Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

11

সাতীরায় র‌্যাবের অভিযানে ৯ জুয়াড়ী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

সাতীরা জেলার সদর থানাধীন ছয়ঘড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নগদ টাকা ও জুয়া খেলার অন্যান্য সামগ্রীসহ ৯ জুয়াড়ী গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। গতকাল সোমবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ৯ জুয়াড়ী হলেন সাতীরা জেলার সদর থানাধীন ছয়ঘড়িয়া এলাকার

আনিছুর রহমানের ছেলে মো. সাহাদ হোসেন (২৩), মৃত. নেয়ামউদ্দিন গাইনের ছেলে মো. আব্দুল হান্নান (৪৮), কাদের গাজীর ছেলে মো. হাবিবুর রহমান (৫০), খায়রুল বিশ্বাসের ছেলে মো. মফিজুল ইসলাম (৩৮), মো. আব্দুল খালেক মোল্যার ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৪০), মো. আজিজুল সরদারের ছেলে মো. জুলফিকার সরদার (৩০), মো. আরশাদ আলী দফাদারের ছেলে  মো. ফারুক হোসেন (৩৫), আরশাদ আলী দফাদারের ছেলে মো. কবির হোসেন (২৮) ও  নুর মোহাম্মদ সরদারের ছেলে মো. জিয়াউল ইসলাম (৩৮)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, গতকাল সোমবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সাতীরা জেলার সদর থানাধীন ছয়ঘড়িয়া এলাকায় অভিযান করে র‌্যাব-৬ এর একটি অভিযানিক দল। এসময় মো. সাহাদ সরদার (২৩) এর দোচালা বসত ঘরের পূর্ব পার্শ্বের রুমের মধ্যে জুয়া খেলা অবস্থায় প্লেয়িংকার্ড (তাস), নগদ টাকা ও জুয়া খেলার অন্যান্য সামগ্রীসহ ওই ৯জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফুলতলায় ঘরে থাকা নি¤œ আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

তথ্য বিবরণী

ফুলতলা থানা এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে ঘরে থাকা নি¤œ আয়ের মানুষদের মাঝে খুলনা জেলা প্রশাসন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন রবিবার রাতে ফুলতলা উপজেলার হতদরিদ্র, অসহায়, শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান চালক ও কর্মসংকটে থাকা একশটি পরিবারে ঘরে ঘরে যেয়ে চাল, ডাল, তেল, আলু, সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে জনসমাগম এড়াতে খুলনা জেলা প্রশাসন এ ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, ফুলতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

শরণখোলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘরে ঘরে পৌছে দিলেন ত্রাণ সামগ্রী

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

বাগেরহাটের শরণখোলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার অসহায় ও দরিদ্রদের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। গতকাল (সোমবার) বিকেলে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী সবুর হাওলাদারকে ত্রাণের প্যাকেট তুলে দিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। এসময় তার সাথে রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন উপস্থিত ছিলেন। বরাদ্দকৃত ত্রাণসামগ্রী ৫’শ প্যাকেট তৈরী করে রায়েন্দা ইউনিয়নে ১৪২, সাউথখালী ইউনিয়নে ১৩০, ধানসাগর- ১০৭ ও খোন্তাকাটা ইউনিয়নে ১২১ প্যাকেট বিতরণ করা হবে। প্রতি প্যাকেটে ১০ কেজি চাল, আধা কেজি ডাল, ২কেজি আলু ও ১টি সাবান রয়েছে। এ ব্যাপারে রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন জানান, তার ইউনিয়নে ১৪২ প্যাকেট সরকারীভাবে বরাদ্দ পেয়েছেন। ওই বরাদ্দের সাথে তার নিজ উদ্যোগে আরও ২’শ প্যাকেট হত দরিদ্রদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে হতদরিদ্রদের জন্য শরণখোলা উপজেলায় ১০টন চাউল ও ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন। যার মধ্যে ৫টন চাউল ও ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আজ বাকী ত্রাণ সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দেয় হবে।

করোনা প্রতিরোধে মানুষদের ঘরে রাখতে পুলিশ আরও কঠোর হচ্ছে: সাতক্ষীরায় জরুরী সভায় পুলিশ সুপার

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম সাতক্ষীরার উদ্যোগে এক বিশেষ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (পিপিএমবার)। এসময় বিশেষ এ জরুরী সভায় বক্তব্য রাখেন, পদন্নিতপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুৎমিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমার, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাইফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা, পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সরকারী কলেজের উপাধাক্ষ্য আমানুল্লাহ হাদী, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক মোজাফ্ফর রহমান, পৌর কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, পৌর কাউন্সিলর জোসনা আরা, সমাজ সেবক আনিছ খান বকুল, এ্যাড. সবুজ, এ্যাড. শ্যামল ঘোষাল, আনিছ খান বকুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাজ্যেশ^র।

