কয়রার বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ উদ্বোধনে এমপি বাবু
খবর বিজ্ঞপ্তি
কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষের উদ্বোধন করেছেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। শ্রেণিকক্ষ উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস এম শফিকুল ইসলাম, আমাদী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মল চন্দ্র মন্ডল, আ’লীগ নেতা আঃ রশিদ সরদার, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, আমাদী ইউপির নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াউর রহমান জুয়েল, জেলা শ্রমিক লীগ নেতা কামরুল গাজী, অধ্যক্ষ চয়ন মন্ডল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল, সহ-সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।
মহানগর ছাত্রদল নেতা রাশুর হত্যা প্রচেষ্টা ঘটনায় দৌলতপুর থানা বিএনপি’র নিন্দা
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত শুক্রবার আনুমানিক রাত ৯.৩০ মিনিটের দিকে দৌলতপুর এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীরা খুলনা মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা রাশিকুল আনাম রাশু কে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে। ঘটনার ৭২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও সন্ত্রাসীরা গ্রেফতার হয়নি। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি শেখ মুর্শাররফ হোসেন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল হক নান্নু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাষ্টার শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, সরদার লিয়াকত হোসেন লাভলু, শেখ আব্দুল হালিম, আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন, শেখ ইমাম হোসেন, শরিফুল আনাম, তরিকুল ইসলাম, মাসুদ রানা ডাবলু, আবুল কালাম শিকদার, শেখ আনছার আলী, আরমান হোসেন, মতলুবুর রহমান মিতুল, আরিফ খান, শহিদুল ইসলাম বিপ্লব প্রমুখ।
শ্রমিক নেতা স্মরণে দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর স্টেশন রোডস্থ খুলনা হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন(১২১২)’র সভাপতি নাছির খান স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় ইউনিয়ন কার্যালয় স্বাস্থ্য বিধি মেনে এর আয়োজন করা হয।
সভাপতিত্ব করেন সহ-সভাপতি মো. জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো.শফিকুল ইসলাম শফি। প্রধান অতিথি ছিলেন ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সামসুজ্জামান মিয়া স্বপন। উপস্থিত ছিলে জেলা বিএনপি নেতা আবু হোসেন বাবু, আলহাজ¦ আবুল কাশেম সরদার, মানিক শিকদার, মো.আবু তালেব সরদার, শামীম খান, মো. নূরুল ইসলাম খা, মো. মিজানুর রহমান, ইসলাম খািলফাসহ ইউনিয়ন এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে ইউনিয়ন কার্যালয় দিন ব্যাপী কোরআন খানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় ইউনিয়নের মৃত্য সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা ও করোনার সংক্রমন থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শফিকুর রহমান।
শ্রমিক নেতা নাছির খান ১৪এপ্রিল বুধবার ইন্তেকাল করেন।
পূজা কমিটির নেতার মা স্মরণে প্রার্থনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সদর থানা পূজা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শুভ দত্তের মা ও সাউথ সেন্ট্রাল রোডের কালিবাড়ি কয়লাঘাটা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক দিপক দত্তের স্ত্রী দিপা দত্ত স্মরণে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুর ২টায় খুলনা বাজার পুরাতন কালিমাতা মন্দিরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উজ্জল ব্যানার্জী। উপস্থিত ছিলেন শিবচন্দ্র ব্যানার্জী, শ্যামল হালদার, ভোলানাথ ভট্টচার্য, গোপী কিষান মুন্ধাড়া, প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, সুব্রত হালদার তপা, প্রশান্ত ব্যানার্জী, সুশান্ত ব্যানার্জী, তোতন হালদার, আকাশ ব্যানার্জী, সবুজ ভট্টচার্য, মনি সাহনী, শংকর ঘোষ, স্বপন সরকার, দিলীপ সাহা, ভবেশ সাহা, রুপম দে, বাবলু বিশ^াস, রাজু শীল, বিধান রায়, দিপ্র দাস ও মিঠু সাহাসহ ভক্তবৃন্দ । তিনি শনিবার ইহলোক ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৭বছর। এ সময় তার আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।
তেরখাদা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
স্বাস্থ্য বিধিমেনে স্বল্প পরিসরে তেরখাদা প্রেসক্লাবের এক সাধারণ সভা প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। তেরখাদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মফিজুল ইসলাম জুম্মানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তৃতা করেন তেরখাদা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রিপন বিশ্বাস, প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি, নির্বাহী সদস্য ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোল্লা সাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক কে এম আলী মাসুম, কোষাধ্যক্ষ সুজন কুমার বৈদ্য, নির্বাহী সদস্য মোঃ আবুল কাশেম এবং সদস্য ও এমবি টিভির পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম। সভায় সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে বাহিরে চলাফেরা করার জন্য অনুরোধ করা হয়। এছাড়া সাধারণ জনগণকে সচেতন করা এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্যে প্রচার প্রচারণা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া সভায় করোনা প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তি পেতে এক বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রবিবার বাদ জোহর নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদে এক দোয়া অনুষ্ঠান সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর মনিরুল হক বাবুল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মুনিবুর রহমার, হাবিবুর রহমান, মিজানুর রহমান, রুহুল আমীন, অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, জায়েদ আলম, এম এ বাসার, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ রবিউল ইসলাম মোঃ সাইফুল ইসলাম শামীম, শেখ আবু সাঈদ, মুকুল হোসেন মোল্লা, রবিউল ইসলাম রবি, মল্লিক আলমগীর সিদ্দিকী, মোঃ আলী মোর্ত্তজা, প্রমুখ।
পোল্ট্রি শিল্প মালিক সমিতির উদ্যোগে পুষ্টিকর ডিম বিতরণের আজ ৮ম দিন
খবর বিজ্ঞপ্তি
