Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

34
ডালিয়া ফুল

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে বালু ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা

সোহাগ হোসেন, কলারোয়া (সাতক্ষীরা)

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধে এক বালু ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।, ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী সাজা প্রদান করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার(১২ জানুয়ারী) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে চন্দনপুর ইউনিয়নের রামভদ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ন-কাটি বিল (গজারিয়ার মাঠ) থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধে বালি ব্যবসায়ী আখতারুল ইসলাম (৫২) কে লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। অপরাধী বালু ব্যবসায়ী জরিমানার টাকা পরিশোধ করে কারাদন্ড মুক্ত হয়েছেন। আদালত পরিচালনায় সহায়তা করেন চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান ডালিম হোসেন, থানার এএসআই রফিকুল ইসলাম বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নান। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও জুবায়ের হোসেন চৌধুরী ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

দাকোপের বাজুয়াসহ সকল গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে বসেই চলছে আমন ধান বেঁচার মহাউৎসব

মোঃ শামীম হোসেন – বাজুয়া (দাকোপ)

খুলনার দাকোপের সকল গ্রামেই বাড়িতে বাড়িতে বসেই চলছে আমন ধান বেঁচা-কেনার মহা-উৎসব। দাকোপে যেন আমন ধান বেঁচার হিড়িক পড়েছে। জানা যায়  প্রতি মঙ্গলবার বাজুয়ার সাপ্তাহিক হাট আর বুধবার চালনায় সাপ্তাহিক বাজার বসে এই দুইদিন হাটে ধান বিক্রয় হয় আর বাঁকি দিনগুলিতে ধানের ব্যাপারিরা কৃষকের বাড়িতে যেয়ে ধান কিনে নিয়ে আসে।  বাড়িতে বসে আমন ধান বিক্রয় করতে পেরে কৈলাশগঞ্জের কৃষক গোপাল গাইন বলেন এই দুই হাটে দাকোপের সকল এলাকার আমন ধান বিক্রয় করা হয়। এছাড়া বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ব্যাপারীরা ধান কিনে নিয়ে আসে। বাড়িতে বসে ধান বিক্রয় খুবই ভালো আমাদের কোন কষ্ট হয় না ধান ব্যাপারিরা লেবার-গাড়ি নিয়ে আসে তারাই ধান বস্তায় ভরে মাপ দিয়ে ধান নিয়ে যায়।আমাদের কোন ধানে হাত দিতে হয় না। বাজুয়া বেড়েরখালের কৃষক অনিমেষ রায় বলেন এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন এক বুক স্বপ্ন নিয়ে কৃষক দিন গুনছে সোনালী দিনের আশায়। এলাকা ঘুরে দেখা যায় দাকোপের সকল এলাকার কৃষকেরা আমন ধান কাটার বিক্রয়ের মহা-উৎসবে মেতে উঠেছে। কেউ কেউ ধান কেটে বিলে ফেলে রেখেছে আবার কেউ কেউ ধান বাড়িতে এনে মাড়াই করছে। আবার কেউ কেউ ধান বেঁচার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। বাজুয়া চাঁদপাড়ার কৃষক সুপদ মন্ডল জানান যাদের জমি উঁচু যারা আগতি ধান রোপণ করতে পেরেছে তাদের ধান এবার খুবই ভালো হয়েছে। এবার বিঘা প্রতি ১৮-২০ মন করে ধান হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে প্রাকৃতিক আবহাওয়া এখনও কৃষকদের অনুকূলে আছে আর যদি এভাবে থাকে তবে প্রতিটি কৃষকেরাই এবার লাভবান হবে। কৈলাশগঞ্জ এলাকার তক্তামারী গ্রামের আমন চাষী মুকুন্দ রায় জানান প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় কৃষকের আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে। এখন বাজার ধরের উপর নির্ভর করছে কৃষকের সকল সুখ-দুঃখ। লাউডোব এলাকার খুুটাখালী গ্রামের আমন চাষী বিমল সরদার জানান এবার তরমুজের বাম্পার ফলনের পর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কেননা সকল কৃষকের জমিতেই ধানের ভালো ফলন হয়েছে তাই এভাবে যদি আমরা ভালো ভাবে জমি থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে পারি আর বাজার দর যদি ভালো থাকে তবে কৃষকের কষ্ট সার্থক হবে। একই কথা বলেন বানীশান্তা আমতলা গ্রামের আমন চাষী কানাই সরকার বাজার দর ঠিক থাকলে আমন চাষীদের স্বপ্ন এবার পুর্ন হবে খুশির হাসিতে হাসবে এলাকার সকল কৃষক। দাকোপ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদী হাসান জানান এবার দাকোপে আমন ধানের বাম্পার ফলন এবং আমাদের লক্ষ মাত্রা অতিক্রম করেছে কৃষকেরা আর আমন ধানের ফলনও ভালো হয়েছে এখন দামের উপর নির্ভর করছে কৃষকের ভাগ্য। এবার আমন ধান উৎপন্ন হয়েছে ১৯১৩৫ হেক্টর জমিতে। টেকেরহাট থেকে ধান কিনতে আসা ব্যাপারী মহাসিন শেখ বলেন আজ বাজুয়া বাজারে ইরি ধান টেন- তিরিশ বিক্রয় হয়েছে প্রতি মন ১০২০-১০৩০ টাকা পর্যন্ত, তেইশ ধান প্রতি মন ৯৩০-৯৪০ টাকা, চিনিকানাই ধান প্রতি মন ১৭০০-১৭৫০ টাকা পর্যন্ত। খুলনা থেকে ধান কিনতে আসা ব্যাপারী মিরাজ হোসেন জানান এবার ধানের বাজার চড়া গত বছরের চেয়ে ধানের দাম বেশি। দাকোপের কৃতি সন্তান এলাকার মা- মাটি মানুষের নেত্রী কৃষকদের নয়নের মনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এ্যাডঃ গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি বলেন আমি নিজেও কৃষকের সন্তান তাই কৃষকের ব্যাথা আমি বুঝি।  তাই এই এলাকার কৃষকদের চাষকৃত কৃষি পণ্য সঠিক ভাবে উৎপাদন করে সঠিক মূল্য পায় তার জন্য নদী খনন সহ রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এবার তরমুজের আগেই  লাউডোব ঘাটে ফেরি চালু হবে। এর ফলে কৃষক তাদের চাষকৃত ধান তরমুজ সহ কৃষি পণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে বিক্রয় করে ন্যায্য মূল্য পাবে।

আশাশুনির এক স্কুল মন্দিরে চুরি সংঘটিত

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি সদরের এক স্কুল এক মন্দিরে একই রাতে চুরির সংঘটিত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কোদন্ডা গ্রামে চুরির ঘটনা ঘটে।

সংঘবদ্ধ চোরেরা মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে অফিসের ৫টি আলমারী, একটি ফাইল কেবিনেট ড্র’তালা ভেঙ্গে নগদ ৪০০০ টাকা চুরি করে নেয়। এসময় তারা কম্পিউটারের প্রিন্টার ভাংচুর, কাগজপত্র তছনছ করে। একই রাতে হাজরাতলা কালিমন্দিরের গ্রীলের তালা ভেঙ্গে মন্দিরের ভেতরের ২টি দানবাক্সের অনুদান ৪/হাজার টাকা, কাসার চাকী জোড়া, ৮টি গামলাসহ পূজার সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। পরদিন (বুধবার) সকালে প্রতিষ্ঠান দু’টিতে প্রধান শিক্ষক পুজারি গিয়ে চুরির ঘটনা জানতে পারেন। প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এসআই জাহাঙ্গীর সেলিম ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেনুজ্জামান হোসেন, স্কুলের সভাপতি মনীন্দ্র নাথ বাছাড়, মেম্বার আঃ ছাত্তার, নবনির্বাচিত মেম্বার মহানন্দ মন্ডল, সাবেক প্রধান শিক্ষক বুদ্ধদেব সরকার প্রমুখ ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন।

কাদাকাটির খেজুরডাঙ্গা নদীতে ব্রীজ নির্মান উদ্বোধন

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের খেজুরডাঙ্গা নদীর উপর ব্রীজ নির্মান কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকালে এলজিইডি’সিনিঃ প্রকৌশলী নির্মান কাজ উদ্বোধন করেন।

কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যয় বরাদ্দে ৮০ মিটার দীর্ঘ গার্ডার ব্রীজের নির্মান কাজের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এলজিইডি’সিনিঃ প্রকৌশলী মানিক হোসেন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে নির্মান কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। ব্রীজটি নির্মীত হলে দ্বিখন্ডিত খেজুরডাঙ্গা গ্রামের মানুষ নদী পারাপার শিক্ষার্থী শিশুদের স্কুলে যাতয়াত নির্বিঘ্ন হবে এবং এলাকাবাসীর ভোগান্তি কেটে যাবে। এসময় উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান  দীপঙ্কর কুমার সরকার দিপ, সাবেক মেম্বার অনুকূল চন্দ্র, সাবেক মেম্বার সন্তোষ কুমার, মেম্বার গোলক দাশ, মেম্বার রমজান আলি, যুবলীগ নেতা আসিফ ইকবাল রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কম্বল বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনিতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বিআরডিবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ পরিচালক আঃ আলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খাঁন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অন্যদের মধ্যে বক্তব্য থাকেন, পিআইও সোহাগ খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম  আজিজুল হক, বিআরডিবি চেয়ারম্যান আঃ মান্নান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, আরডিও বিশ্বজিৎ ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান শেষে অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

প্রতাপনগরে স’ মিল ঘর অগ্নিকান্ডে ভষ্মীভূত

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে স’মিলের ঘর অগ্নিকান্ডে ভসামীভূত হয়েগেছে। সোমবার দিবাগত গভীর রাতে প্রতাপনগর এবিএস ফাজিল মাদরাসার প্রভাষক হারুন অর রশিদের বাড়ির পাশের কাঠ মিস্ত্রী কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের সাইফুল্লাহ গাজীর স’মিলে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

স’মিল ঘর মালিক সাইফুল্লাহ গাজী জানান, ধুমপানের অবশিষ্ট অংশ স’ মিলের কাঠের গুড়ায় ফেলানোর কারনে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করছেন তারা। স্থানীংরা গভীর রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাইরে গিয়ে দেখেন, স’মিলে আগুন জ্বলছে। তাদের হাক-চিৎকারে এলাকাবাসী পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কোন প্রকার হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও স’মিলের দুটি ঘরের প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। নব নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ ঢালী ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন।

