়ায় এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করার ফলে স্বামী-স্ত্রী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জান্নাতি নামে ওই নারী ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে এসেছিলেন। উপসর্গ না দেখা গেলেও পরীক্ষায় তার ফল পজেটিভ আসে। তাই তাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ও পরে বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। শনিবার সুস্থ হয়ে উঠলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। কিন্তু সন্তানসম্ভবা হওয়ায় তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
যবিপ্রবি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা চালু রাখার দাবিতে মানববন্ধন
যশোর অফিষ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ না করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)।
শনিবার দুপুরে যশোর শহরের মুজিব সড়কে প্রেসকাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এই দাবি করা হয়।
শপিং মলসহ সব কিছু খোলার ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের’ প্রতিবাদে দলের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোর জেলা কমিটি মানববন্ধনটির আয়োজন করে।
মানববন্ধনে যবিপ্রবিতে চলমান নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার দাবি জানানো হয়। এছাড়া শপিং মলসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ হিসেবে বর্ণনা করে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধন থেকে খাদ্য নিরাপত্তার দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়া, খাদ্য সহায়তাপ্রাপ্তদের তালিকা ওয়ার্ডভিত্তিক অনলাইনে প্রকাশ, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা, লে-অফ ঘোষণা ও শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা ঈদের আগে পরিশোধ, করোনাসহ সব রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করারও দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেন ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ভিটু, সখিনা বেগম দীপ্তি, মো. আলাউদ্দিন, হাবিবুর রহমান মোহন, যুবনেতা শেখ আলাউদ্দিন, মাসুদুর রহমান, শ্রমিকনেতা হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
যবিপ্রবির ল্যাবে আরো ৫ করোনা রোগী শনাক্ত
যশোর অফিস
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে পরীক্ষায় তিন জেলায় নতুন করে আরো ৫জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ৬০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫টিতে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
জানা যায়, ঝিনাইদহের ৪৭টি নমুনার মধ্যে ৪টি, মাগুরার ৮টি নমুনার মধ্যে একটিতে পজেটিভ পাওয়া গেছে। আর যশোরের ৫টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে সবগুলোর ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ যবিপ্রবির ল্যাবে ৬০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫টিতে পজেটিভ এবং ৫৫টিতে নেগেটিভ ফলাফল এসেছে।
তালায় ৩ শত আনসার ভিডিপি সদস্য পেলেন জরুরি সহায়তা
ইলিয়াস হোসেন, তালাঃ
“মুজিববর্ষের উদ্দীপন, আনসার ভিডিপি আছে সারাক্ষণ” এই স্গালোন সামনে রেখে বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৩শত দুস্থ আনসার ভিডিপি সদস্যের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) সকালে তালা সরকারি কলেজ মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ২ শত এবং শুক্রবার (৮ মে) পাটকেলঘাটা পারকুমিরা মাঠে ১ শত জন এই খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান, তালা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা তাহমিনা খাতুন,পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ, তালা প্রেসকাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর, তালা থানার এসআই শাহজাহান কবীর, কলারোয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি প্রশিক্ষক ইশার আলীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউনিয়ন দলনেতা-দলনেত্রী, আনসার কমান্ডার, সহকারী আনসার কমান্ডার, উপজেলা কোম্পানী কমান্ডার প্রমুখ।
তালা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা তাহমিনা খাতুন জানান, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে দেশব্যাপী ১ লক্ষ ৫৫ হাজার পরিবারকে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে এাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় বাহিনীর ৩শত অসহায় ও দরিদ্র সদস্যর মাঝে উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরিফ কায়কোবাদ এর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা জেলা কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ আইয়ুব আলীর তত্বাবধানে উক্ত ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রতিটি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পিঁয়াজ, ১ টি সাবান ও ১ টি মাস্ক সরবরাহ করা হয়।
ফকিরহাটে উপকারভোগীর বাড়ি গিয়ে তালিকা যাচাই প্রশাসনের
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা ভাইরাসের দূর্যোগে কর্মহীন অসহায় হতদরিদ্র ও উপকার ভোগীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরজমিনে তথ্য নিতে এবং তা যাচাই করার জন্য উপজেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছেন। শনিবার সকাল ৭টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন বেতাগা ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় তাদের সাথে স্বঃ স্বঃ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস দূর্যোগে কর্মহীন অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারকে যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করবেন সেটা যেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে এবং কোন প্রকার দূর্নীতি ছাড়াই সঠিক ভাবে বিতরণ করা হয়। সেই বিষয়টি মাথায় নিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে তালিকা ভূক্ত উপকার ভোগীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সঠিক তথ্য যাচাই করার কাজ শুরু করেছেন।
কর্মরত সকল সাংবাদিকদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
আটারা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম এর পক্ষ থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর কারণে উপহার হিসেবে ৯ মে শনিবার দুপুর ২টায় ইউনিয়ন কার্যালয়ে খানজাহান আলী থানা এলাকায় কর্মরত সংবাদিক দের মাঝে খাদ্য সামগ্রীর উপহার বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি’র সভাপতি শেখ বদর উদ্দীন, কাজী আজাদুর রহমান হিরোক, শেখ শহিনুর রহমান , মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিনসহ খানজাহান আলী থানা এলাকায় কর্মরত সকল সাংবাদিক বৃন্দ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত এবং কর্মহীন ও দরিদ্র অসহায় মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মৎস প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন “করোনা ভাইরাসের প্রার্দূভাবে বিশ^ এখন ক্রান্তিকাল সময় কাটাচ্ছে। বহি.বিশে^র মতো বাংলাদেশে এই সংক্রামক ভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বস্থরের জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মহীন অসহায় নি¤œআয়সহ বিভিন্ন পেশার মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের এই পরিস্থিতিতে সাধারণ অসহায় মানুষ যাতে খাদ্যের অভাবে মারা না যায় সে জন্য প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসুচির আওতায় ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করেছে। যার সুফল তৃর্ণমূল থেকে শুরু করে সর্বস্থরের মানুষ পেতে শুরু করেছে। তিনি সরকারের পাশাপাশি এই সকল অসহায় মানুষের সাহায্যে দেশের বৃত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।” গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের গিলাতলা ১,২ ও ৩নং কলোনীর হতদরিদ্র ৩’শ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলার চেয়ারম্যান আলহাজ্জ শেখ আকরাম হোসেন, ফুলতলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পারভীন সুলতানা, আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ শেখ মনিরুল ইসলাম, খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার স. ম রেজওয়ান আলী, ফুলতলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী জাফর আহম্মেদ, ফুলতলা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, এস এম বদরুজ্জামান, সমবায় কর্মকর্তা খন্দকার জহিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কল্লোল কুমার বিশ^াস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, ইউপি সদস্য শিরিন আক্তার, আম্বিয়া বেগম, আছিয়া বেগম, এস এম বখতিয়ার পারভেজ, মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, শেখ আব্দুস সালাম, মাহমুদ হাসান, খোকন নন্দী, গোলাম মোস্তফা. খান হাফিজুর রহমান, মোল্যা সোহরাব হোসেন, নবীরুল ইসলাম রাজা, কাজী আজাদুর রহমান হিরক ওয়ার্ডের মেম্বর ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
ভয়াবহ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় হতদরীদ্রের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী নিয়মিতভাবে বিতরণ, সকল কর্মহীন মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিতে হবে, গরীবের ত্রাণ চুরি করা বন্ধ করতে হবে। ত্রাণ চোরদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। শ্রমিক কৃষকের বিনামূল্যে স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে, ত্রাণ বিতরণে দলীয় করণ ও দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। ত্রাণ বিতরণে স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার দাবীতে ৯ মে শনিবার সকাল ১০টায় ফুলবাড়ীগেট খুলনা যশোর মহাসড়কে খানজাহান আলী থানা বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি(সিপিবি) উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন আব্দুর রহমান মোল্যা, গাজী আফজাল হোসেন,জাহাঙ্গীর হোসেন, আফজাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, আশরাফ হোসেন প্রমুখ।
