মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি।।
যশোরের মনিরামপুরে ৬ষ্ট শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিবেশী দাদা আবদুল জলিলের বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর মাতবররা শালিস করে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু শালিসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ওই ছাত্রী সোমবার সকালে মামলা করেছে।
ভিকটিমের পরিবার জানায়, ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী শনিবার সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশে প্রতিবেশী দাদা আব্দুল জলিলের বাড়ির উঠান দিয়ে এক বান্ধবীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় উঠান থেকে জলিল তাকে ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালান। এ সময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের কয়েকজন ছুটে আসলে জলিল পালিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় মাতবর জমশেদ আলীর নেতৃত্বে সিদ্দিকুর রহমান, ইব্রাহিম হোসেনসহ অন্যান্যরা এসে রাত ৮টার দিকে জলিলকে ধরে নিয়ে গিয়ে শালিসের আয়োজন করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শালিসের একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শালিসে আবদুল জলিল তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা ভিক্ষা চান। এক পর্যায়ে মাতবররা জলিলকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। এ ঘটনার পর থেকে ওই রাতেই জলিল এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।
এ ঘটনায় ওই ছাত্রী ও তার অভিভাবকরা সোমবার সকালে থানায় এসে জলিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
ওই ছাত্রীর অভিভাবকরা জানান, তারা কোনো টাকা চান না। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।
তবে অভিযোগ রয়েছে শালিসের মাতবররা এ ঘটনায় তাদের মুখ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও কোনো মামলা না করার জন্য হুমকিও দিয়েছেন বলে ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেছেন।
শালিস বৈঠকের মাতবর জামশেদ আলী জানান, জরিমানার কথা শালিসের অনেকেই বলেছিলেন। তবে সেটা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
মনিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। সত্যতা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।











































