Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

70

খুলনা বিভাগে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ১৩৬ জন : ৩ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে এক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হল ১৩৬ জন। আর ৩ জনের মৃত্যু হলো। এ বিভাগের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা এখনও করোনামুক্ত রয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশিদা সুলতানা জানান, গত ১০ মার্চ থেকে খুলনায় করোনা পরীক্ষার হিসাব রাখা শুরু হয়। ৭ এপ্রিল থেকে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়। এরপর থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ বিভাগে ১৩৬ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। আর মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।  

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) এ বিভাগে ১৮ জন নতুন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে বাগেরহাটে ২ জন পজিটিভ শনাক্ত ও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর খুলনায় ১ জন, যশোরে ১২ জন, কুষ্টিয়ায় ২ জন  ও চুয়াডাঙ্গায় ১  জন পজিটিভ রয়েছেন। পাশাপাশি এ ২৪ ঘণ্টায় এ বিভাগে ৩১৯ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ জন রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। আর ৪৫৭ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৬৩ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৩ জনকে। 

তিনি আরও জানান, গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ১৩৬ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত ও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে যশোর জেলাতেই করোনা পজিটিভ সবচেয়ে বেশি। এর সংখ্যা ৫৬ জন।  ২১ জন পজিটিভ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ঝিনাইদহ জেলা। এছাড়া কুষ্টিয়া জেলায় ১৬ জন, খুলনা জেলায় ১৩ জন পজিটিভ, নড়াইল জেলায় ১৩ জন পজিটিভ, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৮ জন পজিটিভ, মাগুরা জেলায় ৪ জন পজিটিভ, মেহেরপুর জেলায় ২ জন পজিটিভ এবং বাগেরহাট জেলায় ৩ জন পজিটিভ রয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলায় এখনও করোনা রোগী পাওয়া যায়নি। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত তিনজন রোগী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাদের বাড়ি খুলনা, বাগেরহাট ও মেহেরপুর জেলায়। এছাড়া এ বিভাগে এ পর্যন্ত ২৫৬২৮ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৮৪ জন রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। আর ২০৮৯৪ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৩৯৫ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ১৬৬ জনকে।

ক্ষেতের আইলে বস্তাবন্দি জীবিত নবজাতক

বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় একদিনের নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করেছেন বজলুর রহমান নামে এক কৃষক। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে শার্শা উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের একটি পটলের ক্ষেতের আইলের ওপর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন তিনি। ধারনা করা হচ্ছে অবৈধ সম্পর্কের ফলে শিশুটির জন্ম হয়েছে। লোকলজ্জায় শিশুটি বস্তায় করে মাঠে ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়েছে। কৃষক বজলুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে পটলের ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে আইলের ওপর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখি। কৌতূহলবশত বস্তাটির কাছে যাই। এ সময় বস্তার মধ্যে কিছু একটা নড়তে দেখে মুখ খুলতেই দেখি নবজাতক এক শিশু। কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ছটফট করছে শিশুটি। তাকে বাড়িতে এনে প্রাথমিক পরিচর্যা করে সুস্থ করে তুলেছি।

এ ঘটনা জানাজানি হলে উৎসুক জনতা শিশুটিকে একনজর দেখার জন্য বজলুর রহমানের বাড়িতে ভিড় জমায়। উলাশী ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য মমতাজ বেগম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং বজলুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে শিশুটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। কৃষক বজলুর রহমান দম্পতি নিঃসন্তান হওয়ায় শিশুটিকে নিজের সন্তানের মতই লালনপালন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করে বজলুর রহমানের হাতে শিশুটিকে তুলে দেয়া হয়েছে।

খুলনা মেডিকেলে আরও তিনজনের করোনা শনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে আরও তিনজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। অপরদিকে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা ঋষিপাড়া এলাকায় করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ১৪২ জনের নমুনা পরীক্ষার পর তিনজনের করোনা ধরা পড়েছে। রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ। তিনি বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ১৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে তিনজনের পজিটিভ আসে। আক্রান্তদের মধ্যে একজন রূপসা উপজেলার ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধা, একজন মাগুরার শালিকা এলাকার বাসিন্দা (৩৩), অপরজন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বাসিন্দা (৩৫)। তিনি আরও বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা আক্রান্ত নার্সের সংস্পর্শে আসা ৩০ জন নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও করোনা পরীক্ষার গতকাল বুধবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তাদের সকলের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদিকে বুধবার মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা ঋষিপাড়া রোডের ঋষিপাড়া গলিতে একজন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় ‘জেলা পর্যায়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটি, খুলনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই গলি লকডাউন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জনসাধারণের প্রবেশ ও বাইর হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার চার সন্তানের জননী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হযেছেন চার সন্তানের জননী এক বিধবা নারী। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী গ্রামে স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তি ওই বিধবা নারীকে গণধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠে। শ্যামনগরের শ্রীফলকাঠি গ্রামে বসবাসরত ওই নারী নিজের মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে কদমতলা এলাকায় যাওয়ার পর ঘটক ও তার চার সহযোগী কৌশলে তাকে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালায়। শ্যামনগর থানা পুলিশ ইতোমধ্যে মামলার তথ্য নিশ্চিত করে দ্রুত ধর্ষকদেরকে গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে।

নির্যাতনের শিকার ওই নারীর দায়েরকৃত অভিযোগে জানায়, তার মেয়ের বিয়ের জন্য ছেলে দেখানোর কথা বলে ঘটক কুলতলী গ্রামের অফেজউদ্দীন গাজীর ছেলে মহসীন হোসেন তাকে কদমতলায় নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আরও একজন ভাল ছেলের অভিভাবকের সাথে কথা বলার অজুহাতে বুধবার বিকেলের দিকে তাকে ভাড়াটিয়া মটরসাইকেল চালক (বাবু) এর সহায়তায় কুলতলি গ্রামে নিয়ে যায় মহসীন। পথিমধ্যে সন্ধ্যা হওয়ার সুযোগে একই এলাকার একটি চিংড়ি ঘেরের বাসায় আটকে রেখে চার সহযোগীসহ মহসীন তাকে ধর্ষণ করে।

নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধারকারী ঘের কর্মচারী আলমগীর হোসেন ও শুধাংসু ম-ল জানায়, রাতে তারা পাহারার সময়ে কাছে একটি চিংড়ি ঘেরের বাসা থেকে কোন নারীর চিৎকার শুনতে পায়। দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই সফিকুল, মহসীন, বাবু, গোলাম রব্বানী ও হান্নানসহ আরও দুইজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধার করে রাতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে যায়। গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম জানায়, রাতে স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার ঐ নারীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে রাত গভীর হওয়াতে নিজের বাড়িতে রাখার পর দুপুরের দিকে শ্যামনগর থানায় পৌঁছে দেয়া হয়।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নির্যাতিতার লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ ।

সাতক্ষীরায় প্রতিদিন তিন’শত মানুষের মাঝে রান্না খাবার বিতরন কর্মসুচির উদ্বোধন

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

মহামারি করোনা ভাইরাস সংকটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সাতক্ষীরায় প্রতিদিন হতদরিদ্র তিন’শত মানুষের মাঝে রান্না খাবার বিতরন কর্মসুচির উদ্বোধন করা হয়েছে। জাপান ও যুক্তরাজ্য বিএনপির আর্থিক সহযোগিতায় শহরের ইটাগাছা এলাকায় উক্ত খাবার বিতরনের উদ্বোধন করেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, যুগ্নআহবায়ক চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, হাবিবুর রহমান হাবিব, মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, বিএনপি নেতা এড, একলেছুর রহমান বাচ্চু, এড. আশরাফুল আলম, শ্রমিকদল সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদল সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা স্বোচ্ছাসেবকদল সভাপতি সোহেল আহমেদ মানিক, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, জেলা যুবদল সাধারন সম্পাদক এইচ আর মুকুল, এড. আকবর আলী, হাসান শাহারিয়ার রিপন প্রমুখ।

বিএনপি নেতারা এ সময় সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে করোনা ভাইরাস সংক্রামন প্রতিরোধে সকলকে সচেতন থাকার আহবান জানান।

কপিলমুনিতে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী দিলেন আ’লীগ নেতা আনন্দ মোহন বিশ্বাস

স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি

পাইকগাছার কপিলমুনিতে করোনায় কর্মহীনদের মাঝে নিজ অর্থায়নে খাদ্যসামগ্রী দিলেন উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাঃ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস।

তাঁর কপিলমুনিস্থ নিজ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ওয়ার্ড পর্যায়ে নিজ হাতে একে একে এ খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি যুগোল কিশোর দে, লতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সাঃ সম্পাদক শেখ ইকবাল হোসেন খোকন প্রমূখ।

কপিলমুনিতে ২২০ অসহায় পরিবারের পাশে আ’নেতা যুগোল কিশোর দে

স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি

পাইকগাছার কপিলমুনিতে ২২০ টি অসহায় পরিবারের দুঃসময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ালেন কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি যুগোল কিশোর দে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় তার নিজ প্রতিষ্ঠানে পরিবারগুলোর মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলু ও সাবান বিতরণ করেন। এসময় তার ছেলে  হিমাদ্রী শেখর দে উপস্থিত ছিলেন।

ফকিরহাটের লখপুরে ১৬০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে করোনা ভাইরাসে ঘরে থাকা কর্মহীন শ্রমজিবি ১৬০টি পরিবারের মাঝে নিরাপদ দুরাত্ব বজায় রেখে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় পরিষদ চত্তরে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। লখপুর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন আ,লীগের সাধারন সম্পাদক এম,ডি. সেলিম রেজা, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ শেখ আহম্মদ আলী, ইউপি সচিব প্রসুন কুমার দাশ, ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির, বজলুল রহমান মোড়ল, মোতালেব মোড়ল, রেজাউল করিম, ফিরোজ খান, আরিদ হোসেন, বিল্লাল হোসেন মিলন, ওয়ার্ড আ,লীগ নেতা সুধাশু দাশ, আবু বক্কার সিদ্দিক, আবু তালেব, ওহিদুল ইসলাম ও মোঃ আলতাব হোসেন প্রমুখ।