খুবির পরিবহন পুলের কর্মচারি আব্দুস সাত্তারের ইন্তেকালে উপাচার্যের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের হেলপার মোঃ আব্দুস সাত্তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত রাত ২ টায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৫৯ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ১ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বেলা ১১ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে নামাযে জানাযা শেষে নিরালা কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের হেলপার মোঃ আব্দুস সাত্তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, পরিবহন পুলের পরিচালক প্রফেসর ড. শেখ জুলফিকার হোসেনসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
দৈনিক জনকন্ঠ, ইনকিলাবসহ কয়েকটি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘মোংলায় তিনটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই একাধিক ফাটল’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। মিথ্যা ও ভুল তথ্য উপাথ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে এ সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। সংবাদটিতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোন বক্তব্য না নেয়ার বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক বলেও আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঠিকাদার এস, এম মাহাতাব।
-এস,এম মাহাতাব
প্রো: মের্সাস মাহাতাব এন্টারপ্রাইজ
শেখ আ: হাই সড়ক, মোংলা, বাগেরহাট।
কেশবপুরে ধান কেটে সহযোগিতা করলেন ভান্ডারখেলা হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকবৃন্দ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরে করোনা ভাইরাসের কারণে ধান কাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার আহ্বানে শনিবার ভান্ডারখোলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ কৃষকের ধান কেটে সহযোগিতা করেছেন।
কেশবপুর উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামের কৃষক ফারুক বিশ্বাস জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লগডাউনে প্রমিক সংকট ও বৃষ্টি-সহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে তিনি খুবই চিন্তিত ছিলেন। বিষয়টটি অবগত হয়ে ভান্ডারখোলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ডাঃ অমর কুমার ঘোষ, আব্দুস সবুর ও আলতাফ হোসেন, দাতা সদস্য ফজলে করিম খাঁন, বিদ্যোৎশাহী সদস্য মোশাররফ হোসেন গাজী, প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আবু দাউদ ও ওজিউর রহমান, সহকারী মওলানা শিক্ষক মনিরুজ্জামান, সহকারী শিক্ষক মিহির কুমার দাস, ক্রীয়া শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, আফিস সহকারী আনিচুর রহমান ও ল্যবসহকারী হাবিবুর রহমান (হবি) শনিবার তাঁর ক্ষেতের পাকা ধান কেটে তাকে সহযোগিতা করেছেন।
কেশবপুরে অবঃ শিক্ষক আজাহারুল ইসলামের মৃত্যু : পৌর মেয়রের শোক
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কেশবপুরের সাবেক সাংসদ সদস্য গাজী এরশাদ আলীর ছোট ভাই গাজী আজাহারুল ইসলাম (৭২) শুক্রবার রাত ৯ টা ৩০ মিনিটে হঠাৎ হৃদযন্ত্রেরক্রিয়া বন্ধ হয়ে কেশবপুরস্থ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি অইন্না ইলাহী রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ২ পূত্র ও ২ কন্যা-সহ অসংখ্য গুণাগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মুখে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। এদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গাজী আজাহারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম।
কেশবপুরের উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম পরিদর্শন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরের মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বসুন্তিয়ায় অবস্থিত বে-সরকারী সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান “উন্নয়ন সংস্থা”-এর কার্যক্রম শনিবার সকালে পরিদর্শন করা হয়েছে। উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক আব্দুর রহিমের উপস্থিতিতে সংস্থার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার প্রদীপ কুমার বিশ্বাস। পরিদর্শন কালে তিনি উন্নয়ন সংস্থার বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং এলাকার মানুষের সচেতনতা কথা জানান। এসময় উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম, সালমান, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চিতলমারীতে চা দোকানি ও ভ্যান চালকদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব ও বিস্তার রোধে ঘরে থাকা ২শ ৫০ জন কর্মহীন চা দোকানি ও ভ্যান চালকদের মাঝে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীনের নির্দেশনায় ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়ের সহযোগিতায় সন্তোষপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হরেন্দ্রনাথ সিকদার তার ব্যক্তিগত তহবিল এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করেণ।
শনিবার সকাল ১১ টায় সন্তোষপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে খাদ্য সহায়তা প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল। চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন খান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মাহাতাবুজ্জামান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সদস্য এ্যাড, শম্ভুনাথ রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ কেরামত আলী, সন্তোপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ রসুল মাঝি।
কয়রায় কৃষকের ধান কেটে দিলেন উপজেলা কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দ
কয়রা প্রতিনিধি
মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে শ্রমিক সংকট এবং বৈরী আবহাওয়ার কারনে কৃষকরা যখন দিশেহারা তখনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিলেন কৃষকদের পাশে থেকে ধান কর্তনের। তারই ধারাবাহিকতায় খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজার পরামর্শে কয়রা উপজেলা কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দ (৯ মে) শনিবার দিনভর আমাদী ইউনিয়নের উত্তর বেচ পাড়া গ্রামের কৃষক রবেন কুমার মিস্ত্রির ১০ বিঘা জমির পাকা ধান কেটে বাড়ীতে তুলে দিয়েছেন। কেননা ঘন ঘন ঝড় বৃষ্টির কারনে রবেন তার পাকা ধান কাটতে নিদিষ্ট পরিমান শ্রমিক পাচ্ছিল না এবং শ্রমিকের পারিশ্রমিক বেশি থাকায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক প্রভাষক শাহাবাজ আলীর উদ্যোগে কৃষকলীগ নেতা শাহীনুর রহমান শাহীনের নেতৃত্বে একদল কৃষকলীগ নেতকর্মী নিয়ে ৪ দিন ধরে কৃষক রবেনের ১০ বিঘা জমির সমুদয় ধান কেটে বয়ে নিয়ে বাড়ীতে পৌছে দিয়েেেছন। এ বিষয় কৃষকলীগ নেতা শাহীনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তারা সম্পূর্ণ সে¦চ্ছাশ্রমে এ পথে নেমেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারনে শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় কৃষকলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে পিছিয়ে পড়া কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ার চিন্তা করেছেন। বিগত ৪ দিন অথ্যাৎ বুধবার থেকে কৃষকের ধান কাটা শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন এ কার্যক্রম চলবে। উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক প্রভাষক শাহাবাজ আলী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্জ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা ও জেলা কৃষকলীগের পরামর্শে কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দ কৃষকের পাশে থেকে ধান কর্তন করে বাড়ী পৌছে দিচ্ছে এবং আগামীতে আমাদের এ কাজ অব্যহত থাকবে। এ সময় ধান কাটায় অংশ নেন কৃষকলীগ নেতা আজিজুল খোকন, ভবেন মিস্ত্রি, রিয়াজুুদ্দন ইসলাম, খায়রুল আলম, নাজমুল হুদা, দিনেশ কুমার, নুর ইসলাম গাজী সহ একাধীক নেতৃবৃন্দ।
সাতক্ষীরায় চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ঔষধের দোকানদার আটক
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় চিকিৎসককে লাঞ্চিত করার অভিযোগে ঔষধের দোকানদার মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে দোষী দোকানদারকে আটকের দাবিতে কর্মবিরতিসহ মানববন্ধন করেন সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা। কর্মবিরতি চলাকালে ব্যাপক দূর্ভোগের মধ্যে পড়েন সেবা নিতে আসা রোগীরা।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি আসাদ্জ্জুামান জানান, দোকানদার মনিরুল সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তৈয়েবুর রহমান গালিবকে লাঞ্চিত করায় চিকিৎসকরা তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে কর্মবিরতি পালন করেন। এ ঘটনায় মনিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তিনি আরো জানান, চিকিৎসকরা অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. তৈয়ুবুর রহমান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় এক রোগীর প্রেসক্রিপশনে লেখা নির্ধারিত ঔষধ না দেয়ায় তিনি সদর হাসপাতালের সামনে এস,এম ড্রাগ হাউসে যান। এসময় ওষুধ ফেরত না নিয়ে দোকানদার মনিরুল ইসলাম তার সাথে মারমুখি আচরণ করেন। একপর্যায়ে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করা হয়। এর প্রতিবাদে চিকিৎসকরা শনিবার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান, সমস্যার সমাধানে আলোচনা চলছে।
মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের ইফতার সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
শনিবার দিনব্যাপী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভ্রাতুষপুত্র ও বিসিবি পরিচালক জনাব শেখ সোহেল এর নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর উপদেষ্টা আলহাজ¦ শেখ মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক এম,আসাদুজ্জামান মুন্নার পরিচালনায় করোনা ভাইরাস দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রোজদারদের মাঝে ত্রান ও ইফতার উপকরকন উপহার হিসাবে বিতরণ হয়। বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, রোটাঃ ইঞ্জিঃ মিজানুর রহমান, প্রভাষক ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি, মোঃ সেলিম চৌধুরী, কাজী জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী (জুয়েল), মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, আফজাল হোসেন আমজালা, আব্দুস সালাম সর্দার, আঃ জব্বার কমান্ডার, আঃ জলিল সরদার, মোঃ আয়নাল, মোঃ আনোয়ার হোসেন মনু, মোঃ রাতুল মিয়া, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ মুজিবর রহমান, মোঃ ফিরোজ সর্দার, আঃ রহমান, মোসাঃ ইতি বেগম, লিভানা আক্তার, হাসী বেগম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মহেশপুরে ২৫৫ অসহায় পরিবারের বাড়ী বাড়ী খাদ্য পৌছে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য আসাদ
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের কারনে অসহায় হয়ে পড়া ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ২৫৫ পরিবারের বাড়ী বাড়ী খাদ্য পৌছে দিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের সদস্য ও মহেশপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি প্রভাষক এম এ আসাদ।
গতকাল শনিবার সকালে তিনি নিজে প্রতিটা অসহায় পরিবারের বাড়ী বাড়ী গিয়ে এ খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন। জেলা পরিষদের সদস্য ও মহেশপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি প্রভাষক এম এ আসাদ জানান,মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর,এসবিকে,পান্তাপাড়া,স্বরুপপুর,বলুহর ইউনিয়নসহ আসপাশের কিছু এলাকার ২৫৫টি অসহায় পরিবারের মধ্যে আমার জেলা পরিষদ থেকে দেওয়া এ খাদ্য সামগ্রী আমি পৌছে দিয়েছি। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল,ডাল,আলু ও লবণ।
এ সময় জেলা পরিষদের সদস্য ও মহেশপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি প্রভাষক এম এ আসাদ ফতেপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় নিজস্ব তহবিল থেকে পরিবার প্রতি ৩০০ টাকা করেও বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য বাচ্ছু মেম্বার,সাংবাদিক অসীম মোদক, বীর শ্রেষ্ট শহীদ হামিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ওমর ফারুক।
ফুলতলায় লকডাউনের মধ্যেও ৭ প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা
ফুলতলা প্রতিনিধি
খুলনায় ফুলতলায় লকডাউনের মধ্যে খোলা থাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মূল্য তালিকা না থাকায় ভ্রাম্যমান আদালত ৭ প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করেন। এর মধ্যে কুন্ডু ষ্টোরকে ২ হাজার টাকা, তপন কুন্ডুকে ১ হাজার টাকা, মুসলিম ষ্টোরকে ১ হাজার টাকা, কসমেটিক্স বাজারকে ১ হাজার টাকা, আলী মিয়ার দোকনকে ১ হাজার টাকা, রোকন ষ্টোরকে ৫শ’ টাকা ও মান্নান ষ্টোরকে ৫শ’ টাকা জরিমানা ধার্য এবং আদায় করা হয়। শনিবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মোঃ নাজমুল হাসান ও খুলনা জেলা সহকারী পরিচালক শিকদার শাহিনুর আলম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় থানার এসআই তাপস রায়ের নেতৃত্বে পুলিশ সহযোগিতা করে।
অভয়নগর থানা বিএনপির উদ্বোগে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন
অভয়নগর প্রতিনিধি
অভয়নগর থানা বিএনপির উদ্বোগে মহামারী করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ৯মে শনিবার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফারাজী মতিয়ার রহমানের একতারপুর গ্রামের বাস ভবন থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের মাধ্যমে কর্মহীন মানুষের জন্য খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয় । খাদ্য সামগ্রী বিতরন কর্মসুচিতে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফারাজী মতিয়ার রহমান, যশোর জেলা বিএনপির আহব্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী গোলাম হায়দার ডাবলু, যশোর জেলা বিএনপির আহব্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম মোল্লা, অভয়নগর থানা বিএনপি নেতা ইমাদ উদ্দিন গাজী, রেজাউল ইসলাম মোল্লা, আমিনুল ইসলাম বাবু, মনজুর মাষ্টার, রবিউল ইসলাম, সরোবর ফারাজি, ইমান আলি মেম্বর, পৌর বিএনপি নেতা আঃ ছামাদ, যুবদল নেতা আঃ রশিদ বিশ্বাস, মোঃ কামাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোল্যা হাবিবুর রহমান( হাবিব), রিয়াজ উদ্দিন মিঠু, হাফিজুর রহমান, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম, তরফদার নাজির উদ্দিন, মোঃ মাসুদ রানা তুহিন, তরফদার মইন উদ্দিন, মাহাতাবুর রহমান ইউসুফ, তাওহীদ আল ওসামা,তানভীর তরফদার, নূরে নাইম,শাকিল মোল্যা, মোঃ হানিফ মুন্সি, মোঃ মামুন হোসেন এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাগর শেখ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
শরণখোলায় স্কুল ফিডিং বিস্কুট বাড়ি বাড়ি পৌছে দিল আরআরএফ
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
সরকারের দারিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির পুষ্টি সমৃদ্ধ বিস্কুট শরণখোলার ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি পৌছে দেয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় বাড়ি বাড়ি পৌছে দেয়ার এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা রুরাল রিকনস্টশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ)।
শনিবার সকাল ১০টায় উত্তর কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, প্রেসকাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আঃ রহমান, এনজিও সমন্বয় কমিটির সভাপতি মীর সরোয়ার হোসেন, আরআরএফ কর্মকর্তা রমেশ মন্ডল, সুজন সেন, মৃন্ময় হালদার, মিঠুন সরদার প্রমুখ।
আরআরএফ কর্মকর্তা রমেশ মন্ডল জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের এ প্রকল্পের আওতায় শরণখোলা উপজেলার ১১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি এবতেদায়ী মাদ্রাসায় ১২ হাজার ১০২ জন ছাত্র-ছাত্রীকে মাথাপিছু ৫০ প্যাকেট করে এ উচ্চপুষ্টি সমৃদ্ধ বিস্কুট বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌছে দেয়া হবে।
শরণখোলায় বিএনপি’র ত্রাণ বিতরণ
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
শরণখোলা উপজেলা বিএনপি মনিরুল হক ফরাজীর সহযোগিতায় করোনায় কর্মহীন অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। গতকাল (শনিবার) বিকেলে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের চৌমোহনা এলাকায় দেড়’শ পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারকে ৫কেজি চাল, আধা কেজি ডাল, ১লিঃ তেল, ১টি সাবান ও ২ কেজি আলু বিতরণ করা হয়। এসময় শরণখোলা উপজেলা বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক কাওছার আহমেদ, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক সেলিম পহলান, বাগেরহাট জেলা যুব দলের সদস্য আল-আমিন খান, ঢাকা তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সবুজ মৃধা উপস্থিত থেকে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
মোড়েলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের পারিবারিক ভাবে ত্রান বিতারন
শেখ মিজানুর রহমান ডিয়ার, দৈবজ্ঞহাটী
বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ ই আলম বাচ্চু বুরুজবাড়ি গ্রামে তার নিজ বাড়িতে পারিবারিক ভাবে কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্থ ও মাহে রমজান উপলক্ষে স্থানীয় অসহায় ও দুস্থ শতাধীক পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতারন করেন। উপজেলা চেয়াম্যান ও তার সহধর্মীনি বাগেরহাট জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যাপিকা আফরোজা আক্তার লীনার উপস্থিতে চাল, ডাল, আলু, চিনি, চিড়া, লবন ও তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতারন করেন। এ সময়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তার ভ্রাতা এ্যাড. মিজানুর রহমান, মোঃ নুরুল আলম, মোঃ শহীদুল ইসলাম, হাওলাদার অহিদুল ইসলাম, মোঃ ওবায়দুল ইসলাম, মোঃ তাইজুল ইসলাম, সমাজকর্মী মোঃ রিপন হোসেন সহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ। ত্রান সামগ্রী নিতে আসা উপস্থিত সকলের কাছে উপজেলা চেয়াম্যান তার মরহুম পিতা মাতা সহ পরিবারবর্গের জন্য দোয়া কামনা করেন।
৩০ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা রাজু’র ফ্রি সবজি বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় ৩০ নং ওয়ার্ডের কর্মহীনদের মাঝে সবজি বিতরণ করা হয়। ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মোঃ রাজু মোল্লার উদ্যোগে সবজি বিতরণের উদ্বোধন করেন নগর যুবলীগের সদস্য আব্দুল কাদের শেখ ও অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু।
বিতরণকৃত সবজির মধ্যে ছিল ঝিঙ্গে, উচ্চে, পটল, ঢেড়শ, মিষ্টি কুমড়া ও পুঁইশাক। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কার্ডধারী ৪ শতাধিক লোকের মাঝে এ ৬ ধরনের সবজি বিতরণ করা হয়। বিতরণ শেষে রাজু মোল্লা বলেন, মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা মোতাবেক আমার সামর্থ অনুযায়ী করোনা ভাইরাসের শেষ অবধি পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আজ (শনিবার) ৪শ’ লোকের মাঝে বিতরণ করেছি। আগামীতে আরও বেশি মানুষের মাঝে বিতরণ করবো, ইনশাআল্লাহ!