দেশব্যাপী করোনা কোভিড-১৯ ২য় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে লকডাউন ও পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষে সর্বসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকল্পে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের নির্দেশনায়, খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ খুলনা বিভাগীয় কমিটি ও খুলনা পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতি’র আয়োজনে আজ ১৮ এপ্রিল, রবিবার ৮ম দিন ভ্রাম্যমান পিক-আপে ডালমিল মোড়, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোতা ও ডিএলও অফিসের সামনে ২৭ হাজার ডিম খুচরা-পাইকারী প্রতিটি ৫ টাকা সুলভমূল্যে খুলনাবাসীর নিকট তুলে দেন বিপিআইএ-এর কেন্দ্রীয় প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক ও খুলনার মহাসচিব প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেন। এ সময়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ রঞ্জিতা চক্রবর্ত্তী, প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ নওয়াজিস খান তারিক, মোঃ আঃ জলিল ও প্রোল্ট্রি সমিতির যুগ্ম মহাসচিব তপন পাল ও বিশ্বজিৎ তরফদার উপস্থিত ছিলেন।
২৫০ বাড়িতে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন কাউন্সিলর বাবুল
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
চলতি লকডাউনে কর্মহীন ২৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন কাউন্সিলর বাবুল রহমান। রোববার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে মণিরামপুর পৌরসভার কামালপুর আংশিক মোহনপুর নিজ ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন।
ত্রাণসামগ্রীর প্রতি বস্তায় চার কেজি চাল, এক কেজি মাছ, এক কেজি আটা, আধা কেজি তেল, এক কেজি চিড়া, আধা কেজি মুড়ি, আধা কেজি লবন, এক কেজি আলু, এক কেজি কুমড়া, আধা কেজি ছোলা, আধা কেজি মসুর ডাল, আধা কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি মরিচ ও ২৫০ গ্রাম ডিটারজেন্ট রয়েছে।
কাউন্সিলরের ত্রাণ পেয়েছেন কামালপুর মাঠপাড়ার রাজমিস্ত্রি ওহিদুল শেখ। তিনি বলেন, করোনায় কাজকাম বন্ধ। চলতি কষ্ট হচ্ছে। কাউন্সিলর যে ত্রাণ দেছেন তাতে কয়দিন চলতি পারবানে। এরআগেও বাবুল ভাই আমার ঘরের চালে টিন লাগায়ে দেছেন। সে ভাল মানুষ।
কাউন্সিলর বাবুল রহমান বলেন, লকডাউনের কারণে লোকজন কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বাজারঘাটে উঠতে পারছে না। পুলিশের তাড়া খেতে হচ্ছে। তাদের অবস্থার কথা বিবেচনা করে
দুইলাখ টাকা ব্যয়ে ওয়ার্ডের ২৫০ পরিবারের মাঝে ১৪ রকমের ত্রাণসামগ্রী দিয়েছি।
ফুলতলায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ইউএনও সাদিয়া আফরিনের লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং
ফুলতলা প্রতিনিধি
“মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে রোববার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং ফুলতলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজারের চৌরঙ্গী মোড়ে, মুদি পট্টি, শিকিরহাট সড়ক, মিছরী দেওয়ান শাহ সড়কে ভ্যান চালক, থ্রি-হুইলার, মাহেন্দ্র চালক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ এবং প্রচারণা চালান। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও সাদিয়া আফরিন করোনা পরিস্থিতি আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সকলকে উপজেলা প্রশাসন ও সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা, মাক্স ব্যবহারের অনুরোধ এবং অতীব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। লিফলেট বিতরণকালে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আফরুজ্জামান, প্রেসক্লাব ফুলতলা সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, পুলিশসদস্য, আনছারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাটে মামাতো বোনকে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মামাতো বোনকে ধর্ষন মামলায় উজ্জল খা (২৬) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।রবিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে উজ্জলকে আটক করে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ। এর আগে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে উজ্জল খা ও তার মা ফরিদা বেগমকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতার উজ্জল খা বাগেরহাট সদর উপজেলার বেনগাতী গ্রামের সিদ্দিক খা‘র ছেলে।
মামালার বাদী জানান, মাঝে মাঝে আমার বোন ফরিদা বেগম আমার বাড়িতে এসে আমার মেয়েকে দেখে যেত, খোজ খবর নিতেন।১৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদা বেগম আমাদের বাড়িতে আসেন। আমার কন্যাকে তার বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে কয়েকদিন হয়ে গেলে যখন আমার মেয়েকে বাড়িতে দিয়ে যায়না তখন আমি জানতে চাইলে বলে তোমার মেয়ে ভাল আছে কিছুদিন পরে যাবে।পরবর্তীতে ১০ মার্চ আমি একজন প্রতিবেশী বোনের বাড়িতে মেয়েকে দেখতে যাই।আমাকে দেখে ফরিদা বেগম আমার মেয়েকে অন্য বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন।আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে আমি চলে আসি। ২৯ মার্চ শবেবরাতের দিন স্থানীয় লোকদের সহায়তায় মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসি। মেয়ের শারীরিক অসুস্থ্যতা ও অস্বাভাবিক চালচলনের কারণে তাকে জিজ্ঞাস করলে সে আমাকে জানায় ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় জোর উজ্জল খা তাকে ধর্ষণ করেছে।বিষয়টি আমি আমার বোনকে জানালে তিনি আমাকে কাউকে না বলার জন্য হুমকী প্রদান করেন।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, নির্যাতিত মেয়েটির বাবার করা মামলায় আমরা উজ্জলকে গ্রেফতার করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামীকে আটকের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
খুলনায় করোনার ভ্যাকসিন নিয়েছেন ছয় হাজার আটশত ৬০ জন
তথ্য বিবরণী
খুলনায় রবিবার মোট ছয় হাজার আটশত ৬০ জন করোনার ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় দুই হাজার আটশত ৮৬ জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট তিন হাজার নয়শত ৭৪ জন। উপজেলাগুলোর মধ্যে দাকোপ ছয়শত ৪৬ জন, বটিয়াঘাটায় ছয়শত ২৪ জন, দিঘলিয়া তিনশত ৩২ জন, ডুমুরিয়া চারশত ৫৫ জন, ফুলতলা চারশত ৯৯ জন, কয়রা দুইশত ৪৫ জন, পাইকগাছা চারশত ১২ জন, রূপসা পাঁচশত ৫৮ জন এবং তেরখাদায় দুইশত তিন জন দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন। টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ চার হাজার একশত এবং মহিলা দুই হাজার সাতশত ৬০জন। এ পর্যন্ত খুলনা জেলায় মোট ৩৭ হাজার পাঁচশত ৩৮ জন দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে পুরুষ ২৫ হাজার দুইশত ৮৯ এবং মহিলা ১২ হাজার দুইশত ৪৯ জন। প্রথম ডোজে মোট পাঁচশত ৪৬ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় দুইশত চার জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট তিনশত ৪২ জন। টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ দুইশত ৮৬ এবং মহিলা দুইশত ৬০ জন। এপর্যন্ত মোট এক লাখ ৭২ হাজার দুইশত ৬২ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ দুই হাজার ৯৬ এবং মহিলা ৭০ হাজার একশত ৬৬ জন।
