Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

26

মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর কর্মসূচী শুরু আজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

আজ ২৯ মে শনিবার বেলা টায় খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় অংশগ্রহনের মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গনতন্ত্রের পূন:প্রর্বতক আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসুচি শুরু হচ্ছে। খুলনা মহানগর  জেলা বিএনপির তিন দিনের কর্মসূচীর প্রথমদিনে আজ ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

অনুষ্ঠনের সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দলের সংগ্রামী মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর, এছাড়া বক্তব্য রাখবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ। খুলনা মহানগর জেলা বিএনপি এবং অংগ দলের নেতা কর্মীরা যুক্ত হবেন বেলা টায় খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়ত থেকে। দ্বিতীয় দিন ৩০মে রবিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করন, কালো পতাকা উত্তোলন কালো ব্যাজ ধারন। সকাল সাড়ে ১০ টায় বিএনপি কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও  শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান। বাদ জোহর থেকে বাদ এশা নগরী জেলার থানা, ওর্য়াড ইউনিয়নে দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন। তৃতীয় দিন ৩১ মে সোমবার থানা পর্যায়ে আলোচনা সভা। সকল কর্মসুচি সফল করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছে, মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি জেলা সাধারন সম্পাদক আমীর এজাজ খান।

শেখ আমজাদ হোসেন একজন সৎ সহসী নিষ্ঠাবান কর্মিবান্ধব বিএনপি নেতা ছিলেন :মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, মরহুম শেখ আমজাদ হোসেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে ধারণ করে তৃণমুল পর্যায়ে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন। মরহুম শেখ আমজাদ হোসেন একজন সৎ সহসী নিষ্ঠাবান কর্মিবান্ধব নেতা ছিলেন; তিনি আজীবন জনগণের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এবং কল্যাণে সোচ্ছার ছিলেন। খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফুলবাড়ীগেট বাজার বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিএনপির বর্ষিয়ান নেতা শেখ আমজাদ হোসেনের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঞ্জু আরো বলেন, গণতন্ত্র পুণঃউদ্ধারের আন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন সংগ্রামে অকুতভয় সেনানী হিসেবে কাজ করেছেন মরহুম শেখ আমজাদ হোসেন। তাকে হারিয়ে দল একজন বিশস্ত সহকর্মীকে হারিয়েছে। তবে তাঁর কর্মকান্ড দলের নেতাকর্মীদের অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

শুক্রবার (২৮ মে) বিকাল ৫টায় ফুলবাড়ীগেট বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্মরনসভা দোয়ামাহফিলে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান। যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনের পরিচালনায় স্মরণ সভা দোয়া মাহফিলে অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এস রহমান বাবুল, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, মহানগর বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, রফিকুল ইসলাম শুকুর, কাজী মিজানুর রহমান, মুন্সি আঃ রব,  ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম শিকদার, আঃ জলিল হাওলাদার, ম. শা আলম, সাবেক ছাত্রদল নেতা শেখ সাদি , আজিজুর রহমান স্বপন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোল্যা সোহাগ হোসেন, এমদাদ হোসেন, কাজী শহিদুল ইসলাম, মীনা মুরাদ, হাবিবুর রহমান, সাবেক মেম্বর হাদিউজ্জামান, রুমি শিকদার, জাহিদুল ইসলাম, মোল্যা সোহরাব হোসেন, শেখ হাসিবুল হাসান, মোল্যা সোলায়মান, শরিফ ওবায়দুর রহমান চয়ন, শাহদাৎ হোসেন সাজু, মিরাজুল ইসলাম, সৈয়দ জাকির হোসেন, আলহাজ্জ শেখ আলামিন, সৈয়দ শাহজাহান, কামরুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন, আলামিন হাওলাদার, ইলিয়াজ, হাবিবুর রহমান বিপ্লব, সাইফুল্লাহ তাজিম, শেখ সেলিম আহম্মেদ,মোঃ আজমুল মুন্সি, মোঃ নাজমুল হুদা পলাশ, বিল্লাল হোসেন, মোঃ ইমদাদ মোড়ল, লিটন শেখ, শামিম আহম্মেদ, মোঃ মাসুম খান,  আনোয়ার হোসেন, মোঃ ফরহাদ। দোয়া মাহফিলের দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আলী আকবর। বিএনপি নেতা শেখ আমজাদ হোসেনের স্বরণ সভা দোয়া মাহফিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী এবং মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়। স্মরণ সভা  দোয়া মাহফিলে বিএনপি তার অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিএনপি নেতা শেখ আমজাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে যোগীপোল রেলগেট জামে মসজিদে জুম্মাবাদ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, বিএনপি নেতা শেখ আমজাদ হোসেন গত ২৫ মে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় খুলনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

রামপালে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মোংলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে পানিতে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়নের শোলাকুড়া গ্রামে পানি পড়লে মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর পরিবার প্রতিবেশী গ্রামবাসী জানায়, শোলাকুড়া গ্রামের শেখ রহমতের বছর বয়সের শিশু কন্যা শুক্রবার দুপুরে বাড়ীর উঠানে খেলা করছিলো। সময় ওই শিশুটির মা অন্য  আরেকটি পুকুর থেকে মিষ্টি পানি আনতে যায়। তখন শিশুটি খেলতে খেলতে বাড়ী পুকুরে পড়ে যায়।

পরে খোঁজাখুজি করে পুকুর থেকে শিশুটিকে তুলে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় তার পরিবার। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পিতা-মাতার একমাত্র সন্তানের পানিতে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার গ্রামবাসীর মধ্যে শোক চলছে৷ #

উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছাস বন্যা রোধে স্থায়ী টেকসই ভেড়ী বাঁধ নির্মাণের দাবী