সোনাডাঙ্গা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কম্বল বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায় মহানগরীর শেখপাড়া কমিউনিটি সেন্টারে সোনাডাঙ্গা থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে অসহায় দু:স্থ্যদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল  কালাম আজাদ কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কম্বল বিতরণ করেন। সোনাডাঙ্গা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি চ.মুজিবর রহমান, আবুল হোসেন মাস্টার, আব্দুল আই মাতুব্বার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ জি¦লহাজ হাওলাদার, আসরাফুল আলম বাবু, মোঃ রায়হান উদ্দিন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল, মারুফ চৌদুরী রিমন, মোঃ নাজমুল হক, আলমগীর হোসেন, সাবিক হাসান, লতা আক্তার প্রিয়া, সারমিন আক্তার মিথিলা, আবু হানিফ, জাইনুল আসলাম বাবু, মোঃ সাহিদ, রাজিব মোল্লা, শেখ সুজন, সৈয়দ জাহিদুজ্জামান  প্রমুখ।

করোনাভাইরাস জনিত কারণে চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ

তথ্য বিবরনী

করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব দেশে এই রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আজ ১৩ জানুয়ারি,২০২২ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক কার্যাবলি চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

দোকান, শপিংমল বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সকল জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অফিস আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সারাদেশে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে। রেস্তোরায় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে। ১২ বছরের উর্দ্ধের সকল শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর বিমানবন্দরসমূহে স্রিনিং এর সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টসমূহে ক্রুদের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতে আগত ট্রাকের সাথে শুধুমাত্র ড্রাইভার থাকতে পারবে। কোন সহকারী আসতে পাবে না। বিদেশগামীদের সাথে আসা দর্শণার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে; ট্রেন, বাস এবং লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। সকল প্রকার যানের চালক সহকারীদের অবশ্যই কোভিড-১৯ টিকা সনদধারী হতে হবে: বিদেশ থেকে আগত যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক কোভিড-১৯ টিকা সনদ প্রদর্শন জধঢ়রফ অহঃরমড়হ ঞবংঃ করতে হবে; স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সকল মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামগণ সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। সকল ধরণের করোনার টিকা এবং বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার করবে। কোভিড আক্রান্তদের হার ক্রমস্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় উম্মুক্ত স্থানে সকল প্রকার সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ পরিবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে। কোন এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সেখানে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খুলনায় বিড়ি শ্রমিকদের  মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার

বিড়ি শিল্প বন্ধে বহুজাতিক কোম্পানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন  ১২ জানুয়ারি বুধবার বেলা ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের  সামনে অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের আয়োজন করে খুলনা জেলা বিড়ি শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ। সপ্তাহে দিন শ্রমিকদের কাজের ব্যবস্থা, বিড়ির ওপর শুল্ক কমানো, বিড়ির ওপর অর্পিত ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বহুজাতিক কোম্পানির ষড়যন্ত্র বন্ধ কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে আইনি প্রক্রিয়ায় নকলবাজদের উচ্ছেদের দাবিতে  মানববন্ধন করেছেন বিড়ি শ্রমিকরা।

সংগঠনের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মুন্সির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিড়ি সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি এম কে বাঙ্গালী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আরিফ হোসেন। মানবন্ধনে শত শত নারী পুরুষ বিড়ি শ্রমিক অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর এদেশের সাধারণ মানুষ অসহায় শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিড়ি শিল্পকে শুল্কমুক্ত ঘোষণা করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর দৃশ্যপট পুরোপুরি পাল্টে যায়। শুরু হয় অসহায় শ্রমিক দেশীয় শিল্পের বিরুদ্ধে ঘড়যন্ত্র বৈষম্যের নতুন ফাঁদ। ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি এদেশের কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাকে ব্যবহার করে বিড়ির ওপর চাপিয়ে দেয় মাত্রাতিরিক্ত করের বোঝা। সেই বোঝা সহ্য করতে না পেরে মালিকরা বিড়ির কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। কারখানা বন্ধ হওয়ায় কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছেন বিড়ি শ্রমিকরা।

তারা বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বিড়িকে কুটির শিল্প হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সুরক্ষা দিচ্ছে। দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের দিক বিবেচনা করে নানাবিধ সুবিধা দিচ্ছে। ভারতে বিড়ি শ্রমিকদের ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে বৃত্তির ব্যবস্থা, চিকিৎসার জন্য রয়েছে পৃথক হাসপাতাল, সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা, বিড়ি মালিক শ্রমিকদের জন্য রয়েছে বিশেষ ঋণ এবং ১০ রুপির বিনিময়ে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা।

কিন্তু বাংলাদেশে বিড়ি শিল্প ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে নকল বিড়ি উৎপাদন বেড়েছে। কারণে প্রকৃত বিড়ি মালিকরা হুমকির মধ্যে পড়েছেন। অবিলম্বে নকল বিড়ি কারখানা বন্ধ করতে হবে।

প্রধান শিক্ষকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রতিবাদে কলারোয়ায় সংবাদ সম্মেলন

সোহাগ হোসেন কলারোয়া প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এ,কে,খাঁন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী। গতকাল বুধবার (১২ জানুয়ারি) বিকাল টার সময় কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে ছলিমপুর এ,কে,খাঁন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো: মাহবুবর রহমান(মিন্টু) বলেন, ছলিমপুর গ্রামের মৃত: আ: খালেকের ছেলে সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহেল-আলিম বাবু গত জানুয়ারি ২০২১ ইং তারিখে এ,কে,খাঁন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অবসরে চলে যান। তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক থাকা কালীন চাকুরী দেওয়ার নামে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে প্রায় বাইশ লক্ষাধিক টাকা নিয়েছেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন নাই। ইতি মধ্যে তিনি অবসরে চলে গেছেন। এখন তিনি তাদের নিয়োগ প্রদান এবং নানাবিধ অপরাধ ঢাকতে আবারও তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়ার জন্য জোর তদবির শুরু করেছেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, সদ্য অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোনদিন ঠিক মত স্কুল করেন না, কোন অভিভাবকের সাথে ভাল আচারন করেন না। এমনকি স্কুলে ভাল ফলাফলের জন্য তিনি কখনও কোন নজর দেন না। তিনি সকল সময় নিজের ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এই জন্য তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় শিক্ষমন্ত্রী, সাতক্ষীরা জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার কলারোয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি যদি কোন ভাবেই এই প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান তাহলে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউ,পি সদস্য আ: রশিদ, যুবলীগ নেতা বাপ্পী খাঁন, প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বাদল, জুলফিকার আলী বাবু প্রমুখ

বিষয়ে অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহহেল-আলিম বাবুকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নং ০১৭১৬১৮৮৪৬৯ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি কলটি রিসিভ করেন নাই, কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর শীতবস্ত্র বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

নগরীর অসহায় দু:স্থদের মাঝে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ডাকবাংলো মোড়স্থ এম সিকিউরিটিজ লিমিটেড এর কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী নুরুল আজম চৌধুরীর সহযোগিতায় শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।

বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক পুর্বাঞ্চল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আহমেদ আলী খান, শেখ হারুন উর রশিদ, মো. রেজাউল হক, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ হেমায়েতুল ইসলাম, সহ-সভাপতি কবি সৈয়দ আলি হাকিম, ডা. সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডা. মো. আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, সরদার আবু তাহের মো. কামরুল ইসলাম কামু, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, এম জলিল, আজাদুল হক আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জি. এস এম শফিকুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজ, দপ্তর সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ভুট্রো, সহ দপ্তর সম্পাদক আশিকুর রহমান মিরাজ,   পরিবেশ সম্পাদক মীর কাওসার আহমেদ মিজু,  শেখ শহিদুল ইসলাম, মো. সাকিব হোসেন, মো. মাসুদুল হক, মো. ওমর ফারুক হোসেন প্রমুখ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন মুন্সি আহমেদ হোসেন।

হাসিনার পতন ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি নাই: গয়েশ^রায়

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শ্লোগান নয়, এখন এ্যাকশনের সময়। হাসিনার পতন ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি হবে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলনের বিকল্প নেই। তিনি গতকাল বিকেলে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়ায় বিএনপির গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে গয়েশ^রায় বলেন, রামপালের পাশেই সুন্দরবন। যুগ যুগ ধরে সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করে আসছে। আর এই সুন্দরবন ধ্বংস করার জন্য কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে বলে পণ করেছে। এই প্রযুক্তি ভারতের। কিন্তু ভারত সরকারের প্রযুক্তি ভারতবর্ষে স্থাপনের অনুমতি দেয় না। সেইটা আমাদের দেশে করছে। আজকে দেশটাকে ধ্বংস করার জন্য, পরিবেশের বিপর্যয় নানাবিধ কর্মকান্ড করছে। আর তড়িঘড়ি করে বিদ্যুৎ দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। ১০ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ১০ লক্ষ কোটি টাকা যদি বিদেশে থাকে তাহলে দেশের অর্থনীতির কি অবস্থা হবে? তিনি বলেন, বাংলাদেশের শুরু হয়েছিল মাত্র ৭৫০ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে। ৫০ বছর পর ১০ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। এই টাকাগুলি কার? এই টাকা আমাদের ফেরত আনতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলেন, ছাগল দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ চালাচ্ছেন। সবদিক দিয়ে শেখ হাসিনার পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে। ২০২২ সালের মধ্যে এই সরকারের পতন হবে। তার অধীনে আগামীতে কোন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, কোটি টাকার জন্য যদি খালেদা জিয়ার জেল হয়, তাহলে ৩২ কোটি টাকার জন্য কতো বছর জেল হবে? নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপিকে শক্তিশালী করুন। রাজপথে নামুন। রক্ত না দিলে মুক্তি মেলে না।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশে ধাপে ইউপি নির্বাচন শেষ হয়েছে। প্রথম ধাপে নৌকা প্রতীকের ৭৬ শতাংশ পরাজয় হয়েছে। ধাপে ধাপে পরাজয় হয়েছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের। যে নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি, সেই নির্বাচনে তাদের এই অবস্থা। জামানত বাতিল হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই আজ নৌকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, নৌকা আজ শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতীক নয়। নৌকা এখন লুটপাট, ধর্ষণ, দুর্নীতির প্রতীক। কারণে মানুষ আজ এর বিরুদ্ধে। তার উদাহরণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