ফকিরহাটে ভ্রাম্যামান আদালত ৯টি মামলা জরিমানা আদায়

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা ভাইরাসে সরকারের ঘরে থাকা নির্দ্দেশ অমান্য করে অকারণে যানবাহন চালানো সহ বিভিন্ন কারণে ৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে ৯টি মামলা দায়ের ও ৪২শত টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যামান আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা-বাগেহাট ও খুলনা-মংলা মহাসড়কের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের বাদল চত্তরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রহিমা সুলতানা বুশরা। এসময় বিজ্ঞ আদালত-কে সহযোগীতা করেন, মডেল থানা পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) গৌতম রায়, কাটাখালী হাইওয়ে পুলিশের এএসআই আব্দুল আজিজ ও আদালতের পেশকার রোস্তম আলী।

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় এক চিকিৎসক করোনা শনাক্ত

যশোর অফিস

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় যশোর থেকে পাঠানো ৭৫টি নমুনার মধ্যে ২৭ নমুনা পরীক্ষায় ১ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি হলেন, যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আলমগীর হোসেন জানান, আক্রান্ত চিকিৎসককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যশোর জেলায় ৫৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলেন।

যশোর চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড বাজারে মোবাইল কোর্টের জরিমানা

যশোর অফিস

র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের ৮টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বাজার মূল্যের চেয়ে বেশী দাম নেওয়ার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য্য করে আদায় করেছেন। জরিমানার আওতায় আসা প্রতিষ্ঠান সমূহ হচ্ছে, ঈসা স্টোর ৩ হাজার টাকা,আরিফ ষ্টোর ৩ হাজার টাকা,উজ্জল মডেল ষ্টোর ১ হাজার টাকা,রেজাউল ষ্টোর ৪ হাজার টাকা,রাবেয়া ষ্টোর ৩ হাজার টাকা, মনিরুল ষ্টোর ৫ হাজার টাকা,রিয়াজ ষ্টোর ১৫ হাজার টাকাও হাজী শাহ আলম ষ্টোর ২ হাজার টাকা। যশোরে র‌্যাবের অভিযানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ,বাজার মনিটরিং এবং ভোক্তা অধিকার আইনে মোবাইল কোটের মাধ্যমে জরিমানা ধার্য্য করা হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানাকৃত টাকা চালান মোতাবেক সরকারী কোষাগারে জমা করা হয়েছে  এবং আসামীদেরকে জরিমানা আদায়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

যশোর বাঘাপাড়ায় কৃষকের জমির ধান কেটে দিলেন আ’লীগ নেতৃবৃন্দ

যশোর অফিস

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও শ্রমিক সংকটের কারনে সঠিক সময়ে ধান ঘরে তুলতে না পারার শংকায় কৃষকেরা। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন স্থানে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অসহায় কৃষকের জমির ধান কেটে দিতে মাঠে নেমেছেন। আর সব স্থানের মতো যশোরের বাঘারপাড়ায় সরকারদলীয় নেতা-কর্মীরা অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার বাঘারপাড়া উপজেলার নওয়াপাড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের কৃষক জোহর আলীর প্রায় ৪ বিঘা জমির ধান কেটে দেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা।এ ধানকাটা উৎসবে অংশ নেয় প্রায় অর্ধশত সরকারদলীয় নেতা-কর্মী। যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রনজিৎ রায়ের নির্দেশে তারা অসহায় কৃষকের ধান কেটে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।

জানতে চাইলে কৃষক জোহর আলী বলেন,কোথাও ধানকাটার মানুষ পাচ্ছিলাম না। আমাগের গ্রামের কয়েকজনরে  এ বিষয়ে জানাইছিলাম। তারা উদ্যোগ নিয়ে আমার ধান কেটে দেওয়ার ব্যবস্থা কইরে দিয়েছে।

ধানকাটা উৎসবে অংশ নেন উপজেলার দোহাকুলা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওযামীলীগের সভাপতি আব্দুল হক,সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান পিঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ মোল্যা,স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মুমিনুর রহমান,যুবলীগ কর্মীনাসির উদ্দিন, মন্নু হোসেন, বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামান ওহিদ, রবিউর ইসলাম, আমিনুর রহমান, ছাত্রলীগ কর্মী মাহিম উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, শাকিল আহমেদ, ইউসুফ আলী প্রমূখ।

আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হক ও  মাসুদুর রহমান পিঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবান ও আমাদের নেতা সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের নির্দেশে আমরা অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছি। এলাকার কৃষকেরা যাতে সঠিক সময় তাদের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারেন-সে ব্যাপারে আমরা সহযোগিতা করবো। এ ব্যাপারে আমাদের দলীয় নির্দেশনা রয়েছে।

যশোরের শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া মওকুফের আহ্বান যবিপ্রবি উপাচার্যের

যশোর অফিস

দেশজুড়ে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (যবিপ্রবি)সহ যশোরের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মানবিক দিক বিবেচনা করে বাসা/বাড়ির মালিকদেরকে মেস/সিট ভাড়া মওকুফের আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এ আহ্বান জানান। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বাসা/বাড়ির মালিকদের প্রতি মেস/সিট ভাড়া মওকুফের এ আহ্বান জানান। একইসঙ্গে এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, পিপিএম, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের চিঠিও পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন লেখেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠে রূপান্তর লাভ করেছে। এখানে দেশের সকল জেলার প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত আছেন। এ ছাড়া সরকারি এম এম কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজসহ যশোরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত আছেন। এ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ আবাসিক না হওয়ায় অনেকে যশোর শহর, শহরতলী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে মেস বা বাসা নিয়ে থাকছেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। তাদের পড়াশোনার ব্যয় টিউশনি ও পার্টটাইমের জবের মাধ্যমে নির্বাহ হয়। কিন্তু বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্ব আজ কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের থাবায় থেমে আছে। যশোরেও এর মারাত্মক প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের অংশ হিসেবে কেউ বাইরে যেতে পারছে না। ফলে আমার সন্তান সমতুল্য শিক্ষার্থীদের কোনো আয় নেই, তাদের পিতা-মাতাও কোনো অর্থের যোগান দিতে পারছে না। যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজীয় নাবিল আহমেদ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদেরকে বাসা-বাড়ির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যশোর জেলা শাখার সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারসহ সংশ্লিষ্টদের বরাবর চিঠি দিয়েও এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

যশোরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ১৮ জনের নামে মামলা

যশোর অফিস

যশোরে হাসেম আলী নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ১৮ জনের নামে একটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার রাতে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

গত ১৫ জানুয়ারি রাতে ভাতুড়িয়া গ্রামের হাসেম আলীর ও তার ছেলে আছর আলীর উপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা। পরদিন হাসেম আলী মারা যান। তবে ময়না তদন্তের ভিত্তিতে বুধবার রাতে হত্যা মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।

মামলায় ভাতুড়িয়া নারায়ণপুর গ্রামের মৃত ওসমানের ছেলে নুর ইসলাম ওরফে নুরু মহরীকে (৫০) প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় আসামি করা হয়েছে ভাতুড়িয়া গ্রামের আয়নালের ছেলে আব্দুল মান্নান (৫১), আকবরের ছেলে মিন্টু (৪৮), আবুল কাশেমের ছেলে কবিরুজ্জামান ওরফে কাজল (৪৮), মৃত ইন্তাজের ছেলে জাকির (৪৫), আব্দুস সামাদের ছেলে আতিয়ার ওরফে আতি খোকা (৫০) ওয়াজেদ ড্রাইভারের ছেলে আলামিন (২০), লতিফ গাজীর ছেলে আহসান (৪৮), নুরু মহরীর ছেলে ইসরাজুল (২০), আব্দুল মান্নানের ছেলে বাপ্পি (২১), মৃত ওসমানের ছেলে ইউনুস (৪২), হাশেমের ছেলে রফিকুল (৩৫), আব্দুস সালামের ছেলে রাজু (৪৪), মফিজুর রহমান মিস্ত্রি ছেলে সোহেল (২০), রবিউলের ছেলে ইমরান (২৮), মৃত ওমর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর (৫০), নুর ইসলামের জামাতা ইনারুল (২৫) ও রওশনের ছেলে আব্দুল গাফফারকে (২৭)।

যশোরে যুবককে মারপিট, আটক ১

যশোর অফিস

যশোর শহরের বেজপাড়া আনসার ক্যাম্পের পেছনে বাড়ি থেকে সাক্ষর (১৯) নামে এক যুবককে ডেকে নিয়ে মারপিট করে আহত করার অভিযোগে সবুজ গাজী (২৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় সাক্ষরের পিতা রবিউল ইসলাম কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন। সবুজ একই এলাকার মাহফুজ গাজীর ছেলে।

রবিউল ইসলাম দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামি সবুজ গাজীর সাথে সাক্ষরের পূর্ব শত্রুতা ছিল। গত বুধবার রাত নয়টার দিকে সবুজ তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আনসার ক্যাম্পের পিছনে আজম আলীর বাড়ির সামনের রাস্তার ওপর নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে সাক্ষরের মাথায় একটি লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। এরপর সারা শরীরের পিটিয়ে জখম করে। সাক্ষরের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সবুজ ফের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আশেপাশের লোকজন তাকে ধরে ফেলে এবং হালকা গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে উদ্ধার করে হাসপাতলে ভর্তি করে। এই ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ সবুজকে আটক করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠয়েছে।

যশোরে ঈদগাহ ময়দানে তরকারি টাউন হল মাঠে মাছের বাজার

যশোর অফিস

যশোরে করোনার সংক্রমণ যখন চূড়ায় উঠছে ঠিক তখনই সরিয়ে নেওয়া হলো বড় বাজার। সেই সাথে সামাজিক দূরত্ব রাখার মতো করে বাজারটির দোকান পাতানো হলো।

শহরের মুন্শি মেহেরুল্লাহ ময়দানে ( টাউন হল মাঠ) গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে মাছ বাজার বসছে। মাছের পাশাপাশি এখানে মাংশের দোকানও বসবে। এছাড়া মাঠটির অদূরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে বসবে তরকারির বাজার। করোনার সামাজিক সংক্রমণ সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছানোয় বড় বাজার শহরের এই দুইটি পৃথক স্থানে সরিয়ে আনা হলো। গত মঙ্গলবার বাজারে স্থানান্তরের এমন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয়।