খবর বিজ্ঞপ্তি

উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছাস বন্যা রোধে স্থায়ী টেকসই ভেড়ী বাঁধ নির্মাণের দাবীতে খুলনা জেলার দাকোপের পানখালী বটবুনিয়া, বটিয়াঘাটার বরণপাড়া, পাইকগাছা সদর কয়রা উপজেলায় সিপিবি’মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে যখনই কোনো ঝড়-জলোচ্ছাস হয় তখনই এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দেখা দেয়। ভেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে ঘর-বাড়ি, ফসলী জমি তলিয়ে যায় আর ভাসিয়ে নিয়ে যায় গবাদি পশুসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণি। বানভাসি এলাকার মানুষরা বছরের পর বছর বিভিন্ন দুঃখ-দুর্দশার মধ্যে জীবন কাটায়। কিন্তু সরকার এই দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য স্থায়ী টেকসই ভেড়ীবাঁধ নির্মাণের প্রয়োজন মনে না করার কারণে বিভিন্ন উপজেলায় মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন সরকার যদি ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ না করে তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমে বাধ্য করা হবে। এই ভেড়ীবাঁধ যখনই ঝড়-জলোচ্ছাস হয় তখনি অস্থায়ী বাঁধগুলো ভেঙ্গে যায় আর গৃহহারা হয় হাজার হাজার পরিবার। এমনকি অনেক পরিবার আছে বাড়িঘর, জমিজমা অত্র চলে গেছে। উপকুলীয় মানুষদের এই দুর্দশা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হচ্ছে স্থায়ী টেকসই ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ। বাঁধ ভাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সাহায্য-সহযোগিতা পৌঁছে দেয়ার দাবী জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, উপকূলী অঞ্চলে স্থায়ী টেকসই ভেড়ীবাঁধ নির্মাণের সরকারের কাছে জোর দাবী জানান। এসব মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস রশীদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. এম এম রুহুল আমিন, শেখ আব্দুল হান্নান, কিশোর রায়, সমীরণ গোলদার, অশোক সরকার, এড. প্রশান্ত ম-ল, শিশুবর বাছাড়, অসীম বৈরাগী প্রমুখ।

তালায় সাত মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

ইলিয়াস হোসেন, তালাঃ

তালায় সালমা বেগম (৩৫) নামের সাত মাসের অন্তঃসত্তা এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর কানাইদিয়া গ্রামের রোস্তম গাজীর স্ত্রী জেঠুয়া গ্রামের গওহর গাজীর মেয়ে। শুক্রবার (২৮ মে) দুপুরে নিজ ঘর থেকে শাড়ি দিয়ে প্যাচানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতের পরিবারের দাবী, পারিবারিক কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে। তবে সময় নিহত সালমার স্বামী রোস্তম গাজীকে বাড়িতে দেখা যায়নি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সালমা তার স্বামীর মধ্যে পারিবারিক কলোহ-বিবাদ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবারও ঝগড়া মেটাতে সালিশী বেঠক হয়। হঠাৎ শুক্রবার জুম্মার নাজাম পড়ে আসার পর ঘরে তার লাশ পাওয়া যায়। তাদের সংসারে বছরের একটি ছেলে রয়েছে। 

নিহতের পিতা গওহর গাজী জানান, তার মেয়ে সালমা সাত মাসের অন্তঃসত্তা ছিল। প্রায়ই স্বামীর সাথে তার ঝগড়া হতো। তাকে মারধরও করতো। কয়েকবার বসাবসিও হয়েছে। কিন্তু কোন সমাধান হয়নি। শুক্রবার দুপুরে হত্যা করে তার মেয়ের লাশ ঝুঁলয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু বলেন, তিনি খবর শুনে উক্ত বাড়িতে গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি দেখেন। পরে থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদী রাসেল লাশটি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ সাতক্ষীরা মর্গে পাঠানো হবে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা ময়না তদন্ত রিপোর্ট আসার পর সেটি জানা যাবে।

তালায় ছেলে-বৌয়ের হাত থেকে মাকে রক্ষা করতে গিয়ে দুই প্রতিবেশী গুরুতর জখম

ইলিয়াস হোসেন, তালাঃ

তালা উপজেলার বারুইহাটী গ্রামে ছেলে তার বৌয়ের হাত থেকে মাকে রক্ষা করতে গিয়ে তাদের হামলায় দুই প্রতিবেশী আহত হয়েছে। আহতরা হলো বারুইহাটী গ্রামের এজেডএম আবু বক্কার সিদ্দিকীর ছেলে ফাহিম ফয়সাল (২৬) এবং তার চাচা তালা মহিলা মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী মোঃ আলী আকবর (৪৪)বর্তমানে তারা তালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শুক্রবার (২৮ মে) সকালে বারুইহাটী গ্রামে উক্ত ঘটনা ঘটে। ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফাহিম ফয়সালের মা শিক্ষিকা মাহমুদা সিদ্দীক জানান, তাদের প্রতিবেশী বারুইহাটী গ্রামের মৃতঃ আব্দুল বারী মোড়লের ছেলে নাজমুল মোড়ল তার স্ত্রী জোহরা খাতুন প্রায়ই তার বৃদ্ধা মাকে মারধর করতো। শুক্রবার (২৮ মে) সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা বৃদ্ধা মা কমেলা বেগমকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। সময় বৃদ্ধার চিৎকারে আমার ছেলে  ফাহিম ফয়সাল তার চাচা মোঃ আলী আকবর এগিয়ে আসে।  ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুল তার স্ত্রী জোহরা খাতুন তাদেরকে ইট দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। সময় তাদেরকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে বৃদ্ধা কমেলা বেগম (৬৫) জানান, “ছেলে নাজমুল ছেলের স্ত্রী জোহরা প্রায়ই তাকে মারধর করে এবং বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে। কদিন আগেও ছেলের বৌ আমাকে ব্যাপক মারপিট করে। শুক্রবার সকালে তারা আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। সময় প্রতিবেশী ফাহিম ফয়সাল মোঃ আলী আকবর আমাকে রক্ষা করতে আসলে তাদেরকে  বেদম মারপিট করে। তারা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।”

তবে ব্যাপারে নাজমুল মোড়লের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

তালা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ অতনু ঘোষ জানান, শুক্রবার সকালে বারুইহাটী গ্রামের ফাহিম ফয়সাল তার চাচা মোঃ আলী আকবর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রামপালে জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ

মোংলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে ঘূর্নিঝড় ইয়াসের জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসন ত্রাণ বিতরণ করেছেন শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মল্লিকের বেড় ইউনিয়নের ৩শ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হয়। সময় প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, কেজি ডাল, লিটার তেল, কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম লবণ, ১টি সাবান টি করে মাস্ক  দেয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান, মল্লিকের বেড় ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার নাজমুল কবীর ঝিলামসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

২৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা তসলিম হোসেন হারুনের মায়ের মৃত্যুতে আ’লীগের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. তসলিম হোসেন হারুনের মা শামছুন্নাহার বেগম (৯০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…….রাজিউন)তিনি বার্ধক্য জনিত কারণে অসুস্থ্য হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ১১ টায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে মেয়ে সহ আত্মীয় স্বজন অসংখ্য গুণগ্রাহি রেখে গেছেন। মরহুমার নামাজে জানাযা শুক্রবার বাদ আসর মোহাম্মদনগর বাইতুন মেরাজ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমাকে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, ত্রাণ সমাজকল্যাণ সম্পাদাক মো. শাহজাদা, নির্বাহী সদস্য এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম গোরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফ এনামুল কবীর, ২৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী আইয়ুব আলী, সাধারণ সম্পাদক সরদার আব্দুল হালিম, যুবনেতা এসএম হাফিজুর রহমান হাফিজ, ২৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. জাকারিয়া আকন, জাহানারা বেগম, রেদোয়ান রহমান বাবলু, মাষ্টার আব্দুল হান্নান, শরীফ ইবাদত হোসেন, শেখ আব্দুর রহিম, আশরাফুজ্জামান লালু, মাহাবুবুল আলম, গাজী রকিব উদ্দিন সোহাগ, মো. কবির হোসেন পলাশ, শেখ জাবিদ হোসেন, মো. রেজাউল করিম, মো. ইখতিয়ার উদ্দিন, এ্যাড. সাফায়েত হোসেন চৌধুরী, মোয়াজ্জেম হোসেন খান, কাজী মোখলেসুর রহমান, মো. এজাজুর রহমান সুমন, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আলমগীর হোসেন, শ্রী বারিদ বরণ রায়, মো. তৈয়ব আলী, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মাসুম আরেফিন, মো. ইমতিয়াজ হোসেন চঞ্চল, বন্দে আলী সবুজ, মো. রফিকুল ইসলাম কালু, মো. জয়নাল আবেদীন বাবলু, বাদল কুমার দে, মো. সাদেক হোসনে বাচ্চু, মো. হাফিজুর রহমান খলিফা, মো. সেকেন্দার হোসেন, নুরুল ইসলাম জমিদার, এমএ সালাম, মুনতাকিম হোসেন লালু, এ্যাড. আবু রাসেল, কাজী এজাহার, নুর ইসলাম গাজী, মো. দাউদ শেখ, মো. মুজিবর রহমান, মো. বিল্লাল, কোহিনুর রাজ্জাক, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরা, যুব নেতা এসএম সিপার হায়দার, ফজলে রাব্বি, আকতারুজ্জামান ইলিয়াস, জামাল হোসেন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এদিকে তসলিম হোসেন হারুনের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. শাহজাদা, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ^াস, তসলিম আহমেদ আশা।

ওয়াসা কর্তৃক মহানগরীর পানির সংকট সমাধানের দাবীতে সোনাডাঙ্গা থানা সিপিবি’সভা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা ওয়াসা কর্তৃক মহানগরীর সুপেয় পানির সংকট সমাধানের দাবীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সোনাডাঙ্গা থানা কমিটির উদ্যোগে এক সভা আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় দলের থানার সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সিপিবি’সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেনÑসোনাডাঙ্গা থানা সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী হাওলাদার, থানা কমিটির নেতা নীরজ রায়, অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, পারভীন আক্তার শিলা, অ্যাড. গৌরাঙ্গ সরকার প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে অপরিকল্পিত, বাস্তবতা বিবর্জিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করে মহানগরীর পানির সংকট সমাধানে কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এখন পানির উৎস এবং সরবরাহের স্থল অর্থাৎ খুলনা মহানগরীর দূরত্ব এবং প্রকল্পটি চালিয়ে রাখার ব্যয়ভারের বিষয়টি মাথায় ছিল না বলে কর্তৃপক্ষ দায়ভার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যা খুবই দুঃখজনক। গ্রাহকদের নিকট থেকে নিয়মিত উচ্চহারে বিল নিলেও প্রথমত পানির স্বল্পতা, দ্বিতীয়ত লবণাক্ত ময়লা পানি, আবার কখনও কখনও অজানা দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরবরাহ করে নগরবাসীকে নাকাল করছে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য সমাধানের পথ ওয়াসাকেই বের করতে হবে বলে নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন।

জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে মহানগর বিএনপির বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ

খবর বিঞ্জপ্তি

স্বাধীনতার মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপি।

কর্মসূচিসমূহের মধ্যে রয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত, দু”স্থদের মাঝে তবারক বিতরন স্বেচ্ছায় রক্তদান। বৈশি^মহামারি কোভিড পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি কর্মসূচি পালন করা হবে।

খুলনা মহানগর জেলা বিএনপি এবং সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন সম্মিলিতভাবে কর্মসূচি সমূহ পালন করবে।

কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে মহানগর বিএনপির এক প্রস্ততি সভা শুক্রবার বিকেলে দলের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ¦ সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালনায় প্রস্ততি সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আজিজুল হাসান দুলু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, আজিজা খানম এলিজা, মাসুদ পারভেজ বাবু, একরামুল হক হেলাল, আল জামাল ভূইয়া, ইবাদুল হক রুবায়েদ, আব্দুল আজিজ সুমন, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, সজিব তালুকদার, আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।

তেরখাদার শান্তিপুর গ্রামে বইছে অশান্তির হাওয়া, দুগ্রুপের যাতাকলে হয়রানি হচ্ছে সাধারণ জনতা

