Home আঞ্চলিক খুলনা অঞ্চলে ২৮ জনের মৃত্যু, সংক্রমিত ৭৬৩ জন

খুলনা অঞ্চলে ২৮ জনের মৃত্যু, সংক্রমিত ৭৬৩ জন

6

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে রবিবার সকাল অবধি ২৪ ঘন্টায় কোভিড –১৯ এ  ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরো ৭৬৩ জন মারত্মক এই ভাইরাস পরীক্ষায় পজেটিভ ধরা পড়েছে, একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা একথা জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা জানান, সময় বিভাগের নয়টি  জেলায় ২৮ জন মারা যাওয়ায় ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৫ জনে। তিনি জানান, খুলনায় সর্বোচ্চ ২০৮, কুষ্টিয়ায় ১৫৪, যশোরে ১০৮, চুয়াডাঙ্গায় ৭৩, ঝিনিদহে ৬৫, বাগেরহাটে ৬৫, সাতক্ষীরায় ৬২, মেহেরপুরে ৩৩, নড়াইলে ৩১ এবং মাগুরার ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সদ্য মৃত ২৮ জনের মধ্যে  কুষ্টিয়ায় ৭, চুয়াডাঙ্গায় ৫, যশোর ঝিনাইদহে চার, খুলনা, বাগেরহাট সাতক্ষীরায় দু’জন করে, মাগুরা নড়াইল জেলায় একজন করে মারা গেছেন।

বিভাগের  মোট ১০টি জেলায় আরো মোট ৭৬৩ জন কোভিড –১৯ পজেটিভ ধরা পরায় সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৪৫,০৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ  জানায়, নতুন দৈনিক সংক্রমণের পরিসংখ্যান আগের দিন ছিল ৬২৫। সেই  তুলনায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যাও তীব্রভাবে বেড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে আজ সকালে ১৯৯ জন নতুন আরোগ্য লাভ করায় পর্যন্ত আরোগ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো মোট ৩৪,৩২০ জন। ডা. রাশেদা আরো জানান,  মোট ৫,৬৯৫ জন আক্রান্ত রোগী বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এছাড়া, ইতোমধ্যে  কোভিড-১৯  ইতিবাচক  রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে ৪৫,২৮০ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির জন্য বিভিন্ন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে যাদের  ৩৪,৯৬৫ জন যাবত ছাড়া পেয়েছে।

এদিকে, আরো ১৮৬ জনকে নতুন করে বাড়িতে প্রাতিষ্ঠানিক কোরেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১৪২জনকে গত ২৪ ঘন্টার আইসোলেশন শেষে আজ সকাল ৮টার দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

নতুন করে সংক্রমিতদের মধ্যে খুলনায় সর্বাধিক ২২৩ , কুষ্টিয়ায় ১৬৪, ঝিনিদহে ৯০, যশোরে ৭৩, চুয়াডাঙ্গা বাগেরহাটে ৬৮জন করে, নড়াইলে ৪৪,  মেহেরপুরে ১৯ সাতক্ষীরায় ১৪ জন শনাক্ত হয়েছে।

নতুন শনাক্ত রোগীসহ জেলা পর্যায়ে বিক্ষিপ্তভাবে এখন খুলনায় মোট ১২,৮২১, যশোরে ৯,৪৮০, কুষ্টিয়ায় ৬,৩৩৮, ঝিনাইদহে ৩,৩৯৭, সাতক্ষীরায় ২,৮৬৬, চুয়াডাঙ্গায় ২,৫৯১, বাগেরহাটে ২,৫৫০, নড়াইলে ২,২৭২ , মাগুরায় ১,৩৮৫ এবং  মেহেরপুরে ১,৩৩৩ জন রোগী রয়েছে।