পাইকাছায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের প্রতিপক্ষদের মারপিটে মহিলা সহ আহত ৩ : পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকাছায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা রাতের আঁধারে মারপিট করে ৩ মহিলাকে আহত। বাড়ি ঘর ভংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়ার অভিযোগ। আহতদের পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে লতা ইউনিয়নের বাইনচাপড়া গ্রামে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
জানা গেছে, লতা ইউনিয়নে হানিমুনকিয়ায় নুরুল ইসলামদের সাথে বর্তমান ইউপি সদস্য পরান মীরদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে দুটি গ্রুপের মামলা পাল্টা অব্যাহত রয়েছে। লতা ইউনিয়নের ১৬৩ নং হানিমুনকিয়া মৌজার এস এ ১৭১ নং খতিয়ানে ২.৯১ জমি ভিপি ‘ক’ তালিকাভুক্ত সম্পত্তি। সরকার বাহাদুর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান বাংলা ১৪২৭ সন পর্যন্ত হানি গ্রামের মোঃ নূরুল ইসলাম, কামরুল ইসলামের এবং নাজমা খাতুনের নামে ইজারা দিয়ে আসছে। নুরুল ইসলাম গংরা ইজারা গ্রহন করে ভোগ দখলে আছেন। নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, শনিবার গভীর রাতে প্রতিপক্ষ পরান মীর, হানিফ মীর, রুবেল মীর সহ ২০/২৫ জন রাতের আঁধার আমার ভোগ দখলীয় জমিতে ঢুকে বাড়ি ঘর ভাংচুর করে। পরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ঝর্ণা বেগম, নাজমা বেগম ও আবিরুননেছাকে পিটিয়ে আহত করে। আহতরা পাইকগাছা হাসপাতাল থেকে ২ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে এবং ঝর্ণার অবস্থার গুরুতর। এদিকে পরান মীর জানান, বর্তমান জরিপ ২.৯১ জমি আমাদের নামে হয়েছে। আমরা তাদের মারেনি, তারা মারপিট করে আমার বড় ভাইকে আহত করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছ। ওসি (তদন্ত) মোল্লা খালিদ হোসেন বলেন, উভয় পক্ষ অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বাঁশখালীতে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে বাসদের মানববন্ধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে শ্রমিকদের উপর পুলিশের গুলিবর্ষণ ও হত্যাকা-ের ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার বেলা ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা শাখা। বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু’র সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেনÑসমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি আব্দুল করিম, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা সভাপতি কোহিনুর আক্তার কণা, শ্রমিক নেতা আব্দুল হাই, ইলিয়াস আকন, শহিদুল শিকদার মনির, বাবুল শেখ, হারুনুর রশীদ, শেখ কবির, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা মহানগর কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ছাত্রনেতা নভোজ্যোতি সরকার প্রমুখ। মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাঁশখালীর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকরা গত কয়েকদিন যাবত রমযানে বিকেল ৫টার মধ্যে ছুটি, ইফতারির জন্য অর্থ বরাদ্দ, মাসের বেতন ৫-১০ তারিখের মধ্যে প্রদান, যখন-তখন ছাঁটাই বন্ধ এবং ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের আইনানুযায়ী সমুদয় পাওনা পরিশোধসহ ১০ দফা যৌক্তিক দাবীতে আন্দোলন করে আসছিল। সে প্রেক্ষাপটে গতকাল ১৭ এপ্রিল সকালে যখন শ্রমিকরা মালিক পক্ষের সাথে বৈঠক করছিল তখন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘরের বাইরে সমবেত শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের বর্বর হামলা, গুলিবর্ষণে ৫ জন শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন এবং অর্ধশতাধিক শ্রমিক আহত হন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের শাস্তির পাশাপাশি নিহতদের পরিবারবর্গকে আজীবন আয়ের সমান অর্থ ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান। উল্লেখ্য, এর পূর্বেও ২০১৬ সালে উক্ত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ স্থাপনের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের আন্দোলনেও পুলিশের গুলিতে অনেক হতাহত হয়েছিল। একই সাথে নেতৃবৃন্দ পরিবেশ বিধ্বংসী সকল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাতিলের দাবী জানান।
খুলনা জেলায় করোনা শনাক্তের হার ১২ শতাংশ
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির এপ্রিল মাসের সভা রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে জুম প্রযুক্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, জেলায় করোনা শনাক্তের হার ১২ শতাংশ। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে আইসিইউ ও রেড-ইয়োলো জোন মিলিয়ে ৮০জন রোগী ভর্তি আছেন। এখানে সম্প্রসারিত করোনা ওয়ার্ডের জন্য ১৫ জন ডাক্তারসহ প্রয়োজনীয় জলবল প্রদায়ন করা হয়েছে। আরটি-পিসিআর যন্ত্রে পরীক্ষার পাশাপাশি করোনা শনাক্তে খুলনায় কয়েক দিনের মধ্যে এন্টিজেন পরীক্ষা চালু হবে।
কৃষিসম্প্রসারণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলায় এবছর ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। যার ২০ শতাংশ ইতোমধ্যে কাঁটা হয়েছে। জেলায় সাত হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। লকডাউনে কৃষিপণ্য পরিবহণ নির্বিঘœ করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘হাতের মুঠোয় কাঁচা বাজার’ এর মাধ্যম লকডাউনে ভ্রাম্যমান যানে সঠিক মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করা হচ্ছে।
সমাজসেবা দপ্তরের উপপরিচালক খান মোতাহার হোসেন বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের ভাতার অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একাউন্ট খোলার কাজ চলছে। এপর্যন্ত একলাখ সাত হাজার সুবিধাভোগীর একাউন্ট খোলা সম্পন্ন হয়েছে। বাকীগুলো দ্রুত খোলা হবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসণ প্রকল্পের আওতায় খুলনা জেলার সকল টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতির মাত্রা পরীক্ষা করা হবে।
এছাড়া লকডাউনে উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিকদের চলাচল নির্বিঘœ রাখা, খানাজাহান আলী ব্রীজ সংলগ্ন সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও খুলনা-মোংলা রেল প্রকল্পের বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়নে দুর্ঘটনা প্রবণ রেল ক্রসিং বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, করোনাকালে সকল উন্নয়ন কাজ নির্বিঘেœ করতে হবে। সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিক লকডাউনের আওতামুক্ত। এবিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সাথে সমন্বয় করা হবে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে সার্বিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া সভাপতি প্রতিটি উপজেলায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ পরিদর্শন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নিদের্শনা দেন।