সভায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের কার্যক্রমকে গতিশীল করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সরকারের নির্দেশনা মেনে সাধারন মানুষ যাতে নিজ বাড়ীতে থাকে সে জন্য সতর্কমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। মানুষদের ঘরে রাখতে পুলিশ আরও কঠোর হবে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন, আজ থেকে কোন বিশেষ কারন ছাড়া অহেতুক কোন মানুষ রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে। সতর্ক ও সচেতনার কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে পুলিশসুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দরিদ্র মানুষদের বাড়ীতে বাড়ীতে খাবার পৌছে দিতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ ও জেলা পুলিশিং ফোরামের উদ্যোগে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে জেলার দুস্থ্য কর্মহীন পাঁচ শতাধিক পরিবারের কাছে চাউল, ডাল, তেল, আলুসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ানো হবে।

সাতক্ষীরা সদর এমপির পক্ষ থেকে হত দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র পক্ষ থেকে হত দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকায় উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় এমপি রবির পক্ষে পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ৫’শ’ গ্রাম তেল, ৫’শ গ্রাম লবন, ৫’শ গ্রাম পেঁয়াজ ও ২৫০ গ্রাম রসুন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পৌর কাউন্সলর শেখ আব্দুস সেলিম, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার সিনিয়র সহ-সম্পাদক শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান শোভন, কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী সাদিক দীপ প্রমুখ।

ফকিরহাটে করোনা মোকাবেলায় দিনমুজুরীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা শেখ হেলাল উদ্দীন এর সৌজন্যে এবং জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে টাউন নওয়াপাড়া মোড় ও কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন এলাকায় করোনা দুর্যোগের কারনে ঘরে বসে থাকা দিন মজুরী হাকার ভ্যান চালক চায়ের দোকানদার শ্রমিক ও অসহায় দরীদ্রদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুুপুরে তাদেরকে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক দেবপ্রসাদ পাল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহিমা সুলতানা বুশরা, পিলজংগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান শামীম জামান পলাশ, ইউপি সদস্য সাধন কুমার দে, মোঃ মোশারেফ হোসেন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোড়ল জাহিদুল ইসলাম সহ বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ। উল্লেখ্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন ঘরে বসে থাকা এই সমস্ত দিনমুজুরীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা স্বরুপ চাউল ডাউল পিয়াজ আলু সহ নানা উপকারণ বিতরন করেন।

চিতলমারীতে করোনা উপলক্ষে গৃহবন্দি দুঃস্থদের মাঝেখাদ্য উপকরণ বিতরণ

চিতলমারী  প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে করোনাভাইরাস উপলক্ষে গৃহবন্দি কর্মক্ষম বেকার হয়ে পড়া দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রহী বিতরন শুরু করেছেন বাগেরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন।

সোমবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে এনিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরন উদ্ধোন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো: মানুর রশিদ। প্রথম দিনে ৪শত গৃহবন্দি কর্মক্ষম মানুষের মাঝে ১০ কেজি চাল, এককেজি ডাল, তেল, এককেজি লকন ও দুই কেজি আলু ও হাত ধোয়ার জন্য একটি করে সাবান দেয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এর ব্যাক্তি গত সহকারী ফিরোজুল ইসলাম, চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মারুফুল আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ মামুন হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মাহাতাবুজ্জামান, সদর ইউপি চেয়াম্যান শেখ নিজাম উদ্দীন ।

দেবহাটায় করোনার প্রভাবে কর্মবঞ্চিতদের মাঝে ইউএনওর ত্রান বিতরন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মবঞ্চিত হওয়া হতদরিদ্র অসহায় দিনমজুর, ভ্যান ও ট্রলি চালক, দোকানদার ও খেটে খাওয়া মানুষদের মধ্যে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীন সহায়তা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন। সোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলা ইউএনওর অফিস প্রাঙ্গনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের আওতাধীন জেনারেল রিলিফ ফান্ড থেকে উপজেলা চত্বরে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেন। গত রবিবার এই ফান্ড থেকে আরো ১০০পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা হয়েছিল। এ নিয়ে দুই দিনে সর্বমোট ১৬৬ পরিবারকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তবে এ সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীন। খাদ্য সামগ্রী বিতরনকালে ইউএনও সবাইকে করোনা সতর্কতায় নিজেদেরকে সচেতন হওয়া ও অন্যদের সচেতন করতে আহবান জানিয়ে, সরকারের সকল কাজে সহযোগীতার জন্য সকলের নিকট আহবান জানান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল বশার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাকিব ইসলাম, দেবহাটা প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক আর.কে.বাপ্পা, কোষাধ্যক্ষ কেএম রেজাউল করিম, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের বাবলু হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।