তেরখাদা প্রতিনিধিঃ

তেরখাদা উপজেলার কোলা নয়াবারাসাত শান্তিপুর গ্রামে দুগ্রুপের আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শান্তিপুর গ্রামে বইছে অশান্তির হাওয়া। আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন এলাকায় প্রভাবশারী কামাল কাজী গ্রুপ বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মহাসীন এর সমর্থকদের মধ্যে চলছে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এঘটনায় অনেকে আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। স্থানীয় খুটিনাটি বিষয়ে গ্রুপিং করার ফলে পুরা মধুপুর ইউনিয়নবাসী হয়রানির শিকার হয়। এমননকি সাধারণ জনগণকে শহরে যাতায়াতপথে গতি রোধ করে লাঞ্চিত করা হয়। তার জের ধরে  গত ২৫ মে মঙ্গলবার বেলা অনুমান ১টায় শান্তিপুরের অহিদুল মোল্যা গং উকিল মোল্যা গংদের শক্তির কাছে অবরুদ্ধ থাাকার ঘটনায় নিশিপুরের আরিফ মল্লিক মিমাংসার সার্থে দুই পক্ষ্যের মিমাংসার লক্ষ্যে অহিদুল মোল্যার বাড়িতে গিয়ে উকিল মোল্যা গংদের ফোন করেন। উকিল মোল্যা গং আরিফ মল্লিককে ভুল বুঝে প্রায় অর্ধ শতাধিক লোকজন নিয়ে অহিদুল মোল্যার বাড়ি ঘেরাও করে। এবং লোকজনদের ধওয়া দিলে তারা ঘরে পালালে চেয়ার টেবিল ভাঙ্গচুর করে উক্ত ভাঙ্গা চেয়ারগুলো উকিল মোল্যার বাড়ি নিয়ে যায়। ঘটনায় পুলিশকে সংবাদ দিলে উকিল মোল্যার বাড়িতে ভাঙ্গা চেয়ার টেবিল দেখিয়ে থানায় দুপক্ষ্যই মামলা দায়ের করে। এঘটনার জের গত ২৭ মে সকাল অনুমান ১০টায় নিশিপুর সুইজ গেট সংলগ্নে নয়াবারাসাত শান্তিপুরে কামাল কাজীর সমর্থক বখতিয়ার (পিতা রজ শেখ) এর গতিরোধ করে মহাসিন চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে রক্তাত্ত করে। সে খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনায় মহাসিন চেয়ারম্যান কে ১নং আসামী করে ইকবাল শেখ নামে এক ব্য্িক্ত বাদী হয়ে তেরখাদা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং ২১, তারিখ- ২৭/০৫/২০২১ইং। এবিষয়ে মহাসিন চেয়ারম্যানে নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, “এঘটনার সময় আমি তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলাম। বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তবে যারা আহত হয়েছে তারাও আমার লোক। আমি কাউকে হয়রানি করতে চাইনা। যদি চাইতাম তো আমার লোক দিয়ে তাদের শিকড় তুলে দিতে পারতাম। তিনি আরও জানান, অহিদুল মাহাবুব পূর্বের মামলার আসামী ছিল। ঘটনার দিন তাদের কোর্টে হাজিরা ছিল। তারা কি করে উপস্থিত থেকে তাদের মারপিট করে সেটা আমার জানা নেই। তবে এঘটনায়  দুজন নির্দোশ ব্যক্তি আনারুল ইসলাম (২৫) রাজু মল্লিক (২০) কে গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। অন্যদিকে পূর্বের মামলার জামিনকৃত আসামী অহিদুল মোল্যা গং জামিনে ছাড়া পেলেও নিরাপত্তার অভাবে তারা নিজ বাড়িতে আসতে পারছে না।”

এদিকে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল রাজু আহমেদ তেরখাদা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল আলম গতকাল শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং দোষী ব্যক্তিদের তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান।

বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং বড় ধরণের গন্ডগোল বাধার সম্ভাবনা রয়েছে।

রূপসা আমদাবাদে অপহরন নাটকের রহস্য উন্মেচন

রূপসা প্রতিনিধিঃ  

 রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের আমদাবাদ গ্রামের এক স্কুল ছাত্রের অপহরন নাটকের অবসান হলো মাত্র ১৭ ঘন্টা পরে। থানা পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে এই অপহরণ নাটকের অবসান ঘটায়। সূত্র মতে উক্ত গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য আজম খানের পুত্র, লখপুর আলহাজ¦ আমবিয়া ইসহাক স্কুল এ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেনির ছাত্র আহনাফ মোজাহিদ ওরফে নিয়াজ (১৪) অপহরন হয়েছে বলে তার পিতা থানায় লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগ মতে গত ২৭ মে সন্ধ্যায় একটি সাদা মাইক্রোবাস যোগে উক্ত স্কুল ছাত্রকে কয়েকজন ব্যক্তি জোর পূর্বক আমদাবাদ বাড়ীর সামনে থেকে অপহরন করে নিয়ে যায়। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের টি দল রাতভর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য। স্কুল ছাত্রের পিতার ভাষ্যমতে থানা পুলিশ উক্ত এলাকার জনকে আটকও করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কিন্তু কোন ভাবেই ভিকটিমকে উদ্ধার করা যাচ্ছিল না। অবশেষে থানা পুলিশ সু-কৌশলে ভিকটিমের পিতার মোবাইল থেকে ভিকটিমের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে এবং রাতভর অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে গত ২৮ মে সকাল ১১টার দিকে থানা পুলিশের একটি দল খুলনা শিববাড়ী মোড় এলাকা থেকে নিয়াজকে উদ্ধার করে এবং থানায় নিয়ে আসে। নিয়াজ পুলিশের কাছে তার অপহরন নাটকের বর্ণনা দেয় এবং বলে তার পিতার কাছ থেকে সু-কৌশলে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য উক্ত অপহরন নাটক রচনা করে। কিন্তু এলাকাবাসীর দাবী উক্ত আজম খান স্থানীয় একটি পরিবারের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তার ছেলেকে লুকিয়ে রেখে অপহরনের নাটক সাজিয়ে থানা পুলিশ মিথ্যা অভিযোগ প্রদান করে। ব্যাপারে রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ সারারাত অভিযান চালিয়েছে ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য। অবশেষে উদ্ধার অভিযান শেষে প্রকৃত রহস্য উন্মেচন হয়েছে। ব্যাপারে মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে এবং মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আটককৃত উক্ত ব্যক্তিদের সকালেই থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সোনাডাঙ্গা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে বক্তারা: সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে

খবর বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় পার্টি সোনাডাঙ্গা থানা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন শুক্রবার বিকেল ৩টায় ডাকবাংলাস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে জাপা নেতা মোঃ কালাচাঁন-এর সভাপতিত্বে এবং আব্দুল গফফার মোড়লের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর জাপার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ্ মোহাম্মদ লায়েক উল্লাহ। উদ্বোধক ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা এরশাদুজ্জামান ডলার, মহানগর জাপা নেতা মল্লিক আসাদুজ্জামান আছা। প্রধান বক্তা ছিলেন জাপার কেন্দ্রীয় নেতা এড. মাসুদুর রহমান। বক্তব্য রাখেন উপস্থিত ছিলেনÑযুব সংহতি মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোল্লা সাইফুল ইসলাম, কৃষক পার্টির মহানগর সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন, সোনাডাঙ্গা থানা জানা নেতা মাজাহার জোয়ার্দ্দার পান, প্রিন্স হোসেন কালু, বাবুল হাসান রাজু, এম রব, শহীদ হাওলাদার, মোঃ এজাজ আহমেদ, গাজী খোকন, জাহিদুল ইসলাম, শাহনাজ পারভীন, অপূর্ব দত্ত নেকু, বেলাল হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, অমিত হাসান অয়ন, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, শওকত হোসেন, খলিলুর রহমান, আয়নল হক, মোঃ বাবলু বিশ্বাস, রাব্বি মীর, অলোক রায়, বিল্লাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, গাজী মোশাররফ হোসেন প্রমুখ। বক্তারা সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে মোঃ আসাদুজ্জামান আছাকে উপদেষ্টা, মোঃ কালাচাঁনকে সভাপতি, বাবুল হাসান রাজুকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, আব্দুল গফফার মোড়লকে সাধারণ সম্পাদক, শহীদ হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মোঃ জাকির হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ জাহিদুল ইসলামকে প্রচার সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

‘বন্ধকৃত পাটকল চালু শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ দিতে হব ‘

খবর বিজ্ঞপ্তি

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু, আধুনিকায়ন, বদলী-দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের ইনক্রিমেন্ট, ২০২০ সালের ঈদ বোনাসসহ সমুদয় বকেয়া পরিশোধ, নাম ভুলের সমস্যা সংশোধন করে স্থায়ী শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য আসন্ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের দাবিতে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে আজ ২৮ মে শুক্রবার বেলা ১১টায় অস্থায়ী কার্যালয়ে ‘শিল্প রক্ষায় বাজেট শ্রমিক রক্ষায় বাজেট’ শীর্ষক আলোচনা সভা  স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহবায়ক এ্যাড. কুদরত-ই-খুদা এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব এস রশীদ। সভায় আলোচনা করেন অংশগ্রহণ করেনÑসিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাড. মহসীন, বাম গণতান্ত্রিক জোট গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য খুলনা জেলা সভাপতি ডা. মনোজ দাশ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. এম এম রুহুল আমীন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য খুলনা জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হক খান, সাধারণ সম্পাদক গাজী নওশের আলী, সিপিবি খুলনা মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সমরেশ রায়, সম্পাদকম-লীর সদস্য কাজী দেলোয়ার হোসেন, আনিসুর রহমান মিঠু, নারীনেত্রী সুতপা বেদজ্ঞ, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, গণসংহতি আন্দোলন জেলা নেতা সেলিম বকুল, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি আব্দুল করীম, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি) খুলনা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম চন্দন, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা সভাপতি কোহিনুর আক্তার কণা, গণসংহতি আন্দোলন জেলা নেতা সেলিম বকুল, ফুলতলা উপজেলা আহবায়ক মোঃ অলিয়ার রহমান, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী, মহানগর সভাপতি আফজাল হোসেন রাজু, ছাত্র ফেডারেশন খুলনা মহানগর আহবায়ক আল আমীন শেখ, শ্রমিকনেতা শামসেদ আলম শমসের, আবদুর রাজ্জাক তালুকদার, শামস শারফিন শ্যামন, জামাল মোল্লা। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের ৩৫ হাজার বদলী দৈনিকভিত্তিক পাটকল শ্রমিকরা এখনো তাদের পাওনা টাকা পায়নি। আসন্ন ২০২১-২২ অর্থ বছরের বাজেটে এসব শ্রমিকদের সমুদয় বকেয়া পাওনা পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে হবে।  নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল-চিনিকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে বরাদ্দ দিতে হবে। দেশের শ্রমিক কৃষকদের জন্য জাতীয়ভাবে রেশনিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য জাতীয় বাজেটে বিধান রাখতে হবে। আলোচকবৃন্দ বলেন, পাটকল শ্রমিকরা বিগত বছর ধরে চরম আর্থিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। শ্রমিক পরিবার অর্ধাহারে অনাহারে দিন অতিবাহত করছে। তাদের ঘরে খাবার নেই। সন্তানদের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। কর্মহীন শ্রমিক পরিবারের বয়স্ক পিতা-মাতা-সন্তানরা জটিল রোগে আক্রান্ত হলেও ওষুধ কেনার সামান্যতম সামর্থ নেই। করোনার ভয়াবহতায় বিকল্প কর্মসংস্থান নেই। এক কথায় শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। আলোচকবৃন্দ শিল্প রক্ষায়, শ্রমিক রক্ষায় এই দাবিনামা বাজেটে গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত না করলে বাজেট অধিবেশন শেষে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন। সভার শুরুতে প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা প্রয়াত আলহাজ্ব লোকমান হাকিমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় পানিতে ডুবে বছরের শিশুর মৃত্যু

মোঃ রেজাউর রহমান তনু কুষ্টিয়া

শুক্রবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে লিটন হোসেন শ্যামলী খাতুন এর শিশু কন্যা লামিয়া আক্তার (০২) বাড়ির পার্শবর্তী পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান ,দুপুর তিনটার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে যায় এসময় স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে আশংকাজনক অবস্থায় ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু লামিয়া কে মৃত ঘোষণা করে।

লিটন হোসেন শ্যামলী খাতুন দম্পতির দুই ছেলে এক মেয়ে। লামিয়া তাদের সবার ছোট। লামিয়ার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পরে রামকৃষ্ণপুর নওদা ক্ষেমিড়দিয়ার কবরস্থানে জানাজা শেষে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক দাফন করা হয়।

প্রশিক্ষিত দায়িত্বশীলদের দ্বারাই চুড়ান্ত বিপ্লব সম্ভব – ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগর

খবর বিজ্ঞপ্তি

গতকাল শুক্রবার (২৮ মে) সকাল টা থেকে দিনব্যাপী নগরীর ফজলুল করীম ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরীর উদ্যোগে বিভাগভিত্তিক দায়িত্বশীল তারবিয়াত নগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ ‘সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