অমিত বলেন, পথে পথে বাধা দিয়েছেন, গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছেন, পুলিশ বেত্রাঘাত করেছে তবুও মানুষ সমাবেশে এসেছে। গাড়ি, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ করে লাভ নেই। জনগণ জেগে উঠেছে, এই জনগণকে ঠেকানো সম্ভব নয়। অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। মনে রাখবেন, খালেদা জিয়ার টিকে থাকার সাথে আওয়ামী লীগের টিকে থাকার সম্পর্ক রয়েছে।

বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, এই সরকারকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে। লড়াই হবে যেখানে, বাঁধা আসবে যেখানে, যুদ্ধ হবে সেখানে। বিশ্বে করোনা গ্রাস করেছে। দেশের করোনা ভাইরাস আওয়ামী লীগ। তাদের অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। খালেদা জিয়ার জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বসে থাকতে পারে না। আঘাত এবং প্রতিঘাতের মাধ্যমে রাজপথে বিজয় অর্জন করতে হবে। এই অপশক্তির সরকার করোনার জন্য বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই সরকারের বিরুদ্ধে যখন মানুষ জেগে উঠেছে, তখন প্রেসনোট জারি করেছে। উন্মুক্ত স্থানে সমাবেশ করা যাবে না। প্রেসনোট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পতন রক্ষা করা যাবে না।

বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কন্ডুু বলেন, এতো উন্নয়ন করে, জনগনের চোখে পড়ে না। লুটপাট আর দুর্নীতিতে উন্নয়ন চোখে পড়ে না। আমাদের আরেকটি যুদ্ধ করতে হবে। নেত্রীর মুক্তির জন্য যুদ্ধ করতে হবে। বক্তারা বলেন, আ’লীগ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে না। তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। এই সরকারের কাছে অনুনয় বিনয় নয়। ফয়সালা হবে রাজপথে। এই সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। সংঘবদ্ধ আন্দোলন এবং একটি গণঅভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে সরকারের পতন ঘটাতে হবে। গণতন্ত্র আজ কারাগারে বন্দি। কোন পাতানো নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে মোকাবেলা করা হবে।

গণ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান। সমাবেশের এক পর্যায়ে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর এক বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ সভাপতি, খুলনা-আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ রকিবুল ইসলাম বকুল। সময় শ্লোগানে শ্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে সমাবেশস্থল।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা নির্বাহী কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. শফিকুল আলম মনা, বিএনপি নেতা সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু,  সাহারুজ্জামান মোর্তজা, আবুল হোসেন আজাদ, মোস্তাফিজুর রহমান, ইউসুফ আলী খান, মামুন হাসান, খান রবিউল ইসলাম রবি, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, খান জুলফিকার আলী জুলু, খায়রুল ইসলাম খান জনি, ডা. আব্দুল মজিদ, কাওসার আলী জমাদ্দার, রোবায়েত হোসেন বাবু, সাইফুর রহমান মিন্টু, মুর্শিদ কামাল, অসীত কুমার সাহা, কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি, আলী আকবর চুন্নু, এমএ জিলানী, ফকরুল ইসলাম রবি, ওমর ফারুক চৌধুরী কাউসার, শফি মোহাম্মদ খান, চৌধুরী কাওসার আলী, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সৈয়দা রেহানা ঈসা, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, শামীম কবির, গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ, মোল্লা কবির হোসেন, একরামুল হক হেলাল, ইবাদুল হক রুবায়েদ, আতাউর রহমান রুনু, খান ঈসমাইল হোসেন, অ্যাড. সেতারা বেগম, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাজিম বিশ্বাস, মতিয়ার রহমান বাচ্চু, গাজী আঃ হালিম, শেখ সরোয়ার হোসেন, হাফিজুর রহমান, শেখ শাহিনুর রহমান, হাবিবুর রহমান হবি, অরুণ কুমার, মশিউর রহমান লিটন, শেখ ফরহাদ হোসেন, আমিনুর রহমান প্রমুখ। এর আগে কেন্দ্রের নির্দেশনা পেয়ে এক সপ্তাহ আগে ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের স্বাধীনতা চত্বরে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে উপজেলা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করে বিএনপি। প্রাথমিকভাবে কর্মসূচি পালনের আশ^াস মিললেও শেষ পর্যায়ে এসে ছাত্রলীগ-যুবলীগ একই স্থানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কর্মসূচি পালনের জন্য আবেদন করে। সময় স্বাধীনতা চত্বরে কর্মসূচি পালনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। বিকল্প ভেন্যু বেছে নিয়ে বিএনপিকে কর্মসূচি পালন করতে বলা হলেও তা নিয়ে প্রতিনিয়ত চলতে থাকে নানা টালবাহানা। এর মধ্যে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা পুলিশ গোটা উপেজলা জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। তাদের দলবদ্ধ মটরসাইকেল মহড়া আতংক ছড়ায়। ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। এছাড়া সমাবেশকে কেন্দ্রে করে ডুমুুরিয়ায় পৌছানোর পথে পথে পুলিশী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন তল্লাশি বাস থামিয়ে দিয়ে নেতাকর্মীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। সময় শত শত বিএনপি কর্মী দীর্ঘ পথ পায়ে হেটে পাড়ি দিয়ে সমাবেশে যোগ দেন।

সকাল থেকে মঞ্চ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দুপুর ১২টার কিছু আগে শুরু হয় সমাবেশের কাজ। খুলনা জেলা মহানগর ছাড়াও পাশ^বর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে বিএনপির বিশাল বিশাল মিছিল সমাবেশে যোগ দেয়।

খুলনায় তিনদিনব্যাপী ফুচকা উৎসব

খবর বিজ্ঞপ্তি

যতো খুশি ততো খান” এমন স্লোগান এর উপর ভিত্তি করে খুলনা কনভেনশন সেন্টার লেট নাইট রেস্টুরেন্ট এর উদ্যোগে দিনব্যাপী ফুচকা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পাশে খুলনা কনভেনশন সেন্টার এন্ড লেট নাইট রেস্টুরেন্ট সকাল ১১ টা থেকে রাত টা পর্যন্ত উৎসব চলবে আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। মাত্র ৯৯ টাকায় যেকোনো স্বাদের যতো খুশি ততো ফুচকা খাওয়া যাবে। এছাড়া প্রতিটি ফুচকা গ্রাহককের জন্য খুলনা কনভেনশন সেন্টার এন্ড লেট নাইট রেস্টুরেন্টের উদ্যোগে রয়েছে ফ্রি মাক্স খুলনা কনভেনশন সেন্টার এন্ড লেট নাইট রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানান, খুলনার ভোজনরসিকদের জন্য এমন আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে এই আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান।  আমাদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাক্স বিতরণ এর জন্য রাখা হয়েছে সচেতনামূলক সচেতনতা মূলক স্টল।

ইতিমধ্যে খুলনা সর্বস্তরের মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ সহ সকল প্রকার আয়োজন সমাপ্ত হয়েছে।

রূপসায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ক এক সভা

রুপসা প্রতিনিধি:

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ক এক সচেতনতা মূলক সভা গত  ১২ জানুয়ারি দুপুরে রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের,  ফারহানা আফরোজ মনা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভীন। এসময় উপস্থিত ছিলেন  মেডিকেল অফিসার ডাঃ উজ্জ্বল কুমার পাল, ডাঃ প্রভাত বৈরাগী, আওয়ামীলীগ নেতা আ:   মজিদ ফকির,  ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন বুলবুল, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, রূপসা কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ শহীদুল্লাহ, সমাজসেবক মোঃ বাকির হোসেন বাকু, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক শেখ, কাজদিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, পূর্ব রুপসা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ করিম শেখ, মোঃ ইজ্জত আলী মীর প্রমূখ।

কেশবপুরে ১৭০ জন ছাত্রীর মাঝে সাইকেল বিতরণ করলেন শাহীন চাকলাদার এমপি

আলমগীর হোসেন,কেশবপুর

কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের ২০২১-২২ অর্থবছরের এডিপি’অর্থায়নে বুধবার বিকালে পাবলিক ময়দানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৭০ জন ছাত্রীর মাঝে সাইকেল, ৯জন প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার এবং ৯টি প্রতিষ্ঠানে হারমনিয়াম তবলা বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে ১৭০ জন ছাত্রীর মাঝে সাইকেল৯জন প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার এবং ৯টি প্রতিষ্ঠানে হারমনিয়াম তবলা বিতরণ করেন যশোর-কেশবপুর  সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউল হাসান হ্যাপী, শিক্ষা মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এস এম আশিফু্েদ্দৗলা, সদস্য কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, জেলা নেতা রেজাউল ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক প্রমুখ।

রূপসায় কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষক প্রশিক্ষণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

মাটির নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি, সুষম সার ব্যবহার ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার  বেলা ১১টায় রূপসা উপজেলার রাজাপুর সবুরুননেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প  এসআরডিআই অংগ দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ বিধি মেনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবী শেখ শামিম হাসান তুহিন। বক্তৃতা করেন কৃষক সাব্বির হাসান বিপ্লব। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জি এম মোস্তাফিজুর রহমান প্রকল্প পরিচালক অমরেন্দ্রনাথ বিশ^াস। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৬০জন কৃষাণ কৃষাণী অংশ গ্রহণ করেন। 

প্রশিক্ষকগন বলেন, ফসলের খাদ্য ভান্ডার হলো মাটি। অপরিকল্পিত ভাবে সার ব্যবহারের ফলে মাটির উর্ভরতা শক্তি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। ফলে ফসলের ফলন উৎপাদন আশানুরুপ হচ্ছে না। এমতাবস্থায় প্রয়োজন মাটির  উর্বরতা বৃদ্ধি সংরক্ষণ করা। জন্য মাটির উর্বরতা সংরক্ষণসহ ফসলের কাঙ্খিত ফসল বৃদ্ধির জন্য মাটি পরীক্ষা করে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য বর্তমানে বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সারে ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে নকল সার বা ভেজাল সার তৈরী করে বিক্রি করছে। এতে মাটির গুনাগুন নষ্ট হচ্ছে। কৃষকরা একটু সতর্ক হলেই আসল সার জেভাল সারের পার্থক্য বুঝতে পাবেন। প্রশিক্ষণে মাটির নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি, সুষম সার ব্যবহার ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর তা সকল কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানানো হয়।

সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বরে এক হোটেল ব্যবসায়ী নারী কর্মীকে কুপিয়ে জখম

