Home খেলাধুলা মাঠে ময়দানের খবর

মাঠে ময়দানের খবর

14

ফিটনেস নিয়ে অনলাইন কাস : ‘অভূতপূর্ব’ সাড়ায় অবাক মারুফুল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের কারণে এক মাসের বেশি সময় ধরে ফুটবল লিগ বন্ধ। ছুটিতে ফুটবলাররা সবাই যে যার বাসায় ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টায় আছেন। তাদের সেই চেষ্টাতে সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন দেশের শীর্ষ তিন কোচ মারুফুল হক, সাইফুল বারী টিটু ও জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু। তাদের এই কার্যক্রমে খেলোয়াড় ও অন্য কোচদের কাছ থেকে ‘অভূতপূর্ব’ সাড়া মিলেছে।
আগামী ২৪ এপ্রিল বিকেলে অনলাইনের মাধ্যমে ফিটনেস নিয়ে হাজির হতে চলেছেন দেশের সেরা তিন কোচ। সেখানে তাদের প্রাথমিক ল্য ১০০ জনকে নিয়ে সেশন করবেন। কিন্তু দুই দিনেই তিনশ খেলোয়াড় ও কোচ আগ্রহ দেখিয়েছেন।
মারুফুল তাই অবাক, ‘আমরা ভাবতে পারিনি এত মানুষের সাড়া পাবো। কোচ ও খেলোয়াড়রা যেভাবে সাড়া দিয়েছেন, তাতে করে আমরা অভিভূত। এর মধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বেশি সাড়া মিলেছে। তবে আমরা শুরুতে ১০০ কোচ ও খেলোয়াড়কে নিয়ে সেশনটি করব। টেকনিক্যাল কারণে এর চেয়ে বেশি সম্ভব না। বাকিদের অন্য সময় অন্য আলোচনায় সুযোগ থাকবে।’
৪০ মিনিটের সেশনে দুটি অংশ থাকছে। শুরুতে তিনজন কোচ ফিটনেস নিয়ে পাঁচ মিনিট করে কথা বলবেন। তারপর অংশগ্রহণকারী সবার কাছ থেকে প্রশ্ন ও পরবর্তীতে উত্তর দেওয়া হবে। তবে এত অল্প সময়ে সবার প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া কঠিন মানছেন মারুফুল, ‘আমরা হয়তো সবার কাছ থেকে অল্প সময়ের মধ্যে প্রশ্ন নেওয়া কিংবা উত্তর দিতে পারব না। যতটুকু পারব, ততটকু দেবো। প্রয়োজনে এরপরেই আবার একটি সেশন করে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে।’
করোনাকালে তিন কোচের এই নতুন উদ্যোগ এখানেই থেমে থাকছে না। মারুফুল বললেন, ‘আমাদের এমন উদ্যোগ চলতেই থাকবে। পরের সপ্তাহে অন্য কোনও বিষয় নিয়ে আমরা হাজির হবো, যেন সবাই এতে উপকৃত হয়।’

ফিটনেসের চেয়ে নিরাপদে থাকাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন সাবিনাদের কোচ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এমনিতেই মেয়েদের ফুটবল লিগ নিয়মিত নয়। মাঠে গড়িয়েছে ছয় বছর পর। কিন্তু প্রথম পর্ব যেতে না যেতেই করোনার প্রকোপে বন্ধ হয়ে গেছে সেই লিগ। এখন মেয়ে ফুটবলাররা যে যার বাসায় থাকলেও এই পরিস্থিতিতে ফিটনেস ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মেয়েদের জাতীয় দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের কথা হলো, এখন নিরাপদে থাকাই বেশি জরুরী।
জাতীয় দলের তারকা অধিনায়ক সাবিনা খাতুন যেমন বাড়ির বারান্দাতেই অনুশীলন করছেন। কেউ কেউ তাকে অনুসরণ করছেন। আবার কেউ কেউ সেভাবে অনুশীলন করতে না পারায় ভীষণ হতাশও। জাতীয় দলের এই কোচ অবশ্য এসব নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে এখন নিরাপদ থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হয়। তাদের সব সময় বলে আসছি, আগে নিরাপদে থাকো। তারপর ফিটনেস নিয়ে সচেতন হতে বলেছি। এতে হয়তো কেউ ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারবে, কেউ পারবে না।’
খেলা বন্ধ আছে এক মাস ধরে। তাতে মেয়েদের ফিটনেসে এক ধরনের প্রভাব পড়ছেই। ছোটন বললেন, এই সমস্যাটা এখন সারা বিশ্বেরই, ‘বাসায় বসে কী করতে হবে, তারা তো জানেই। বিশেষ করে যারা বাফুফের ক্যাম্পে ছিল। আর চলমান সমস্যাটা তো সারা বিশ্বেরই সমস্যা। তবে আমি মনে করি, সবার আগে এখন নিজেদের সুরা, এরপর ফিটনেস।’ ছোটন মনে করেন এখন নিরাপদে থাকলে পরে ফিটনেস নিয়ে কাজ করা যাবে, ‘এই কয়েক দিনে খেলোয়াড়দের ফিটনেস অনেক কমে যাওয়ার কথা। যেহেতু খেলা নেই। বাড়িতে বসে একা একা অনুশীলন করে ফিটনেস ধরে রাখাটাও কঠিন। আগের মতো তো আর ফিটসেন থাকবে না। তবে খেলোয়াড়েরা যদি নিজেদের নিরাপদে রাখতে পারে, তাহলে করোনা কেটে গেলে নতুন করে ফিটনেস নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকবে।’