নগর প্রশিক্ষণ সম্পাদক ডাঃ কে এম আল আমিন এহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল।

প্রধান অতিথি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা, নিয়মনীতি যথার্থ অনুসরণ করা  দায়িত্বশীলদের  জন্য একান্ত আবশ্যক। যার দ্বারা দক্ষ কর্মী বাহিনী সৃষ্টি হয়। আর দক্ষ দায়িত্বশীদের মাধ্যমে বিপ্লব সম্ভব। দেশ জাতির এহেন ক্লান্তিজনক অবস্থায় ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীলদেরকে মানুষের পাশে থাকার আহবান জানানো হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করেন নগর সহ সভাপতি মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ ইমরান হোসাইন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, প্রচার দাওয়াহ্ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ প্রচার দাওয়াহ্ সম্পাদক মোঃ ফেরদাউস গাজী সুমন, অর্থ প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মোমিনুল ইসলাম, সহ অর্থ প্রকাশনা সম্পাদক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার,  ছাত্র যুব বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ জাহিদুল ইসলাম, কৃষি শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আমজাদ হোসেন, মহিলা পরিবার কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব হাফেজ আব্দুল লতিফ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, শিল্প বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, নির্বাহী সদস্য শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, মাওঃ হাফিজুর রহমান।

যশোরে গর্ভের ভ্রুন হত্যার অভিযোগে মামলা

যশোর অফিস

যশোরের কেশবপুরে যৌতুকের দাবিতে গর্ভের ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়িসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন যশোরের এক গৃহবধূ।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিকের আদালতে দায়ের করলে বিচারক মামলাটি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী গ্রামের আবু তালেব সানা তার স্ত্রী তহমিনা খাতুন, ছেলে রাজু আহম্মেদ এবং মেয়ে বিলকিস আরা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৫ আগস্ট মণিরামপুর উপজেলার বাকোশপোল গ্রামের মন্টু আলীর মেয়ে কেয়া খাতুনকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন রাজু আহম্মেদ। কিছুদিন যেতে না যেতেই আসামিরা নানা অজুহাতে যৌতুক দাবিতে কেয়া খাতুনের ওপর শারীরিক মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। এরই মধ্যে কেয়া খাতুন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এতে মনক্ষুন্ন হয় শ্বশুর বাড়ির লোকজনের। গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলার জন্য কেয়া খাতুনকে নানাভাবে চাপ দিতে থাকে তারা।

গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা নানাভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করে। গত ১২ এপ্রিল (সোমবার) কেয়া তার শ্বশুর বাড়ির বৈঠকখানার একটি রুমে শুয়ে ছিলেন। সময় আসামিরা তাকে ধরে জোর করে কয়েকটি ওষুধ খাইয়ে দেন। এরপর থেকে কেয়ার শারীরিক অসুস্থতা রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনার তিনদিন পর বেলা ১১ দিকে তার গর্ভপাত হয়ে যায়। এসময় আসামিরা মৃত বাচ্চাকে বৈঠকখানার পাশে বিদেশি মাগুর মাছের খামারের মধ্যে ফেলে দেয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কেয়া খাতুনকে তার স্বজনরা কেশবপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে। কিছুটা সুস্থ হয়ে বাবার বাড়ি এসে তিনি আদালতে মামলাটি করেছেন।

অভয়নগর শ্রীধরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আট মেম্বারের অভিযোগ

যশোর অফিস

অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যার বিরুদ্ধে তারই পরিষদের আট মেম্বার পৃথক তিনটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার অভিযোগ তিনটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিজিবুল ইসলাম বরাবর দাখিল করা হয়েছে।

প্রথম অভিযোগ ২০২০-২১ অর্থবছরের টিআর-কাবিখা সংক্রান্ত, দ্বিতীয় অভিযোগ সংরক্ষিত আসনের তিন মহিলা মেম্বারের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ সংক্রান্ত এবং তৃতীয় অভিযোগ একজন মেম্বারের স্বাক্ষর জাল করা সংক্রান্ত।

শ্রীধরপুর ইউপি মেম্বার রেক্সনা বেগম, মুসলিমা বেগম, আনোয়ারা পারভীন, মনিরুল ইসলাম মনি, আজিজুর রহমান টিতু, সুলতান মোল্যা, জাহিদুল ইসলাম কল্লোল গোলাম মোস্তফা ফকির স্বাক্ষরিত প্রথম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রীধরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যা দুর্নীতি, অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতা করে পরিষদ পরিচালনা করে আসছেন। ২০২০-২১ অর্থবছরের টিআর কাবিখা তৃতীয় পর্যায়ে কোনো মিটিং না করে আটজন ইউপি সদস্যের স্বাক্ষর আগের কমিটির সদস্যদের নাম বাদ দিয়ে নতুন কমিটি তৈরি করে প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। দাখিল করা প্রকল্প স্থগিত রেখে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

দ্বিতীয় অভিযোগে সংরক্ষিত আসনের মেম্বার মুসলিমা বেগম, রেক্সনা বেগম আনোয়ারা পারভীন উল্লেখ করেছেন, পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যা তাদের ওয়ার্ডে কোনো কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করেন না। বরং কাজ নিয়ে কথা বলতে গেলে তিনজন মহিলা মেম্বারের সাথে অশোভন আচরণ করেন। টিআর, কাবিখা, এলজিএসপি, বয়স্ক-বিধবা প্রতিবন্ধীসহ কোনো ভাতা বা প্রকল্প কার্যক্রমে তাদের সহযোগিতা করেন না। এসব বিষয়ে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে বা জানতে চাইলে অশালীন কথাবার্তাসহ অশোভন আচরণ করে পরিষদ থেকে বের করে দেন। এছাড়া কোনো প্রকল্প না দেওয়ার হুমকিও দেন। বিষয়গুলো সরেজমিনে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছেন অভিযোগকারী তিন মহিলা মেম্বার।

তৃতীয় অভিযোগকারী শ্রীধরপুর ইউনিয়ন পরিষদের নয় নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আজিজুর রহমান টিতুর স্বাক্ষর জাল সংক্রান্ত। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যা টিআর, কাবিখা প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের প্রকল্পের রেজুলেশনে তার স্বাক্ষর জাল করে প্রকল্পগুলো জমা দিয়েছেন। উক্ত প্রকল্পের বিষয়ে আজিজুর রহমান টিতু কিছুই জানেন না বা চেয়ারম্যান তাকে কিছুই জানাননি। তিনি স্বাক্ষর জাল করার অপরাধে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছেন।

