আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন
খুলনাঞ্চল ডেস্ক:
সম্প্রতি ভারতে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করেছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর আরেক খুনি রিসেলদার (বরখাস্ত) মোসলেহ উদ্দিনও ভারতে অবস্থান করছে। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, ভারতীয় গোয়েন্দাদের সহযোগিতায় মোসলেহ উদ্দিন এরইমধ্যে আটক হয়ে থাকতে পারে। আরেকটি সূত্র অবশ্য বলছে, মাজেদের ফাঁসি কার্যকরের পরপরই আত্মগোপনে চলে গেছে সে।
গত ১২ এপ্রিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল মাজেদ ২৩ বছর ধরে কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন।
সোমবার আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি গ্রেফতার ও ফাঁসি কার্যকর হওয়া বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন কলকাতায় ছিলেন। ফাঁসি কার্যকরের আগে তার কাছ থেকে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা মোসলেহ উদ্দিনের অবস্থান জেনে নেয়।
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনার একটি আধাশহরে ইউনানি চিকিৎসক সেজে ভাড়া ছিলেন মোসলেহ উদ্দিন। সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, খুনি রিসেলদার (বরখাস্ত) মোসলেহ উদ্দিনকে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনায় তার ডেরা থেকে আটক করা হতে পারে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের সহযোগিতায় তিনি আটক হতে পারেন। তবে অন্য একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, মাজেদ আটক হওয়া মাত্রই নিজের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে গাঢাকা দিয়েছে মোসলেহ উদ্দিন।
গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, লকডাউনের সময় ভারত থেকে মোসলেহ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ায় সমস্যা হতে পারে বলে ঢাকা বিষয়টি ভারতের গোয়েন্দাদের জানায়। ভারতীয় গোয়েন্দারা এই খুনিকে কার্যত তাড়িয়ে সীমান্তের কোনও একটি অরক্ষিত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বঙ্গবন্ধুর খুনি মোসলেহউদ্দিন বিষয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ

ভারতের একটি পত্রিকায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি রিসালদার (বরখাস্ত) মোসলেহউদ্দিন আহমেদের ধরা পড়া সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সরকারিভাবে বিষয়টি জানি না। আমি আমার অফিসকে বলেছি এ বিষয়ে বিস্তারিত খবর নিয়ে আমাকে জানাতে।’
বাংলাদেশ এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই। আমি জানতে পারলে আপনাদের জানাবো।’
এদিকে কলকাতা ও দিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন ইতোমধ্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ব্যস্ত ছিলাম ভারত থেকে বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে। হঠাৎ করে এই খবরে আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি সম্প্রতি কার্যকর করেছে বাংলাদেশ সরকার। সে ভারতে পালিয়ে ছিল। আজ সোমবার কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর আরেক খুনি রিসালদার (বরখাস্ত) মোসলেহ উদ্দিনও ভারতে অবস্থান করছে। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, ভারতীয় গোয়েন্দাদের সহযোগিতায় মোসলেহ উদ্দিন এরইমধ্যে আটক হয়ে থাকতে পারে। আরেকটি সূত্র অবশ্য বলছে, মাজেদের ফাঁসি কার্যকরের পরপরই আত্মগোপনে চলে গেছে সে।










































