পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
খুলনার পাইকগাছায় শহররক্ষার নামে নদীর মাঝখান দিয়ে বাঁধ দিতে না দিতেই বিশাল বিশাল এলাকা দখল হয়ে গেছে। শুরু করেছে চিংড়ি মাছ চাষ। এ বিষয় প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকায়।
পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শিবসা নদী। শিববাটী ব্রিজ থেকে হাড়িয়া নদী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার ভরাট হয়ে গেছে। ভাটার সময় কোথাও পানি থাকে না। এ সুযোগে নদীর দুধার দিয়ে ইতোমধ্যে বিশাল এলাকা দখল হয়ে গেছে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে পৌরসভার কিছু নিচু এলাকায় পানি ওঠে। এ জন্য দাবি উঠেছে শহররক্ষা বাঁধের। কয়েক মাস আগে পাইকগাছা পৌর কর্তৃপক্ষ শহররক্ষা বাঁধের পরিকল্পনা নেয়। সরকারের অনুমতি ছাড়াই নদীর কূলে বাঁধ না দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে নদীর মাঝখান দিয়ে বাঁধ তুলেছে। ফলে শত শত বিঘা জমি বাঁধের বাইরে পড়েছে, যা ইতোমধ্যে একটি মহল খণ্ডে খণ্ডে বেঁধে দখল করেছেন। সেখানে শুরু করেছেন চিংড়ি মাছসহ অন্যান্য মাছের চাষ। কেউ কেউ তৈরি করছেন স্থাপনা।
এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রশান্ত কুমার মণ্ডল বলেন, সরকারের অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে শহররক্ষা বাঁধ দেওয়ার নামে নদী দখল করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
পৌর প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবুর রহমান রঞ্জু বলেন, এটি সাময়িক বাঁধ। জমি দখলের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, তাদের নিষেধ করা হয়েছে। একবার তাদের বাঁধও কেটেও দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেন, অবৈধভাবে সরকারি সম্পত্তি দখলের কোনো সুযোগ নেই। আমি শুনেছি এবং এ বাপারে তদন্ত করে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









