তিনটি অভিযোগের ব্যাপারে শ্রীধরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, সব অভিযোগ মিথ্যা। ২০১৭ সাল থেকে পরিষদের এই চক্রটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। লুটপাট করতে বাধা দেওয়ায় তারা এমনটি করছে।

তিনি বলেন, তাদেও (অভিযোগকারীদের) এহেন কর্মকান্ড মিথ্যা অভিযোগের কারণে ইউনিয়নের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন ইউনিয়নবাসী।

ফকিরহাটে এক ব্যক্তিকে মারপিট নারীসহ আটক-

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের বৈলতলী এলাকায় এক নারীকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে উত্যক্ত করার অভিযোগে বাবুল শেখ (৫০) নামের এক চা দোকানদারকে লোহার রড দিয়ে মারপিট করেছে। ঘটনায় ফকিরহাট মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারী সহ ৩জনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, রামপালের গৌরম্ভা ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামের ইদ্রিস শেখের পুত্র বাবুল শেখ বেশকিছুদিন ধরে খাদিজা বেগম নামের এক নারীকে মোবাইল ফোনে উত্যক্ত করে আসছিল। এরই জের ধরে গত বুধবার দুপুরে ওই নারীর এক আত্মীয় বাড়ী পিলজংগের বৈলতলী এলাকায় আসতে বলে উক্ত বাবুল শেখকে। সেখানে সে আসার পর পূর্ব পরিকল্পতি ভাবে ৫/৬জন মিলিত হয়ে লোহার রড দিয়ে বাবুল শেখকে মারপিট করা হয়। স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় বাবুল শেখকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় আহতের বোন সালমা বেগম বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্ল্যেখ করে সংশ্লিষ্ট মডেল থানায় একটি মামলা করেন। যার নং-২৬,তারিখ-২৬/০৫/২০২১ইং। মামলার তিনজন আসামীকে পুলিশ আটক করেছে। আটককৃতরা হল রামপালের বর্নি এলাকার সেকেন্দার শেখের পুত্র ইমরান শেখ, জামাল হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম নাসির শেখের স্ত্রী খাদিজা। মামলার অন্য আসামীরা পলাতক রয়েছে। ব্যাপারে ফকিরহাট মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম বলেন, মারপিটের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি মামলা হয়েছে। মামলার তিনজন আসামীকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে মামরাটি তদন্তধীন রয়েছে। সঠিক তদন্ত পূর্বক আলস রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে তিনি জানান। 

ফকিরহাটের বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নে উন্মুক্ত বাজেট সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে স্বচ্ছতা জবাব দিহিতা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় অত্র ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাজেট সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। ইউপি চেয়ারম্যান মো: রেজাউল করিম ফকিরের সভাপতিত্বে সম্মানীত অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউপি সচিব মো: সোহেল রানা। সভায় বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে  ১কোটি ৮৫লক্ষ ৭৩হাজার ৫৫৮ টাকা বাজেট ঘোষানা করা হয়েছে। এসময় ইঞ্জিনিয়ার শেখ আব্দুল ছালাম, ইউপি সদস্য রবীন্দ্রনাথ হালদার বাটুল. মো: লিয়াকত হোসেন, মো: সাইফুল ইসলাম, মো: হুমাঢুন কবীর বাচ্চু, মো: হাফিজুর রহমান, মো: রফিকুল ইসলাম, আ: খালেক, মো: মশিউর,  মো: জাহিদুল ইসলাম, কোহিনুর বেগম, শাহানারা খাতুন প্রমূখ। 

শরণখোলায় রিংবাধের দাবীতে মানববন্ধন সমাবেশ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

শরণখোলায় রিংবাধের দাবীতে খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামবাসী মানববন্ধন সমাবেশ করেছে। বন্যা প্রবল জোয়ারের পানি থেকে গ্রাম রক্ষায় তাদের মানব বন্ধন বলে সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেছেন।

শুক্রবার (২৮ মে) বেলা ১১টার দিকে শরণখোলা ডিগ্রী কলেজ মোড়ে (রাজৈর গ্রাম) রায়েন্দা রাজৈর গ্রামবাসীর ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানব বন্ধনে রাজৈর গ্রামের দু’শতাধিক নারী পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন। মানব বন্ধন সমাবেশে অংশ নিয়ে খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বেরীবাঁধ নির্মাণের সময় রাজৈর গ্রামের সহ¯্রাধিক পরিবার, রাজৈর আলিম মাদ্রাসা, কৃষি বিভাগের সীড ষ্টোর, কয়েকটি বরফ কল ও  অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বেরীবাঁধের বাইরে রেখে অপরিকল্পিত নকশায় বেরিবাঁধ তৈরী করেছে। ফলে  বাধেঁর বাইরে থাকা গ্রামের সহ¯্রাধিক পরিবার জলোচ্ছ্বাস প্রবল জোয়ারের পানিতে ভাসছে। ইয়াসের জলোচ্ছ্বাসে রাজৈর গ্রামের মানুষের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে রাজৈর গ্রামে রায়েন্দা খালের পাড়ে একটি রিংবাধ নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রায়েন্দা রাজৈর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আঃ জলিল আনোয়ারী, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন মধু প্রমূখ।

রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ পেল ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫’পরিবার

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরের সহায়তায় বাগেরহাটের শরণখোলা মোংলা উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার পরিবারে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার (২৮মে) সকাল ১০টার দিকে শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ণের প্রদীপন সাইক্লোন শেল্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে খুড়িয়াখালী, বগী, চালিতাবুনিয়া, চাল রায়েন্দা শরণখোলা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০পরিবারে আড়াই কেজি করে চিড়া, এক কেজি চিনি, ১০প্যাকেট এনার্জি বিস্কুট, চার লিটার খাবার পানি, দুইটি সাবান, পাঁচ প্যাকেট খাওয়ার স্যালাইন, ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক একটি করে ব্যাগ বিতরণ করা হয়।

খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রায়হান উদ্দিন শান্ত, ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, রেড ক্রিসেন্টের জেলা ইউনিট কর্মকর্তা মো. লিয়াকত হোসেন, শরণখোলা ইউনিট কর্মকর্তা আ. ছাত্তার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