দেবহাটায় আকর্ষিক দূর্যোগ ত্রান তহবিলে ইউএনওর সহযোগীতার আহবান

দেবহাটা প্রতিনিধি

দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দূর্গতদের সহযোগীতার জন্য আকর্ষিক দূর্যোগ ত্রান তহবিল নামে সোনালী ব্যাংক, দেবহাটা শাখায় একটি একাউন্ট নং খোলা হয়েছে। যার হিসাব নং- ২৮০৩৫০২০০০৭২২। উক্ত একাউন্টটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার  যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল বশার মানবিক খাদ্য সহায়তা পরিচালনার জন্য সোনালী ব্যাংক, দেবহাটা শাখায় উক্ত একাউন্ট নং টি খোলা হয়েছে উল্লেখ করে জানান, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাবে যারা দিনমজুর, দোকানদার, যানবাহন চালক ও খেটে খাওয়া মানুষদের স্বাভাবিক জীবন যাপন স্থবির হয়ে পড়েছে। মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় তাদের খেয়ে পরে দিন পার করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে। যার কারনে সেইসব মানুষদের মানবিক খাদ্য সহযোগীতার জন্য সোনালী ব্যাংক, দেবহাটা শাখায় ২৮০৩৫০২০০০৭২২ এই হিসাব নং টি খোলা হয়েছে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সাধ্যমত উক্ত হিসাব নং এ আর্থিক সহযোগীতার জন্য ইউএনও এবং পিআইও কর্মকর্তা আহবান জানিয়েছেন।

অভয়নগরে স্বাস্থ্য বিধি না মানায় ২জুট মিলে জরিমানা

অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে করোনা ভাইরাস সতর্কতায় স্বাস্থ্য বিধি না মানায় রোমান জুট মিল কৃর্তপক্ষকে পাঁচ হাজার টাকা ও সিডল টেক্সাটাইল মিল কতৃপক্ষকে ১৫ হাজার জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার দুপুরে ও বিকালে এ জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেএম রফিকুল ইসলাম ।

আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নে রোমান জুট মিল (প্রাইভেট লিঃ) ও সিডল টেক্সাটাইল মিল কতৃপক্ষ সরকারি নির্দেশ মোতাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের জন্য করোনা ভাইরাস সতর্কতায় স্বাস্থ্য বিধি মানছে না এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার দুপুরে রোমান  মিল ও বিকালে সিডল মিলে অভিযান চালানো হয়। এসময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সতর্কতার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করার উভয় মিল কর্তৃপক্ষকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এবং দ্রুত স্বাস্থ্য বিধি গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসাইন সাগর, নওয়াপাড়া প্রেস কাবের যুগ্ম সম্পাদক এস জেড মাসুদ তাজ, সাংবাদিক জাকির হোসেন হৃদয়, সৈয়দ রিপানুর ইসলাম (রিপন), আনিছুর সিকদ্দার, সেনাবাহিনী, অভয়নগর থানা পুলিশ ।

অভয়নগর উপজেলা প্রশাসনকে হাইসাওয়া এসডিছি প্রকল্পের করোনা সামগ্রী প্রদান

অভয়নগর প্রতিনিধি

অভয়নগর উপজেলা প্রশাসনকে হাইসাওয়া (এসডিসি) প্রকল্পের পক্ষ থেকে করোনা সামগ্রী প্রদান করেছেন। ৩০ মার্চ সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পীরজাদা শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কেএম রফিকুল ইসলামের হাতে করোনা সামগ্রী তুলে দেন খুলানা জোনের যশোর প্রকৌশলি মো আক্তার হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক অর্গানাইজার জহির উদ্দিন বিশ্বাস, অভয়নগর কমিউনিটি জলি আক্তার। করোনা ভাইরাস পতিরোধে ৬শ পিচ সাবান, ৬শ সার্জিক্যাল মাক্স, ও ৩শ পিচ জনসচেতনতা মুলক লিফলেট প্রদান করেন।

মোড়েলগঞ্জে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন ইউএনও

 মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে করোনা ভাইরাসে ঘরমুখী দিনমজুর পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান। সোমবার দুপুরে বারইখালী ইউনিয়ন পরিষদে ৩৫ পরিবারকে চাল, ডাল, তেল এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, প্রকৌশলী সুভাঙ্কর মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান লাল, ইউপি মেম্বর লফিত মীর, সালাউদ্দিন গাউস প্রমুখ।

 মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়ায় ত্রাণ বিতরণ করেন চেয়ারম্যান

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের ১৩নং নিশানবাড়িয়ায় প্রানঘাতী করোনা ভাইরাসে শ্রমজীবি মানুষের মাঝে সোমবার দুপুরে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নারী-পুরুষের মাঝে ত্রাণ তুলে দিলেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু। এ সময় ইউপি সদস্য, ইউপি সচিব উপস্থিত ছিলেন। ত্রান বিতরণ শেষে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে করোনা ভাইরাসের সচেতনতার লক্ষ্যে মাক্স-সাবান বিতরণ করেন।

দাকোপে ভ্রাম্যমান আদালতে ৪ চালককে জরিমানা।

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুলনার দাকোপে উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় চারজন মটর সাইকেল চালককে সাড়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

রবিবার রাত ৮টায় পোদ্দারগঞ্জ খেয়াঘাটে ও বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের এঅভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময়ে সড়ক পরিবহন আইনে মটর সাইকেল চালক পল্লব রায়কে ২ হাজার, ফেরদাউ আলমকে ২ হাজার, পাপ্পু রায়কে ১ হাজার ও রুহুল আমীনের কাছ থেকে ৫‘শ টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল ওয়াদুদ। এসময়ে সঙ্গীও পুলিশ ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

