০ শাহজাহান সিরাজ, কয়রা
মঙ্গলবার ২৫ মে আইলা দিবস ২০০৯ সালের এই দিনে আইলার তান্ডবে সমগ্র কয়রা উপজেলা লবণ পানিতে ভেসে ক্ষতিগ্রস্থ হয় হাজার কোটি টাকার সম্পদ। কয়রার মানুষ আজও সেই দুঃস্বহ স্মৃতি বহন করে চলেছে। একযুগ আগে ঘটে যাওয়া সেই দূর্বিসহ জীবনের কথা মনে পড়লে অনেকেই শিহরে উঠে এবং আজ কয়রাবাসী যে দিনটির কথা মনে করছে সেদিন আরও একটি ইয়াস নামে ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসছে। এছাড়া আইলা পরবর্তী ফনি, বুলবুল , মহসিন ও সর্বশেষ আম্পান মরার উপর খাড়ার ঘাঁ মেরেছে এক বছর আগে ২০২০ সালের ২০ মে। এদিকে আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ এমনকিছু বিশেষ স্মৃতি আজও বহন করে চলেছে কয়রার মানুষ। উল্লেখ্য মহারাজপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মঠবাড়ী গ্রামের বুক চিরে আইলার পানির তান্ডবে তৈরি হয় সৈয়দখালী নদী। যার একপারে প্রতাপস্বরনী হাইস্কুল ও প্রাইমারি এবং অপর পারে গ্রামের অর্ধেক অংশ। অথচ আইলার একযুগ পরও গ্রামের দু,পারের মানুষ ও ছাত্রছাত্রীরা আজও খেয়া নৌকায় পারাপার হচ্ছে। এছাড়া আইলার শতশত স্মৃতি দেখা যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৮১ টি গ্রামের অনেক বাড়ীঘরে। ২০০৯ সালের এই দিনে দুপুরের পর থেকে একে একে উপজেলার শাকবাড়ীয়া, কপোতাক্ষ ও কয়রা নদীর পাশে বসবাসকারী মানুষের কাছ থেকে মুঠো ফোনে খবর আসতে থাকে। এসময় একের পর এক খবরে জানা যায় অমুক গ্রামে বেঁড়িবাঁধ েেভঙ্গে প্রচন্ড বেগে লবণ পানি ঢুকছে এবং ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাড়ী ঘর সহ চিংড়ীঘের ও ক্ষেতের ফসল। অতঃপর সন্ধ্যা নাগাত উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের ৪৯ টি স্থানে বেঁড়িবাঁধ ভাঙ্গার খবর জানা যায়। তবে দিনের বেলায় হওয়াতে সেদিন ২ শিশু সহ ১ বৃদ্ধের মৃত্যুর খবরও শোনা যায়। এদিকে এ রিপোর্ট লেখা মহুর্তে বঙ্গোপসাগরে শুরু হয়েছে ঘূনিঝড় ইয়াসের। যে কারনে উপজেলা প্রশাসন, মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আকতারুজ্জামান বাবুর নির্দেশে ইতিমধ্যে ১১৭ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছেন। অন্যদিকে দূর্গত উপকুলীয় এলাকায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়াসহ তাদের জানমাল রক্ষার জন্য প্রচার প্রচারনা শুরু হয়েছে।











