করোনা কালীন পরবর্তী সময়ে ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা সংশ্লিষ্ট কর্মীরা চরম সংকটাপন্ন অবস্থায়

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান

 করোনা ভাইরাসে প্রভাবে সারা বিশ্বময়  আজ স্তব্ধ। সকল যান্ত্রিক গতিময় জীবনধারা তার গতি বদলিয়েছে।দেশের মানুষের জীবন যাপনের দৃশ্য পরিবর্তন হয়ে আয়-বাণিজ্যের সূচক নিম্নগামী হওয়ায়, সর্ব সাধারণ বিচলিত।লক ডাউন,সরকারি বিধি নিষেধ, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে  জীবন যাপনের অস্বাভাবিকতায় মানুষ তাদের পূর্বের কর্ম কার্যক্রম থেকে

পিছিয়ে পড়েছে।স্বাভাবিক উপার্জন করতে না পেরে মধ্যবিত্ত,নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষেরা অস্বাভাবিক অভাবে দিশেহারা অবস্থায় পড়েছে।না পারছে কাউকে বলতে না কিছু করতে।একদিকে আয় বাণিজ্য শূন্যের কৌঠায় অন্যদিকে সংসার খরচ,প্রতিষ্ঠানের খরচ চালাতে ব্যর্থ হয়ে ধার-দেনা,লোন,বাকি লেনদেন সময়মত পরিশোধ করতে না পেরে প্রতারকে পরিণত হচ্ছে।

এমনই একটা ব্যবসা যেটা মানুষের বিবাহ,জন্মদিন, দোয়ার অনুষ্ঠান, সুন্নতে খৎনা,সামাজিক,রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে ডেকোরেশন করে সাধারণের বসবার ব্যবস্হা, অতিথি সাধারণের খাবার বিতরণ কার্যক্রম, আলোকসজ্জা ডেকোরাম করে থাকে সেটা ডেকোরেটর ব্যবসায়ীরা করে থাকে।

গতবছর মার্চ মাসের কোভিড-১৯ সংক্রমন রোধে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ঘোষিত লকডাউন চালু হয়।সকল গণ পরিবহন, শপিংমল, দোকানপাট,কল-কারখানা,সকল  জেলা ভিত্তিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, সামাজিক দূরত্ব বজায়, মাস্কের ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে   প্রশাসনিক সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করবার লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যহত রাখে।ফলে সকল বিবাহ,জন্মদিন, সামাজিক, রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সকল ডেকোরেটর ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়ে যায়।তারা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম করতে না পেরে দৈন্যদশার দিনাতিপাত করছে।শুধু ডেকোরেটর ব্যবসায়ীরাই নয় এর সাথে সম্পৃক্ত বাবুর্চি,বাবুর্চির সহযোগীরা, ডেকোরেশন মিস্ত্রি তাদের সহযোগীরা।সকলেই অনেক কষ্টে, অভাবে ঋণগ্রস্ত অবস্থার সম্মুখীন।

রূপসা বাজারের মেসার্স রূপসা ডেকোরেটর এর স্বত্বাধিকারী মোঃ সোহেল রানার সাথে কথা বলে জানা যায়,করোনা পরিস্থিতির আগে মাসে ২০/২৫ টা অনুষ্ঠানের কাজ পেতাম,সিজনে (অক্টোবর —ফেব্রুয়ারী) ৩৫/৪৫ কাজ পেতাম।বিগত ১৪ মাসে কোন অনুষ্ঠানের কাজ করতে না পেরে  অভাবে জর্জরিত হয়ে ধারদেনা করে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার ঋণগ্রস্ত অবস্থার আছি।সরকারী কোন অনুদান,ত্রাণ, কোন জনপ্রতিনিধি  রাজনৈতিক, সাহায্য সহযোগিতা দূরে থাক কেউ কোনো খোঁজ খবর নেয়নি।এহেন পরিস্থিতিতে তারা কি করবে, তাদের মালামাল ঘরে পড়ে থেকে নষ্ট হবার উপক্রম।

আরেক প্রতিষ্ঠান  আজমেরী ডেকোরেটর এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আমীর হোসেন ছোট এর সাথে কথা বলে জানা যায়,প্রতিমাসে ২০/২৫টা  অনুষ্ঠানের কাজ করতাম,সিজনে ৫০/৬০ টা অনুষ্ঠানের কাজ করতাম।করোনা পরিস্হির কারণে আয় ইনকাম বন্ধ থাকায় লক্ষাধিক টাকার ঋণগ্রস্ত হয়েছি সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

এহেন পরিস্থিতিতে অনেক ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক বিপাকে পড়ে নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে অশান্তিতে   চাপা কান্না বুকে চাপিয়ে  নিজেদের ভাগ্যেকে দোষারোপ করছে।সমাধানের কোনো ভাষা নেই।

মসজিদের লাইব্রেরিতে ধর্মীয় গ্রন্থাদির প্রথম সেট প্রদানে নবনিযুক্ত উপাচার্যের ঘোষণা

খবর বিজ্ঞপ্তি

শুক্রবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। তিনি খুতবার আগে মুসাল্লিদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়ায় মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন এবং তাঁকে পদে দায়িত্ব দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণাঞ্চলেরর শীর্ষ বিদ্যাপীঠ। শুরু থেকে পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশ বিদেশে সুনাম ভাবমূর্তি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। এটা আমাদের সবার গর্ব। আমরা ঐতিহ্য ধরে রেখে আরও সমৃদ্ধি অর্জনে সামনে এগোতে চাই। লক্ষ্য অর্জনে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কেন্দ্রীয় মসজিদে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার সুযোগ রাখার জন্য একটি লাইব্রেরি স্থাপন এবং সেই লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় ধর্ম গ্রন্থের ১ম সেট নিজ উদ্যোগে প্রদানের ঘোষণা দেন। একই সাথে তিনি এই মসজিদে মহিলাদের নামাজ আদায়ের জন্য একটি পৃথক স্থান নির্বাচন করে সেখানে সে পরিবেশ সৃষ্টির পরামর্শ দেন। জুম্মার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল কুদ্দুস। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি এবং আশপাশের শহর থেকে আগত বিপুল সংখ্যক মুসাল্লি জুম্মার নামাজ আদায় করেন।