Home আঞ্চলিক কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে রামপালে জলাবদ্ধতা

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে রামপালে জলাবদ্ধতা

8

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতে বাগেরহাটের রামপালের বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শনি রবিবারের টানা বৃষ্টিতে এলাকার জলাবদ্ধতার পরিস্থিতির আরো খারাপ হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিতে গেছে এলাকার রাস্তাঘাট ঘরবাড়ীও। বৃষ্টিতে তলিয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে শত শত চিংড়ি ঘেরও।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার সদর, ওড়াবুনিয়া, কুমলাই, ফয়লা বাজার, সিকি, ভাগা, তেলিখালী, গোবিন্দপুর, গিলাতলা, বাঁশতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। গত প্রায় সপ্তাহখানেকেরও বেশি সময় ধরে কখনও দিনে আবারো কখনও রাতে বৃষ্টিপাত হয়ে আসছে। তবে শনি রবিবারের টানা মুষলধারের বৃষ্টিতে এখানকার রাস্তাঘাট, পুকুর, ঘের, ঘরবাড়ী তলিয়ে জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে রয়েছেন এলাকার শত শত পরিবার। এদিকে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে চিংড়ি ঘেরের মাছ ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নদীর পাড়ের ঘেরগুলোর পানি ভাটায় নেমে গেলেও রাস্তার ভিতরের ঘেরগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এবং যে ড্রেন রয়েছে তাও ময়লা আবর্জনায় ভরে যাওয়াতে ঠিকমত পানি নিষ্কাশন হচ্ছেনা। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় খাল ভরাট দখলের কারণে পানি নামতে না পারায় জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: কবীর হোসেন বলেন, উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানি নামানোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রকৌশলী গোলজার হোসেনকে বলা হয়েছে। ড্রেনে যদি কোন সমস্যা থেকে থাকে তা দ্রুত সময়ের মধ্যেই তিনি তা ঠিকঠাক করে দিয়ে পানি সরানোর ব্যবস্থা করবেন। তিনি আরো বলেন, গেল ইয়াসে এলাকার চিংড়ি ঘেরসহ সব কিছু মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় কোটি টাকারও বেশির। এরপরও যদি বৃষ্টির জলাবদ্ধতা ঠেকানো না যায় তাহলে আবারো নতুন করে ক্ষতির মুখে পড়বেন এখানকার বাসিন্দারা।

উপজেলা প্রকৌশলী মো: গোলজার হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি নামানোর জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ জন করে লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি’নারী শ্রমিক রয়েছে। তাদেরকে ইতিমধ্যে স্ব স্ব এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।