জলমা ইউনিয়নে সাবান ও ব্লিসিং পাউডার বিতরণ

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটা

বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জলমা ইউনিয়নের সাবেক নৌকা মার্কার প্রার্থী অনুপ গোলদার তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রতি ওয়ার্ডে ২শ পিচ সাবান ও ২ প্যাকেট করে ব্লিসিং পাউডার বিতরণ করেছে। পাশাপাশি তিনি সমাজে নি¤œ আয়ের মানুষের পাশে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবানও জানান। গত রবিবার বিকাল ৫টায় চক্রাখালী মল্লিকের মোড় এলাকায় এ সকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে তিনি একথাগুলি বলেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, উপজেলা আ’লীগ নেতা গোবিন্দ মল্লিক, তুহিন রায়, শিক্ষক বিজন মল্লিক, বিধান মহালদার, প্রদীপ টিকাদার, মনোজ মল্লিক প্রমুখ।

আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়  

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় ইউপি সদস্য শেখ আব্দুস সালামের নেতৃত্বে ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের জীবানু মুক্ত রাখতে সোমবার সকাল ১১টায়  ৮নং ওয়ার্ডে কোভিড-১৯ এর জীবাণুনাশক স্প্রে   করা হয় । এসময় তার সাথে ছিলেন,  আড়ংঘাটা থানা অফিসার্স ইনচার্জ কাজী রেজাউল করিম , ব্যাংকার শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ আঃ কুদ্দুস, মোঃ কওসার আলী, মোঃ মিয়া খালিদ হাসান,মহাসিন, শোহানুর রহমান প্রমুখ।

দক্ষিণ বেদকাশীতে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু’র পক্ষে মাস্ক, সাবান-হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু’র পক্ষে কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে মাস্ক, সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দিনব্যাপি খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খানের নেতৃত্বে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে এ কর্মসূচি হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুকুল কুমার বিশ্বাস, ইমরান হোসেন খান, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন কবির, সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা অপু কুমার মন্ডল, চঞ্চল সরদার প্রমুখ। এছাড়া দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে জীবাণু নাশক স্প্রে ছিটান ছাত্রলীগের কর্মীরা।

 কয়রায় কুশোডাঙ্গা বিধ্বস্ত স্লুইজ গেট দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস ‘এমপি বাবুর’

কয়রা প্রতিনিধি

কয়রা নদীর পাউবোর বেঁড়িবাঁধের কুশোডাঙ্গা গ্রামে অর্ধ শত বছরের স্লুইজ গেটটি সম্প্রতি বিধ্বস্ত হওয়ায়, দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু। তিনি  খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে অর্ধশত বছর আগে নির্মিত গেটের বিষয় জানতে পারেন। বিধ্বস্ত স্লুইজ গেটটি আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে সংস্কার না হলে কয়েক হাজার বিঘা জমির পানি নিস্কাশনে বাঁধা পড়বে। এ বিষয় স্থানীয়রা জানান, বাগালী ও মহেশ্বরীপুর দুটি ইউনিয়নের সীমানায় অবস্থিত স্লুইস গেটটি কৃষকদের বর্ষা মৌসুমে পানি নিস্কাশনে ভুমিকা রাখে। এছাড়া দুটি ইউনিয়নে ১ লক্ষাধীক মানুষের অতি বৃষ্টির সময় একমাত্র এই গেটটির উপর নির্ভর করে থাকে। সরেজমিনে দেখা গেছে স্লুইজ গেটের মূল সড়কের কিছু অংশ ধ্বসে পড়েছে ফলে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে এলাকাবাসী ভোগান্তিতে আছে। এ সম্পার্কে স্থানীয় লুৎফর রহমান জানান, স্লুইজ গেটের পশ্চিম পাশে একটি অংশ ফাটল ধরায় উপরের মাটি উক্ত ফাটল দিয়ে বের হচ্ছে ফলে উপরে একাধীকবার মাটি ও বালির বস্তা ফেলেও ধ্বস ঠেকানো যাচ্ছে না। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা জাফরুল পাড় জানান, জনগুরুত্বপূণ ঝুকিপূর্ণ স্লুইজ গেট নিয়ে দুশ্চন্তায় বাগালী ও মহেশ্বরীপুর দুটি ইউনিয়নের মানুষ। তিনি বলেন, চাঁদালী , গিলাবড়ী জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ায় চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে বর্ষা মৌসুমের আগে স্লুইজ গেটটি সংস্কার করা না হলে আগামী আমন মৌসুমে অতিবৃষ্টির পানিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা দেখা দিতে পারে। এছাড়া নতুন করে এখানে একটি স্লুইজ গেট নির্মাণ করার দাবী এলাকাবাসীর। ঝুকিপূর্ণ স্লুইজ গেট পরিদর্শন কালে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে অতি দ্রুত স্লুইজ গেটটি সংস্কার করা হবে। তিনি আরও বলেন,পরবর্তী বর্ষা মৌসুমের পূর্বে একটি নতুন গেট করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। অপর দিকে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আমাদী শাখা কর্মকর্তা একাধীকবার বিধ্বস্ত স্লুইজ গেট সরেজমিনে তদন্ত করে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবগত করেছেন বলে জানিয়েছেন।

সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে এর সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব: সিটি মেয়র