উল্লেখ্য, রাজু মোল্লা ইতিপূর্বে ৮ শতাধিক লোকের মাঝে সবজি বিতরণ করেন।
সবজি বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. ফারুক হোসেন শেখ, সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন, ফারুক হোসেন তুরান, হুমায়ুন কবির খান, নুর-এ-আলম সিদ্দিকী লিটন, ইসমাঈল হোসেন, আফরোজা হক কোহিনুর, জব্বার আলী হীরা, ওয়ার্ড যুবলীগ আহবায়ক ইমরুল ইসলাম রিপন, যুগ্ম আহবায়ক লাবু আহমেদ মোড়ল, এনাদুল মোল্লা, ইলিয়াস হোসেন, আবু হাসান, গাজী লিটন, ইসমাঈল হোসেন সুজন, মামুন হোসেন সন্তু, সাব্বির হাসান জয়, আকাশ, অপু, রাব্বি, ঘোষ সহ আরও অনেকে।
নগরীর দৌলতপুরে যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে করোনায় কর্মহীন মিল শ্রমিক ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর দৌলতপুর ০৬নং ওয়ার্ডে যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে করোনায় সৃষ্টি পরিস্থিতিতে ঘরে থাকা কর্মহীন বিভিন্ন মিল শ্রমিক ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করা হয়। গতকাল সকাল ১০ টায় আফিলউদ্দিন হাই স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জোনাল হেড ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ খান উপস্থিত থেকে করোনাকালীন লকডাউন পরিস্থিতিতে দরিদ্র মিল শ্রমিক, দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ত্রান সামগ্রি বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ০৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুদ্দিন আহম্মদ প্রিন্স, আফিলউদ্দিন হাই স্কুল ও ০৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মনিরুল তরফদার, ব্যাংকের সাতক্ষীরা শাখা ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম বিপু, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সাত্তারুজ্জামান পিটু, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনসহ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
নগরীতে ১৪ জনের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে পুলিশ
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগর পুলিশ বিগত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন জেলা থেকে খুলনা মহানগরীতে আগত ১৪ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে।
কেএমপির মুখপাত্র উপ পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, আগত ব্যক্তিদের মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় ৪ জন( ঢাকা), খালিশপুর থানায় ৪ জন (গাজীপুর-০২, মাদারীপুর-০২), আড়ংঘাটা থানায় ২ জন(ঢাকা) এবং খানজাহান আলী থানায় ৪ জন(ঢাকা)।
১ হাজার অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন যুবলীগ নেতা হাফিজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
৫ দিনব্যাপী ৪ হাজার পরিবারকে উপহার প্রদান কর্মসূচির সমাপনী দিনে ১ হাজার পরিবারকে দশ কেজি করে চাল উপহার দেওয়া হয়। খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ১নং জলমা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে মুহাম্মাদনগর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এর আগে গত ৫,৬,৭ ও ৮ মে তিন হাজার পরিবারের মাঝে উপহার বিতরণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পরা ও অসহায় মানুষদের মাঝে উপহার হিসেবে দশ কেজি চাল প্রদানের উদ্যোগ নেন খুলনা মহানগর যুবলীগের সিনিয়র সদস্য এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ।
উপহার সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতা এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু’র সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশে আমরা যুবলীগের নেতা কর্মীরা সার্বিক অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আপনাদের পাশে আছি, প্রয়োজনে আবারো এধরনের উপহার প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ সেখ এর সভাপতিত্বে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুহাম্মাদনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান ময়না, ১নং জলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা মিজানুর রহমান বাবু, সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদালয়ের শিক্ষক মাহমুদ আলম, বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব আসলাম হোসেন তালুকদার, ১নং জলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আলমগীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন বায়তুল আমান জামে মসজিদের পেশ ইমাম গাজী নাসির উদ্দিন, বায়তুল মিরাজ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতি নাজমুল হাসান, বিশিষ্ট সমাজসেবকগণ যথাক্রমে শহিদুল ইসলাম বাবু, মোঃ আকবর হোসেন, মোঃ আব্দুল জলিল, মোঃ সালাম মীর, ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান অপি, ১নং জলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ দুলাল শেখ, ডাঃ বিল্লাল, কওছার শিকদার, নুরুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল মোল্লা, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এস এম তানজির রহমান উষাণ, সাংগঠনিক সম্পাদক অভিজিৎ রায় অভি, ১নং জলমা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক এস এম তানভির রহমান অপু, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সোহেল মোড়ল, মোঃ রুবেল, আবু বক্কার, শেখ পাভেলসহ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ মাহাবুবুর রহমান মাসুম।
খুলনা শহরের বিভিন্ন স্থানে নৌবাহিনীর ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে নৌবাহিনী। অসহায় ও দুস্থ পরিবারে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী পৌছানোসহ জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক জোড়াগেট সংলগ্ন নতুন বস্তি দক্ষিন পাড়া এলাকায় ২০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নৌ ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক জিরোপয়েন্ট এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ও ২৫০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় ১৮৮৬টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদান করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, মংলা বন্দর, চিলা, আপাবাড়ি, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল পরিচালনা করে।
চিতলমারীতে করোনা প্রভাবে চিংড়ি মাছের ঘেরে পোনা ছাড়তে বিড়ম্বনা
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে কোভিড -১৯ মাহামারি করোনার প্রভাবে চিংড়ি মাছের পোনা আমদানিতে চাষিদের বিড়ম্বনার শিকার হতে হলেও তা কেটে উঠতে আপ্রাণ চেষ্টা চলাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। ইতিপুর্বে উপজেলায় চিংড়ি মাছের পোনার চাহিদার প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ ভাগ পোনা চাষিদের ঘেরে ছাড়া হয়েছে। চিংড়ি ঘেরে শতভাগ পোনা ছাড়া হয়েছে কিনা তা আগামী জুন মাসের মধ্যে জানা যাবে বলে উপজেলা মৎস্য অফিস জানিয়েছেন। চিতলমারী উপজেলায় এবছর ৬ হাজার ৮৯ হেক্টর জমিতে ১৭হাজার ৭৩০টি চিংড়ি ঘেরে রেনু ছাড়ার উপযোগি রয়েছে । মোট চিংড়ী মাছের পোনার চাহিদা রয়েছে ১৫ কোটি ৩২লাখ।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো: জিল্লুর রহমান রিগান জানান চাহিদার ৪০ থেকে ৪৫ ভাগ পোনা ইতিপর্বে চাষির ঘেরে অবমুক্ত করা হয়েছে। এবং করোনা মহামারীর প্রভাবে চিংড়ি চাষিদের পোনা সময় মত ছাড়তে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। বর্তমান প্রশাসন এবং মৎস্য অফিসের সমন্বয়ে চিংড়ি মাছের পোনা আমদানির জন্য একজেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে লগডাউন কিছুটা সিথিল করা হয়েছে। মৎস্যচাষিদের রেনু আনতে দুরের কোন জেলায় যেতে হলে অফিস থেকে তাদের অনুমতি পত্র প্রদানকরা হবে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ থেকে সীমিত আকারে দোকানপাট খোলা রাখা যাবে