সভায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলীসহ সরকারি কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যরা জুমে যুক্ত ছিলেন।
লকডাউনে রিকসা শ্রমিকদের ত্রাণ সহায়তা এবং ব্যাটারি রিকসার অনুমতির দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
চলমান করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে লকডাউনকালে ক্ষতিগ্রস্ত রিকসা ও ইজিবাইক শ্রমিকদের পরিবার প্রতি এক মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও নগদ ৫ হাজার টাকা ত্রাণ সহায়তা এবং ব্যাটারি চালিত রিকসার অনুমতির দাবিতে রবিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে রিকসা, ব্যাটারি রিকসা ও ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ খুলনা জেলা শাখা। এসময়ে উপস্থিত ছিলেনÑসংগঠনের উপদেষ্টা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলÑবাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি শ্রমিক নেতা আব্দুল করিম, কোষাধ্যক্ষ কোহিনুর আক্তার কণা, সংগঠনের খুলনা জেলা সদস্য আব্দুল হাই, ইলিয়াস আকন, শহীদুল সিকদার মনির, হারুনুর রশীদ, শেখ কবির, বাবুল শেখ প্রমুখ। স্মারকলিপিতে বলা হয়, খুলনা নগরীর ৩০ সহ¯্রাধিক রিকসা ও ইজিবাইক চালক চলমান লকডাউনে দেশের সকল অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের মত কাজ হারিয়ে তীব্র আর্থিক অনটনে দিনাতিপাত করছে। দৈনিক আয়ের উপর তাদের সংসার চলে। বেশির ভাগ চালককে ঋণের সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। দেশের প্রায় ৫ কোটি ১৭ লক্ষ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জীবনের আজ একই চিত্র। অথচ এই শ্রমজীবী মানুষের শ্রমের উপর ভিত্তি করে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ঘটছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এই শ্রমজীবী মানুষদের জীবন রক্ষার্থে কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। গত বছর হতদরিদ্রদের জন্য ঘোষিত আর্থিক প্যাকেজের বেশিরভাগ এখনও বিলি হয়নি। যেটুকু বিলি হয়েছে তাতেও লুটপাট হওয়ার খবর এসেছে নিয়মিত। বিভিন্ন হিসাবমতে গত বছর করোনা মহামারীকালে নতুন করে আড়াই লক্ষের উপর মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে চলে গেছে। বর্তমান সময় পর্যন্ত হিসাব করলে বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। বিপরীতে এ সংকটকালেও বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজারের উপর। এতে প্রমাণ হয় চলমান সময়ও বৈষম্য কিভাবে বাড়ছে ! এমতাবস্থায় দেশের দুর্ভিক্ষের অশনিসংকেত দেখা যাচ্ছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় অতি দ্রুত সকল দিনমজুর শ্রমজীবী পরিবারের জন্য ত্রাণ সহায়তার বিকল্প নেই। অন্যদিকে খুলনা নগরীতে ব্যাটারি রিকসা অবৈধ ঘোষণা করেছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। অথচ দিন দিন জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে আয়ের সাথে ব্যয় সংকুলান কঠিন হয়ে পড়েছে। সনাতন পদ্ধতিতে সপ্তাহের সবদিন রিকসা চালানো শারীরিকভাবে অসম্ভব। জীবনের তাগিদে বয়স্কদেরও রিকসা চালাতে হয়। এমতাবস্থায় আয় কিছুটা বাড়ানোর তাগিদে রিকসায় ব্যাটারি লাগিয়ে চালাচ্ছিল শ্রমিকরা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে গেছে। রিকসা চালকরা বার বার দাবী জানিয়েছিল ব্যাটারি রিকসা বন্ধ না করে বিশেষজ্ঞ দিয়ে এর উপযুক্ত ডিজাইন ও নিরাপদ ব্রেক পদ্ধতি প্রণয়নের। একই সাথে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে ব্যাটারি চালিত বাহণের লাইসেন্স প্রদান এবং নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আলাদা লেন চালু করার দাবী জানিয়েছিল শ্রমিকরা। কিন্তু তাদের দাবীর প্রতি কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত না করে রিকসা আটক, অতিরিক্ত জরিমানা আদায় ও ব্যাটারি জব্দ করছে।
বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে বাঁশখালীতে শ্রমিক হত্যাকারীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবেÑবাম গণতান্ত্রিক জোট
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাম গণতান্ত্রিক জোট খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে রবিবার এক বিবৃতিতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে শ্রমিকদের উপর পুলিশের গুলিবর্ষণ ও হত্যাকা-ের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রমিকরা রমযানে বিকেল ৫টার মধ্যে ছুটি, ইফতারির জন্য অর্থ বরাদ্দ, মাসের বেতন ৫-১০ তারিখের মধ্যে প্রদান, যখন-তখন ছাঁটাই বন্ধ এবং ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের আইনানুযায়ী সমুদয় পাওনা পরিশোধসহ ১০ দফা যৌক্তিক দাবীতে গতকাল ১৭ এপ্রিল সকালে যখন মালিক পক্ষের সাথে বৈঠক করছিল তখন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘরের বাইরে সমবেত শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের বর্বর হামলা, গুলিবর্ষণে ৫ জন শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন এবং অর্ধশতাধিক শ্রমিক আহত হন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। বিবৃতিতে দায়ীদের শাস্তির পাশাপাশি নিহতদের পরিবারদের আজীবন আয়ের সমান অর্থ ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানানো হয়। একই সাথে পরিবেশ বিধ্বংসী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাতিল করে পরিবেশ বান্ধব উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের দাবী জানান বিবৃতিদাতারা। বিবৃতি প্রদান করেছেনÑবাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. এম এম রুহুল আমীন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হক খান, সাধারণ সম্পাদক গাজী নওশের আলী, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সমরেশ রায়, সম্পাদকম-লীর সদস্য মোস্তফা খালিদ খসরু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, বাসদ খুলনা জেলা সদস্য আব্দুল করিম, কোহিনুর আক্তার কণা, গণসংহতি আন্দোলন জেলা সদস্য সচিব মারুফ গাজী প্রমুখ।
বিজেএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা মাহফুজুল হকের মৃত্যুতে আ’লীগের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মাহফুজুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ……….. রাজেউন)। তিনি বার্ধক্য জনিত কারনে অসুস্থ হয়ে গত শনিবার দিবাগত রাত ১০টায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে এক মেয়ে নাতি নাতনি ও অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাযা রবিবার বেলা ১১টায় দেয়ানা দক্ষিণপাড়া মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমকে দেয়ানা উত্তরপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এসকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সহ সভাপতি নুর ইসলাম বন্দ, দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বিজেএ’র সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বন্দ, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, যুবলীগ নেতা মেহেদি মোড়ল সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা ও বিজেএ’র সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মাহফজুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।