সরেজমিন দেখা গেছে, মাঠ দুটিতে ১৫ ফুট অন্তর দূরত্ব রেখে দোকান পাতানো হয়েছে। যাতে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব ঠিক রেখে ক্রেতারা বাজার করতে পারেন। মাঠ দুটির প্রতিটিতেই এমন দৃশ্য নজরে পড়ে। বুধবার দোকানিরা দূরত্ব ঠিক রেখে বাজার বসানোয় ব্যস্ত ছিলেন। সেখানে বসে তারা আজ থেকে মাছ, মাংশ ও তরকারি বিক্রি করবেন।

জানা যায়, শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই মাঠ দুইটিতে সাড়ে তিনশ’ দোকানদার সারিবদ্ধভাবে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে বসে উন্মুক্ত বেচাকেনা করবেন। এই উদ্দেশ্যে গতকাল দোকানদারদের প্রশাসন থেকে পরিচয়পত্রও দেয়া হয়েছে। সকাল থেকে দুপুর ২ টার পর পর্যন্ত বাজার খোলা থাকবে। আর এর তদারকির জন্য পুলিশ প্রশাসন কাজ করবে। যাতে স্থানান্তরিত এই বাজারে ক্রেতারা সামাজিক দূরত্ব বাজায় রেখে কেনাকাটা করেন। এর আগে গত ১৫ এপ্রিল বড়বাজারের তরকারির দোকানের বিন্যাসে পরিবর্তন আনা হয়। একেকটি দোকান অন্যটির থেকে বেশ অনেকটা দূরত্ব রেখে বসানো হয়। সেই সাথে মাছের বাজার সরিয়ে নিয়ে লোন অফিস পাড়ায় ও খালধার রোডে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানেও ভিড় বেশি হচ্ছিল। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা যাচ্ছিল না। এনিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে বড় বাজার খোলা মাঠে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

যশোরে খাদ্যের দাবিতে রাস্তায় নারী-পুরুষ

যশোর অফিস

খাদ্যের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবারও রাস্তায় নেমে এসেছিলেন যশোরের ঘরবন্দি কয়েকশ’ নারী-পুরুষ-শিশু। প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিক্ষোভস্থলে গিয়ে খাবার সরবরাহের আশ্বাস দিয়ে বিক্ষুব্ধদের বাড়িতে পাঠান।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর-খুলনা মহাসড়কের নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নে চাউলিয়া গেটে অবস্থান নেন কয়েকশ’ নারী-পুরুষ-শিশু।

রাস্তায় নামা একাধিক ব্যক্তি পরে সুবর্ণভূমিকে বলেন, তারা নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাউলিয়া ঋষিপাড়ার বাসিন্দা। এখানকার তিন শতাধিক নারী-পুরুষ বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ঘরে বসে আছেন। তাদের কোনো কাজকর্ম নেই। ফলে বাচ্চাদের নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে। কর্ম ও খাদ্যহীন এই লোকেরাই আজ রাস্তায় নেমেছিলেন বলে তারা জানান।

এখনো পর্যন্ত কোনো সরকারি-বেসরকারি খাদ্য সহায়তা পাননি দাবি করে তারা বলেন, খাদ্যের অভাবে তাদের মরণদশা হয়েছে। করোনাভাইরাসে মরা আর অনাহারে মরার মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখছেন না এসব মানুষ।

খবর পেয়ে যশোর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ জাকির হোসেন ও পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তারা খাবার সরবরাহের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা রাস্তা ছাড়েন।

বিকেলে জানতে চাইলে যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইএনও) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চাউলিয়ায় খাদ্যের দাবিতে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল বলে স্বীকার করেন। সুবর্ণভূমিকে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তাদের একশ’ পরিবারের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এর আগে একই দাবিতে গেল কয়েকদিনে যশোরের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে আসেন কর্মহীন অভুক্তরা।

যশোরাঞ্চলে ন্যূনতম ফিতরা ৬০ টাকা

যশোর অফিস

যশোর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ফিতরা ও জাকাতের নিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৬ রমজান দুপুরে যশোর জেলা ইমাম পরিষদ ও জেলা ফতোয়া বোর্ড যৌথ পরামর্শ সভায় বসে। বাজারমূল্য পর্যবেক্ষণ করে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আটার দামে ফিতরা হবে ৬০ টাকা। আর খেজুরের দামে ৮২৫ টাকা এবং কিসমিসের দামে ফিতরা হবে এক হাজার ৩২০ টাকা।

এছাড়া সভায় জাকাতের নিসাবও নির্ধারণ করা হয়। রুপার ভরি ৯৫০ টাকা হিসেবে এবার জাকাতের নিসাব ধার্য করা হয় ৪৯ হাজার ৮৭৫ টাকা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আনোয়ারুল করিম যশোরী। এতে আরো অংশ নেন মুফতি মুজিবুর রহমান, হাফেজ মাওলানা বেলায়েত হোসেন, মুফতি হাফিজুর রহমান, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মুফতি আব্দুর রহমান এযাযী, মুফতি কামরুল আনোয়ার নাঈম প্রমুখ।

জেলা ইমাম পরিষদের প্রচার সম্পাদক মুফতি আমানুল্লাহ কাসেমী এই তথ্য দিয়েছেন।

যশোরে ৯/১১ ব্যাচের উপহার সামগ্রী বিতরণ

যশোর অফিস

করোনা সংকটে যশোর শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ৯/১১ ব্যাচের উদ্যোগে ১০০ পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে ।

সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন ৯/১১ ব্যাচের প্রতিনিধি আশিকুর রহমান হৃদয়, সাজেদুল ইসলাম শুভ্র, সাদমান রুশাত সাকিব ও আইরিন নিলা ।

এ প্রসঙ্গে আশিকুর রহমান হৃদয় বলেন, কোভিড-১৯ এর প্রভাবে বর্তমানে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রথম ধাপে আমরা ৯/১১ ব্যাচ সম্মিলিতভাবে ১০০ পরিবারকে সহায়তা করেছি এবং ঈদের পূর্বে ২য় ধাপে সহায়তা করা হবে ।

এমন কার্যক্রমে বিত্তবানদের ও এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছেন ।

কেশবপুরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুর উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ সম্মুখে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে বৃহস্পতিবার সকালে সুবোধ মিত্র মেমোরিয়াল অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ১৪ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে জনপ্রতি ৫ শত টাকা করে নগদ অর্থ বিতরণ করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তরিকুল ইসলাম। বিতরণকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মনির হোসেন ও  সুবোধ মিত্র মেমোরিয়াল অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

কেশবপুর হাসপাতালের আরএমও’র দেহে করোনা সনাক্ত: মোট আক্রান্ত ১১

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)-এর দেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসায় সন্দেহজনকভাবে বুধবার তার নমুনা পরীক্ষা জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে তার করোনা ভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট আসে পজেটিভ। কেশবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে কেশবপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ জনে। কেশবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলমগীর হোসেন জানান, আক্রান্ত ওই ডাক্তারকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। কেশবপুরে করোনাভাইরাস শনাক্ত ১১ জনের মধ্যে ৮ জন হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারী। একজন প্রাইভেট কিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী। শনাক্ত রোগীদের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের বাসা ও বাড়ি প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হয়েছে। এদিকে কেশবপুরে প্রতিদিনই শনাক্ত হচ্ছে করোনা রোগী। এ সংবাদ এলাকায় প্রচার হওয়ায় কেশবপুর হাসপাতাল প্রায় রোগীশূন্য হয়ে পড়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া কেউ হাসপাতালে প্রবেশ করছেন না।

বয়স্ক ভাতার টাকায় দু:স্থদের ইফতার সামগ্রী দিলেন বৃদ্ধা

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুরে রাহাতুননেছা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধা নিজের বয়স্ক ভাতার টাকায় ১২৮ দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সরসকাঠি ও কাশিমপুর এলাকায় এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রাহাতুননেছা কাশিমপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী মেম্বরের স্ত্রী। তার ছোট ছেলে আমিনুল হাসান শিল্পি ওই এলাকার  (রোহিতা ইউপির সাত নং ওয়ার্ড) বর্তমান ইউপি সদস্য। শিল্পি মেম্বর বলেন, প্রতিমাসের প্রাপ্ত বয়স্ক ভাতা থেকে দুই-একশ টাকা নিজের চিকিৎসার জন্য জমা করে রাখতেন মা। করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার ঘরবন্দি দুস্থ মানুষের কথা ভেবে বৃহস্পতিবার সকালে আমার হাতে চার হাজার টাকা তুলে দেন তিনি। এই টাকায় গ্রামের দুস্থ মানুষদের ইফতার সামগ্রী কিনে দিতে বলেন। ওই টাকার সাথে আরো চার হাজার টাকা দিয়ে মোট আট হাজার টাকার ইফতার সামগ্রী (সেমাই, চিনি) কিনি। পরে তা ওয়ার্ডের ১২৮ টি পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়েছি। অসুস্থ মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন মেম্বর।

খুলনায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে নৌবাহিনীর ইফতার সামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। লকডাউনে আটকে পরা  অসহায়, দুস্থ ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, ইফতার সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছানোসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জীবাণুনাশক ছিটানো, জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক খালিশপুরের আলমনগর জোড়াগেট সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত ২০০ গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নৌ ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক পুুুুুুুথিমাড়ি এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় কাপড়ের দোকান খোলা রাখার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ৯৮২টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা ও ১০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, চাঁদপাই, মংলা বন্দর, চিলা, মিঠাখালী, সোনাইতলা ও কুমারখালী এলাকায় টহল পরিচালনা করে। এ সময় ৮৬৫টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদাণ ও ১০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সাতক্ষীরায় জায়গাজমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনায় আহত এক : থানায় এজাহার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নেবাখালি গ্রামের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটে,এসময় আছমা নামের এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়। এ-ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় চার জনকে বাদি করে একটি এজাহার দায়ের করেন। এজাহার সূত্রে বর্ণিত,সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নেবাখালি গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও তার চাচাতো ভাইদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। তারই জের ধরে মঙ্গলবার সকাল ৮ ঘটিকার সময়, শহিদুল ইসলাম তার বাড়ির পাশের সীমানার পাঁকা প্রাচীর নির্মাণ করার সময় তার চাচাতো ভাইয়েরা,রফিকুল,সফিকুল,শামসুন্নাহার,আব্দুল্লাহ, দা,কুড়াল, হাতুড়ি,সাবলসহ দেশীয় অস্তসস্তে সজ্জিত হয়ে শহিদুলের রাজমিস্ত্রিকে কাজ করতে বাধা দেয় । ওই সময় শহিদুলের স্ত্রী আছমা খাতুন (৩০) প্রতিবাদ করিতে গিলে উক্ত আসামীরা স্ত্রী আছমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বেধম মারপিট করে এবং খুন করার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে তার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন একটিসহ প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে যায় তার ক্ষতি সাধন করে চলে জায়। আহত শহিদুলের স্ত্রী বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান,বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দরিদ্র কৃষকদের মাঝে অর্থ ও মাক্স বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার:

