সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।।
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদে’র প্রভাবে রোববার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। শীতের পাশাপাশি এমন বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলীয় এলাকার মানুষ। এদিকে জাওয়াদের প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের মাসুম বিল্লাহ বলেন, এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’র ফলে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষতি হয় আমাদের এলাকায়। খোলপেটুয়া নদীর বন্যতলা পয়েন্টের বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন সংস্কার হয়নি। এ কারণে জোয়ার-ভাটা খেলা করত প্রতাপনগর গ্রামের ১০টি গ্রামে। তবে সপ্তাহ খানেক আগে ওই পয়েন্টের বেড়িবাঁধ বেঁধে দেওয়া হয়। এখন ওই এলাকা সুরক্ষিত থাকলেও পাশের রিংবাঁধ রয়েছে ভঙুর অবস্থায়। এ নিয়ে আমরা উদ্বেগে আছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন,নদ-নদীগুলোতে জাওয়াদের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেশি উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তা উদ্বেগজনক পর্যায়ে নেই। ভঙুর বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে বেঁধে দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। জিও ব্যাগ পর্যাপ্ত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আরিফুর রহমান জানান,উপকূলীয় এলাকার ১৬৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে যাতে উপকূলীয় এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে পারেন,সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে মোকাবিলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।











