বাঁশখালীতে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক হত্যার ঘটনায় ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর উদ্বেগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
গতকাল ১৭ এপ্রিল শনিবার সকালে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বকেয়া বেতন পরিশোধ, কর্মঘণ্টা কমানোসহ বিভিন্ন দাবীতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর মালিকপক্ষের ইন্ধনে নির্বিচারে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে ৫ শ্রমিক হত্যা ও অসংখ্য শ্রমিক আহত করার ঘটনায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ রবিবার এক বিবৃতিতে নিন্দা, প্রতিবাদ জানিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে এ ন্যাক্করজনক ঘটনার দ্রুত তদন্তপূর্বক খুনি মালিকপক্ষ ও অপরাধী পুলিশদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে শাস্তি প্রদান এবং নিহতদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ, আহতের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতনসহ তাদের ন্যায়সঙ্গত দাবী বাস্তবায়ন করার জোর দাবী জানান। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে আরও বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, ২০১৬ সালে এস আলম গ্রুপ কর্তৃক কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে জনগণের জমি জোরপূর্বক অধিগ্রহণকালে প্রতিবাদী জনগণের উপর গুলি চালিয়ে ৪ জনকে হত্যা ও অসংখ্য মানুষকে আহত করা হয়। উক্ত ঘটনার আজও কোনো সুষ্ঠু বিচার হয়নি। বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেনÑওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা ও মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, কমরেড মনির আহমেদ, কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য শেখ সাহিদুর রহমান, কমরেড মনিরুজ্জামান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড কৌশিক দে বাপী, কমরেড মোঃ আলাউদ্দিন, কমরেড মনির হোসেন, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড আরিফুর রহমান বিপ্লব, কমরেড অজয় দে, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, কমরেড হাফিজুর রহমান, কমরেড গৌরী ম-ল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ইউজিসি কর্তৃক প্রেরিত বৈষম্যমূলক শিক্ষক-নিয়োগ নীতিমালা প্রত্যাখ্যান খুবি শিক্ষক সমিতির
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রেরিত স্বায়ত্তশাসন-বিরোধী ও বৈষম্যমূলক শিক্ষক-নিয়োগ ও পদোন্নয়নের নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকাটি প্রত্যাখ্যান করেছে খুলনা বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সাথে নির্দেশিকাটি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। রবিবার খুলনা বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত ও সাধারণ সম্পাদক ড. তানজিল সওগাত যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রেরিত নিয়োগ ও পদোন্নয়নের নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকাটি (স্মারক নং: ১৬৫(১১)/২০১৭/১৬৯৫) বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সুযোগ-সুবিধার তারতম্য এবং বৈশিষ্ট্যগত স্বাতন্ত্র্যকে গুরুত্ব না দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আন্তঃবৈষম্য বাড়াবে ও স্বায়ত্তশাসন খর্ব করবে। প্রেরিত নির্দেশিকায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে চাকুরীর সময়কাল ও প্রকাশনার সংখ্যাকে প্রাধান্য দেয়ার ফলে শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান মূল্যায়নের সুযোগ কমে যাবে। এই নীতিমালায় শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো, গবেষণার অর্থায়ন বা উচ্চশিক্ষায় বৃত্তি সম্পর্কিত কোনো দিক-নির্দেশনা না থাকায়, প্রত্যাশিত যোগ্যতা অর্জনে নির্দেশিকাটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে না। প্রেরিত নীতিমালা বিষয়ক নির্দেশিকাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান স্বায়ত্তশাসন-বিরোধী, বৈষম্যমূলক ও মেধা বিকাশের অন্তরায় হওয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এই নির্দেশিকা প্রত্যাখ্যান করছে এবং দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে।
ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের জরিমানা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, মেয়াদ উর্ত্তীণ মালামাল রাখা, সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে কেনা-বেচা করাসহ নানা অপরাধে ঝিনাইদহে অর্ধশত ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পরিচালিত কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন।
জেলা প্রশাসক মজিবুর রহমান জানান, রমজান ও লকডাউনের কারণে সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি দামে ও ক্রয়কৃত পণ্যে বিক্রির সময় বেশি দাম রাখা হচ্ছে এমন সংবাদ পাওয়া যায়। এমন সংবাদের ভিত্তি শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সেলিম রেজা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরফানুল হক চৌধুরী, জিন্নাতুল ইসলাম, জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। এসময় শহরের নতুন হাটখোলা, পুরাতন হাটখোলার কাঁচামাল, মুদি, মাছ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অংকের জরিমানা করা হয়। এছাড়াও মাস্ক না পড়ে কেনা-বেচা করার অপরাধেও জরিমানা করা হয়।
বরখাস্ত কারারক্ষী মাদকসহ আটক
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বরখাস্ত হওয়া তুষার আলী নামে এক কারারক্ষীকে মাদকসহ আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে আটক করা হয় বলে জানান কালীগঞ্জ থানার এসআই জাকারিয়া মাসুদ। আটক তুষার আলী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মৌবাড়িয়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। সে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কর্মরত থাকাকালে ফেনসিডিলসহ আটক হওয়ায় গত এক বছর আগে বরখাস্ত হয়েছিল। এসআই জাকারিয়া মাসুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. মাহফুজুর রহমানের নির্দেশনায় উপজেলার কলাহাট এলাকার ডাকবাংলোর সামনে থেকে তুষার আলীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক তুষার আলীর বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সাতক্ষীরার পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের ঘের লুট ও ঘের কর্মচারী হত্যা চেষ্টা: থানায় এজাহার দায়ের