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দরিদ্র কৃষকদের মাঝে অর্থ ও মাক্স বিতরণ করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের পক্ষ থেকে করোনার প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সামাজিক দূরত্ব, নিরাপত্তা বজায় রেখে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় বটিয়াঘাটা উপজেলার  দেবীতলা ও বয়ারভাংগা পশ্চিম পাড়া এলাকার ১০ জন কৃষক ও কৃষাণীদের মাঝে এই অর্থ ও মাক্স বিতরণ করা হয়। গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস এই অর্থ ও মাক্স বিতরণ করেন। এ সময় পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা জনাব অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও কৃষক নেতা জনাব কাকন মল্লিক উপস্থিত ছিলেন।  কৃষক ওমর আলী হাওলাদার ও রহিমা বেগমসহ অন্যরা বলেন, এই অর্থ ও মাক্স পেয়ে আমরা আনন্দিত। এ অর্থ আমাদের অনেক উপকারে আসবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতায় স্বস্তিতে যশোর অঞ্চলের সবজি চাষীরা

যশোর প্রতিনিধি

করোনাভাইরাস প্রতিরোধকল্পে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত নীতিমালা অনুসরন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়,যশোর অঞ্চলে কৃষকের লোকসান ঠেকাতে ন্যায্যমূল্যে সরাসরি মাঠ থেকে সবজি ক্রয় শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন । ফলে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন এলাকার কৃষক ভাইয়েরা।

দেশের প্রধান সবজিভা-ার খ্যাত যশোর অঞ্চলের সবজি চাষীরা করোনার প্রভাবে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। পরিবহন ও পাইকার সংকটের কারণে দাম পাচ্ছেন না তারা। সবজির এই ভরা মৌসুমে সময়মতো বিক্রি না হওয়ায় অনেকের উৎপাদিত সবজি খেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। যশোরসহ এ অঞ্চলের কৃষকের একটি বৃহৎ অংশ সবজি চাষের সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু করোনা সংকটে তারা এখন লোকসানের মুখোমুখি।এ পরিস্থিতিতে চাষীদের এই দূরবস্থা দেখে তৎপর হন যশোর সেনানিবাসের সদস্যরা।  এরই ধারাবাহিকতায়, সবজি চাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে যশোর সেনানিবাসের ইউনিটসমুহ যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সরাসরি মাঠে গিয়ে অসহায় কৃষকদের ক্ষেত হতে বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্রয় করে তাদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এতে স্বস্তি ফিরেছে চাষীদের মনে। নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন তাঁরা।

এছাড়াও করোনা সংক্রমন বিস্তার ঠেঁকাতে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা প্রতিনিয়ত সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মানুষের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং লিফলেট বিতরণ, অসহায় ও হত দরিদ্রদের মাঝে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ, বিনা প্রয়োজনে মানুষ যাতে যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করতে পারে সে দিকে নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিয়মিত বাজার মনিটারিং করার কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে যথাসাধ্য সহযোগিতার পাশাপাশি কখনো কখনো প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে দরিদ্রতা মোকাবেলায় খেটে খাওয়া, অসহায় এবং ভ্রাম্যমান মানুষদের হাতে নিয়মিত খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া অব্যাহত রেখেছে। করোনা মহামারি মোকাবেলায় সেনাবাহিনির নানামুখি মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি নিয়েছেন তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন হলো কলকাতার জোৎসনা খাতুন ও “রানার আপ” ঢাকার নিঝুম দিশা

খবর বিজ্ঞপ্তি

সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০১৭ সাল থেকে পরিচালিত সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরআন বিকল্প মাধ্যম ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগীতার ৬ষ্ঠ পর্বের ২য় চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতের কোলকাতার নাগরিক “জোৎসনা খাতুন” (জান্নাতুন শিরি ফেসবুক নাম), পিতার নাম আব্দুল মান্নাফ মিয়া, মাথাভাঙ্গা, কলকাতা, ইন্ডিয়া ও রানার আপ নির্বাচিত হোন ঢাকার প্রতিযোগী  “নিঝুম দিশা” পিতার নামঃ মোঃ মোসলেহ উদ্দিন, মাতার নামঃ রোকসানা আক্তার, সাভার, ঢাকা।

গতকাল কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকাল ৩.৩০ মিনিটে সরাসরি ফেসবুক লাইভে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়্যারম্যান ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের মহাসচিব ক্বারী মাওলানা মোঃ মাহদি হাসান কাওসারী। অনলাইনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিচারক মন্ডলির সদস্য মাওলানা মোঃ কুদরাতুল্লাহ, ভাইচ চেয়ারম্যান ইউসুফ আজম ও ইঞ্জিনিয়ার মামুন প্লাবন, কেন্দ্রীয় অভিভাবক বিষয়ক সম্পাদিকা (অর্থ) ডাঃ কামরুন নাহার রুনা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জেসমিন নাহার জেবু, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা রহিমা খাতুন, সহ প্রচার সম্পাদক মুনতাজার আহমেদ, বরিশাল বিভাগের পরিচালক মোঃ এনামুল হক, চট্রগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোঃ শিরাজুল ইসলাম , খুলনা বিভাগের পরিচালক মোঃ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ

এ সময় ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর বলেন, ভারতের স্থায়ী একজন নাগরিক বিজয়ী হবার মাধ্যমে ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতা আজ থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদার্পণ করলো আলহামদুলিল্লাহ। এর জন্য তিনি মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, সেই সাথে এ কাজের সাথে যারা জড়িত, যারা সহযোগিতা করেন সকলকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি সকল প্রতিযোগীদের কুরআন বুঝে পড়ার পাশাপশি কুরআনের আলোকে নিজেদের জীবনকেও গঠন করার আহবান জানান। তিনি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থায়ী ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন ।

খুলনায় অ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের হকার্স লীগের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সদর থানা আওয়ামী লীগ ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম পবিত্র রমজান উপলক্ষে ও করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হকার্স লীগের নেতৃবৃন্দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পিপি অ্যাড. এনামুল হক, আযম খান, ইউসুফ আলী, মাশুক উল হুদা, অ্যাড. খরশেছ আলম, অ্যাড. রথিন্দ্রাথ সরকার, অ্যাড. আব্দুল কুদ্দুস, রিয়াজ হোসেন, আউয়াল রহমান, মো. আজিজুল রহমান, ইশতিয়াক রাজু, মনিরুল ইসলাম সোহাগ, সেলিম রেজা, আব্দুল মান্নান, মো. কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

বাড়ি বাড়ি ইফতারি সামগ্রী বিতরণ ‘বন্ধন’

খবর বিজ্ঞপ্তি

বৃহস্পতিবার নড়াইল সদরের শেখহাটি বাজারের স্বেচ্ছসেবী সংগঠন বন্ধন সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে দুঃস্থ, অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী রোজাদার পরিবারের জন্য ত্রান নয় “বাড়ি বাড়ি ইফতার সামগ্রী” করে দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নড়াইল সদরের শেখহাটি ইউনিয়নের শেখহাটি, তপনভাগ, মহিশখোলা, শেখপাড়া ও ডহরশেখহাটি গ্রামে বন্ধন সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি তরিকুল ইসলাম মানিক এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ রায়হান উদ্দীনের নেতৃত্বে ২০০ দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধী পরিবারকে ইফতারি সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়েছে।

সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শেখ রায়হান বলেন আমরা প্রতিবার রমজান মাসে মসজিদ বা অন্য জায়গায় ইফতারির আয়োজন করে থাকি কিন্তু এবার করোনাভাইরাসের কারণে সেই আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমাদের সংস্থার অন্যান্য সদস্য এবং এলাকার কিছু বড়ভাইদের সহযোগিতায় গ্রামে যাদের বাজার থেকে ইফতারি কিনে খাওয়ার সামর্থ নেই, তাদের আমরা বাড়ি বাড়ি ইফতার সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি, আমাদের এই সহযোগিতা অব্যহত থাকবে ইনশাআল্লাহ্।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার অন্যতম সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় রাগবী টিমের ক্যাপ্টেন নাদিম মাহমুদ, গিয়াস উদ্দিন, প্রসেনজিৎ দাশ, ইকতার উদ্দিন, কামরুল, সোহেল, শান্ত, রাজু, জুয়েল, শিমুল  আজিজুর প্রমুখ

রূপসায় আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

তথ্য বিবরণী

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে কর্মহীন দুঃস্থ ভিডিপি সদস্যদের জন্য বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার রূপসা উপজেলায় দুঃস্থ ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন খুলনা রেঞ্জের কমান্ডার মোল্লা আমজাদ হোসেন। ত্রাণ বিতরণকালে রেঞ্জ কমান্ডার সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। এছাড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সরকার নির্দেশিত দায়িত্ব পালনের  নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আনসার ও ভিডিপি খুলনার জেলা কমান্ড্যান্ট হাফিজ আল মোয়াম্মার গাদ্দাফী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরীন আক্তার, সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হালিমা খাতুন এবং উপজেলা প্রশিক্ষক বিপুল গাজী  উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, খুলনা রেঞ্জের ১০টি জেলার ৫৯টি উপজেলার পর্যায়ক্রমে মোট ১৭ হাজার ৭০০ ভিডিপি সদস্যদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হবে। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে জনপ্রতি পাঁচ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক লিটার তেল, দুই কেজি আলু, এক কেজি পেঁয়াজ, একটি সাবান ও একটি মাস্ক। আনসার-ভিডিপি’র খুলনা জেলা কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তি এসব তথ্য জানানো হয়।

বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের এক মাস ৮ দিন পর আমদানি বানিজ্য চালু

বেনাপোল প্রতিনিধি

বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেনাপোল – পেট্রাপোল বন্দরে চালু হলো আমদানি বানিজ্য। বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের কারনে প্রায়  এক মাস ৮ দিন বন্ধ ছিল  ভারত বাংলাদেশের আমদানি রফতানি বানিজ্য। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিন টার সময় বেনাপোল পেট্রাপোল এর লিংক রোডের নোম্যান্সল্যান্ডে প্রথম পচনশীল পন্য ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশী ট্রাকে লোড করা হলো।

পন্য চালানের মধ্যে ছিল ভুট্রা ১০ টন,পাটবীজ ও মেসতাবীজ ২৫ টন ও পান ১২ টন। পন্য চালান গুলোর বাংলাদেশের আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান উৎস এন্টারপ্রাইজ। এবং ভারতের রফতানি কারক প্রতিষ্ঠান বন্ধন এগ্রো। সিএন্ডএফ এজেন্ড ডিএসইম পেসকো ও সোঁনারগাও নামে দুটি প্রতিষ্ঠান।

আমদানি কারক উৎস এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী উজ্জল রায় বলেন, প্রায় এক মাস ৮ দিন আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ থাকার পর আমদানী বানিজ্য চালু হলো। সময় মত আমাদের এ পচনশীল মাল যদি গন্তব্যে পৌছাতে না পারি তাহলে লোকশান গুনতে হবে। বেনাপোল কাস্টমস, বন্দর, ও ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠানগুলি ভারতের ব্যাবসায়ি নেতা ও কাস্টমস, বন্দরের সাথে বসে বিশেষ ব্যাবস্তায় এ পন্য আনা হচ্ছে।  তবে ভারতীয় কোন পন্যবাহি ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করছে না। ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশী ট্রাক বেনাপোল  – পেট্রাপোল নোম্যান্সল্যান্ড থেকে লোড করে নিয়ে আসছে। বেনাপোল কাস্টমস এ,আর,ও শামিম হাসান বলেন, আজ আবার আমদানি বানিজ্য শুরু হয়েছে। পচনশীল পন্য ভুট্রা, পাটেরও মেসতা বীজ এবং পান জাতীয় পন্য এসেছে। এগুলো বন্দরে নিয়ে আজই পরীক্ষন শেষে শুল্কায়ন করা হবে। এবং শুল্কায়নের পর পন্য গন্তব্য নিয়ে যাবে স্ব স্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বেনাপোল বন্দরের উপ- পরিচালক মামুন কবির তালুকদার বলেন. আমরা বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কিছু আমদানি পন্য নিয়ে আসতে পেরেছি। এরপর আস্তে আস্তে আরও পন্য বৃদ্ধি পাবে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় দুই হাজারের উপর পন্যবাহি গাড়ি আটকে আছে আমরা সেগুলো পর্যায়ক্রমে নিয়ে আসব। যারা এখানে কাজ করছে তাদের মাস্ক ও পিপির ব্যবাস্থা করা হয়েছে। এখানে স্বাস্থ্য কর্মীরা রয়েছে ।

গত ২২ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের কারনে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। আজ বেলা সাড়ে তিনটার সময় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রথম কয়েকটি পন্য চালান এলো ভারত থেকে বাংলাদেশে। তবে ভারতীয় কোন ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে নাই। লোড আনলোড হয়েছে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে। এসময় বেনাপোল কাস্টমস, বন্দর, বিজিবি, পুলিশ সহ সরকারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্তার লোক উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে পন্য চালান লোড আনলোডের সময় ভারতীয় নিরাপপ্তা বানিহীর বিভিন্ন সংস্থা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য বুধবার আমদানি বানিজ্য নিয়ে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে দুই দেশের বৈঠকের পর আজ প্রথম কয়েকটি চালান দেশে প্রবেশ করল।

কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের জন্য তাণ ও রেশন কার্ড প্রদানের নিমিত্তে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষকে ত্রাণ ও বেরশন কার্ড প্রদানের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑবাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, সদস্য আব্দুল করিম, কোহিনুর আক্তার কণা, শেখ সহিদ নূরুল ইসলাম, কামরুল ইসলামসহ বিভিন্ন এলাকার শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিবৃন্দ। গত কয়েকদিন বাসদ-এর উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ বঞ্চিত শ্রমজীবী মানুষের নামের তালিকা প্রস্তুত করে প্রায় ছয় শতাধিক পারিবারের তালিকা আজ জমা দেয়া হয়। এই তালিকা প্রস্তুতির কাজ ধারাবাহিকভাবে চলছে। আগামীতে ত্রাণ বঞ্চিত শ্রমজীবী মানুষের আরো তালিকা জমা দেয়া হবে। নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন। সরকারের পক্ষ থেকে যেসব ত্রাণ দেয়া হচ্ছে তা অপ্রতুল। ফলে অনেকেই এই ত্রাণ বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে অনেক শ্রমজীবী মানুষের কোন কোন দিন না খেয়ে কাটে। আবার যে শ্রমজীবী মানুষ খুলনা নগরীর ভোটার নয় তাদের কাউকেই ত্রাণ দেয়া হচ্ছে না। রেশন কার্ড বিতরণের সংখ্যা এখনও খুবই নগণ্য। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে খুলনা নগরীর ও অন্যান্য জেলা ও উপজেলার ত্রাণ বঞ্চিত শ্রমজীবী পরিবার উভয় তালিকা জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দিয়ে তাদেরকে ত্রাণ সরবরাহ করার দাবী জানান।

চিতলমারীতে নিখোঁজ যুবকের ভাসমান লাশ খাল থেকে উদ্ধার

চিতলমারী প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের চিতলমারীতে নিখোঁজের দুইদিন পর খাল থেকে মাহমুদ শেখ (৩৮) নামের এক যুবকের ভাসমানলাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বাকেরকান্দির এলাকার মাঠের খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে চিতলমারী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় চিতলমারী থানা পুলিশ ও বাগেরহাট পিবিআই এর কর্মকর্তারা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।

এলকাবাসি জানায় মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে বাকেরকান্দি গ্রামের বজলু শেখের ছেলে মাহমুদ শেখ নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা-খুঁজির এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মাঠের খালের একটি ভেসালের খুঁটির কাছে মাহমুদের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে বাগেরহাট মর্গে প্রেরণ করে।

এ ব্যাপারে চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মীর শরিফুল হক জানান, নিখোঁজের দুইদিন পর খাল থেকে মাহমুদের লাশ উদ্ধার করে বাগেরহাট মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর মহেশ^রপাশার ঋষিপাড়া লকডাউন

তথ্য বিবরণী

খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর মহেশ^রপাশার ঋষিপাড়া রোডের ঋষিপাড়া গলিতে একজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় এলাকাটি লকডাউন করা হয়েছে। খুলনা জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ১১(২) ধারা অনুসারে খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা পর্যায়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ঋষিপাড়া গলি পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত  অবরুদ্ধ (লকডাউন) ঘোষণা করেন। উক্ত এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ ও বাহির হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ আদেশ ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে খুবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের লাখ টাকার চেক

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাসের বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ০১ লাখ টাকার চেক খুলনা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে হস্থান্তর করছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ)। পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাশ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হেলাল হোসেনের হাতে তাঁর কার্যালয়ে এ চেকটি হস্তান্তর করেন। জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে এ অনুদান প্রদানের জন্য স্বাশিপকে ধন্যবাদ জানান।

পাইকগাছায় এক গৃহবধুর গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় খাদিজা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধু গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার লতা ইউপির হালদারচক গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম লস্করের স্ত্রী। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার লতা ইউপির হালদারচক গ্রামে শফিকুল ইসলাম প্রতিদিনের ন্যায় মাছ ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য পাইকগাছাতে অবস্থান করছিল। এসময় তার স্ত্রী খাদিজা বেগম পার্শ্ববর্তী মাছের ডিপোর আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এলাকাবাসী জানিয়েছে, সাংসারিক গোলযোগের জন্য এ ঘটনা ঘটাতে পারে। ওসি এজাজ শফী জানান, লাশের সুরত হাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাইকগাছায় করোনায় সোলাদানা ইউনিয়নে ঘর বন্দি ৪০ হাজার মানুষের পাশে চেয়ারম্যান এনামুল

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের একটি মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে এমন দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ইউনিয়নের ৪০ হাজার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দিনরাত ছুটে চলেছেন ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক। নিজ ও সরকারী অর্থায়নে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছেন ইউনিয়নবাসীর মাঝে। মহামারী করোনায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে গৃহবন্দি মানুষকে যাতে অভুক্ত থাকতে না হয় সেজন্য নিজে ও পরিষদের সদস্যদের নিয়ে রাতের আঁধারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে ৭ হাজার ৫শ পরিবারের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ৫ হাজার ১শ ও সরকারিভাবে ১ হাজার ৮শ হতদরিদ্র অসহায় ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। চেয়ারম্যান হিসাবে নয়, মানবিক কারণে এমন মহামারীতে ব্যক্তিগতভাবে ইউনিয়নের গরিব মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকারীভাবে কোন ত্রাণ সামগ্রী পেয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারিভাবে ৯টন চাল পেয়েছি। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিৎ মানবিকতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমি সেটাই করছি। জানা গেছে, ইউনিয়নবাসীর খোঁজখবর নিতে এবং তাদের সার্বিক তথ্য জানতে হটলাইন চালু করেছেন চেয়ারম্যান এনামুল হক। ইতোমধ্যে হটলাইনে জেনে তিনি তথ্য গোপন রেখে সাড়ে ৩শ মধ্যবিত্ত পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তার রাতের সঙ্গী হিসেবে ইউনিয়নের সদস্যদের সাথে নিয়ে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে আমার মাধ্যমে আমরিকা প্রবাসী ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে সেগুলাও ইউনিয়নে বন্টন করেছি।