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতি ভাইরাস করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরীর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে এর সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। সিটি মেয়র সরকারিভাবে নির্দেশিত সাবান দ্বারা দিনে কয়েকবার হাত ধোয়া, মুখে মাক্স ব্যবহার ও যেখানে-সেখানে কফ-থুথু ফেলা থেকে বিরত থাকার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান। আতংকিত না হয়ে সম্মিলিতভাবে এ দুর্যোগ থেকে প্ররিত্রাণ পেতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সিটি মেয়র সোমবার বিকেলে মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কেসিসি’র পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সাথে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। নগরীতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত ও মশক নিধন কার্যক্রম আরো জোরদার করতে এ সভা আহবান করা হয়।

সভায় সিটি মেয়র করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে রাস্তা ও ড্রেনে জীবাণুনাশক ছিটানোর পাশাপাশি মশক নিধনের ঔষধ স্প্রে এবং পানি নিস্কাষনের সুবিধার্থে ড্রেনসমূহ পরিস্কার ও স্লুইচ গেটসমূহ সচল রাখার নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি বৈশ্বিক দুর্যোগকালীন এ সময়ে সততা ও আন্তরিকতার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার জন্য কঞ্জারভেন্সী বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন।

কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আব্দুল আজিজ, কঞ্জারভেন্সী কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, সহকারী কঞ্জারভেন্সী অফিসার নুরুন্নাহার এ্যানী, মো: আব্দুর রকিব, এস এম আব্দুল ওয়াদুদ, মোল্লা মারুফ রশীদ, শেখ হাফিজুর রহমান, মো: জিয়াউর রহমানসহ কঞ্জারভেন্সী সুপারভাইজিং ইন্সপেক্টর ও সুপারভাইজারগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সকালে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে কেসিসি পরিচালিত নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং নিরাপত্তায় নিয়োজিতদের মাঝে এক হাজার সেট পারসোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করেন। কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. একেএম আব্দুল্লাহ, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার হালদার, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলামসহ কেসিসি’র আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক. স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বাস্থ্যসেবাদানে নিয়োজিত বেসরকারি সংস্থা নবলোক, ব্রাক, সিএসএস সহ কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধিগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটে হতদরিদ্রকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন এমপি তন্ময়

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলার ৫হাজার ৭‘শ মানুষকে চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছেন বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া)আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে এই খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর করেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু। এসময় জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান,বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুব লীগ আহবায়ক সরদার নাসির উদ্দিন.জেলা আওয়ামী লীগ নেতা, সরদার ফখরুল আলম সাহেব,শেখ ফিরোজুল ইসলাম.মনোয়ার হোসেন টগর, আহাদ উদ্দিন হায়দার . বাগেরহাট সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বাগেরহাট, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বসিরুল ইসলাম, ,সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খান রেজাউল ইসলাম ও রিজিয়া পারভীনসহ জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) সংসদীয় আসনের অতি দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ৫৭০০ প্যাকেট খাদ্যদ্রব্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, এক কেজি করে ডাল, তেল, লবন ও পেঁয়াজ এবং হাত ধোয়ার জন্য একটি করে সাবান রয়েছে। এছাড়া জীবাণুনাশক স্প্রে করার জন্য প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে একটি স্প্রে মেশিন প্রদান করা হয়েছে।

মোংলায় সংবাদকর্মীদের মাঝে পিপিই ও মাস্ক বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সুরক্ষায় মোংলায় সংবাদকর্মীদের পিপিই ও মাস্ক বিতরণ করেছেন স্থানীয় সহকর্মী সাংবাদিক নুর আলম শেখ। সোমবার দুপুরে মোংলা প্রেসকাব মিলনায়তনে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ২০জন সংবাদকর্মীর হাতে এ সরঞ্জামাদী তুলে দেন নুর আলম। নুর আলম শেখ দৈনিক পূর্বাঞ্চলের মোংলাস্থ নিজস্ব সংবাদদাতা। তিনি তার নিজ উদ্যোগে এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকেই সাংবাদিকদের এ পিপিই ও মাস্ক বিতরণ করেছেন। এ সময় প্রেসকাব সভাপতি আলহাজ্ব এইচ,এম দুলালসহ অন্যান্য সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, আমি নিজেও একজন সাংবাদিক, আমাদেরকে পেশাগত কাজে বিভিন্ন জায়গায় ছুটতে হয়। তাই আমার ও আমার সহকর্মীদের সুরক্ষার জন্যই এগুলো প্রয়োজন। এগুলো পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মোংলায় নৌবাহিনীর জীবাণুনাশক স্প্রে ও মাস্ক বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নৌবাহিনী মোংলার পৌর শহরে জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন। এছাড়া জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেছেন। এর আগে গত ২৮ মার্চ বন্দরের শিল্প এলাকায় জীবাণুনাশক স্প্রের পাশাপাশি দেড়শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে নৌবাহিনী।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে খুলনা নেভাল এরিয়ার কমান্ডারের তত্ত্বাবধায়নে মোংলায় এলাকায় কার্যক্রম শুরু করেছে নৌবাহিনীর মোংলা কন্টিনজেন্ট ও দিগরাজ নৌঘাঁটি। নৌবাহিনীর এ কার্যক্রম করোনা সংক্রমণ রোধ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে: কমান্ডার তানভীর খান।