তথ্য বিবরণী
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাসমূহে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট, শপিংমলসমূহ আজ ১০ মে (রবিবার) থেকে সীমিত আকারে চালুর রাখা যাবে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় শর্তসমূহ নি¤œরূপ: হাট-বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও শপিংমলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। তবে ফুটপাতে বা প্রকাশ্য স্থলে হকার, ফেরিওয়াল ও অস্থায়ী দোকানপাট বসানো যাবে না। প্রতিটি শপিংমল, শোরুম ও দোকানে প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। মাস্ক পরিধান ব্যতিত কোন ক্রেতা দোকানে প্রবেশ করতে পারবে না। সকল বিক্রেতা ও দোকানের কর্মচারীকে মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লাভস পরিধান এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। প্রতিটি শপিংমল বা বিপণী বিতানের সামনে সতর্কবাণী ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে, মৃত্যু ঝুঁকি আছে’ সম্বলিত ব্যানার টানাতে হবে। যথাযথভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে মার্কেটের সামনে ও ভেতরে মার্কিং করতে হবে। এছাড়া রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। সকল প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সকল জনসাধারণ, ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে উপরোক্ত নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হলো। এ আদেশ ভঙ্গকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। খুলনা জেলা প্রশাসনের এক গণ বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’-এর মাধ্যমে খুলনায় বোরোধান ক্রয় শুরু
তথ্য বিবরণী
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবিত মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’-এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শনিবার কৃষকের নিকট থেকে বোরাধান ক্রয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ধানক্রয় কার্যক্রম উপলক্ষে দুপুরে খুলনার মহেশ^রপাশা সিএসডি চত্বরে দিঘলিয়া উপজেলার কৃষকদের নিকট থেকে মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বোরোধান ক্রয়ের উদ্বোধন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।
উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিশ^ব্যাপী আজ শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি ও সেবাভিক্তিক অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়লেও কৃষিভিক্তিক অর্থনীতি টিকে আছে। কৃষকরা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিও সচল থাকবে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবছর খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার কৃষকদের নিকট থেকে মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’ এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে প্রায় ৭০১ মেট্রিক টন বোরোধান ক্রয় করবে।
‘কৃষকের হাসি’ এ্যাপসের মাধ্যমে বর্তমানে শুধু দিঘলিয়া উপজেলা থেকে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে খুলনার অন্যান্য উপজেলা হতেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে ধান ক্রয় শুরু হবে। উদ্বোধনী দিনে দিঘলিয়ার কৃষকদের কাছ থেকে ৪.৬৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। গুগল প্লে-স্টোর থেকে ‘কৃষকের হাসি এ্যাপটি সহজে ডাউনলোড করা যাবে। এই এ্যাপসের মাধ্যমে কৃষক মধ্যস্বত্ত্বভোগীর খপ্পরে না পড়ে ন্যায্যমূল্যে তাঁর উৎপাদিত ধান বিক্রি করতে পারবেন। এসময় খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মাহবুবুর রহমান, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, খুলনা প্রেসকাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মাহবুবুল আলম সোহাগ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ-আল-আসাদ মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে উদ্ভাবিত মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’-এর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
কুয়েট হল কর্মচারীদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের কারণে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এর বিভিন্ন হলে কর্মরত হল কর্মচারীদের মধ্যে বিএনসিসি সুন্দরবন রেজিমেন্ট ও কুয়েটের যৌথ উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার বেলা সাড়ে ৩টায় বিশ^বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন স্থানে ১৩৮ হল কর্মচারীর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ, বিএনসিসি সুন্দরবন রেজিমেন্টের কসান্ডার লে: কর্নেল রাহাত নেওয়াজ, ব্যাটালিয়ন এ্যাডজুটেন্ট লে: কাজী রিফাত এবং বিএনসিসি কুয়েট প্লাটুন কমান্ডার প্রতীক চন্দ্র বিশ^াস।
পাইকগাছার লতায় কর্মহীনদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি
ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পক্ষে উক্ত সংগঠনের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক প্রিয়াংকা দেবনাথ মিষ্টি ও খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিথুন সরকারের উদ্যোগে লতা ইউনিয়নের ১১০ জন রোজাদার মানুষের মাঝে ইফতার দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ফরহাদুজ্জামান তুষার, লতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা প্রকাশ সরকার, দীনেশ সরকার, সদানন্দ মন্ডল, শুভংকর রায়, যুবনেতা পুলকেশ রায়, হীরামন মন্ডল, ছাত্রনেতা মইনুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, সীমান্ত মন্ডল, অনুপ মন্ডল, আদর্শ মন্ডল, জুয়েল, ববি, কাকন, রাশেদ, আশীক সরকার সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই: মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের পরিকল্পনা অনুযায়ি শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে হবে। তার ধারাবাহিকতায় খুলনা বিএনপি দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিচ্ছি। দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। শনিবার ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে কাজী আব্দুল বারী প্রাথমিক বিদ্যায়ল মাঠে শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসবকথা বলেন। জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় দল মত নির্বিশেষে সকলকে মানুষের সেবায় কাজ করার আহবান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, অ্যাডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, ইউসুফ হারুন মজনু, শরিফুল ইসলাম বাবু, জহর মীর, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, ইমতিয়াজ আলম বাবু, ম শ আলম, ইউসুফ মোল্যা, ইকবাল হোসেন, ইফতেখার জামান নবীন, মনিরুজ্জামান মনির, আলতাফ হোসেন, শহিদুল ইসলাম, মাহমুদ হাসান শান্ত, নুরুল ইসলাম নুরু, সিরাজুল ইসলাম, খান সাইফুর রহমান টিটু, মল্লিক জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, আশিকুর রহমান, মুশফিকুর রহমান অভি, মহিম আহমেদ রুবেল, ইমরান হোসেন, আশিক মাহমুদ নকিব, আলাউদ্দিন, মিজানুর রহমান, আবুল কালাম, ইব্রাহিম খলিলউল্লাহ, শাকেরউল্লাহ তুহিন, আমিনুল, মিদুল, রাহাত বাদশা, আরিফ, সেতু, হারুন, বাপী, খান টিটু প্রমুখ।
মহানগর বিএনপির সদস্য সীমা’র স্বামীর ইন্তেকাল: শোক