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বরে হোটেল ব্যবসায়ি দুই অংশীদারের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে মালামাল চুরির অভিযোগ এনে বটি দিয়ে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে ওই হোটেলের নারী কর্মীকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বুধবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বরে ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের ঝুটিতলার মাওলা বক্স মোল্লার ছেলে আনারুল ইসলাম (৩৮) মাছখোলা গ্রামের মৃত গোলাম বারী ওরফে খোকনের স্ত্রী মঞ্জিলা খাতুন (২৫)

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আনারুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ আট বছর ধরে তিনি শহরের মুনজিতপুরের তাজুল সরদারের ছেলে নজরুল ইসলামের সঙ্গে যৌথভাবে জজ কোর্ট চত্বরে হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বুধবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি হোটেলের রান্না ঘরে অবস্থান করাকালিন নজরুল ইসলাম তাকে চুরি করে মালামাল বাড়ি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি এর প্রতিবাদ করার একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম তাকে মারটিপ শুরু করেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী রান্না করার বটি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করে। তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে হোটল কর্মী মঞ্জিলার মাথায় কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করে মেহেদী। সময় আদালতে কর্মরত কয়েকজন আইনজীবী সহকারি আইনজীবী তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

নারী কর্মী মঞ্জিলা খ্তাুন জানান, প্রতিদিন ২৫০ টাকা মজুরির ভিত্তিতে তিনি আদালত চত্বরের নজরুল ইসলাম আনারুল ইসলামের যৌথ মালিকানাধীন হোটেলে কাজ করে থাকেন। বুধবার সোয়া নয়টার দিকে আনারুলকে মেহেদী নজরুল ইসলাম বটি দিয়ে কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করার সময় তিনি তার জীবন বাঁচাতে গেলে তাকেও পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করে। অপর নারী কর্মী লায়লী তাকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে সেও আহত হয়। নারী কর্মীদের সঙ্গে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন মঞ্জিলা।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের কয়েকজন আইনজীবী আইনজীবী সহকারিসহ কয়েকজন নারী জানান, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তার হোটেলের নারী কর্মচারিদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। তার লালসার শিকার হয়ে অনেকেই কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। তারা অসহায় হয়ে কাজ করতে আসায় প্রভাবশালী ওই নজরুলের বিরুদ্ধে কোথাও অভিযোগ করতে পারেননি।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ পারভিন আক্তার জানান, আনারুল ইসলামের বাম চোখ, মাথা, মুখ, হাত শরীরের বিভন্ন অংশে ধারালো ভারী জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। একইভাবে ধারালো ভারী অস্ত্র দিয়ে মঞ্জিলা খাতুনের মাথায় আঘাত করা হয়েছে। তার একবার বমি হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ব্যাপারে নজরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কবীর জানান, বিষয় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পথের বাজার পুলিশ  ক্যাম্প  ইনচার্জ এস আই রাকিবের সাফল্য অস্ত্রসহ  বছরে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

খুলনা নগরীর প্রবেশদ্বার  খানজাহান আলী থানাধীন পথের বাজার পুলিশ চেকপোষ্টে বিগত বছরে বিপুল পরিমান মাদক,  মাদক মামলার আসামি , বিদেশী পিস্তল, চোরাই মালামাল সহ  একাধিক বিভিন্ন মামলার আসামিকে আটক করেছে পুলিশ ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি পথের বাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন এস আই রাকিবুল  ইসলাম যোগদানের পর থেকে প্রতিনিয়িত চেকপোষ্টে আটক হতে থাকে বিপুল পরিমান গাজা, ইয়াবা , ফেন্সিডিল সহ বিভিন্ন প্রকার মাদক , এর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি  ৪০০ গ্রাম গাজা, ১৮৩৭ পিস ইয়াবা , ৩০ বোতল ফেন্সিডিল, ১২ লিটার দেশীয় মদ এবং ৩৯ জন মাদক ব্যবসায়িকে নিয়মিত মাদক মামলার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করেন। এছাড়া  ফেব্রুয়ারী ২০২১ তারিখে মোবাইল টাওয়ারের তালা ভেঙে ব্যাটারি চোরচক্রের প্রধানহোতা খুলনা বড়বয়রা এলাকার মোঃ ইমাদ হোসেনকে ৪৮ টি চোরাই ব্যাটারি চোরাইকাজে ব্যবহৃত টি ট্রাক সহ আটক করেন।  ১০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেকপোষ্ট থেকে বাগেরহাট জেলার মোঃ জনি নামে জনকে  রাউন্ড,একটি ম্যাগজিন একটি বিদেশী পিস্তল সহ আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন চুরি মামলার জন আসামিকে চোরাই মালামাল সহ  আটক করেন। মাদকপাচারের কাজে ব্যবহৃত টি প্রাইভেট কার টি মটর সাইকেল আটক করেন।এছাড়া সন্দেহজনক গতিবিধির কারনে জন ব্যক্তিকে  কেএমপি অধ্যাদেশে  গ্রেফতার পূর্বক আদালতে প্রেরণ করেন থার্টিফাস্ট নাইটে বোতল হুইস্কিসহ জনকে আটক করেন তিনি ।  মাদক উদ্ধার সহ ভালো কাজের জন্য  এস আই রাকিবুল ইসলাম বিগত টানা বার সহ অসংখ্যবার খুলনা মেট্রোপলিটনের মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নিকট থেকে শ্রেষ্ঠ উদ্ধারকারি অফিসার হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছেন খানজাহান আলী থানার পথের বাজার পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস আই রাকিবুল ইসলাম বলেন সমাজে যত অপরাধমুলক কর্মকান্ড  হয় তার অন্যতম প্রধান অনুঘটক মাদক। পথের বাজার পুলিশ ক্যাম্পে যোগদানের পর থেকে মাদক উদ্ধারের জন্য আমি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করি ,সেই সাথে ক্যাম্পে ক্যাম্পে কর্মরত সকল পুলিশ সদস্যরা একাজে সহযোগিতা করেছে যার কারনে চেকপোষ্ট থেকে এত পরিমান মাদকদ্রব্যসহ অস্ত্র,গুলি উদ্ধার এবং অসংখ্য মাদক কারবারি অস্ত্র ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে যার ফলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ তথা সমগ্র পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। কাজের প্রতি নিষ্ঠা,সততা একাগ্রতা থাকলে এবং সহকর্মী সকলের সহযোগিতা ধৈর্য সহকারে কাজ করলে অবশ্যই অনেক কঠিন কিছু খুব সহজেই  করা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি। এস আই রাকিবুল ইসলাম বলেন অতিরিক্ত উপ- পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মহোদয় এর নির্দেশনা মোতাবেক , সহকারি পুলিশ কমিশনার দৌলতপুর জোন সাহেব  খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  প্রবীর কুমার বিশ্বাসের  সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে নিষ্ঠার সহিত আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব কর্তব্য পালন করে যাচ্ছি।এজন্য তিনি  সকলের সহযোগিতা কামনা করেন দেশের বিভিন্নস্থান থেকে প্রতিদিন শত শত যানবাহন পথের বাজার  পুলিশ চেকপোষ্ট অতিক্রম করে খুলনা নগরীতে প্রবেশ করে গুরুত্বপুর্ন চেকপোষ্টে মাত্র ১২ জন পুলিশ কনষ্টেবল রয়েছে। তবে এখানে আরো জনবল বাড়ালে চেকপোষ্ট কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়বে বলে মনে করেন স্থানিয়রা

সাগরসহ ১২ নেতৃবৃন্দের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে খানজাহান আলী থানা যুবদলের প্রতিবাদ সভা

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

খুলনা মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরি সাগর সহ ১২ জনের  নামে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে খানজাহান আলী থানা যুবদলের উদ্যোগে ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শিরোমনি কে ডি মার্কেট কার্যালয়ে এক জরুরী সভা শেখ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা মহানগর যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক আল মামুন জুয়েল। বক্তৃতা করেন মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, জি এম কামরুজ্জামান, হাসিবুর রহমান উজ্জল, মিজানুর রহমান সোহেল, মোঃ শহিদুল ইসলাম খোকন, আবুল কালাম আজাদ, মোঃ মিরাজুল ইসলাম, মোঃ মশিউর রহমান, মোঃ আতিকুল ইসলাম, শেখ সাগর আহ্মেদ, মোহাম্মদ জাফর শেখ, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, আরমান শিকদার সেন্টু, মোঃ সুমন, মোহাম্মদ আক্কাস আলী প্রমুখ।

সাতক্ষীরা শহরের ছিন্নমুল অসহায় মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা শহরের ছিন্নমুল অসহায় মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন করেছে এসএসসি ১৯৯৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাতে শহরের সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের কাশেম সুপার মার্কেটস্থ এসএসসি-৯৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে উক্ত শীত বস্ত্র বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর শহরের বিভিন্ন স্থানের ছিন্নমূল শতাধিক মানুষের পাশে গিয়ে উক্ত শীত বস্ত্র বিতরন করা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, এসএসসি-৯৩ এর বন্ধু সহকারী অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ, বাংলাভিশন টিভি চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান আসাদ, ওবায়দুর রহমান লিটন, মাসুদ বাবু, মিল্টন, সাব্বির হোসেন, মোফাজ্জেল হোসেন, তুরাবুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, বকুল, আব্দুল কাইয়ুম, হাসানুজ্জামান, লিটন জামান প্রমুখ।

ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটের রামপালের ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আব্দুস সালাম এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রামপাল উপজেলার ডাকরা বধ্যভূমির সামনে ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিন্দ্রনাথ হালদার দুলাল, ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক ডাকরা গনহত্যা বইয়ের লেখক বিষ্ণুপদ বাগছি, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ আলতাফ হোসেন, আব্দুল খালেক হাজী, আব্দুল হামিদ শেখ, শেখ আব্দুল হক, ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী শিক্ষক শিশির কুমার বিশ্বাস, পুনেন্দ বিশ্বাস, গনহত্যায় স্বজন হারানো মুক্তা বিশ্বাস, স্বপ্না রানী বিশ্বাস, দিপক রায় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করছেন। এর অংশহিসেবে মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ আব্দুস সালামের নামে ডাকরা গনহত্যা জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন। ১৯৭১ সালে ডাকরা গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালাম জড়িত ছিলেন না।  বরং শেখ আব্দুস সালামের পরিবার মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আশ্রয় খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্য করার জন্য কোন একটি দুষ্টচক্র এই অপপ্রচার চালাচ্ছে এই ঘৃন অপপ্রচার ইতিহাস বিকৃতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন মানববন্ধনকারীরা। মানববন্ধনে বীরমুক্তিযোদ্ধা, ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী, স্থানীয় গন্যমান্য সহস্রাধিক ব্যক্তিরা অংশগ্রহন করেন।

ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বলেন, অত্যাচারীত স্বজন হারা মানুষ আমরা। এই গনহত্যাকে কেন্দ্র করে কোন অপপ্রচার বিকৃত ইতিহাস রচিত হলে তা আমরা মেনে নেব না। ১৯৭১ সালে ডাকরা গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালামের কোন সম্পৃক্ততা ছিল না, বরং শেখ আব্দুস সালামের পরিবার ওই সময় হিন্দুদের আশ্রয় খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

ডাকরা গনহত্যা বইয়ের লেখক সাবেক প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বাগছি বলেন, ডাকরা গনহত্যা বিষয়ক বই লেখার সুবাদে এই এলাকার বীরমুক্তিযোদ্ধা, নিহতদের স্বজন প্রতক্ষদর্শীদের সাথে আমি কথা বলেছি। গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালাম জড়িত এমন কথা কেউ বলেনি। গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালামকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেটা ইতিহাস বিকৃতির সমান। আমি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

বাগেরহাট জেলা পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিন্দ্রনাথ হালদার দুলাল বলেন, জীবন বাজী রেখে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছি। তারমানে এই নয় যে, নিরাপরাধ মানুষকে অপরাধী বলব। যে বা যারা ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃতের অপচেষ্টা করছেন আমি তাদেরকে ধীক্কার জানাই। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী শিক্ষক শিশির কুমার বিশ্বাস বলেন, ১৯৭১ সালে শেখ আব্দুস সালাম ডাকরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণিতে পড়তেন। গনহত্যার সাথে আব্দুস সালাম কোনভাবে জড়িত ছিল না।

১৯৭১ সালের ২১ মে শুক্রবার বাগেরহাটের রজ্জব আলী ফকিরের রাজাকার বাহিনী রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামে ব্যাপক গণহত্যা চালায়। গুলি জবাই করে তারা সেদিন প্রায় ছয় শতাধিক সাধারন মানুষকে হত্যা করে। এক সাথে রাজাকার বাহিনীর হাতে জেলার সবচেয়ে বড় হত্যাকান্ডের মধ্যে একটি।

বাগেরহাটে দুই মাসেও শেষ হয়নি ভাতাভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধার আবেদন যাচাই, সচেতন মহলে ক্ষোভ

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট   

বাগেরহাটে সরকারী ঘোষিত ফি মুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স নবায়নের ভাতাভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহফুজুর রহমানের তথ্য যাচাই দুই মাসেও শেষ করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। দেশ যখন তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে তখন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহফুজুর রহমানের এমন ঘটনায় সর্বমহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানাগেছে, বাগেরহাটের প্রবীন রাজনীতিবীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহফুজুর রহমানের লাইসেন্সকৃত একটি রিভলবার একটি দোনালা বন্দুক রয়েছে। স্বরাস্ট মন্ত্রনালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ফি মওকুফ করেছে। এবিষয়ে যথায়থো ব্যবস্থা নিতে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা তার ব্যবহৃত দুটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ফি মওকুপের জন্য গত ১১ নভেম্বর বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। জেলা প্রশাসন এই বীর মুক্তিযোদ্ধার আবেদনটি ২৪ নভেম্বর বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তর থেকে এক মাস পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। আদেনের বিষয়ে ২৬ ডিসেম্বর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইতিবাচক রিপোর্ট দেয়ার ওই দিনই নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের পাঠিয়ে দেয়। দুই মাস অতিবাহিত হলেও বিষয়টির কনো সুরহা হয়নি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি একজন গেজেটভুক্ত সরকারী ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধাদের আগ্নেয়াস্ত্র ফি মুক্ত ঘোষনা করেছে সরকার। আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নবায়নের সময় বিষয়টি জেনে জেলা প্রশাসকের বরাবরে সকল কাগজপত্রসহ আবেদন করি। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যানে মাত্র একটি ক্লিকে যেখানে সবকিছু যাচাই করা সম্ভব। সেখানে দিনের পর দিন আমাকেই ঘুরারো হচ্ছে, এটা এক ধরনের হয়রানি, অপমানকর ঘটনাও বটে। আমি বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হয়ে এভাবে হয়রানীর শিকার। তা হলে সরকারী দপ্তরে সাধারণ মানুষের অবস্থা কি হচ্ছে? এটা খুবই দুঃখজনক।

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ তালুকদার আব্দুল বাকী জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহফুজুর রহমানের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নবায়নের সময় তাকে যে হয়রানী করা হয়েছে তা দুঃখজনক। সরকারী সুবিধা দিতে একজন প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে এমন ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা।

এবিষয়ে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নীহার রঞ্জন সাহা বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক। সকল কর্মকর্তাদের জাতীর এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের  সকল সরকারী সেবা দ্রুত নিশ্চিত করা।

বাগেরেহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান জানান, এই বিষয়টিতে এতো সময় লাগার কথা নয়। নিশ্চয় কোন অসুবিধা আছে। বিষয়টি তাঁকে (বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহফুজুর রহমান) আগামী কাল অফিসে পাঠালে  খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দেন ডিসি।

নিখোজের দিনেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মুন্নার

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট                

বাগেরহাটের শরণখোলায় মোঃ মুন্না (১৫) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দিন ধরে নিখোজ রয়েছেন। অনেক জায়গায় খোজাখুজি করে সন্তানের খোজ না মেলায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বাবা-মা। ঘটনায় বুধবার (১২ জানুয়ারি) শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে পরিবারটি। এর আগে শুক্রবার (জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফিরে আসেনি মুন্না।

নিখোজ মুন্না শরণখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আঃ সোবহান হাওলাদারের ছেলে। সে রাজাপুর  ছালিহা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিখোজ মুন্না হালকা কালো রংয়ের শার্ট জিন্সের প্যান্ট পরিহিত ছিলেন। তার চার ফুট সাত ইঞ্চি উচ্চতার মুন্নার গায়ের রং ফর্সা, স্বাস্থ্য ভাল

মুন্নার বাবা সোবাহান হাওলাদার জানান, গত শুক্রবার (জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফিরে আসেনি মুন্না। এর পরে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে তাকে পাওয়া যায়নি। ছেলেকে খুজে পেতে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি। ছেলেকে না পাওয়ায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন পরিবারের সবাই।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান বলেন, মুন্না নামের একটি ছেলে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ছেলেটির সন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

বাগেরহাটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট                

বাগেরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এইচ মোস্তফা শিক্ষা বৃত্তি ফাউন্ডেশন কতৃক গোটাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরবৃত্তি শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে গোটাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এই বৃত্তিপ্রদান কম্বল বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফাছ্ছির মুশফিকুর রহমান।বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এইচ মোস্তফা শিক্ষা বৃত্তি ফাইন্ডেশন এর চেয়ারম্যান গোটাপাড়ামাধ্যমিক বিদ্যালয়েরপ্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এইচ. মোস্তফাএরসভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অব:) মোকলেসুর রহমান,গোটাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: জালালউদ্দিন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাওলাদার সফিউর রহমান, গোটপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসএম মাহাবুবুর রহমান, শিক্ষক শেখ মোয়াজ্জেম প্রমুখ।

উল্লেখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এইচ মোস্তফাশিক্ষাবৃত্তিফাউন্ডেশনমাধ্যমে ১০০ জনশীতার্ত মানুষেরমাঝে কম্বল এবং গোটাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫ জন মেধাবীশিক্ষার্থীকেনগদ পচিশ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

বাগেরহাটে দুই দিন ব্যাপি বিজ্ঞান মেলা

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে ৪৩তম বিজ্ঞান প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে দুইদিন ব্যাপি বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন। এসময়, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, বাগেরহাট সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ আজগর আলীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। দুইদিন ব্যাপি এই বিজ্ঞান মেলায় বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট কামিল মাদরাসাসহ মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করেছেন। দুইব্যাপি এই মেলা বৃহস্পতিবার বিকেলে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান মনস্ক করা করোনাকালীন হাতাশ কাটিয়ে ওঠার জন্য এই বিজ্ঞান মেলা মূখ্য ভূমিকা পালন করবে। দুইদিন ব্যাপি এই মেলায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান বিষয়ক উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া মেলায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক দুই ক্যাটাগরীর ৬টি প্রতিষ্ঠানকে পুরুস্কৃত করা হবে বলে জানান তিনি।

ফকিরহাটে শক্তিশালি ইউনিয়ন গঠনের লক্ষে লখপুরে সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালি কার্যকর একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করার লক্ষে জবাবদিহিতা মুলক উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভা বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ১নং ওয়ার্ডের আলহাজ্ব আম্বিয়া-ইসহাক কলেজিয়েট গালর্স স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্ড সদস্য আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপিস্থত ছিলেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোসাঃ তাহিরা খাতুন।

উদ্ভোধক ছিলেন লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম,ডি সেলিম রেজা। উপদেষ্টা ছিলেন মহিলা সদস্যা খুকুমনি বেগম। প্যানেল চেয়ারম্যান-০১ ইউপি সদস্য মোঃ সেলিম শেখ এর উপাস্থপনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ইউপি সদস্য শেখ আহম্মদ আলী, আসপিয়ার হোসেন মোড়ল, কবির মোড়ল সালাহ উদ্দিন লিটু প্রমুখ। সভায় শতাধিক উপকারভোগী তাদের চাহিদার কথা তুলে ধরেন, যা ইউপি সচিব প্রসুন কুমার দাশ খসড়া আকারে একটি রেজুলেশন করেন। এসময় শিক্ষক সাংবাদিক জনপ্রতিনিধি ইমাম মোয়াজ্জেমসহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ##

ফকিরহাট কেন্দ্রিয় কালী মন্দির কমিটির পরিচিত সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাট কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিত সভা শপথপাঠ অনুষ্ঠান মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় অত্র মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মন্দির কমিটির প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী দাশ শিশির কুমার নবগঠিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দদের শপথপাঠ করান। পরে পুনরায় নির্বাচিত মন্দির কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তাপস কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান যৌথভাবে পরিচালনা করেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক মন্দির কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রভাষক মনোতোষ রায় কেষ্ট এবং মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রশান্ত মোদক বাবু। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফকিরহাট বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক উজ্জল কুমার ঘোষ, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি সমীর কুমার কুন্ডু, নির্মল কুমার দাশ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বিধান চন্দ্র সাহা, গোপাল চন্দ্র সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ চন্দ্র কুন্ডু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাশ কোষাধ্যক্ষ অশোক কুমার ঘোষ প্রমূখ।