মোড়েলগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, কৃষককে কুপিয়ে জখম

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে পল্লীতে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাংচুর চালিয়ে আউয়াল হাওলাদার(৫৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। আহতকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের ছোটপরী গ্রামের মৃত. আজাহার আলী হাওলাদারের পুত্র ইব্রাহিম হাওলাদারের বসতবাড়িতে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার চাচাতো ভাই পার্শ্ববতী বানিয়াখালী গ্রামের আবুল হাসেম হাওলাদারের পুত্র হারুন অর রশীদ ওরফে বাচ্চু তহশিলদারের সাথে ২৬ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

এরই সূত্র ধরে ঘটনারদিন রাতে তার চাচাতো ভাই বাচ্চু তহশিলদারের নেতৃত্বে ১০/১২ জানের একটি সংঘবদ্ধ দল বসতবাড়ির প্রবেশের পথে বেড়ায় প্রথমে অগ্নিসংযোগ করে। পরবর্তীতে বাড়ির মধ্যে গিয়ে ইব্রাহিমকে না পেয়ে ঘরের দরজা কুপিয়ে তছনছ করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় তার স্ত্রী নাজমা বেগমের ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে। হামলাকারিরা যাওয়ার পথিমধ্যে ইব্রাহিমের বড় ভাই আউয়ালকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ওই রাতেই ফাড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সর্ম্পকে হারুন অর রশীদ ওরফে বাচ্চু এ হামলার ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন বিষয়টি সাজানো হয়েছে, আমি আমার নিজের জমিতে মাটি কেটেছি।  এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনর্চাজ কেএম আজিজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনায় হোম কোয়ারেন্টিনেই সংগ্রহ হবে স্যাম্পল

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে করোনা শনাক্তকরণের জন্য স্যাম্পল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার খুলনা সিভিল সার্জন অফিসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ল্যাব ট্যাকনোলজিস্টদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এদিকে, খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিট ঘোষণার পর ৩০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। ১০০ শয্যা নিয়ে ওই ইউনিট যাত্রা শুরু করবে। অপরদিকে, খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে বর্তমানে ২ জন ভর্তি রয়েছেন। খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহম্মেদ বলেন, খুলনা জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের সন্দেহ হলে তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ল্যাব টেকনোলজিস্টদের দিয়ে করোনা টেস্টের স্যাম্পল গ্রহণ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় খুলনার হাসপাতালের সকল ল্যাব টেকনোলিস্টকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একযোগে করোনা টেস্টের স্যাম্পল সংগ্রহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন চালুর জন্য ইতোমধ্যে ৩০টি বেড বসানো হয়েছে। আরো ৭০টি বেড আনা হচ্ছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে ওই হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন চালু হবে। এর মধ্যে করোনা শনাক্তকরণের কিটও খুলনায় এসে যাবে। এদিকে, খুমেক হাসপাতালে নতুন করে করোনা আইসোলেশনে রবিবার শ্বাসকষ্ট, সর্দি, জ্বর নিয়ে এক বৃদ্ধকে (৮৮) ভর্তি করা হয়েছে। তিনি খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে আরেকজন ভর্তি ছিলেন এই ইউনিটে। এ নিয়ে করোনা আইসোলেশনে বর্তমানে ২ জন রোগী ভর্তি আছেন।

করোনা আতঙ্কে সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশির রোগীর চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ

 কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় সাধারণ জ্বর ও সর্দি-কাশির রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পাচপোতা গ্রামে সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত মিলন সিংহ নামে এক ব্যক্তিকে এক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসকরা এড়িয়ে যেতে থাকলে করোনা আতঙ্কে ওই গ্রামের বাসিন্দারা নির্ঘুম রাত কাটাতে থাকে। অবশেষে পুলিশের সহযোগিতায় অসহায় পরিবারের সংকটাপন্ন ওই ব্যক্তিকে আজ সোমবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আক্রান্তের ছেলে তিলক সিংহ জানান, তার বাবা মিলন সিংহ গত ১৯ মার্চ সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়। এরপর মঙ্গলকোট বাজারে স্থানীয় ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রবিবার তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এর ১৫ মিনিট পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এদিন দুপুরের দিকে তাকে খুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ব্যক্তিরা ডায়াবেটিক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেয়। কিন্তু ডায়াবেটিক হাসপাতাল গেটের দারোয়ান তাকে ঢুকতে না দেওয়ায় পুনরায় খুমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক দূর থেকে তার ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এ দিকে গ্রামে ফেরার পর এ ঘটনা মানুষের মুখে মুখে প্রচার হলে চারিদিকে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে গ্রামবাসী ওই পরিবারকে এড়িয়ে চলতে থাকে। অবশেষে তার পরিবার বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করলেও কোন সহযোগিতা না পেয়ে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানায়। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে কেশবপুর থানার ওসিকে ঘটনাটি জানানো হলে তিনি অফিসার পাঠিয়ে তাকে বাড়ি থেকে এনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কেশবপুর থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকরা জানালে উপ-পরিদর্শক ফজলে রাব্বিকে পাচপোতা গ্রামে মিলন সিংহের বাড়িতে পাঠিয়ে তাকে এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলমগীর হোসেন বলেন, রবিবার তাকে প্রথম হাসপাতালে ভর্তির পর পরিবারের পক্ষ থেকে অন্যত্র চিকিৎসার জন্য বলা হলে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। মূলত তিনি জ্বর, সর্দি-কাশি ও অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত। হাসপাতালেই তার চিকিৎসা চলছে।