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য নিঘাত সীমার স্বামী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সানোয়ার হোসেন (৬৫) আর নেই। তিনি শনিবার বিকেল পৌনে পা্চঁটায় হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না—-রাজেউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দু’ ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। সন্ধ্যায় মরহুমের লাশ খালিশপুর হাউজিং এষ্টেট নতুন কলোনীর এনকে-৭২নং বাসায় আনার পর স্বজনদের কান্নায় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। রবিবার যহোরবাদ খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেটস্থ দারুল মোকারম মাদ্রাসা ময়দানে জানাজা নামাজ শেষে গোয়ালখালি কবরস্থানে দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বাসভবনে ছুটে আসেন খালিশপুর থানা বিএনপি সভাপতি এড. ফজলে হালিম লিটন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সাঃ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক ফারুখ হোসেন হিল্টন, খালিশপুর বণিক সমিতির সভাপতি আঃ মতিন বাচ্চু, খালিশপুর থানা আ’লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ এ এস এম সায়েম, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আহসানুল্লাহ বুলবুল, বিএনপি নেতা ইমাম হাসান, নগর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল, নগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রসিউর রহমান রুবেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালেহ শিমুল, খালিশপুর থানা ছাত্রদলের সদস্যৗ সচিব উজ্জল হোসেন সুমনসহ বিএনপির ও তার অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
নগর বিএনপির শোক: খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য নিঘাত সীমার স্বামী সানোয়ার হোসেন ইন্তেকালে গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন নগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপি’র চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, আব্দুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, মোঃ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
কৃষকের চোখের সামনে পুড়লো ক্ষেতের পাকা ধান
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
জীবননগর উপজেলার আলীপুর মাঠে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়লো কৃষক রমজান আলীর স্বপ্ন। ক্ষেতে কেটে স্তুপ করে রাখা পাকা ধানের গাঁদায় শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দেওয়া আগুনে মুহূর্তেই অর্ধলক্ষাধিক টাকার ধান পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।
এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার আলীপুর প্রাইমারি স্কুলপাড়ার আকরাম আলীর ছেলে রমজান আলী গ্রামের মাঠের বর্গা নেওয়া ২ বিঘা জমিতে এবার ধানের চাষ করেন। শুক্রবার তিনি ক্ষেতের পাকা ধান কেটে মাড়াই করার জন্য ক্ষেতেই ধান স্তুপ করে রাখেন। শনিবার সকাল হতে ধান মাড়াই করার কথা। কিন্তু ওই দিন রাত ৯টার দিকে শক্রতা করে কে বা কারা ধানের গাঁদায় আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্রামের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলেও মাঠে পানির ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নেভাতে ব্যর্থ হয়। ফলে উপস্থিত কৃষক রমজানসহ সকলের চোখের সামনে স্বপ্নের দুই বিঘা জমির ধান পুড়ে ছাঁই হয়ে যায় ।
গাংনীতে ডিবি পরিচয়ে লিটন মেম্বারকে তুলে নিয়ে গেছে
মেহেরপুর প্রতিনিধি
গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়াডের্র সদস্য (মেম্বার) লিটন হোসেনকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে-দিবালোকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লিটন মেম্বারকে গ্রেফতার করা হয়েছে নাকি অপহরণ করা হয়েছে এনিয়ে চলছে ধোঁয়াশা। লিটন মেম্বার কাজীপুর ব্রীজপাড়ার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সেনা সদস্য নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু ম্যালেটারির ছেলে।
শুক্রবার দুপুরের দিকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে মাইক্রোযোগে ৭/৮জনের একটি অস্ত্রধারীদল লিটন মেম্বারকে স্ত্রী-সন্তানের সামনেই অস্ত্র দেখিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। লিটন মেম্বারের স্ত্রী অনন্যা জানান, আমার স্বামী-সন্তান নিয়ে বাড়ির দোতলা ঘরে বসে ছিলাম। দুপুরের দিকে ৭/৮ জন ব্যক্তি সাদা পোশাকে অস্ত্র দেখিয়ে আমার স্বামীকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসে। এসময় আমি তাদের পরিচয় জানতে চাইলে, তারা ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে স্বামী লিটনকে সাদা রংঙয়ের একটি মাইক্রো করে তুলে নিয়ে যায়। এসময় আমার স্বামীকে কেন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে এবং ঠেকাতে গেলে, তারা আমাকে অস্ত্র মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করতে যায়। আমি প্রাণ ভয়ে আর এগিয়ে যেতে পারিনি। আমার বড় ছেলে আল সামস পাশে থাকলেও সে ভয়ে কথা বলতে পারেনি। আমার স্বামী বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের দায়িত্বের পাশাপাশি বাড়িতে গরুর খামার করে গরু পালন করে আসছিলেন। সে কারোর ক্ষতি করেনি। তারপরেও কারা তাকে এমনটি করলো। আমার স্বামী লিটনকে কারা নিয়ে গেছে এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের কাছে খোঁজ নিতে গেলে,তারা কিছু জানেন না বলে আমাকে জানান। এদিকে লিটন মেম্বারের পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়। এ বিষয়ে গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, লিটন হোসেন নামের কাউকে গাংনী থানা বা স্থানীয় ক্যাম্পের পুলিশ আটক করেনি।
ল্যাম্বরগিনির আদলে প্রাইভেটকার তৈরি করলেন সাতক্ষীরার উদ্ভাবক
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
নতুন কিছু উদ্ভাবন করাই যেন নেশা সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার রিয়াজুল ইসলাম রাজুর। সম্প্রতি তিনি দেশীয় প্রযুক্তিতে ইতালির বিখ্যাত বিলাসবহুল কার ল্যাম্বরগিনির আদলে একটি পাইভেটকার তৈরি করে সবার নজর কেড়েছেন। নিজ দক্ষতায় তৈরি গাড়িটি অনেকেই দেখতে আসেন। ভোলা টেকনিক্যাল সেন্টারে বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা নেন এই তরুণ উদ্ভাবক।
জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই নতুন কিছু উদ্ভাবন করে চমক লাগিয়ে দিতেন রিয়াজুল। ১৫ বছর আগে স্কুলে পড়াকালীন বাইসাইকেলে মোটর লাগিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। কলেজ জীবনে স্যালোমেশিন দিয়ে ডিজেলচালিত মোটরসাইকেল উদ্ভাবন করেন। এরপর ২০১৯ সালে তার মাথায় আসে প্রাইভেটকার তৈরির ভাবনা। যেই ভাবনা, সেই কাজ। মোটরসাইকেলের পুরনো ইঞ্জিন, ইজিবাইকের চাকা এবং প্রাইভেটকারের সিট ও স্টিয়ারিং দিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করেন ল্যাম্বরগিনির আদলের একটি পাইভেটকার। কারটির শুধু কাঠামো তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে চালাচ্ছেন তিনি। অফিসের ব্যস্ততার কারণে এখনও বডি তৈরি সম্পন্ন করতে পারেননি।
রিয়াজুল ইসলাম রাজুর তৈরি প্রাইভেটকারজানা গেছে, ইতোমধ্যে ৭০-৮০টি গাড়ি তৈরির অর্ডার পেয়েছেন রিয়াজুল ইসলাম। সব মিলিয়ে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ পড়বে প্রতিটি কার তৈরিতে। কারটি এক লিটার জ্বালানিতে ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিতে ৩৭ কিলোমিটার চলাচলে সক্ষম।
উদ্ভাবক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই নতুন কিছু তৈরি নিয়ে সারাক্ষণ ভাবতাম। ২০১৯ সালে কার তৈরির চিন্তা মাথায় আসে। কিছুদিন পরেই কাজে নেমে পড়ি। মোটরসাইকেলের পুরনো ইঞ্জিন, ইজিবাইকের চাকা এবং প্রাইভেটকারের সিট ও স্টিয়ারিং দিয়ে এলাকার এক ভাইয়ের ওয়ার্কশপে তৈরি করেছি পাইভেটকারটি। তবে এখনও পুরোপুরি শেষ করতে পারিনি। দ্রুতই কাজ সম্পন্ন করবো।’
রিয়াজুল ইসলাম রাজুর তৈরি প্রাইভেটকারতিনি বলেন, ‘হাইস্কুল জীবনে ইঞ্জিনচালিত সাইকেল তৈরি করেছিলাম। কলেজ জীবনে স্যালোমেশিন দিয়ে বিশাল আকৃতির মোটরসাইকেল তৈরি করি। সেটা চলতো ডিজেলে। দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টায় ল্যাম্বরগিনির আদলে একটি কাঠামো তৈরি করেছি। এটা সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে করা।’