শিক্ষকদের অনিয়মের প্রতিবাদে ঝিনাইদহ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

শিক্ষকদের নানা অনিয়ম দুর্নিতীর প্রতিবাদ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ঝিনাইদহে সড়ক অবরোধ করেছে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের সামনে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়ক অবরোধ করে তারা। এসময় বন্ধ হয়ে যায় ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে যান চলাচল। ভোগান্তীতে পড়ে সড়কে চলাচলকারীরা। অবরোধ চলাকালে ওই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীর নানা শ্লোগান দিতে থাকে।

অবরোধ চলাকালীন সময়ে এক শিক্ষার্থী বলেন, ঝিনাইদহ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সাথে নানা অনিয়ম করে আসছে। ব্যবহারিক ক্লাস পরীক্ষা সঠিক ভাবে দিলেও শিক্ষকরা তাদের নম্বর কম দিচ্ছে। প্রতিবাদ করা হলে টিসি দিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেককে। শিক্ষকরা ব্যবহারিক ক্লাসের নামে মাঠে কাজ করান। আমাদের ঠিকমত ক্লাস নেন না। দেশের অন্য এটিআই থেকে আমাদের এটিআইতে ভর্তির জন্য ৭০০ টাকা বেশি নেওয়া হয়। এসব অনিয়মের মুল হোতা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ। পরে পুলিশ প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবী মানার আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে দেয়।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, কিছু দাবী নিয়ে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছিল। কর্তৃপক্ষ সমস্যার সমাধান করে দিবে এমন আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

ব্যাপারে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ  দেবানন্দ বিশ্বাস’সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, ব্যস্ত আছি পরে কথা হবে।

খুবির অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হলেন ড. মোঃ হাসানুজ্জামান

খবর বিজ্ঞপ্তি

তিনশত পঁয়ত্রিশ কোটি পঁয়ত্রিশ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষ ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা উন্নয়ন বিভাগের উপ-রেজিস্ট্রার ড. মোঃ হাসানুজ্জামান। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। ইতোমধ্যে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি হলেন প্রকল্পের প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প পরিচালক।

প্রতারণার ফাঁদে ফেলে পাখি নিধন

এইচ এম হাশেম, কপিলমুনি

বিভিন্ন পাখির ডাক শুনিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে সুন্দরবন উপকূলীয় খুলনার পাইকগাছায় বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে অবাধে চলছে অতিথিসহ দেশী পাখি নিধন। উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিল, জলাশয় চিংড়িঘের থেকে সংঘবদ্ধ শিকারী চক্র মোবাইলে বিদেশী অতিথি পাখির ডাকের অডিও শুনিয়ে প্রলুব্ধ করে নীচে নামিয়ে ফাঁদে ফেলে প্রতিদিন রাতে শিকার করছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। পাখি নিধন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে মাঝে-মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবে কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না পাখি শিকার। শীতের শুরুতেই পৃথিবীর বিভিন্ন শীত প্রধান দেশগুলো থেকে কিছুটা উষ্ণতার আশায় হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে দল বেঁধে বাংলাদেশের বিলাঞ্চলে আসে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি। তবে শিকারী চক্রের নিয়মিত অত্যাচার অভয়াশ্রমের অভাবে এক প্রকার অবাধে প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে এসব পাখি। এরপর যোগান হচ্ছে রসনা বিলাসের। পাখি শিকার বন্ধে সরকার কঠোর আইন প্রনয়ন করলেও নানা সংকটে এক দিনের জন্য হলেও বন্ধ হচ্ছে না পাখি শিকার। পৌরসদর থেকে কয়রা অভিমুখে শিববাটী ব্রিজ পার হয়ে অনতিদূরে নির্মাণাধীন কৃষি কলেজের বিপরীতে শামীম হোসেনের ইব্রাহীম গার্ডেন’ নামে বনায়ন প্রকল্পটি অবস্থিত। দিনের শেষে সন্ধ্যার পর থেকে বালিহাঁস, দলকচু, খয়েরী দেশীয় বকসহ দল বেঁধে বিভিন্ন প্রজাতির হাজার হাজার অতিথি পাখি সহ দেশীয় পাখি আশ্রয় নেয় ইব্রাহীম গার্ডেনে। উপজেলার বয়রা, কচুবুনিয়া, বাসাখালী, বাইসারাবাদ, তেঁতুলতলা, লতা, উলুবুনিয়া, পুটিমারী, শংকরদানা, হানিমুনকিয়া, বাহিরবুনিয়া, দেলুটি, সোলাদানা, কপিলমুনি, তালতলা, গোয়ালবাথান, শ্রীফলতলা, প্রতাপকাটি, শামুকপোতা, চকবগুড়া, খড়িয়া, অকাইবাসী, ঠাকুনবাড়ী, আমিরপুর, বাইনবাড়ীয়া, কুমখালী পাইকগাছা পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় খাল-বিল, জলাশয় চিংড়ি ঘের রয়েছে। প্রজাতি ভেদে সকাল অথবা সন্ধ্যা নামতেই বিভিন্ন প্রজাতির এসব অতিথি পাখিরা দল বেঁধে খাদ্য সংগ্রহে নেমে পড়ে। সময় সংশ্লিষ্ট ঘের বা জলাশয়ের কর্মচারীদের যোগসাজসে অথবা শিকারী চক্র আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকে পাখি শিকারে। স্থানীয়রা জানান, এর আগে তারা বিভিন্ন মাছ ফড়িং জাতীয় কীট-পতঙ্গে বিষ, ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রাখতো। কোথাও কোথাও পেতে রাখা হয় ফাঁদ। এভাবে শিকারী চক্র প্রতিদিন ফাঁদ বিষ টোপ দিয়ে বিভিন্ন জাতের পাখি শিকার করতো। তবে এখন এসব পাখি শিকারে শিকারী চক্র তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সহজেই বোকা বানাচ্ছে এসব পাখিদের। গুগল থেকে সার্চ দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ডাক ডাউনলোড করছে স্ব স্ব মোবাইলে। এরপর রাতের আকাশে পাখিদের আনাগোনা দেখে মোবাইলে ওইসব পাখির ডাক বাজানো শুরু করছে। এরপর পাখিরা ওই টোন শুনে মনে করছে তার অন্যান্য সাথীরা সেখানে নিরাপদে অবস্থান করছে। আর শিকারীদের এসব নিত্যনতুন প্রতারণায় প্রলুব্ধ হয়ে নীচে নামতেই জড়িয়ে পড়ছে পেতে রাখা ফাঁদে। এভাবে প্রতিদিন শিকার হচ্ছে অসংখ্য অতিথি পাখি। উপজেলায় বনবিবি সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান জানান, প্রতিবছর শীতের শুরুতেই শীত প্রধান দেশগুলো থেকে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি আমাদের দেশে আসে। এরা মূলত শীত ভর করে নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে শুরু করে মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত এলাকায় অবস্থান করে। এরপর আগতদের মধ্যে বেঁচে থাকারা উড়াল দেয় নিজ দেশে। তবে এদের থাকার জন্য তেমন কোনো নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা অভয়াশ্রম না থাকায় শুধুমাত্র বেঁচে থাকার তাগিদে হাজার হাজার মাইল দূরে থেকে আসা অতিথি পাখিদের অধিকাংশরাই প্রবাসেই নিধন হয়। তবে এসব পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল করার জন্য তারাও উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানান। সাংবাদিক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু বলেন, পাখিরা রাতের চেয়ে দিনের বেলায় বেশি নিরাপত্তাহীন থাকে। বিশেষ করে রাতের নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে সকালে যখন খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে তখন তারা শিকারীদের কবলে পড়তে হয়। এসব পাখি শিকার বন্ধে মনিটরিং সহ প্রশাসনের ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান তিনি। পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, থানা পুলিশ পাখি শিকার বন্ধে সবসময় তৎপর রয়েছে। পাখি শিকারের ব্যাপারে তথ্য পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণেরও আশ্বাস দেন তিনি। বিষয়ে তিনি জনসাধারনের সহযোগিতা কামনা করেন।

বৃহত্তর খুলনার কৃতি সন্তান শিল্পী মাহমুদুল হকের মৃত্যুতে রূপান্তরের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

রূপান্তর-এর সুহৃদ চারুকলা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সাবেক মহাপরিচালক দেশ বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মাহমুদুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)অতিমারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মাহমুদুল হকের বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে এক ছেলে রেখে গেছেন।  তাঁর মৃত্যুতে রূপান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহত্তর খুলনার কৃতি সন্তান মাহমুদুল হক ১৯৪৫ সালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলায় জন্মগ্রহণ করেন। বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি ১৯৬৮ সালে তিনি তৎকালীন চারু কারুকলা কলেজ (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ) থেকে বিএফএ এবং ১৯৮৪ সালে জাপানের সুকুবা ইউনিভার্সিটি থেকে এমএফএ ডিগ্রি পান। তিনি দুই বছর জাপানে ছাপচিত্রের উপর গবেষণা করেন। ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মাহমুদুল হক। ২০১০ সালে তিনি প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে অবসর নেন। মাহমুদুল হক চারুকলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পর্যন্ত তার ৩৯টি একক প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছে এবং বহু দলবদ্ধ প্রদর্শনীতে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।

তিনি ১৯৮২ সালে জাপানের সুচিউরা সিটি শ্রেষ্ঠ চিত্রকলার পুরস্কার (১৯৮২), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিয়েনালে পুরস্কার, সুলতান পদকসহ বহু পুরস্কার লাভ করেন। আগামীকাল তাঁর নিজ গ্রাম বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলায় দাফন করা হবে।

তাঁর মৃত্যুতে রূপান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এক শোক বার্তায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করে বলা হয়েছে, তাঁর এই চলে যাওয়ায় দেশের চারুকলার অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা’ পূরণযোগ্য নয়।