যশোরে গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে ফাঁদে ফেলে এক গৃহবধূকে (৩০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সোহেল রানা (২৬) নামে অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নির্যাতিত ওই নারীর দাবি, সতীনের তালাক করিয়ে দেবে এমন প্রতিশ্রুতিতে তাকে ডেকে কৌশলে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে অভিযুক্তরা। অভিযুক্তরা হলেন অভয়নগর উপজেলার ইছামতি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা (২৬), গোপীনাথপুর গ্রামের খোকা শেখের ছেলে হেকমত শেখ (৩০), বারিক শিকদারের ছেলে টিপু শিকদার (৪০), হিদিয়া গ্রামের মুনসুর গাজীর ছেলে নাজমুল গাজী (২৬) ও খায়বার বিশ্বাসের ছেলে শফিকুল বিশ্বাস। মামলার এজাহারে ওই গৃহবধূ উল্লেখ করেন, তিনি দুই সন্তানের জননী এবং একজন স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী। ১০ থেকে ১২দিন আগে অটোবাইকে মামাবাড়ি যাওয়ার পথে নাজমুল গাজী ও শফিকুল বিশ্বাসের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ওই নারী তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে ও সাংসারিক জটিলতার বিষয়টি তাদের জানান। তখন নাজমুল ও শফিকুল তার স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে বলে আশ্বাস দিয়ে মোবাইল নম্বর নেয়। এরপর গত ২৪ মার্চ তারা ফোন দিয়ে ওই নারীকে ইছামতি গ্রামের পাগলা বাবার মাজারে দেখা করতে বলে। দেখা করতে গেলে তারা ওই নারীর কাছ থেকে তার স্বামীর ফোন নম্বর নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেয়ার জন্য হুমকি দেয়। এরপর তারা জানায় ওঝার মাধ্যমে ঝাঁড়ফুক করে তালাকের ব্যবস্থা করবে। এরপর গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় ফোন দিয়ে ফের একইস্থানে তাকে ডাকা হয়। এসময় ওই স্থানে নাজমুল ও শফিকুলের সাথে হেকমত শেখ উপস্থিত ছিল। এসময় নাজমুল ও শফিকুল পুলিশ আসছে বলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরক্ষণেই সেখানে মোটরসাইকেল নিয়ে হাজির হয় সোহেল রানা ও টিপু শিকদার। তারা হুমকি দিয়ে ওই নারীকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে গলাচিপা মোড়ের সুশান্তের পরিত্যক্ত জমিতে নিয়ে যায়। সেখানে সোহেল রানা হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। কিছু সময় পরে সেখানে হেকমত শেখ পৌঁছায় এবং তাকে ধর্ষণ করে। এরপর সোহেল রানা ও টিপু শিকদার মোটরসাইকেলে উঠিয়ে ইছামতি প্রাইমারি স্কুলের সামনে নামিয়ে চলে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভয়নগর থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ওই নারীর লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। এছাড়া আজ ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আটক আসামির জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভোমরা দিয়ে ফিরছেন শত শত বাংলাদেশি, এলাকায় আতঙ্ক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

ভোমরা দিয়ে ফিরছেন শত শত বাংলাদেশিকরোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পুরো বাংলাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কোনও মানুষ বের হতে পারছেন না। তবে এই পরিস্থিতিতেও বন্ধ নেই ভারত থেকে বাংলাদেশিদের ফিরে আসা। সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই প্রবেশ করছেন শতাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী। ভোমরা ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, রবিবার এ বন্দর দিয়ে ১২৭ জন বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী ভারত থেকে প্রবেশ করেছেন। শনিবার প্রবেশ করেছেন আরও ১০৪ জন। আর গত ১ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত শুধু ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে এক হাজার ৬৫৪ জন বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী সাতক্ষীরায় প্রবেশ করেছেন। এদের প্রায় সবারই বাড়ি সাতক্ষীরায়। সাতক্ষীরার ভোমরা ইমগ্রেশন ওসি বিশ্বজিৎ সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভারতে লকডাউনের কারণে ভারতীয়রা বাংলাদেশ থেকে তাদের দেশে ফিরতে পারছেন না। সে দেশের ইমিগ্রেশন এ ব্যাপারে খুবই কঠোর। তবে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ বন্ধ নেই। প্রতিদিনই জেলার প্রতিটি থানায় আগতদের তালিকা পাঠানো হচ্ছে। তারা যাতে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকেন সে ব্যাপারে নির্দেশনাও প্রদান করা হচ্ছে।’ সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক অ্যাডি. ফাহিমুল হক কিসলু জানান, ভারত থেকে যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করবে তাদের সরকারিভাবে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে। এটা করতে ব্যর্থ হলে সাতক্ষীরার মানুষ হুমকির মধ্যে পড়তে পারে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন সাফায়াত জানান, ভারত থেকে আসা কোনও ব্যক্তি যেন ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা না করেন সেজন্য নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তাদের হাতে সিল ও বাড়িতে লাল পতাকা টানানো হচ্ছে। তাদের ওপর স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রাম পুলিশকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে তাকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