পাইকগাছায় এক প্রধান শিক্ষক শ্বাস কষ্ট, বুক ব্যথা ও ডায়াবেটিক্সে আক্রান্ত হয়ে মৃত : ৪টি পরিবার কোয়ারেন্টাইনে

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় সমরেশ চন্দ্র ঢালী ওরফে নীলকোমল (৫৫) নামে এক প্রধান শিক্ষক শ্বাস কষ্ট, বুক ব্যথা ও ডায়াবেটিক্সে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা গেছে। তিনি লস্কর ইউনিয়নের কেওড়াতলা গ্রামের সুধীর চন্দ্র মন্ডলের ছেলে ও খড়িয়া ঠাকুরন বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বুধবার রাত দেড়টায় অতিরিক্ত শ্বাস কষ্ট ও ডায়াবেটিক্সে আক্রান্ত হলে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় এবং চিকিৎসাধীন ভোর ৪টায় মারা যায় বলে মৃতের ভাই কুমারেশ চন্দ্র ঢালী জানান। তিনি আরো জানান, গত মঙ্গলবার তিনি শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে কিনা তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওসি এজাজ শফী জানান, মৃত নীলকোমলের পরিবার সহ ৪টি পরিবারকে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদিকে, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৪টি পরিবারকে ২০ কেজি চাল সহ ৮ প্রকারের খাদ্য সামগ্রী দিয়েছে।

মোড়েলগঞ্জে করোনা সনাক্তকারীর এলাকাজুড়ে লকডাউন, নমুনা সংগ্রহে মেডিকেল টিম মাঠে

এম.পলাশ শরীফ, মোড়েলগঞ্জ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে করোনা রোগী সনাক্ত কারি মৃত ব্যক্তির বাড়ি বড়বাদুরা গ্রামের গোটা এলাকাজুড়ে লকডাউন করা হয়েছে। দেড়শ’ পরিবারের নমুনা সংগ্রহের জন্য ৮ সদস্য’র মেডিকেল টিম মাঠে রয়েছে।

বুধবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দুলাল নামে এক ব্যাক্তির করোনা পজেটিভ বলে জানিয়ে দিয়েছে। দুলাল হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বড়বাদুরা গ্রামের ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে। সোমবার দিবাগত রাতে দুলালের(৪০) মৃতদেহ ঢাকা থেকে বাড়িতে আনা হয়। করোনা সন্দেহে মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালের মেডিকেল টিম ওই রাতেই তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠায়।

স্থানীয় চেয়ারম্যান আকরামুজ্জামান ও এলাকাবাসি জানান, মঙ্গলবার বেলা ১০টার দিকে দুলাল হাওলাদারের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর পূর্বে সোমবার রাতে তার দুই ভাই, স্ত্রী, সন্তানসহ ১০/১২ জন মিলে দুলালের মৃতদেহ ঢাকা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা মুখোপাত্র ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস দুলালের করোনা পজেটিভ’র খবর নিশ্চত করেছেন। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.কামরুজ্জামান বলেন(রাত ১০টা), মৃত দুলালের লাশ বহনকারীসহ সবার পরিচয় সংগ্রহ করে রাতেই গোটা গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি এ খবর নিশ্চত করে বলেন, বুধবার দুলাল হাওলাদারের রিপোর্ট পজেটিভ হয়েছে এর পরপরই রাত ১টায় তিনিসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে থানা অফিসার ইনচার্জ কেএম আজিজুল ইসলামসহ পুলিশের একটি ঘটনাস্থলে গিয়ে টিম বড় বাদুরা গ্রামের ৫০ টি বাড়ির ১৫০ পরিবারকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে এবং মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হকের নেতৃত্বে ৮ সদস্য’র মেডিকেল টিম দেড়শ’ পরিবারের নমুনা সংগ্রহ’র জন্য কাজ করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মোড়েলগঞ্জে কৃষকের ধান কাটলেন প্রা.শিক্ষক প্যানেল প্রত্যাশীরা

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে কৃষকের ধান কেটে দিলেন প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্যানেল প্রত্যাশী ২০১৮ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উপজেলা দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের মহিলা ডিগ্রী কলেজ এলাকায় কৃষক মো. রুহুল আমীন (৫০)্্ এর দেড় একর বোরো ব্রী-ধান ২৮ ফসলী জমির ধান কেটে দিয়েছেন তারা। এ নিয়ে ২য় দফায় ২৫ সদস্যের এ টিমটি মাঠে গত ২৮ তারিখ থেকে দৈবজ্ঞহাটী, পুটিখালী এলাকায় দিনভর ধানকাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্যানেল প্রত্যাশী এ সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু, দৈবজ্ঞহাটী ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পারুল বেগম ও ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান। ধান কাটার নেতৃত্বে ছিলেন যারা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্যানেল প্রত্যাশী-২০১৮ কমিটির বাগেরহট জেলা সভাপতি  মিরাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব শিকদার, সহ-সভাপতি খোকন মৃধা, প্রচার সম্পাদক সুজন হালদার, শাহানা আক্তার, সঙ্গিতা রানী, মিম আক্তারসহ সহ ২৫ সদস্য’র এ টিম।

এ বিষয়ে সভাপতি মিরাজ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী তারা নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বোরো মৌসুমে কৃষকের ধান কেটে ফসল ঘরে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সহকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সারাদেশে ২৪ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন। এর মধ্যে ৫৫ হাজার ২৯২ জন উত্তির্ন হয়ে মৌখিক পরীক্ষায়ও অংশ গ্রহন করেন। ১৮ হাজার ১৪৭ জন সরকারিভাবে চুড়ান্ত  নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বাকি ৩৭ হাজার উত্তির্নকারি পরীক্ষার্থীরা প্যানেল ভিত্তিক নিয়োগের দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে সরকারের প্রতি। ২০১৪ সালের পর থেকে শুধুমাত্র ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষক পদে একটি মাত্র নিয়োগ হয়েছে। ইতোমধ্যে উত্তির্নকারি পরীক্ষার্থীদের অনেকের বয়স শেষ হয়েছে। এ কারনেই তারা প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্যানেল ভিত্তিক নিয়োগের জোর দাবি জানিয়েছেন।

হরিণের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫শ থেকে ৬শ টাকায়: সুন্দরবনে ফাঁদসহ নানা কৌশলে চলছে হরিণ শিকার

মোঃ জাহিদুর রহমান সোহাগ, দাকোপ

সুন্দরবনে অবাধে ফাঁদসহ নানা কৌশলে হরিণ শিকারে মেতে উঠেছে চোরা শিকারীরা। এসব হরিণের মাংস আবার বন সংলগ্ন খুলনার দাকোপের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হচ্ছে হরহামেশা। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব ও পশ্চিম সুন্দরবনের কোল ঘেষা উপজেলার সুতারখালী, কালাবগী, নলিয়ান, কালিনগর, কৈলাশগঞ্জ, রামনগর, বানিশান্তা, ঢাংমারী, খেজুরিয়া ও লাউডোব এলাকার চিহ্নিত কয়েকটি হরিণ শিকারী চক্রের সদস্যরা বেশ কিছুদিন যাবৎ সুন্দরবনে অবাধে ফাঁদসহ নানা কৌশলে হরিণ শিকার করে আসছে। বনবিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে চুরি করে সুন্দরবনে ঢুকে অনেক লম্বা ফাঁদ দিয়ে খুব সহজেই হরিণ শিকার করে লোকালয়ে নিয়ে আসে ওই চক্রের সদস্যরা। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে অর্ডার নেয়া লোকজনের নিকট কেজি প্রতি ৫০০শ থেকে ৬০০শ টাকা দরে নগদ ও বাকিতে বিক্রি করছে। মাঝে মধ্যে বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের কাছে হরিনের মাংস ও চামড়াসহ এসব শিকারী চক্রের দুই একজন সদস্য ধরা পড়ে কয়েকটি মামলা খেলেও কখনও থেমে নেই হরিণ শিকার।

এসব শিকারী চক্রের কোন কোন সদস্য আবার পালিয়েও যায় বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া স্থানীয় বেশ কয়েকজন ক্ষমতাশিন দলের প্রভাবশালী নেতা ও জন প্রতিনিধিরা এসকল শিকারী চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে ইচ্ছামত হরিণের মাংসসহ নানা সুযোগ সুবিধা নিয়ে থাকে বিধায় হরিণ শিকার কিছুতেই বন্দো হচ্ছে না বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগ। এমনিভাবে চোরা শিকারীদের সুন্দরবনে হরিণ নিধন চলতে থাকলে আগামীতে এ চিত্রল মায়াবী হরিণ বিলুপ্ত হতে পারে বলে ওই লোকজন মনে করেন।

কালাবগী এলাকার জামাল শেখ, আল মাসুদ শেখ জানান, ওই এলাকার চিহ্নিত হরিণ শিকারী চক্রের সদস্যরা প্রতি গোনে সুন্দরবনে ঢুকে ফাঁদসহ নানা কৌশলে হরিণ শিকার করে এলাকায় এনে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে। ওই চোরা চক্রের সদস্যদের নামে হরিণ শিকারের একাধিক মামলাও আছে বলে তারা জানান।  

এ প্রসঙ্গে পুর্ব বনভিবাগের চাঁদপাই রেঞ্জধীন ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন তিনিও শুনেছেন বন সংলগ্ন এলাকার কয়েকটি চোরা শিকারী চক্রের সদস্যরা মাঝে মধ্যে বনে ঢুকে হরিণ শিকার করে এলাকায় এনে মাংস বিক্রি করে থাকে। তিনি বলেন গত ২৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ কেজি হরিণের মাংসসহ ঢাংমারী এলাকার অনুপম বর্মন নামে এক চোরা শিকারী চক্রের সদস্যকে ঢাংমারী খালপাড় এলাকা থেকে আটক করেন। এসময়ে আরো ৩/৪ জন মাংস নিয়ে পালিয়ে যায়। এব্যাপারে তিনি বাদী হয়ে বন্য প্রাণী সংরক্ষন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন যার পিওআর মামলা নম্বর-১৩। এসব চোরা শিকারীদের বিরুদ্ধে তার অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানান।