মোংলায় করোনা-ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে শতাধিক এন-৯৫ মাস্ক বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলায় করোনা-ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে এন-৯৫ মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সৈয়দ শাকিল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’যৌথ উদ্যোগে সর্বদলীয় সম্প্রীতির ব্যবস্থাপনায় বুধবার সকালে পৌর শহরের রিমঝিম চত্বরে বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। সময় উপস্থিত ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন’খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু, মোংলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বাগেরহাট’আহ্বায়ক মো. নূর আলম শেখ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা মো. ইস্রাফিল হোসেন, বিএনাপি নেতা শেখ শাকির হোসেন, জাতীয় পার্টি মোংলা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক এরশাদুজ্জামান সেলিম, যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম সোহাগ, সিপিবি নেতা মাহারুফ বিল্লাহ, নারীনেত্রী কমলা সরকার, ইউপি সদস্য হাদিসা বেগম, রোজলিন অন্তরা, সাংবাদিক শেখ রাসেল হাসিব সরদার। মাস্ক বিতরণের আগে ভ্যান-রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন কার্য্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন’সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা করোনা ভাইরাস-ওমিক্রন মোকাবেলায় দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। সমাবেশে বক্তারা করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় এন-৯৫ মাস্ক বিতরণে সহায়তা প্রদাণের জন্য জার্মান প্রবাসী সৈয়দ শাকিল’প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, বাপা সৈয়দ শাকিল ট্রাস্ট’উদ্যোগে সর্বদলীয় সম্প্রীতির ব্যবস্থাপনায় পাঁচ শতাধিক শ্রমজীবি মানুষের মাঝে এন-৯৫ মাস্ক বিতরণ করা হয়।

জামিনে মুক্ত শরণখোলার বাঘ হাবিব, উৎকন্ঠায় বন্যপ্রাণী প্রেমীরা

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি :

বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনে ৭০ টি বাঘ সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী হত্যা পাচারকারী চক্রের হোতা হাবিব তালুকদার (৫০) ওরফে বাঘ হাবিব জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফেরায় উৎকণ্ঠা বেড়েছে টাইগার টিমসহ বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যদের মাঝে। হাবিব আবারও বনে প্রবেশ করে বাঘসহ বন্যপ্রাণী শিকারে লিপ্ত হতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা রয়েছে।

সুন্দরবনে নিয়মিত বাঘ, হরিন, কুমির সহ বন্যপ্রাণী শিকারের কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি বাঘ হাবিব নামেই পরিচিত। হাবিব উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন সোনাতলা গ্রামের এক সময়ের দুর্ধর্ষ বনদস্যু বাদল পেয়াদার প্রধান সহযোগী কদম আলী তালুকদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী নিধন আইনে বনবিভাগের দায়ের করা আটটি মামলা রয়েছে।

সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত কমিউনিটি পেট্রোালিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যরা জানান, হাবিবের পরিবারের অনেকেই সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী হত্যার সঙ্গে জড়িত। সে অনেক বছর ধরে বাঘ, হরিণ কুমির শিকার করে আসছে। তাছাড়া, ৭০টি বাঘ শিকার এবং বন্যপ্রাণীর চামড়া, মাংস কঙ্কাল বিক্রি করা হাবিবের একার কাজ নয়। এর পিছনে অর্থ যোগানদাতা সহ গডফাদার রয়েছে। এসব গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

এব্যাপারে জানতে চাইলে বন্যপ্রাণী শিকারী চক্রের হোতা বাঘ হাবিব বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে ৭০ বাঘ হত্যার অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক। একটি মহল আমাকে ফাঁসানোর জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সমাজ সেবক বলেন, সুন্দবনে বন্যপ্রাণী নিধন চক্রের হোতারা সব সময় ধরা ছোয়ার বাইরে। মাঝে মধ্যে দুএকজন চোরা কারবারী ধরা পড়লেও অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতাবলে তারা জেল থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে আসে এবং পূর্বের পেশায় ফিরে যায়।

শরণখোলা ষ্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. আব্দুল মান্নান জানান, বাঘ শিকারি হাবিব বনবিভাগ পুলিশের কাছে মোস্ট ওয়ান্টেড। তার বিরুদ্ধে বনবিভাগের দায়ের করা দুইটি বাঘের চামড়া ছয়টি হরিণের চামড়া পাচারের মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. সামসুল আরেফিন জানান, হাবিব তালুকদার ওরফে বাঘ হাবিব একজন বন্যপ্রাণী হত্যাকারী বন বিভাগের তালিকাভুক্ত আসামী। জেল থেকে ছাড়া পেলেও তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. বেলায়েত হোসেন জানান, বাঘ হত্যাকারী হাবিবের জামিনের বিষয়টি এলাকায় ফিরে আসা আমাদের শঙ্কিত করেছে। তার ব্যাপারে বনবিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নজরদারী বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনে বাঘ সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী হত্যায় অভিযুক্ত বাঘ হাবিবকে ২০২১ সালের ২৮ মে রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার মধ্য সোনাতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। সাত মাস জেল খেটে সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

মোংলায় বৃষ্টি, বাতাস ঘন কুয়াশা, যান চলাচল বিঘ্নিত, মানুষের ভোগান্তি

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপের কারণে বুধবার ভোর থেকে মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। এর প্রভাবে ভোর থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ঘন কুয়াশার পাশাপাশি হালকা বাতাস এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এতে আগের তুলনায় শীতের প্রকোপও বেড়েছে।

কুয়াশায় সড়ক নদী পথে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। বাতাস বৃষ্টিতে ভোগান্তীতে পড়েছে নিতান্তই খেটে খাওয়া মানুষের।

সুন্দরবনের পর্যটনবাহী জালিবোট (নৌযান) মালিক মোঃ শাহালম বলেন, ঘন কুয়াশায় নদীতে বোট চালানো দুর্ঘটনার আংশকা থাকে, তাই আমরা ঘাটে অলস বসে আছি। কুয়াশা কাটলে তারপর নামবো। আর কুয়াশার কারণে যাত্রীবাহী পরিবহণ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় পর্যটকও নেই।

পৌর শহরের মামার ঘাট শ্রমিক মোঃ লিটন বলেন, ভোর থেকে বৃষ্টি, বাতাস কুয়াশায় নদীতে শীত বেড়েছে। এছাড়া কুয়াশায় ট্রলারও কম চলছে, তাই আমাদের কাজও খুবই কম।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বটিয়াঘাটা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কম্বল বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় অসহায় মানুষের পাশে দাড়াবার অঙ্গিকার নিয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে  শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকালে খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে বটিয়াঘাটার সদর, জলমা ভান্ডারকোট ইউনিয়নে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মো: আবু হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলার সাধারন সম্পাদক এম এম আজিজুর রহমান রাসেল।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শেখ মো: আবু হানিফ বলেন, যেকোনো দুর্যোগ দু:সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সহযোগিতা করেছেন। সেই সাথে দক্ষিনাঞ্চলে শেখ পরিবার সব সময় সহযোগিতা করে আসছেন তারই ধারাবাহিকতায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটা মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামীতে গরীব অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান জানান।

বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানের পরিচালনায় এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মো: ফেরদাউসুর রহমান, জিহাদুল ইসলাম চৌধুরি মিলন, মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, আবুল হাসনাত, লিংটন দাশ, মো: সোহাগ, অরিন্দম গোলদার, আব্দুল মান্নান শেখ, সুরোজিত মন্ডল, স্বপন রায়, উজ্জল, বিউটি রায়, গীতা রায়, মো: ইব্রাহিম শেখ, শফিকুজ্জামান, মিনারুল ইসলাম রানা, উজ্জল কুমার মন্ডল, উজ্জল রায়, নাঈম ফারহান, উদয় রায়, লিটু মল্লিক প্রমুখ।

ওমিক্রন রোধে ভোমরা বন্দরে নানা উদ্যোগ

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 

করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বন্দর নিয়ে বাংলাদেশে আসা ভারতীয় শ্রমিকদের মাধ্যমে কোনোভাবে যেন ওমিক্রমণ দেশে না ছড়িয়ে পড়ে, সেজন্য মঙ্গলবার থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে জীবানুনাশক স্প্রে চালক-হেলপারদের হাত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। জানা গেছে, প্রতিদিন ভারত বাংলাদেশের মধ্যে ভোমরা বন্দর দিয়ে কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করে থাকে। এর মধ্যে ভারত থেকে আসে গড়ে ৩০০ পণ্যবাহী ট্রাক। সেই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক শ্রমিকও আসেন। তারা যাতে কোনোভাবে ভারত থেকে ওমিক্রন বাংলাদেশে সংক্রমণ ঘটাতে না পারে, সেজন্যই ভোমরা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দর উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে আগত প্রতিটি পণ্যবাহী ট্রাকের চাকায় ব্লিচিং পাউডার জীবানুনাশক স্প্রে দিয়ে ওয়াশ করা হচ্ছে। তাদেরকে স্ক্যানিং করা হচ্ছে। এছাড়া চালক তাদের সহকারীদের হাত ধোয়া, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা এবং মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। তাদের দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা এবং বন্দরের নির্দিষ্ট স্থানে তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তারা বিক্ষিপ্তভাবে কোথাও ঘোরাফেরা করতে পারবেন না বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা ওমিক্রন সংক্রমণমুক্ত থাকতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ভোমরা স্থলবন্দরে এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর করার জন্য আমরা এরই মধ্যে সবার সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক করেছি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বন্দর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, ইমিগ্রেশন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং কাস্টমসের প্রতিনিধিরা। মঙ্গলবার থেকে ওমিক্রন প্রতিরোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্রাকের ধাক্কায় নসিমন থেকে ছিটকে সড়কে, ব্যবসায়ী নিহত

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় শ্যালোইঞ্জিনচালিত পাটবোঝাই নসিমন থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সময় আহত হয়েছেন নসিমনচালকও। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার লাহুড়িয়া এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পাট ব্যবসায়ীর নাম মুকুল শেখ (৩৫)তিনি মহম্মদপুর উপজেলা সদরের জাঙ্গালিয়া গ্রামের মৃত বাকের শেখের ছেলে।

আরব আলী নামে আরেক আরেক ব্যবসায়ী বলেন, নড়াইলের কালীগঞ্জ বাজার থেকে পাট কিনে নসিমনে বাড়ি ফিরছিলেন মুকুল। সড়কের লাহুড়িয়া এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। এতে মুকুল সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। সেখান থেকে ফরিদপুর হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

মহম্মদপুর থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনায় মৃত্যুর খবর শুনেছি। ফরিদপুর থেকে লাশ আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কুষ্টিয়ায় যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