হোম কোয়ারেন্টিন শেষে ইউপি সদস্যের মৃত্যু

যশোর প্রতিনিধি

যশোরে হোম কোয়ারেন্টিন শেষে গোলাম মোস্তফা (৬০) নামে মালয়েশিয়া ফেরত এক ব্যক্তি মারা গেছেন। উপজেলা প্রশাসন বলছে, মৃত গোলাম মোস্তফার করোনার কোনও লক্ষণ ছিল না। তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। গোলাম মোস্তফা যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জ্বলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর কাজও করতেন। বাঁকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নেছার আলী সাংবাদিকদের জানান, গোলাম মোস্তফা মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর ব্যবসা করতেন। এজন্য তিনি প্রায়ই মালয়েশিয়ায় আসা-যাওয়া করতেন। সর্বশেষ গত ১৪ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন। এরপর থেকে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। ২৯ মার্চ হোম কোয়ারেন্টিন শেষে আজ সোমবার সকালে তিনি বাঁকড়া বাজারের বাসা থেকে তার গ্রামের বাড়ি উজ্জ্বলপুরে যান। সেখান থেকে ফিরে নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে তিনি মারা যান। বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানানো হয়। পরীক্ষা করে তারা জানিয়েছেন, গোলাম মোস্তফা স্ট্রোক করে মারা গেছেন। এর আগেও তার দুইবার স্ট্রোক হয়েছে।

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী মজুমদার বলেন, হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় গোলাম মোস্তফার করোনা আক্রান্তের কোনও লক্ষণই ছিল না। তবু মৃত্যুর পর চিকিৎসকরা তার প্রাথমিক পরীক্ষা করেছেন। স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

তিন দিনের জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালতিন দিন জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট ভুগে কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তি মারা গেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে র জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ব্যক্তি পেশায় ইজিবাইক চালক ছিলেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার নূরুন নাহার বেগম বলেন, ওই ব্যক্তি তিন দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ছিলেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি করানোয় আক্রান্ত হতে পারেন। এজন্য নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ওই রোগীর সংস্পর্শে আসা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কয়েকজনকে ইতোমধ্যে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাযশোরের শার্শা উপজেলার আমলায় গ্রামে সিএনজিচালিত একটি আলমসাধুর ধাক্কায় আব্দুর রাজ্জাক (৫৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাজ্জাক শার্শার বাগুড়ি গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে এবং তিনি বাগআঁচড়া মসজিদের ইমাম বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, সন্ধ্যায় গোগা থেকে মোটরসাইকেলে বাগআঁচড়ার দিকে আসছিলেন রাজ্জাক। আমলায় গ্রামে এলে ইঞ্জিনচালিত একটি আলমসাধুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে গুরুতর আহত হন রাজ্জাক। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি কিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে’ থাকা কিশোরীর মৃত্যু, স্বজন লাপাত্তা

যশোর প্রতিনিধি

যশোর জেনারেল হাসপাতালযশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের ‘প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে’ থাকা ১২ বছরের এক কিশোরী সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে মারা গেছে। রবিবার (২৯ মার্চ) বিকালে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মেয়েটির সিম্পটম সম্পর্কে আইইডিসিআরে জানানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন করোনার কারণে তার মৃত্যু হয়নি।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার আরিফ আহমেদ বলেন, রবিবার বিকালে মেয়েটিকে  জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার সর্দি, কাশি ছিল। পরে তাকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। সোমবার সকালে যশোরে আইইডিসিআরের স্থানীয় প্রতিনিধিদের নমুনা সংগ্রহ করার কথা ছিল। কিন্তু ভোর ৪টার দিকে মেয়েটি মারা যাওয়ার পর আইইডিসিআরের স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে মেয়েটির সিম্পটমের বিষয়ে আলোচনা করেন ডাক্তাররা। পরে তাদের জানানো হয়, করোনার কারণে সে মারা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোরের সিভিল সার্জন (সিএস) শেখ আবু শাহীন বলেন, ‘আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আমাদের জানিয়েছেন, স্যাম্পল কালেকশনের কোনও দরকার নেই। শিশুটির মৃতদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’ হাসপাতালে রোগীর স্বজনরা নেই জানানোর পর তিনি বলেন, ‘তাদের খুঁজে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। না পাওয়া গেলে আমরা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবো।’ 

হাসপাতালের রেজিস্ট্রার অনুযায়ী কিশোরীর নাম কাকলী। বাবার নাম কালাম হোসেন। তাদের বাড়ি যশোর সদরের  এনায়েতপুরে।