এ ব্যাপারে চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ এনামুল হক জানান ইতি মধ্যে এই চক্রের এক সদস্য ধরা পড়েছে। তাদের টহল অব্যহত আছে এবং ওই চক্রের সদস্যদের নাম ঠিকনা কালেকশন চলছে সব হাতে আসলে সকলকে এরেষ্ট করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মোটরযান এবং বিএফএফই’র বিভিন্ন সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের কর্মহীন শ্রমিকের মাঝে সিটি মেয়রের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

তথ্য বিবরণী

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’-এর আওতায় বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা নিউমার্কেট বাইতুন নূর মসজিদের পিছনের সড়ক চত্বরে খুলনা জেলা মোটরযান মেকানিক ইউনিয়নের দুইশত ৪১ কর্মহীন শ্রমিকের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ, শাক, লাউ, করলা ও ঢেঁড়শসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল থেকে আজ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত খুলনা মহানগীরর বিভিন্ন এলাকা, যোগীপোল ইউনিয়ন এবং আড়ংঘাটা ইউনিয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ, পাটকল শ্রমিক, লেদার শ্রমিক, হর্কাস, মোটর শ্রমিক, মোটরযান শ্রমিক, ট্রাক চালক, বেবিট্রেক্সি চালক, ইটভাটা, স’মিলস শ্রমিক, হোটেল, দর্জি শ্রমিক, স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক, দোকান কর্মচারীসহ নি¤œআয়ের প্রায় ১৫ হাজার কর্মহীনদের মাঝে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পরে খুলনা সিটি মেয়র বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সর্পোর্টাস এ্যাসোসিয়েশন খুলনার উদ্যোগে নিজস্ব কার্যালয়ে বিএফএফই’র বিভিন্ন সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের এক হাজার একশ ৫০কর্মহীন শ্রমিকের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, বিএফএফই’র প্রেসিডেন্ট কাজী বেলায়েত হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট সেখ আব্দুল বাকী, পরিচালক মোঃ আব্দুল জব্বার মোল্যা, ডাঃ সৈয়দ আব্দুল আসফাক, সদস্য মোঃ জালাল উদ্দিন, মোঃ কামরুল হাসান, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফুলতলায় অসহায়দের জন্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি’র খাদ্য সহায়তা প্রদান

ফুলতলা প্রতিনিধি

খুলনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ফুলতলার ৪টি ইউনিয়নে কর্মহীন, অসহায় ২ হাজার পরিবারের জন্য পরিবার প্রতি  ৫ কেজি হিসাবে মোট ১০ টন আটা বরাদ্দ দেন। তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে বরাদ্দকৃত আটা বৃহস্পতিবার দুুপরে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আসলাম খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, মৃনাল হাজরা, আবু তাহের রিপন, আলী আজম মোহন,    শাহাবাজ মোল্যা, শাহিদুল ইসলাম মোল্যা, রবীন বসু, শ্রমিক নেতা সনজিত বসু, বেগম শামসুন্নাহার, শাপলা সুলতানা লিলি, আনছার আলী, নূর হোসেন, ইকতিয়ার উদ্দিন সুমন, রিফাত হোসেন প্রমুখ।

যবিপ্রবিতে নমুনা পরীক্ষায় বিরতি

যশোর অফিস

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা পরীক্ষা শুরুর পর থেকে গণমাধ্যমে তার ফল প্রকাশ নিয়মিত ব্যাপার। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারের ফলাফল আসেনি গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে।

এমন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বহু পাঠক যোগাযোগ করছেন। জানতে চাইছেন, কেন ফলাফল জানা যাচ্ছে না। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না পাঠকরা তাও বুঝতে চাইছেন।

সম্প্রতি বাতাসে ভেসে বেড়ানো কিছু কথাবার্তা প্রভাবিত করছে গণমাধ্যমকর্মী ও পাঠকদের। ফলে বিষয়টি জানার জন্য কিছু সময় আগে যোগাযোগ করা হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে।

যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ বলছেন, তাদের ল্যাবে রিএজেন্ট ফুরিয়ে গেছে। নতুন করে রিএজেন্ট সরবরাহ করার জন্য যশোরের সিভিল সার্জনকে বলা হয়েছে। সিভিল সার্জন চাহিদাপত্র ঢাকায় পাঠিয়েছেন বলে যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

এছাড়া প্রফেসরদের নেতৃত্বে প্রথম যে টিমটি নমুনা পরীক্ষা করতো তাদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। নতুন টিম দায়িত্ব নিয়েছে। এছাড়া এখন জেনোম সেন্টারের ল্যাব পরিষ্কার (কিন) করার কাজ চলছে। ফলে আগামী দুই-তিন দিন এখানে পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে বুধবার যে নমুনাগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে, সেগুলোর ফলাফল আজ দিনের যেকোনো সময় প্রকাশ করা হবে।

তাদের ভাষ্য, আগামী দুই থেকে তিনদিন দরকার হবে ল্যাব পরিচ্ছন্ন করাসহ কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ শেষ করতে। ফলে শুধু চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা নমুনাগুলোর পুনঃপরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে এই সময়কালে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, যবিপ্রবিতে নমুনা পরীক্ষার কাজ করে সাতজনের একটি টিম। এর মধ্যে পাঁচজন সরাসরি ল্যাবে কাজ করেন; দুইজন থাকেন লজিস্টিকে। বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনাগুলো বিচ্ছিন্ন সময়ে আসায় সারারাত জেগে কাজ করতে হয় টিমকে। তাদের পর্যাপ্ত রেস্ট দরকার। তাছাড়া একটি টিমকে দিয়ে ক্রমাগত কাজ করানো বাস্তবসম্মতও না। ফলে টিম বদল করতেই হবে।

তিনি জানান, প্রথম ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বাধীন টিম যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারে নমুনা পরীক্ষার কাজ শুরু করে। এই টিমের সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এখন মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. সেলিনা আক্তারের নেতৃত্বাধীন টিম কাজে নেমেছে। এই গ্রুপে ড. শিরিন নিগার রয়েছেন রিপোর্টিংয়ে দায়িত্বে।

প্রথম দায়িত্ব পালনকারী গ্রুপের লিডার ড. ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, এই ল্যাবে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে এক টিম কোয়ারেন্টাইনে যাবে; আরেকটি টিম দায়িত্ব নেবে- এভাবেই চলবে।

তিনি জানান, এখন ল্যাবরেটরি কিন করা হচ্ছে। নমুনা পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিরাপত্তার জন্যই এটা জরুরি। এই সময়কালে নতুন কোনো নমুনা জবিপ্রবিতে না পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে সংশিষ্ট সিভিল সার্জনদের। সেই অনুযায়ী সিভিল সার্জনরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে নমুনা পাঠাচ্ছেন। দুই-তিন দিনের মধ্যে যবিপ্রবি ল্যাব ফের প্রস্তুত হয়ে যাবে। তখন আবার পূর্ণোদ্যমে পরীক্ষা শুরু হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. জাহিদ বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা স্যাম্পলগুলোর ফলাফল দ্রুতই জানানো সম্ভব হবে। কারণ এগুলোর ফলাফল চূড়ান্ত করার জন্য একটা স্টেপ সম্পন্ন করা হয়ে গেছে আগেই। এখন নতুন করে স্যাম্পল প্রসেসিং বন্ধ আছে।’

গত ২৭ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার ৫১টি নমুনা কুষ্টিয়ার পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষার জন্য। পরদিন পাঠানো ফলাফলে দেখা যায়, এর মধ্যে ২৮টি নমুনাই পজেটিভ। কুষ্টিয়ার ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার কাজ এই সপ্তাহেই শুরু হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার ৫১টি নমুনার মধ্যে ২৭টি পজেটিভ হওয়ায় সন্দেহের উদ্রেক হয় আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষের। তারা নমুনাগুলো ঢাকায় পাঠাতে বলেন বলে ওইদিনই সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান। সেই অনুযায়ী নমুনাগুলো ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। আইইডিসিআর থেকে সেগুলো পুনঃপরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখানে নমুনাগুলো পুনঃপরীক্ষা করা হচ্ছে।

যবিপ্রবি উপাচার্য ড. আনোয়ার বলছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাক্তারসহ নমুনা পরীক্ষার কাজে নিয়োজিতদের অনেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এটি ‘খুবই দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করে ড. আনোয়ার বলেন, ‘ওই সব স্থানে হয়তো সঠিকভাবে বায়োসেফটি মানা হচ্ছে না। সেকারণে এমনটি হতে পারে। যবিপ্রবি ল্যাবে ওয়ার্ল্ড স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বায়োসেফটি বিধি মেনে চলা হচ্ছে। ফলে এখানে নমুনা পরীক্ষার কাজে নিয়োজিতদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম। যদিও নিরাপত্তার নিয়ম না মেনেই বিভিন্ন জেলা থেকে স্যাম্পলগুলো পাঠানো হচ্ছে; যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ফলে পরীক্ষার কাজে নিয়োজিতদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে সব ধরনের চেষ্টাই করছে যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ।

মানসম্মত পিপিই না হলে আক্রান্তের সম্ভবনা বেশি: দাবি করোনা আক্রান্ত মণিরামপুর স্বাস্থ্যকর্মীর

আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর (যশোর)

যশোরের মণিরামপুরে দুই দফায় দুইজন হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একজনের আক্রান্তের খবর এসেছে গত ১২ এপ্রিল এবং নতুনজন আক্রান্তের খবর এসেছে বুধবার (২৯ এপ্রিল)। নতুন আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর দাবি, সরকারিভাবে সেবাদানকারীদের যে পিপিই সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে সেগুলো মানসম্মত নয়। এসব পিপিই পরে কাজ করলে আক্রান্তের সম্ভবনা বেড়ে যাবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে এই নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। মণিরামপুর হাসপাতালের তিনতলায় কেবিনে আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোবাইলে কথা হয় আক্রান্ত সেই স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে। তিনি বলেন, ‘আমরা ফিল্ডে কাজ করি। আমাদের আক্রান্তের ঝুঁকিটা বেশি। আমাদের হাসপাতাল থেকে যে পিপিই দেওয়া হয়েছে সেটা মন বুঝানো। পায়ে মোজা থাকার কথা ছিল হাঁটু পর্যন্ত। কিন্তু যা দিয়েছে তাতে পায়ের অর্ধেক খালি থাকছে। এগুলোর উপরে ভরসা করলে সেবাদানকারীরা আক্রান্ত আরো বেশি হবেন।’