বাসায় ফিটনেস প্রস্তুতি সারছেন রোমান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে গত বছরের বড় চমক ও সেরা নাম ছিল আর্চারির তারকা রোমান সানা। নিজের অঙ্গনে এতটাই সফল ছিলেন রোমান, ক্রীড়া জগতে বছর না পেরোতেই জায়গা করে নিয়েছিলেন অলিম্পিকের মতো আসরে।
এরপরে সাউথ এশিয়ান গেমসে জিতেছেন সোনা। সাকিব-জামালকে পেছনে ফেলে হয়েছিলেন গতবছরের বাংলাদেশের সেরা ক্রীড়াবিদ। এমনকি বিশ্ব আর্চারির মঞ্চে ব্রেকথ্রু ক্যাটাগরিতে সেরা রিকার্ভ খেলোয়াড়ের সম্মানও পেয়েছেন। এদিকে রোমান সানার পরবর্তী ল্য ছিল অলিম্পিক। তবে করোনাভাইরাসের প্রভাবে স্থগিত হয়ে গেছে চলতি আসর। এদিকে দেশেও বন্ধ সব ধরনের খেলাধুলা ও অনুশীলন ক্যাম্প। ফলে একপ্রকার ছুটিতে আছেন রোমান। আছেন খুলনায় নিজের বাসাতেই। বাসায় থাকলেও নিজেকে যতটুকু সম্ভব প্রস্তুত করছেন এই আর্চার। নিজেকে ফিট রাখতে কোচের পরামর্শ মেনে চলছেন। ঘরে বসেই নিয়মিত ব্রিফ ফলো করছেন। প্রতিদিন বাসায় কী কাজ করছেন, সেটা ভিডিও ধারন করে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাচ্ছেন কোচকে। আর পরিবারের সাথে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন বলে জানান রোমান সানা।

করোনায় কাজ করছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স
ক্রীড়া প্রতিবেদক
হঠাৎ করেই যেন পৃথিবীজুড়ে মানবজাতিকে মহা এক সঙ্কটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। ইতিমধ্যেই প্রায় তিন হাজার মানুষ আক্রান্ত ও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এমন মারাত্মক সংকটের সময়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম ফ্র্যাঞ্চাইজি দল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স এগিয়ে এসেছে অভিনব এক উদ্যোগ নিয়ে। দলটির সকল খেলোয়াড় করোনার কারণে ঘরবন্দী হওয়া সত্ত্বেও ক্রিকেট ভক্তদের জন্য রেকর্ড করেছেন একটি করে সচেতনতামূলক বার্তা। নিজেদের তারকাখ্যাতি ব্যবহার করে তারা সবার মাঝে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন সাবেক ক্রিকেটার বিল্টু
ক্রীড়া প্রতিবেদক
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন সাবেক ক্রিকেটার বিল্টু মিয়া (৪৫)। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার কালিবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নব্বইয়ের দশকে মানিকগঞ্জের কৃতি ক্রিকেটার ছিলেন বিল্টু। তিনি জেলা ক্রিকেট দলের হয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতীয় পর্যায়ের খেলায় অংশ করে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। এছাড়া তিনি স্থানীয় ক্রিকেট কাব-কুলফা গোষ্ঠীর নিয়মিত খেলোয়াড় ছিলেন।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম জানান, বিল্টু মিয়া দৌলতপুর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে মানিকগঞ্জে ফিরছিলেন। সকালের দিকে কালিবাড়ী এলাকায় একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ট্রলির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সপরিবারে কোয়ারেন্টাইনে ইমরুল কায়েস
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ইমরুল কায়েসের বাবা বনি আমিন বিশ্বাস। গতকাল সোমবার মেহেরপুর সদর উপজেলায় কায়েসের গ্রামের বাড়ি উজলপুরে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে এরপর সেখানেই সপরিবারে কোয়ারেন্টাইনে আছেন টাইগার ওপেনার।
গত ২৩ মার্চ নছিমনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন বনি আমিন। প্রায় একমাস ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর রাতেই সবাই গ্রামের বাড়িতে আসেন। ঢাকা থেকে আসায় তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নিজ বাড়ির সামনে কায়েসের বাবার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আগেই প্রশাসনের প থেকে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়। তাই শুধু তার পরিবারের সদস্যরাই জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