এখনো মুছেনি হাতের মেহেদী রং। তার আগেই সুমাইয়া খাতুনকে (১৮) যৌতুকের বলি হতে হয়েছে বলে দাবি তার বাবার। তবে শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে সুমাইয়া আত্মহত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার মিরপুরের আমলা ইউনিয়নের পারমিটন এলাকার শ্বশুর বাড়িতে ঘটনা ঘটে। আগুনে ঝলসানো অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

নিহত সুমাইয়া খাতুন দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের মালিপাড়া এলাকার আয়েম আলীর মেয়ে। এছাড়া মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের পারমিটন এলাকার সাদিকুল ইসলামের স্ত্রী।

সুমাইয়ার বাবা আয়েম আলী বলেন, বিয়ের তিনদিন পর তার জামাই জানান, ব্যবসার জন্য টাকা লাগবে। এজন্য সুমাইয়াকে চাপ দেন। কিন্তু আমি গরীব মানুষ হওয়ায় এক লাখ টাকা একবারে দিতে অপরাগতা প্রকাশ করি। নিয়ে সে সুমাইয়ার ওপর নির্যাতন চালায়।

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন আগেও টাকা নিতে পাঠিয়েছিল সুমাইয়াকে। বাড়ি থেকে কিছু টাকা নিয়ে স্বামীর বাড়ি যায় মেয়ে। কিন্তু পুরো টাকা না দেওয়ায় স্বামী তার পরিবারের লোকজন তাকে গালমন্দ এবং মারধর করে। যৌতুকের এক লাখ টাকা না পেয়ে আমার মেয়েকে ওরা পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে।

এদিকে আমলা পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই কামরুজ্জামান স্থানীয়দের বরাতে বলেন, ওই গৃহবধূ স্বামীর বাড়িতে গায়ে ডিজেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করেন।

কামরুজ্জামান আরও বলেন, প্রতিবেশীদের ভাষ্য মতে, গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে সাদিকুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় সুমাইয়ার। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দেখা দেয় পারিবারিক কলহ।

ব্যাপারে জানতে চাইলে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মস্তফা বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেই সঙ্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

ওসি জানান, নিহতের পরিবারের লোকজন থানায় এসেছেন। বিষয়ে চলছে মামলার প্রস্তুতি। ঘটনার পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক।

কেডিএ কর্তৃক শিপইয়ার্ড রোডের কার্যাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে আ’লীগের অভিনন্দন

খবর বিজ্ঞপ্তি

লেন বিশিষ্ট শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণের কার্যাদেশ প্রদান করেছে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)মঙ্গলবার মেসার্স আতাউর রহমান খান এবং মাহবুব ব্রাদার্সকে কার্যাদেশ প্রদান করেছে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর কেডিএ কর্তৃক কার্যাদেশ প্রদান করায় প্রমানিত হলো যে, “শিপইয়ার্ড সড়কটি খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন।” শুধু শুধু এতোদিন অসত্য তথ্য দিয়ে নগরবাসিকে বিভ্রান্ত করেছে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)এতোদিন পরে সত্যের উন্মোচন ঘটিয়ে লেন বিশিষ্ট সড়কটির কার্যাদেশ দেয়ায় কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা এবং একই সাথে রাস্তার কাজের মান শতভাগ বুঝে নেয়া সহ নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার জন্য কেডিএ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বিশেষ ভাবে আহবান জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে খুলনা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ দিন পর নগরবাসীর প্রত্যাশার সড়ক রূপসা বাইপাস লেন সড়কের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় নগরবাসিকে ভুল তথ্য দিয়ে জানানো হয়েছে সড়কটি ছিল খুলনা সিটি কর্পোরেশনের। কেডিএ ইতিপূর্বে সকল বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে কালক্ষেপন করে রাস্তার ব্যয় বাড়িয়েছে। আর জন দুর্ভোগে ফেলেছে নগরবাসিকে। নেতৃবৃন্দ বলেন, নগরবাসির দীর্ঘদিনের চাহিদা খুলনা শিপইয়ার্ড রোডকে লেনে প্রশস্তকরণের। নানা জটিলতা বিভ্রান্তির পরেও সড়কটির কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। এই সড়কটির কাজের মান যাতে পরিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয় সেদিকে কেডিএকে কঠিনভাবে নজরদারি রাখার বিশেষ আহবান জানান। কাজের মান খারাপ হলে খুলনার মানুষকে সাথে নিয়ে কাজ বুঝে নেয়া হবে। অহেতুক কালক্ষেপন করে কাজের মেয়াদ এবং প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে সরকারের অর্থ অপচয় হলে খুলনার মানুষ কোন অবস্থাতেই মেনে নেবে না। সেকারনেই প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছা মোতাবেক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বছরের মধ্যেই সড়কটির কাজ সম্পন্ন করার জন্য কেডিএ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের প্রতি বিশেষ আহবান জানিয়েছেন, শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আ‘লীগ সরকার সবসময় জনগণের পাশে রয়েছে: বাবুল রানা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি বাবুল রানা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের চিন্তাভাবনা এবং বঙ্গবন্ধু যে কাজগুলো দেখিয়ে গেছেন, তার সে কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। তারই ধারাবহিকতায় জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার সরকার অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছে যা বিগত দিনের কোনো সরকার দাড়ায়নি। বিগত আমলে শুধু দুনীর্তি লুটপাট বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ছাড়া জোট সরকার দেশের অসহায় নিরিহ মানুষের জন্য তাদের কোনো অবদান নেই। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ শ্রেণীর জন্য ভাতা, পঙ্গু ভাতা, বিধবা ভাতাসহ হাজার হাজার কোটি টাকার ভাতা প্রদানের মধ্য দিয়ে অসহায় মেহনতি মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল সব সময় খুলনাবাসীর পাশে রয়েছেন। তিনি এবং তার পরিবার করোনা কালীন সময়ে অসহায় দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। তিনি খুলনার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সবসময় খুলনার সবস্তরের মানুষের খোজ খবর রাখছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি অসহায় মানুষদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।

গতকাল বুধবার খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি‘পক্ষে নগরীর ১৯, ২৮ ২৯নং ওয়ার্ডে দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এসকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এস এম আকিল উদ্দিন, আব্দুল হাই পলাশ, বাদল সরদার বাবুল, জাহিদুল হক, মোতালেব মিয়া, আজম খান, মোল্লা আব্দুর রহিম, নুর জাহান রুমি, মেহজাবীন খান, মামনুরা জাকির খুকুমনি, আইউব আলী খান, আলমগীর মল্লিক, ইলিয়াছ হোসেন লাবু, হাসান শেখ, আব্দুল কাদের সৈকত সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত্যুবরণকারী ১০ জন সদস্যদের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় খুলনা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি বাবুল রানা, দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সেলিম। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাকদক আব্দুর রহিম দুদু মিয়া, শ্রমিক নেতা আ. হোসেন কার্ফ্যুসহ ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

১নং ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা কামরুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বন পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলামের মা মোছা: শামছুন্নাহার (৭১) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহে রাজেউন)তিনি বার্ধক্য জনিত কারনে দীর্ঘ অসুস্থ্য থেকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নি:শ^াস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে, মেয়ে, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজন অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। নামাজে জানাযা শেষে মরহুমাকে মহেশ^রপাশা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অপরদিকে মোছা. শামছুন্নাহারের মৃত্যুর খবর পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা সহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ শোকাহতদের পাশে যান। তারা সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে এবং ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীরমু্িক্তযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর শেখ আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগ নেতা শাহাদাৎ মিনা, মাকসুদ হাসান পিকু, শরীফ বজলুর রহমান, শেখ আ. করিম, শেখ রাজিউদ্দিন রাজু, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হালিম, আইয়ুব আলী খান, আলমগীর মল্লিক সহ এলাকার বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে নেতৃবৃন্দ মরহুমার নামাজে জানাযায় অংশ গ্রহণ করেন।

এদিকে মোছা. শামছুন্নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মানিত নির্বাহী সদস্য এবং শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

নগরীতে ভোক্তা-অধিকারের বাজার তদারকিতে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর টুটপাড়া লবণচরা এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা জেলা কার্যালয়। বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জরিমানার আদেশ প্রদান করেছেন। 

বাজার তদারকিকালে টুটপাড়া এলাকার রওশান মেডিকেল হলকে মূল্যবিহীন ঔষধ বিক্রয়ের জন্য সংরক্ষণের অভিযোগে হাজার টাকা, লবনচরা এলাকার মাহিম এন্টারপ্রাইজকে  অবৈধ প্রক্রিয়ায় চা প্রক্রিয়াকরন বিপনন করার অপরাধে হাজার টাকা হেনা এন্টারপ্রাইজকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় নিম্ন মানের চা প্রক্রিয়াকরন এবং চা এর মোড়কে মেয়াদ, মূল্য না থাকার কারণে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে  সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন, ক্রয়/বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করতে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকিমূলক এই অভিযানে সার্বিক সহায়তা করেন এপিবিএন, শিরোমনি, খুলনা ক্যাব প্রতিনিধি, খুলনা। জনস্বার্থে তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ২০ পিস ইয়াবা, বোতল ফেন্সিডিল ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর রায়পাড়া মেইন রোডের মো. আরিজুল ইসলাম শেখের ছেলে শেখ শরিফুল ইসলাম (৩২), জাহিদুর রহমান সড়কের ছবেদাতলার মৃত. লুৎফর রহমানের ছেলে সজীব শেখ (২৪), শেখপাড়া মেইন রোডস্থ তেঁতুলতলার মৃত. এজাহারুল ইসলামের ছেলে মো. শান্ত শেখ (২৪) জোড়াগেট সূর্য বাড়ীর  মো. কাঞ্চন শেখের ছেলে মো. রুবেল শেখ (২৫)। 

কেএমপি’অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. নজরুল ইসলাম, পিপিএম জানান, 

গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ২০ পিস ইয়াবা, বোতল ফেন্সিডিল ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পাইকগাছায় র‌্যাবের অভিযানে অপহরণকারী গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা জেলার পাইকগাছা থানাধীন কপিলমুনি বাজারে অভিযান চালিয়ে কয়রার একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির নাবালিকা ছাত্রী (১৪) কে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে অপহরণ করার মামলার আসামী সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামী হলেন খুলনা জেলার    কয়রা থানার উত্তর মদিনাবাদ ফুলতলা গ্রামের রজব আলী শেখের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৮)। 

র‌্যাব-জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে খুলনা জেলার পাইকগাছা থানাধীন কপিলমুনি বাজারে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল। এসময় কয়রা থানার মামলা নং-এর আসামী সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে কয়রা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।