স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনার কয়রা উপজেলার গিলাবাড়ি গ্রামে সন্তানদের সামনে নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের মামলায় আরও ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার মধ্যরাতে এবং শনিবার বিকেলে কয়রা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এজাহারভুক্ত মোট ৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো।
কয়রা থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম আলী জানান, মামলার পর শুক্রবার রাতে গিলাবাড়ি গ্রাম থেকে আসামি আরাফাত হোসেন ও সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, শনিবার বিকেলে আমাদি গ্রাম থেকে এজাহারভুক্ত আসামি আফসার গাজী ও আকফার গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে ভুক্তভোগী নারী শামীমা নাসরিনের বাবা আব্দুল গফফার গাজী বাদি হয়ে শুক্রবার রাতে ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, পারিবারিক জমি নিয়ে ওই নারীর বাবা ও চাচাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। বর্তমানে সেটি আদালতে বিচারাধীন। এরই মধ্যে গত ১১ জুলাই ওই নারীর চাচা, চাচাতো ভাইসহ ২৫ থেকে ৩০ জন লোক ওই নারীর বাবার জমিতে ঘর তুলতে আসেন। এ সময় ওই নারী তাদের বাধা দেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার চাচাতো ভাইয়েরা তাকে মারধর করতে করতে বিবস্ত্র করে ফেলেন। পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে সড়কের পাশের একটি মেহগনি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। প্রায় এক ঘণ্টা এভাবে নির্যাতন চলতে থাকে।
এ সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। বর্তমানে শামীমা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।










