কনফারেন্স কলে আইসিসির বৈঠক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আগামী ২৩ এপ্রিল কনফারেন্স কলে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইসিসির সদস্যভুক্ত ১২টি দেশ ও তিনটি সহযোগী দেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইসিসির অবস্থান এবং পরবর্তী সূচি নিয়ে আলোচনা হবে বৈঠকে।
আইসিসি বলছে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণ স্থগিত হওয়া সিরিজ নিয়ে শুরুতে আলোচনা করবেন এরপর তাদের আলোচনার ইস্যু আইসিসি ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) যেটি ২০২৩ পর্যন্ত নির্ধারণ করা। পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপের সুপার লিগ নিয়েও আলোচনা করবেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা। আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট নিয়েও আলোচনা করার কথা রয়েছে শীর্ষ কর্তাদের। বলার অপো রাখে না, এ বছরের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

প্রোটিয়াদের শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
দণি আফ্রিকা ক্রিকেট দলের আগামী জুনে শ্রীলঙ্কায় সফরের কথা ছিল। সময়ের হিসাবে এখনো হাতে সময় আছে। তবে করোনা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না দেখায় সে সফর স্থগিত ঘোষণা করলো প্রোটিয়ারা। গতকাল সোমবার এই তথ্য জানালেন দণি আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জ্যাকব পাল।
তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে শ্রীলঙ্কায় সফর করার কথা ছিল প্রোটিয়াদের। তবে সফর স্থগিত করা নিয়ে জ্যাকব বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক যে অনিচ্ছা সত্ত্বেও এমন পদপে নিতে হয়েছে। ক্রিকেট স্বাভাবিকরূপে ফিরলে আমাদের আন্তর্জাতিক সূচি অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব আমরা সফরটির সূচি আবার করব।’

আগস্টের শেষ ভাগ পর্যন্ত অপো করবে আইসিসি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। ফলে একের পর এক স্পোর্টিং ইভেন্ট বাতিল হচ্ছে। চলতি বছর আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শুরু হওয়ার কথা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম আকর্ষণীয় এই টুর্নামেন্টটি। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে অস্ট্রেলিয়া সরকার ছয় মাসের জন্য সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যেহেতু একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। এই অবস্থা চলতে থাকলে দলগুলো অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবে না। ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনও সম্ভব হবে না। টুর্নামেন্টটি এক বছর পিছিয়ে যেতে পারে এমন আলোচনাও শোনা যাচ্ছে।
তবে আইসিসি এখনই শেষ কথা বলতে নারাজ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আগামী আগস্টের শেষ ভাগ পর্যন্ত অপো করবে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

ক্যারিয়ারে একটিও ওয়াইড দেননি যে বোলার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রিকেটের বোলিং সৌন্দর্য্য পেস বলে। নিত্যনতুন কৌশল রপ্ত করছেন ফাস্ট বোলাররা। তবু হরহামেশা ওয়াইড, নো-বল করে বসেন তারা। এতে প্রতিপ দলের স্কোর বড় হয়। জাসপ্রিত বুমরাহ, মিচেল স্টার্ক, মোহাম্মদ আমিরদের প্রায়শই দেখা যায় লাইন-লেন্থ হারাতে। এ েেত্র ব্যতিক্রম ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ইমরান খান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একটি ওয়াইড বলও করেননি তিনি।
পাকিস্তান একমাত্র বিশ্বকাপ আসে সেই বোলিং জাদুকরের নেতৃত্বেই। দুরন্ত বোলিং, ছন্দময় ব্যাটিং ও অনন্য অধিনায়কত্বে দেশটির ক্রিকেটেরই ভোল বদলে দেন তিনি। ১৯৮২ সালে পাক ব্রিগেডের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন ইমরান খান। দায়িত্ব নিয়েই তাদের চেহারা পাল্টে দেন তিনি। কয়েক বছরের মধ্যেই দলকে খ্যাতির শিখরে পৌঁছে দেন তখনকার অন্যতম বিশ্বসেরা এ পেস অলরাউন্ডার। ইমরান খানের হাত ধরেই ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে পাকিস্তান। ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত যা দেশটির সর্বোচ্চ অর্জন। তার সময়েই বিশ্বের সকল দলকে হারানোর সমতা অর্জন করে তারা।