তরুণ এই উদ্ভাবক বলেন, ‘আমার বাবা ১৯৭১ সালে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। আমিও দেশের জন্য কিছু করতে চাই। অনেকেরই প্রাইভেটকারে চড়ার শখ থাকে। কিন্তু টাকার অভাবে কিনতে পারেন না। তারা যেন আমার উদ্ভাবিত অল্প টাকার এই প্রাইভেট কিনে শখ পূরণ করতে পারেন, এ জন্য আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।’ রিয়াজুল ইসলাম রাজুর তৈরি প্রাইভেটকারসরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই কাজ আরও সহজ, দ্রুত ও সুন্দর হবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সরকার যদি এগিয়ে আসে, তাহলে দেশেই প্রাইভেটকার তৈরি করা যাবে। এটা বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা সম্ভব। এই সরকারের আমলে সাইকেল ও ভ্যানেও ইঞ্জিন লাগানো হচ্ছে।’ এ সময় বিষয়টিতে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
রিয়াজুলের বাবার বন্ধু ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মসজিদের ইমাম এহসানুর রহমান বলেন, ‘রিয়াজুলকে ছোটবেলা থেকেই চিনি। স্কুলে পড়াকালীন থেকেই ওর মধ্যে উদ্ভাবনের নেশা দেখেছি।’
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘ওই উদ্ভাবককে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করা কার নিয়ে উপজেলা চত্বরে ঘুরে বেড়াতে দেখি। গত সপ্তাহে তার কারের ছোট একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছিলাম। মুহূর্তে ৫০ হাজার মানুষ সেটি দেখেছে।’
নিজে ইফতারি বানিয়ে দরিদ্রদের পাশে ছাত্রলীগ নেত্রী
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে নিজ হাতে ইফতার বানিয়ে দরিদ্র পথচারীদের মাঝে বিতরণ করেছেন ছাত্রলীগ নেত্রী দিনাত জাহান সিথি। তিনি ঝিনাইদহ কাঞ্চননগর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং জেলা ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক।
রমজানের শুরুতেই ইফতার আগ মুহূর্তে শহরের মুজিব চত্বর, পায়রা চত্বর, পুরাতন ডিসি কোর্ট হামদহ ও আরাপপুরসহ বিভিন্ন স্থানের ইজিবাইকচালক, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও পথচারীদের মাঝে শতাধিক প্যাকেট ইফতারি বিতরণ করেন তিনি।
দিনাত জাহান সিথি জানান, করোনার কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে অনেকেই বিপদে পড়েছেন। নিম্ন আয়ের মানুষ ইফতার ঠিকমতো করতে পারছেন না। তাই তাদের জন্যই এই ক্ষুদ্র আয়োজন।
তিনি আরও জানান, নিজের জমানো টাকা থেকে ইফতার বানিয়ে রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। রমজানের বাকি দিনগুলোতেও এমনিভাবে অসহায়দের পাশে থেকে সেবা করতে চাই।
খুলনা বিভাগে করোনা পজিটিভ ২০০ ছাড়ালো
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হলেন ২০২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। এ বিভাগে ১০ মার্চ থেকে করোনার হিসাব শুরু হয়। আর ঢাকার রিপোর্টে চুয়াডাঙ্গায় আসা ইতালি প্রবাসী প্রথম করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন ১৯ মার্চ। তারপর দ্বিতীয় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন ১৩ এপ্রিল খুলনায় এক তাবলিগ ফেরত অবসর প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। আর ২৮ এপ্রিল ১১২ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়। প্রথম ১শ হতে সময় লাগে ৩৯ দিন। আর ২০০তে পৌঁছালো ১২ দিনে।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশিদা সুলতানা জানান, গত ১০ মার্চ থেকে খুলনায় করোনার হিসাব শুরু হয়। ৭ এপ্রিল থেকে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত এ বিভাগে ২০২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। আর মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। গত ২৫ এপ্রিলের রিপোর্টে এ বিভাগে পজিটিভ ছিল ৫১ জন। আর ২৮ এপ্রিলের রিপোর্টে পজিটিভ হয় ১১২ জন। আর ৯ মে’র রিপোর্ট হয় ২০২ জন পজিটিভ শনাক্তের।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ( শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) বিভাগে ৭ জন নতুন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। এর মধ্যে খুলনায় এক জন, ঝিনাইদহে চার জন, মাগুরায় এক জন ও মেহেরপুরে এক জন রয়েছেন। পাশাপাশি এ ২৪ ঘন্টায় এ বিভাগে ১২০ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ জন রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। আর ৬০৭ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আট জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ছয় জনকে।
তিনি আরও জানান, ৭৩ জন করোনা পজিটিভ নিয়ে বিভাগের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যশোর জেলা। ৩৭ জন পজিটিভ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঝিনাইদহ জেলা। এছাড়া নড়াইল জেলায় ১৩ জন, কুষ্টিয়া জেলায় ১৮ জন, খুলনা জেলায় ১৭ জন করোনা পজিটিভ ও দুই জনের মৃত্যু, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ২৪ জন পজিটিভ ও এক জনের মৃত্যু, মাগুরা জেলায় ৯ জন পজিটিভ, মেহেরপুর জেলায় ছয় জন পজিটিভ ও এক জনের মৃত্যু, বাগেরহাট জেলায় তিন জন পজিটিভ ও এক জনের মৃত্যু এবং সাতক্ষীরায় দুই জন পজিটিভ রয়েছেন।
এছাড়া এ বিভাগে এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ৮০ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬১১ জন রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। আর ২৫ হাজার ৫৮ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২২১ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৫৪ জনকে।
ফের করোনা যুদ্ধে যেতে চান সেবিকা শিলা রানী
স্টাফ রিপোর্টার
করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্ হয়েছেন খুলনার একজন নার্স ও রিকশাচালক। তারা হলেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শীলা রানী দাস এবং দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ি এলাকার রিকশাচালক বিষ্ণু হাজরা। শনিবার দুপুর ১টার দিকে করোনা চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সিনিয়র চিকিৎসকরা ফুল দিয়ে তাদের বিদায় দেন।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শীলা রানি দাস খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে নার্সিং সুপারভাইজার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে করোনা আক্রান্ত খুমেকের তিন জন শিক্ষককে সেবা করার সময় তিনিও করোনা আক্রান্ত হন। দায়িত্ব পালন শেষে সিএসএস আভা সেন্টারে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকার সময় উপসর্গ দেখা দেয়। গত ২৮ এপ্রিল শীলা দাসের করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসে। এরপর থেকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আর মহানগরীর দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ি এলাকার রিকশাচালক বিষ্ণু হাজারা জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে মেডিক্যালের ফু কর্নারে চিকিৎসা নিতে এলে উপসর্গ দেখে পতাকে রীক্ষা করা হয় এবং করোনা পজিটিভ হয়। এরপর তাকে করোনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসা গ্রহণের পর গত ৭ এবং ৮ মে দুদিন করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। তাই তাদের করোনামুক্ত সনদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে ৯ মে বিদায় দেওয়া হয়।
করোনা হাসপাতাল কমিটির আহ্বায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘করোনা যুদ্ধে বিজয়ী এই দুই যোদ্ধাকে ফুল-ফল ও হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়। পরপর দুবার করোনা নেগেটিভ আসার ফলে তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এখন থেকে তাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।’