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার মাছখোলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের ঘের লুট ও ঘের কর্মচারীকে হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় মৎস্য ঘেরের কর্মচারী আবু তাহের ও মৎস্য ঘেরের অংশিদার মোঃ আব্দুস সবুর এবং ঘের মালিকের ভাইপো মোঃ রাজু আহমেদ গুরুতর আহত হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর ব্রক্ষ্মরাজপুর মাছখোলা ছাগলা গেটের দক্ষিণ পূর্ব পাশের্^ গত ইং ১৭ই এপ্রিল বেলা অনুমান সাড়ে ১২ টায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দা, লোহার রড, জি আই পাইপ, হকিস্টিক, বাঁশের লাঠি দিয়ে রাউফুজ্জামানের পৈত্রিক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্দবস্তকৃত ৪ বিঘা জমি ব্রক্ষ্মরাজপুর মাছখোলা মৎস্য ঘেরে দামারপোতার গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র তৌহিদুর রহমান, ওমরা পাড়া গ্রামের ইব্রাহিমের পুত্র রিপন মোড়ল, দহাকুলা পূর্ব পাড়ার তাজেল সরদারের পুত্র মাসুদ রানা ওরফে কোফা মাসুদ, দামারপোতা গ্রামের মৃত আনসার বিশ^াসের পুত্র গোলাম ছাকিয়ার, লবনগোলা গ্রামের ছাকার উদ্দীন এর পুত্র আজিবর, দামারপোতা গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র কামরুজ্জামান ও হাফিজুল ইসলাম এবং একই গ্রামের মৃত আফতাব বিশ^াসের পুত্র সিরাজ বিশ^াস, পরশ উল্লাহ পুত্র আব্দুল খালেক, ওমরা পাড়া গ্রামের সোলায়মান হাজির পুত্র মেহেদী হাসান, কাশেমপুর গ্রামের ছহিল উদ্দীন এর পুত্র শওকত হোসেন, চাঁদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের পুত্র আনিস ডাকাত, চেলার ডাঙ্গা গ্রামের আরশাদ আলীর পুত্র ইশার আলী, দহাকুলা গ্রামের আব্দুস সোবহান কাহার এর পুত্র সেলিম হোসেন, বড়দল গ্রামের ইসলাম কারিকরের পুত্র ফজলুর রহমান, ফজর আলীর পুত্র আব্দুস সবুর, নওশের আলীর পুত্র মাহমুদ হাসানসহ অজ্ঞাত ১৫/১৬ জন অনধিকার প্রবেশ করে ৬ মন গলদা চিংড়ি, যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার, ৯ মণ সাদা মাছ যার আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা, ক্যাশে থাকা ৩০ হাজার ৫শত টাকাসহ অন্যান্য প্রায় ১৪ হাজার ৩শত টাকার জিনিসপত্র লুট করে। এসময় রাউফুজ্জামানের অংশীদার মোঃ আব্দুস সবুর এবং ঘের মালিকের ভাইপো মোঃ রাজু আহমেদ ও কর্মচারী আবু তাহের বাধা দিলে তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতারী কুপিয়ে ও মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। এবিষয় সাতক্ষীরা সদর থানায় ১৮ই এপ্রিল ঘের মালিক রাউফুজ্জান বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে ্ও অজ্ঞাত আরো ১৫/১৬ জনকে আসামী করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এবিষয়ে রাউফুজ্জামান বলেন, আমি সহ আমার পরিবার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় দিন যাপন করছি। উল্লেখ্য এ সন্ত্রাসী বাহিনীই পূর্বে আমার ছোট ভাই আইনের ছাত্র রাফেউজ্জামানকে কুপিয়ে হত্যা করে। যার ১নং স্বাক্ষী ও বাদী আমি নিজেই । মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন আছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(তদন্ত) বুরহান উদ্দীন এর কাছে এ প্রতিবেদক জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন “এজাহার পেয়েছি,মামলার প্রস্তুতি চলছে”।
আশাশুনিতে পৃথক মোবাইল কোর্টে ৭৩০০ টাকা জরিমানা
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও সড়কে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৭হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার (১৮ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুসেইন খাঁন উপজেলার বড়দল বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় বাজারের ৬ ব্যবসায়ীকে লকডাউন সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশ ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করার অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় বুধহাটা বাজারের আল্লাহর দান বস্ত্রালয়ের মালিক শেখ মামুন হোসেনকে ১৫০০ টাকা, কাদাকাটি বাজারের পল্লব স্টোরের মালিক মধাব চন্দ্র মন্ডলকে ২০০ টাকা,কুল্যা ব্রীজের কাছে আত্তাব উদ্দিনের পুত্র ইসমাইলকে ২০০ টাকা, কাদাকাটি গ্রামের হরিপদর পুত্র সুকুমারকে ২০০ টাকা ও গোয়ালডাঙ্গা বাজারের আনারুল ইসলামের পুত্র বিল্লালকে ২০০ টাকা মোট ২৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
আশাশুনি দয়ারঘাট বেড়ী বাঁধের কাজে শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট বেড়ী বাঁধের নির্মান কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, লিখিত অভিযোগে জানান, দয়ারঘাট ওয়াপদা ভেড়ী বাঁধের নির্মান কাজ চলছে। চলমান কাজ প্রাক্কলন ও নকশা অনুযায়ী করা হচ্ছেনা। ইউপি চেয়ারম্যানসহ একাধিক সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষ দর্শী জানান, পাউবো কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে বাঁধের কাজের পূর্বে প্রোফাইল স্থাপন করে বলা হয়েছিল, এই স্থান হবে বাঁধের মাঝখান। এখান থেকে ১৪ ফিট টপ হবে এবং রিভার সাইডে ৩৩ ফুট ও কান্ট্রি সাইটে ২২ ফুট স্লোব করা হবে। তার পরে জিও ব্যাগ ও বাঁশ দেওয়া হবে। কিন্তু পুর্বের নকশা ঠিক থাকলেও কাজে নকশা মানা হচ্ছেনা। এব্যাপারে বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রাক্কলন ও নকশা অনুযায়ী সঠিক ভাবে করার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানান হয়েছে। এব্যাপারে পাউবো’র এসও গোলাম রাব্বী জানান, শনিবার নতুন করে প্রোফাইল দেওয়া হয়েছে, যা নকশা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। কোন পরিবর্তন করা হয়নি।
আশাশুনি ইউনিয়ন পরিষদ পুকুর খনন ও সিঁড়ি নির্মান কাজ নিয়ে তুলকালাম কান্ড
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের পুকুর খনন ও সিঁড়ি নির্মান কাজ নিয়ে অনিয়ম ও দুরদর্শিতার অভাবের প্রলেপের অভিযোগ এনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। পুকুরের কাজ শেষ পর্যায়, এভাবে শেষ হলে বর্ষা শুরু হলেই তথৈবচ অবস্থার অবতারণা হতে পারে।