গ্যালারিভরা দর্শক নিয়েই শুরু হলো ফুটবল লিগ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সারাবিশ্ব প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আক্রমণে তটস্থ, স্বাভাবিক জনজীবনের পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে প্রায় সব খেলাও। তবে ব্যতিক্রম তুর্কিমেনিস্তান। দেশটিতে এখনও পর্যন্ত কোন করোনা আক্রান্ত মানুষ পাওয়া যায়নি।
তবু বাড়তি সতর্কতা হিসেবে মার্চের শুরুতে স্থগিত করা হয় তুর্কেমেনিস্তানের ফুটবল লিগ। তখন পর্যন্ত আট দলের লিগে হয়েছিল মাত্র ৩টি ম্যাচ। প্রায় মাসখানেক দেখার পর রবিবার থেকে পুনরায় শুরু করা হয়েছে লিগটি, স্বাভাবিকভাবে গ্যালারিভরা দর্শক নিয়েই। দেশটির রাজধানী আশগাবাতের স্টেডিয়ামে প্রায় ৩০০ দর্শকের সামনে মুখোমুখি হয়েছিল লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আলতিন আসির ও বর্তমানে টেবিল টপার কোপেতদাগ। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একটি করে গোল করে, ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে অমীমাংসিত থেকেই।

ভারতে নতুন ভূমিকায় হোয়াটমোর
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোর। এর চেয়েও বড় পরিচয় ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ জয়ী দলের কোচ ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতীয় দলের কোচ থাকার পর এখন কাজ করছেন ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে। কেরালার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর এখন তিনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বারোদার রঞ্জি দলের ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে। পাশাপাশি পালন করবেন কোচের দায়িত্ব।
হোয়াটমোর জানিয়েছেন, তার নতুন চুক্তিটি হবে দুই বছরের। তবে করোনা পরিস্থিতিতে একটু বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলেন তিনি, ‘নতুন দল বিকাশে আমার সব সময়ই আগ্রহ বেশি। অবশ্য আরও তিনটি দলের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে ছিল। তার ওপর করোনা পরিস্থিতির কারণে সফরে বিধিনিষেধ থাকায় অস্ট্রেলিয়া ফিরে আসতে হয়। তখন আমি একজন ম্যানেজার নিয়োগ করি। সেই বারোদার সঙ্গে চুক্তিটা চূড়ান্ত করে দেয়। আমি যখন ভারতে ফিরবো, আশা করছি হয়তো জুন বা যখনই পরিস্থিতিটা স্বাভাবিক হবে। তখন বারোদায় বছরে প্রায় ৯ মাসের মতো অবস্থান করবো।’

ভ্যাকসিন নেওয়ার বিপে জোকোভিচ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ব। থেমে গেছে খেলাধুলা। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পর করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে টেনিসের সবধরনের টুর্নামেন্ট। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কেবল পুনরায় শুরু হতে পারে স্থগিত হওয়া টুর্নামেন্টগুলো।
তবে ততদিনে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের বিষয়ে আশাবাদী অনেকে। আর যদি তাই হয়, তবে অন্য দেশ থেকে আসা খেলোয়াড়দের জন্য বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিন নেয়ার আইন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর। কিন্তু কোনো ভ্যাকসিন নিজের শরীরে নিতে চান না টেনিসের শীর্ষ তারকা নোভাক জোকোভিচ। আর কেউ জোর করে এই সার্বিয়ান তারকাকে ভ্যাকসিন দিবে, সেটিও মেনে নিবেন না তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন জোকোভিচ।