করোনা মুক্ত হয়ে শীলা রানি দাস জানান, হাসপাতালে করােনা রোগীদের সেবা করতে এসে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের গাইডলাইন মেনে চলেছি। ঈশ্বরের কৃপায় সুস্থ হয়েছি। আশাকরি খুব শিগগিরই আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে করোনা যুদ্ধে শামিল হতে পারবো।
উল্লেখ্য, এর আগে খুলনায় করোনা আক্রান্ত আজিজুর রহমান সুস্থ হয়েছিলেন। তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।
কাঁচা পাট সংকটের শঙ্কায় ৯ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল
স্টাফ রিপোর্টার
মৌসুমে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো পর্যাপ্ত কাঁচা পাট ক্রয় ও মজুদ করতে পারেনি। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে শ্রমিকরা পাটখাতে অর্থ বরাদ্দ, বকেয়া মজুরিসহ ১১ দফা নিয়ে আন্দোলন করলেও কোন লাভ হয়নি। এর ওপর করোনা পরিস্থিতির কারণে এক মাস পাটকল বন্ধ ছিল। এখন কল চালু করা হলে মিলগুলোতে মজুদ পাটের সংকট পরিষ্কার ফুটে উঠেছে। খুলনার স্টার ও প্লাটিনাম জুট মিলে পাটের সংকট এখন প্রকট, প্রতিদিন পাট সংগ্রহ করে উৎপাদন চালু রাখা হচ্ছে। তবে অন্যান্য পাটকলে একমাস উৎপাদন চালিয়ে রাখার মতো পাট মজুদ রয়েছে।
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) খুলনা অঞ্চলের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা বনিজ উদ্দিন মিঞা বলেন, ‘করোনায় বন্ধ থাকার কারণে মিলগুলো যথাযথভাবে পাট কিনতে পারনি। এ কারণে এখন মিলগুলো চালু হলেও প্রয়োজনীয় উৎপাদন করতে পারছে না। কাঁচা পাট সংকটের কারণে বর্তমানে মিলগুলোর উৎপাদন এক তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে।’
বিজেএমসি সূত্র জানায়, খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত ৯টি পাটকলে প্রতিদিন পাটজাত পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৭২ দশমিক ১৭ মেট্রিক টন। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৮০ মেট্রিক টন। দৈনিক কার্পেটিং জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৬৮ মেট্রিক টন, ক্রিসেন্ট জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন, দৌলতপুর জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১০ দশমিক ১১ মেট্রিক টন, ইস্টার্ন জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ দশমিক ৩৪ মেট্রিক টন, যশোর জুট ইন্ডািস্ট্রিজে (জেজেআই) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২২ দশমিক ২০ মেট্রিক টন, খালিশপুর জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪৭ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন, প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন, স্টার জুট মিলের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩৬ দশমিক ৮০ মেট্রিক টন, আলীম জুট মিলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১০ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন।
প্লাটিনাম জুট মিলের শ্রমিক মিজানুর রহমান বলেন, ‘সময় মতো প্রয়োজনীয় কাঁচা পাট কিনতে না পারার কারণে মিলগুলোর উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।’
প্লাটিনাম জুট মিলের সিবিএ সভাপতি শাহানা শারমিন বলেন, ‘পাটকলগুলো আর্থিক সংকটে থাকায় শ্রমিকরা কাজ করেও নিয়মিত মজুরি পাচ্ছেন না। আর এ কারণেই আন্দোলন করতে হয়েছে। শ্রমিকরা কেবল মজুরি নিয়েই আন্দোলন করে না। পাটখাতে অর্থ বরাদ্দ নিয়েও আন্দোলন করে। কিন্তু সুফল মিলছে না।’
ক্রিসেন্ট জুট মিলের সিবিএ নেতা মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ‘এই মুহূর্তে ঝুঁকি থাকার পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রমিকরা মিলের উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। এখন কাঁচা পাটের জোগান ঠিক রাখাটা জরুরি।’
প্লাটিনাম জুট মিলের প্রকল্প প্রধান মো. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘শ্রমিকরা কাজে যোগদানের সঙ্গে সঙ্গেই কাঁচা পাট ক্রয়ের বিষয়টি চিন্তায় নিতে হয়েছে। কারণ কাঁচা পাট না থাকলে শ্রমিকরা কাজ করতে পারবেন না। মিলে সপ্তাহখানেকের পাট মজুদ আছে। তাই কাঁচা পাট কেনার ওপর জোর দিতে হচ্ছে।’
স্টার জুট মিলের প্রকল্প প্রধান রইজ উদ্দিন আহম্মেদ জানান, করোনার প্রভাবের মধ্যে মিল বন্ধ থাকায় পাট মজুদের বিষয়টি ভাবনায় ছিল না। এখন প্রয়োজনীয় কাঁচা পাট ক্রয় করার মাধ্যমে মিলে উৎপাদন চালু রাখা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাট মৌসুমে মিলগুলো ভালমানের যে পাট ২১শ টাকা দরে ক্রয় করতো তা এখন পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পাওয়া যাচ্ছে ক্রস পাট। তা মৌসুমে ১৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হতো। কিন্তু এখন করোনা পরিস্থিতির কারণে পাট রফতানি বন্ধ। তাই পাটের দর ১৮শ টাকায় নেমে এসেছে। মিলগুলো এখন এই পাটই ক্রয় করছে। যা দিয়ে উৎপাদন চালিয়ে রাখা যাবে।
ক্রিসেন্ট জুট মিলের প্রকল্প প্রধান খান মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, তার মিলে জুন পর্যন্ত উৎপাদন চালিয়ে রাখার মতো পাট মজুদ আছে। এখন আরও কিছু পাট কেনা হবে, যা দিয়ে আগামী জুলাই পর্যন্ত উৎপাদন চলতে পারে। এরপর নতুন পাট এসে যাবে।
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ময়ুর ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আয়ান শিকদার (১৬) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। শনিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আয়ান শিকদার নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কার্যালয়ের অফিস সহকারী শহিদুল শিকদারের ছেলে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে আসার পথে পেছন দিক থেকে একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে আয়ান শিকদার নিহত হয়। তার বাড়ি নগরীর সাত্তার বিশ্বাস সড়ক এলাকায়। আয়ান খুলনার সোনাডাঙ্গা কলেজিয়েট স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।
গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ৩ আসামি ছিনতাই
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তিন আসামীকে ছিনিয়ে নিয়েছে আসামীর পক্ষের লোকজন। এসময় হামলায় ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় মুকসুদপুর উপজেলার ভাটরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- মুকসুদপুর থানার উপ-পরিদর্শ (এস.আই) আবুল হাসান, উপ-পরিদর্শ (এস.আই) শফিকুল, সহকারী উপ-পরিদর্শ (এ.এস.আই) শামসুল, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম, কনস্টেবল শাকিব আল হাসান, কনস্টেবল নূর হোসেন সম্রাট ও কনস্টেবল তানভীর হোসেন। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় জানায়, গত বুধবার (৬ মে) মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের দিস্তাইল গ্রামের জাকির মেম্বারের সাথে একই গ্রামের আলো খন্দকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে আলো খন্দকারের লোকজন জাকির মেম্বার ও তার সমর্থকদের ৫টি বাড়িঘর ভাংচুর করে লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) জাকির মেম্বারের স্ত্রী স্বপ্না বেগম বাদী হয়ে ৫৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। শনিবার সন্ধ্যায় এ মামলার আসামীদের ধরতে দিস্তাইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে চার আসামীকে গ্রেফতার করে। পরে আসামীদের নিয়ে মুকসুদপুর থানায় আসার পথে উপজেলার খান্দারপাড় ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামে পৌঁছালে আসামী পক্ষের লোকজন পুলিশ উপর হামলা চালায় ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামী নুরু মোল্যা ও মাসুদ কাজীসহ চার আসামী ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এসময় ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার অনোয়ার হোসেন ভূইয়া জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।










