আক্রান্ত এই স্বাস্থ্যকর্মীর বেশ কয়েকদিন ধরে সর্দি ছিল। সেটা সারার পর শুকনো কাঁশি শুরু হয়। যা এখনো বর্তমান। সাথে তার হালকা গলা ব্যাথা হয়েছে। তাকে শুধুমাত্র জিংক ট্যাবলেট, গ্যাসের বড়ি ও প্যারাসিটামল দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুইদিন আগে মঙ্গলবার তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করার পরও তাকে দিয়ে ডিউটি করান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার তিনি উপজেলার পাঁচাকড়ি কমিউনিটি কিনিকে বসে তিন বাচ্চাকে টিকা দেন। এরপরই জানতে পারেন তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও করোনা পরিস্থিতিতে তিনি টিকা দিতে চাচ্ছিলেন না। কিন্তু টিএইচএ ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ ৩৯জন স্বাস্থ্যকর্মীকে বাধ্যগত টিকা দিতে বুধবার বিভিন্ন এলাকায় পাঠান।

তবে স্বাস্থ্যকর্মীর আক্রান্তের খবর পেয়ে টিকা দেওয়া তিন শিশুর বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান নেহালপুর ইউপি চেয়ারম্যান নজমুস সাদাত।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে মণিরামপুর হাসপাতালের এক নারী উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো), নারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) ও নারী অফিস সহকারীর করোনা পজেটিভ ফলাফল আসে। এদেরমধ্যে অফিসসহকারী কোন উপসর্গ ছাড়াই আক্রান্ত হয়েছেন। আর আক্রান্ত সেকমোর হালকা জ¦র ছিল এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্টের হালকা কাঁশি ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এজমার রোগী। কয়েকদিন আগে একবার তিনি নিজের পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তখন ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল।

এই পর্যন্ত মণিরামপুর হাসপাতালের পাঁচজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে তিনিজন হাসপাতালের আইসোলেশনে এবং বাকি দুইজন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদিকে হাসপাতালের স্টাফরা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি রোগী প্রায় শূণ্যের কোটায় পোঁছেছে। বৃহস্পতিবার রাত নয়টা পর্যন্ত মাত্র একজন রোগী ভর্তি ছিলেন। ভর্তি না হয়ে রোগীরা হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এই কারণে বর্হিবিভাগে রোগীর চাপ বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ৭০ জন রোগী বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে হাসপাতালের আরএমও ডা. অনুপ কুমার বসু জানিয়েছেন। ডা. অনুপ বসু বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে মেডিকেল টেকনোলজিস্টের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কারণ তিনি আগ থেকেই এজমার রোগী। তাকে অবস্থা বুঝে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিদেরও অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। যার উপসর্গ নেই তাকে ভিটামিন সি, জিংক ট্যাবলেট, প্যারাসিটামল ও গ্যাসের বড়ি দেওয়া হচ্ছে।

নমুনা নেওয়ার পরও সেই স্টাফকে দিয়ে কাজ কেন করানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নে ডা. বসু বলেন, নমুনা নিলেই যে তাকে দিয়ে কাজ করানো যাবে না এমন কোন নির্দেশনা নেই। যারা নমুনা দিচ্ছেন তারা আবার কাজও করছেন। পজেটিভ ফলাফল আসলে তাকে আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ১০ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে জানান ড. বসু।

পিপিই’র ব্যাপারে ডা. বসু বলেন, সরকার যাই দিচ্ছে তাই পরেইতো কাজ করছি। তারপরেও পরায় কোন ত্রুটি থাকতে পারে। এসব বিষয়ে জানতে হাসপাতালের প্রধান ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথকে একাধিকবার কল করা হয়। তিনি ফোন না ধরায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

রামপালে সন্ত্রাসী হামলায় জখম ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই: অবস্থার অবনতি

স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাটের রামপাল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামিল হোসেন জামু’র ছোট ভাই শেখ সোয়েব আলী (৫৫) সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর জখম হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আজ বৃহস্পতিবার তার অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুধবার দিবাগত রাতে সেহেরী শেষে মাছের আড়তে যাবার পথে পুর্ব শত্রুতার জেরধরে দুর্বৃত্বরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে রড় ও হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন। একাধিক সূত্রমতে, স্থানীয় রাজনীতি, ব্যবসায়িক দ্বন্দ ও পুর্বশত্রুতার জেরধরে এ হামলা চালিয়েছে ওই পরিবারের চিহিৃত শত্রুরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল। আহত শেখ সোয়েব আলী জানান, স্থানীয় মোশাররফ মোল্লা, হেমায়েত মোল্লা, মামুন ঢালী, আফসার ঢালী, রয়েল, জুলফিকার, মোজাম্মেল, এনামুলসহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন আমার ওপর আক্রমণ করে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতের বুকে ও মাথায় মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। ৭২ঘন্টা না গেলে তার ব্যাপারে কিছুই বলা যাচ্ছে না। তার অবস্থা এখনো অবনতির দিকেই।

গাজী মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে পিপিই প্রদানকালে মঞ্জু: স্বাস্থ্য রক্ষায় কর্মরতরা যেন সুরক্ষিতভাবে মানুষের সেবা করতে পারে

খবর বিজ্ঞপ্তি

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়নি। যে হাসপাতাল গুলোতে টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে সে হাসপাতাল গুলোতে স্বাস্থ্য কর্মিরা পরীক্ষার জন্য ইচ্ছুকদের যথাযথ ভাবে তথ্য দিচ্ছে না। পরীক্ষার ইচ্ছুকরা পরীক্ষা নিয়ে নানা রকম জঠিলতার মুখোমুখি হচ্ছে। সামাজিত দুরত্বের কোন বালাই নেই। অন্য অন্য জায়গা গুলোর অবস্থা তো আরো ভয়ংকর। বাংলাদেশে সামনে যে দিন আসছে, পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা কেউ বুঝতে পারছে না। করোনা মোকাবেলায় শুরু থেকে সমন্বয়হীনতা একটা বড় আলোচিত বিষয় ছিল। এখন সমন্বয়হীনতা আরো ব্যাপক বিস্তৃত হয়েছে। সব কিছু যেন নিয়ন্ত্রণহীন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের কোন  সমন্বয় নেই। আবার ডিএমপি যে হোটেল-রেস্তোরা খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা সম্পর্কে স^াস্থ্য মন্ত্রণালয় অবহিত নয়। একর পর এক এমন সমন্বয়হীন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে কঠিন করে তুলেছে বলে মনে হচ্ছে।  

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি শুধু দেশের জনগণের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছে না। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্য সেবায় কর্মরত ব্যাক্তিদের পিপিই দিচ্ছে। স্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়োজিত-কর্মরত ব্যাক্তি যেন নিজেরা সুরক্ষিত থেকে মানুষের সেবা করতে পারে। দেশ ও জাতীর এই সংকটময় মুহুর্তে জাতীয়তাবাদীর সকল শক্তিকে লড়াই করতে হবে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে।   

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় শহীদ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাবের  উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের কারণে চিকিৎসায় কর্মরত ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নগরীর গাজী মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় পিপিই প্রদানকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান ও পরিচালক ডা. আনন্দ মোহনের নিকট পিপিই গুলো হস্তান্তর করা হয়। পিপিই প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মো. মনিরুজ্জামান মনি, যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, ড্যাবের মহানগর সভাপতি ডা. মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডা. শওকত আলি লষ্কর, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক    আসাদুজ্জামান মুরাদ, সদর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু প্রমুখ।

দুপুর আড়াটার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার  ২৫নং ওয়ার্ডের বসুপাড়া এতিমখানার মোড়ে নগর ছাত্রদলের উদ্যোগে সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাগরের সার্বিক সহযোগিতায় প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি অসহায় মানুষের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইউসুফ হারুন মজনু, শরিফুল ইসলাম বাবু, রবিউল ইসলাম রবি, আনিসুর রহমান আরজু, মহিউদ্দিন টারজান, হেদায়েত হোসেন হেদু, মনিরুল ইসলাম, বুলবুল, ওহেদুজ্জামান, ইকবাল হোসেন, গোলাম নবী ডাবলু, ইফতেকার জামান নবীন, সিরাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান অভি, ইমরান হোসেন, মনিরুজ্জামান, মাহিম আহমেদ রুবেল, আব্দুল আহাদ শাহীন, মাসুদ রানা, আল মোহাইমিন রেজা, মোস্তাফিজ, আফজাল, মোস্তাহিদুল হক দিহান, সাব্বির বিন শারাফাত  প্রমুখ।

কেসিসি’র গুদামজাত ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেটের পেঁয়াজ ও আলুতে পচন

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) রেস্ট হাউসে গুদামজাত করে রাখা ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেটের পেঁয়াজ ও আলুতে পচন ধরেছে। এতে প্রায় আড়াই মন পেঁয়াজ ও আলু নষ্ট হয়েছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী তার নিজ তহবিলে কিছু ত্রাণ সরবরাহ করছিলেন। সেগুলা প্যাকেট আকারে হাজী মহসিন রোডের রেস্ট হাউজে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। কিছু পণ্যে পচন ধরার কারণে তা করপোরেশনের লোক দিয়ে ইতোমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পচে যাওয়া মালের পরিমাণ দু’আড়াই মণ হবে।

জানা গেছে, মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের ব্যক্তিগত ত্রাণ তহবিলে কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী প্যাকেট করা কয়েক পদের পণ্যের ত্রাণ প্রদান করেন। তবে কেসিসি’র রেস্ট হাউজের গুদামে সংরক্ষিত থাকরেও তা দ্রুত বিতরণ না করায় এরইমধ্যে এগুলোতে পচন ধরা শুরু করে। পেঁয়াজ ও আলু পচে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় লোকজন বৃহস্পতিবার তা টের পান। এরপর তারা কেসিসিতে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগ পেয়েই করপোরেশনের লোকজন সেখানে যান এবং পঁচে যাওয়া পণ্যগুলো সরিয়ে নেন।

কেসিসি’র ভান্ডার শাখার স্টোরকিপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পচন ধরা আলু ও পেঁয়াজ সরিয়ে ফেলা হয়েছে।