টোকিও অলিম্পিকের ভাগ্য ভ্যাকসিনে
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আধুনিক অলিম্পিক যুগে প্রথমবারের মতো পিছিয়ে গেলো অলিম্পিক গেমস। কারণ বিশ্বজুড়ে আঘাত হানা প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাস। ফলে ৫৬ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজনের সুযোগ পেয়েও এখনো আলোর মুখ দেখছে না জাপান।
ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ও টোকিও অলিম্পিক আয়োজকরা চলতি সপ্তাহেই একটি বোর্ড মিটিং করে। যেখানে জানানো হয়, চলতি বছরের টোকিও অলিম্পিক আগামী বছর হলেও জাপানেই হবে। তবে আগামী বছর অলিম্পিক আয়োজন নিয়েও বিশেষ আশার আলো দেখছেন না তারা। আইওসি কর্মকর্তা জন কোটস বলেছেন, ‘পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলেও করোনায় অলিম্পিক যথেষ্ট প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।’
সেই শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিলেন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল হেলথ বিভাগিয় প্রধান দেবী শ্রীধর। জানিয়েছেন, করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হলে আগামী বছরও অলিম্পিক আয়োজন করা সম্ভব হবে না। বিবিসির একটি রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও ভ্যাকসিনটি মানুষের সহজলভ্য হবে কি না, সেটাও একটি বিষয় বলে মনে করছেন শ্রীধর।

চার মাস বেতন নেবে না রোমার খেলোয়াড়রা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
রোমার খেলোয়াড়রা কাবের আর্থিক সংকটে পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতালির কাবটির খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা আগামী চার মাস কাব থেকে বেতন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রবিবার এক বিবৃতিতে রোমার প্রধান নির্বাহী গুইডো ফিঙ্গা বলেছেন, ‘আমরা সব সময় রোমার খেলোয়াড়দের একতা নিয়ে কথা বলি। আজ আবারও তাদের একতা নিয়ে কথা বলছি। রোমার খেলোয়াড় ও তাদের কোচিং স্টাফরা মৌসুমের বাকিটা সময়ের বেতন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা প্রমাণিত করে যে আমরা সব সময় এক ছিলাম।’

সামরিক বাহিনীতে যোগ দিলো মিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
দণি কোরিয়ায় একটি কঠোর নিয়ম আছে। বয়স ২৮ বছর হওয়ার আগে সুস্থ-সবল সকল যুবককে বাধ্যতামূলক ২১ মাস সামরিক বাহিনীর হয়ে কাজ করতে হবে। বড় ফুটবলার হলেও সন হিউয়েন মিন সেই আইন লঙ্ঘন করতে পারলেন না।
দীর্ঘদিন ধরেই সময় বের করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু টটেনহাম হটস্পারের এই ফরোয়ার্ডের জন্য প্রায় দুই বছর খেলার বাইরে থাকা তো কঠিনই। অবশেষে করোনার এই সময়টা কাজে লাগিয়ে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিলেন সন। দণি কোরিয়ায় তিন সপ্তাহের বাধ্যতামূলক ন্যাশনাল সার্ভিসে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন ২৭ বছর বয়সী সন হিউয়েন মিন। জেজু দ্বীপে তাকে সামুদ্রিক বাহিনীর হয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

নিউক্যাসলের মালিক হতে যাচ্ছেন প্রিন্স সালমান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এতোগুলা বছর সমর্থকদের সঙ্গী হয়েছে শুধুই হতাশা। সেইন্ট জেমস পার্ক থেকে ভক্তরা ঘরে ফিরেছে দীর্ঘশ্বাস ফেলেই। টাইন নদীর পাড়ে এখন ফুটবল অন্তঃপ্রাণ এসব মানুষের ধৈর্য্যরে বাধ ভাঙার উপক্রম। তারা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে কাবের মালিক মাইক অ্যাশলেকে। ব্রিটিশ ধনকুবের নিউক্যাসল ইউনাইটেডের সঙ্গে আছেন ২০০৭ সাল থেকে। এই ১৩ বছরে দু’বার ইপিএল থেকে অবনমিত হয়েছে ম্যাগপাইরা। এবার তাই পালাবদলের দাবি উঠেছে সব মহল থেকেই।
বেশ কয়েকবছর ধরেই ব্যাপক চাপের মুখে মাইক অ্যাশলে। এবার তাই কাবটির সঙ্গে তার সম্পর্ক সত্যি সত্যিই ছিন্ন হতে যাচ্ছে। ১৩৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে মালিকানা পেয়েছিলেন অ্যাশলে। এবার যার ভিত্তিমূল্য হতে পারে অন্তত ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ড। তবে, করোনা পরিস্থিতিতে খেলা বন্ধ থাকায় বড় লোকসানের আশঙ্কায় আবারো মালিকানা ছেড়ে দিতে তৎপর হয়ে উঠেছেন অ্যাশলে। এবার আগ্রহীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে, সৌদি আরবের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড পিআইএফের নাম। ৮০শতাংশ শেয়ার থাকবে এই ফান্ডের।