ইউনিয়ন পরিষদের দক্ষিণ প্রান্তে দীর্ঘদিনের পুকুর রয়েছে। পুকুরটি মজে, চার পাশের পাড় ভেঙ্গে ও সিঁড়ি নষ্ট হয়ে ব্যবহার কষ্টকর হয়ে পড়ে। পুকুরের পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ের গা ঘেঁষে উপজেলা পরিষদের যাতয়াতের প্রধান সড়ক অবস্থিত। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর “সারাদেশে পুকুর ও খাল খনন প্রকল্প” এর আওতায় পুকুর টি খনন, পাড় বাঁধা ও সিঁড়ি নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করেন। যতদূর জানাযায়, কাজের জন্য বরাদ্দ রয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা। পুকুর খনন, পাড় বাঁধা ও সিঁড়ি নির্মান কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সিঁড়ির পাশে সামান্য মাটির কাজ বাকী আছে। সকল সরকারি কাজের শুরুতে কাজের স্থানে কাজের তথ্য সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদর্শনের নির্দেশনা থাকলেও এ কাজের শুরুতো পড়ে থাক শেষ হলেও সাইনবোর্ড (তথ্য বোর্ড) স্থাপন করা হয়নি। পুকুরের পাড় এমন ভাবে বাঁধা হয়েছে, বা পুকুরের মাটি কেটে এমন ভাবে পাড়ে ফেলানো হয়েছে যে, রাস্তার পিচের কাজের গা থেকে মাত্র ৩/৪ ফুট পরেই পাড়ের ঢালাই শুরু করে দীর্ঘ ১৫/১৬ হাত পর্যন্ত তলায় চলে গেছে। বর্ষার পানি পাড়ের মাটিতে লাগলেই মাটি খসে ধুয়ে পুকুরে গিয়ে পড়বে। এক সময় রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুরে গিয়ে পড়বে। সাধারণ সড়কের পাশে ৪/৫ ফুট গর্তের কারনে যেথানে প্যানাপাইলিং ব্যবস্থা করা হয় সেখানে গুরুত্ব পূর্ণ সড়কের পাশে ১৫/১৬ হাত গর্তের সৃষ্টি করে প্যানাপাইলিং ছাড়াই কিভাবে কাজ করা হলো ভাবতে হতবাক হতে হয়। এছাড়া সিঁড়িটি নির্মান করা হয়েছে পাড়ের পুরাতন মাটির লেবেলে। বর্তমানে মাটির কাজ করার পর সিড়ির অবস্থান মাটির লেবেলের নিচে থাকবে। ফলে উপরের পানি পুকুরে নেমে যাওয়া এবং সিড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতে পরিষদ চত্বর বা পুকুরের পাশে মাটির কাজ করা হলে কয়েক ফুট নীচে চলে যাবে সিঁড়িটি। সবদিক বিবেচনা করে কাজের মান ও কাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে সংশয় ও অনিয়মের ব্যাপারে দানা বাধতে শুরু করেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানানো হয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কাজের তথ্যাবলীর সাইনবোর্ড স্থাপন করা দরকার ছিল। ৪টি প্যাকেজে কাজ হচ্ছে। কাজের বরাদ্দসহ অন্য তথ্য অফিসে না গেলে সঠিক করে বলা সম্ভব নয়। তবে কাজ ঠিকভাবে হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। ঠিকাদার আঃ রশিদের সাথে সাংবাদিকরা কথা বললে তিনি কাগজ না দেখে তথ্য দিতে পারছেন না। সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা ফিরে তথ্য জানাবেন বলে জানালেও তিনি জানান নি। এমনকি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে একাধিকবার রিং করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। সদর ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন জানান, কাজ কিভাবে কত টাকা বরাদ্দে করা হচ্ছে তা আমাকে জানান হয়নি। আমি নিজে চেষ্টা করেও জানতে পারেনি। কাজের তথ্য বোর্ড স্থাপনও করা হয়নি। পুকুরের পাড়ের সমস্যা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনিও চিন্তিত বলে জানান।
বুধহাটায় ঘেরের বাঁধ ছুটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে সদ্য বাঁধা ঘেরে বাঁধ ছুটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার সকালে ইউনিয়নের বেউলা মৌজায় এ ঘটনা ঘটে।
নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত পদ দাশের পুত্র গণেশ দাশ পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বেউলা মৌজায় ৭৪৫ খতিয়ানে ৩৯৭৭, ৩৯৮৫ ও ৩৯৮৬ নং দাগে ৬৮ শতক জমির মালিক। জমিতে দীর্ঘকাল ভোগ দখলিকার থাকা অবস্থায় বুধহাটা গ্রামের আবু সাইদের নিকট জমি প্রতি বছর বিঘা প্রতি ১৫ হাজার টাকায় ইজারা প্রদান করেন। কিন্তু গত ২ বছরে (২০২০ ও ২১) মাত্র ৮০০০ টাকা দিয়ে আর টাকা না দেওয়ায় ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন। কিন্তু সময় নিয়েও টাকা না দেওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম ও ইউপি চেয়ারম্যান আ ব ম মোছাদ্দেক ভিন্ন ভিন্ন সময় জমির মালিক পক্ষকে মাপ জরিপ করে জমিতে বাঁধ দিয়ে দখল নিতে আদেশ প্রদান করেন। চেয়ারম্যান সাহেবের সিদ্ধান্ত মত জমির মালিক পক্ষ ১৫ এপ্রিল স্থানীয় আমিন আনারুল ইসলামকে নিয়ে জমি মাপ জরিপ করেন। এসময় ইউপি সদস্য লিয়াকত আলি, পাশের জমির মালিক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান, আবু সাইদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ১৭ এপ্রিল মাপ জরিপ মোতাবেক নির্দিষ্ট সীমানায় মাটির বাঁধ দিয়ে জমি পৃথক করে নেন। কিন্তু পরদিন ১৮ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৬টার সময় আবু সাইদ, কুস্তি দেবনাথের পুত্র ভোলা দেব ২০/২০ লোক নিয়ে বাঁধের মাটি ছড়িয়ে দিয়ে তছনছ করতে শুরু করে। জানতে পেরে জমির মালিকরা এগিয়ে গেলে বাঁধের তিন চতূর্থাংশ ভেঙ্গে দিয়ে চলে যায়। এমনকি তারা উল্টো থানায় অভিযোগও করেছে। এব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনীসহ জন প্রতিনিধি ও প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিরিহ জমির মালিক পক্ষ।
কুল্যা টু দরগাহপুর সড়কের বেহাল দশায় পথচারীদের দুর্ভোগ
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার কুল্যা টু দরগাহপুর (বাঁকা) সড়কের অনেক স্থানের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতি নিয়ত যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনা ঘটছে।
আশাশুনি উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর একটি কুল্যা টু দরগাহপুর (বাঁকা) সড়ক। সড়কদিয়ে প্রতিদিন কুল্যা, কাদাকাটি, দরগাহপুর, বড়দল, আনুলিয়া, খাজরা ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের মানুষ জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে সড়ক পথে যোগাযোগ করে থাকে। এছাড়া খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মানুষও চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। ফলে সড়কটি বর্তমানে খুবই ব্যস্ত ও প্রয়োজনীয় সড়কে রূপ নিয়েছে। সড়কটি চওড়ার সংকীর্ণতার ফলে যানবাহন ওভার টেকিং ও ক্রসিং এর সময় সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। একটি বাস, ট্রাক বা মাইক্রো সড়কে ঢুকলে অন্য যানবাহন ওভার টেকিং ও ক্রসিং খুবই সময় সাপেক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে থাকে। এদিকে সড়কের অনেক স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্থানে রাস্তার উপরের অংশ উঠে গিয়ে ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কুল্যা থেকে দরগাহপুর পর্যন্ত সড়কটির কুল্যা রাইচ মিল সংলগ্ন এলাকায়, বাহাদুরপুর ‘স’ মিল ও পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়, কচুয়া শিশুতলা এলাকায়, কাদাকাটি বাজারের শেষ অংশ হতে কাদাকাটি ফুটবল মাঠ সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত, হলদেপোতা থেকে শ্রীধরপুর মোড়ের কিছু অংশ এবং দরগাহপুর এলাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ পাথর উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কাদাকাটি বাজারের শেষ অংশ হতে কাদাকাটি ফুটবল মাঠ সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত পিচ পাথর উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনা করে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার পূর্বক এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
ছাত্রলীগ নেতা বাচ্চু’র পিতার মৃত্যুতে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু’র শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
পাইকগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানজিম মুস্তাফিজ বাচ্চুর পিতা হরিঢালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার গোলাম মোস্তফা রবিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু।
দেবহাটায় লকডাউন বাস্তবায়নে ওসির নেতৃত্বে পুলিশের তৎপরতা
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
বাংলাদেশ সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ চেকপোষ্ট বসানোর পাশাপাশি সার্বক্ষনিক থানা এলাকা মনিটরিং করছে দেবহাটা থানা পুলিশ সদস্যরা। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী ২য় ধাপে অধিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের বিধি নিষেধ ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল ৭দিনের লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে কাজ করছে দেবহাটা থানা পুলিশ সদস্যরা। রবিবার সকাল থেকে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহার নেতৃত্বে¡ থানা পুলিশের সদস্যরা থানা এলাকার ঈদগাহ বাজার, সখিপুর, পারুলিয়া, গাজীরহাট ও কুলিয়াসহ প্রধান প্রধান সড়ক উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে চেক পোস্ট বসান। এসময় সাধারণ মানুষকে করোনার ভয়াাবহতা সম্পর্কে সচেতন ও সরকারের নির্দেশনা মানাতে মাইকিং ও পথচারীদের মাস্ক পরার অনুরোধ জানান দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা। এসময় তিনি জরুরী কাজে নিয়োজিত পথচারীদের মাঝে মাক্স বিতরন করেন এবং সরকারের নির্দেশনা মানার অনুরোধ জানান। দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, সম্মূখ সারির যোদ্ধা হিসেবে পুলিশ করোনা প্রতিরোধে কাজ করছে। করোনা মহামারি থেকে দেশবাসীকে নিরাপদ রাখতে সাধারন মানুষকে বিনো প্রয়োজনে বাইরে না আসতে ও এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে পুলিশ। এসময় ওসির সাথে এসআই নয়ন চৌধুরী, এসআই আবু হানিফ, এএসআই সুজিত বিশ্বাস সহ থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেবহাটায় একটি মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগে লক্ষাধিক টাকার মাছ বিনষ্ট
দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়ায় একটি মৎস্য ঘেরে বিষ দিয়ে লক্ষাধিক টাকার মাছ বিনষ্ট করার বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেছেন উত্তর পারুলিয়া গ্রামের মৃত দবিরউদ্দীন মৃধার ছেলে সাহেব আলী (৩৭)। অভিযোগের বিবাদীরা হলেন, উত্তর পারুলিয়া গ্রামের জিয়াদ মল্লিকের ছেলে আনছার মল্লিক (৩২) ও একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের স্ত্রী জেসমিন খাতুন রিংকু (৪০)। অভিযোগ মতে জানা গেছে, সাহেব আলীর উত্তর পারুলিয়া মৌজার মেলীকুড়োর বিলে ১২ বিঘার মতো একটি মৎস্য ঘের আছে। চলতি মৌসুমে তিনি উক্ত ঘেরে রুই, কাতলা, মৃগেলসগ বিভিন্ন প্রজাজিত সাদা মাছ চাষ করেছেন। তার ঘেরের পাশর্^বর্তী একটি ৬ বিঘার ঘের আছে। উক্ত ঘেরটি বিবাদীরা মৎস্য চাষ করতো কিন্তু তাদের লেনদেন ভাল না হওয়ার কারনে উক্ত জমির মালিক বিবাদীদেরকে ২০২১ সালে আর ঘেরটি দেননি। উক্ত ৬ বিঘার ঘেরটি সাহেব আলী মধ্যস্থতা করে তার বন্ধু সুকুমার ঘোষকে করিয়ে দেন। যার কারনে বিবাদীরা শত্রুতামূলকভাবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে তিনি ঘের থেকে বাড়ি গেলে তার ঘেরে গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে দেয়। যার কারনে তার ১ লক্ষ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিনষ্ট হয়েছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সোনালী ব্যাংক সিনিয়র কর্মকর্তা (অবঃ) মোঃ রফিকুল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/নির্বাহী ফোরাম, খুলনা’র সদস্য, সোনালী ব্যাংক, খুলনার সিনিয়র কর্মকর্তা (অবঃ) মোঃ রফিকুল হোসেন (৬৪) ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ১৭ এপ্রিল শনিবার দুপুর ৩;৩০টায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে…..রাজিউন) এবং রাত ১০টায় আল আমিন মহল্লা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ কন্যা, ৩ জামাতা, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনÑফোরামের সভাপতি বেগম নাজমা সুলতানা, সহ-সভাপতি এস এম হাফিজুর রহমান, মোঃ আতিয়ার রহমান, সরদার ফরিদ আহমেদ, শাহজাহান আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক কাজী শহীদুল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসমত আলী, অর্থ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এম জালাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম খান ও আনোয়ারা বেগম, উপদেষ্টাম-লীর সদস্য মীর খবির উদ্দিন আহম্মদ, হারুন অর রশীদ খন্দকার, ড. শেখ গোলাম সাকলায়েন, আবু হোসেন শেখ, এ এম ফরহাদ হোসেন, জয়নাল আবেদীন, মানিক চন্দ্র ম-ল, সম্পাদকম-লীর সদস্য নজমল ইসলাম, এ এম ইউনুছ আলী, ইলিয়াস আলী মালঙ্গী, বেলায়েত হোসেন, প্রফুল্ল চন্দ্র ম-ল, হাবিবুল্লাহ খান, গোলাম রব্বানি, নৃপেন রায়চৌধুরী, শেখ আসাদুজ্জামান, সেকেন্দার হায়াত, মোদাচ্ছের হক, মুন্সী ইলিয়াচুর রহমান, আফজাল হোসেন খান, মতিয়ার রহমান খান বাবলু প্রমুখ।
মোড়েলগঞ্জে ১৮৪ শ্রমিক জন বিলঞ্চলে গেলেন ধান কাটতে
স্টাফ রিপোর্টার
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ১৬টি ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রামগুলো থেকে ১৮৪ শ্রমিক গেলেন বিভিন্ন জেলার বিলঞ্চলে ধান কাটতে। রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এ বছরে প্রথম ধাপে প্রত্যায়ন দিয়ে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন, থানা অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম শ্রমিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন।
১৬ টি দলে টিম ভিত্তিক ১৬ জন গ্রুপ প্রধানসহ ১৮৪ জন শ্রমিক বিলঞ্চলে ধান কাটতে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া, বরিশাল জেলার আগৈলঝড়া, উজিরপুর, নাজিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন শ্রমিকরা। এ সময় প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস সচেতনতায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে কাজ করার নির্দেশনাও প্রদান করে এ কর্মকর্তারা।
মোড়েলগঞ্জে নিশানবাড়িয়ায় ২৬শ’ ৫০ পরিবার পেলেন ১০ টাকার চাল
স্টাফ রিপোর্টার
সামাজিক দূরাত্ব বজায় রেখে মোড়েলগঞ্জে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে সরকারিভাবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা মূল্যের ২৬শ’ ৫০ পরিবার পেলেন চাল সাথে মাস্ক। রোববার সকাল থেকে গুলিশাখালী, পলিট্রিক্স বাজার, বান্দার বাজার ও জিউধরা বাজারের ৪ টি স্পটে এ চাল বিতরণ উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রতন কৃষ্ণ দাস। ডিলার অধ্যাপক শামীম আহসান পলাশ, এইচএম তানভির তুহিন, ফেরদৌস হোসেন পিয়াস, রুনু খান, ইউপি সদস্য জসিম মৃধা।
এ সময় ট্যাগ অফিসার বলেন, করোনা সচেতনতায় সরকারের স্বাস্থ্য সেবায় নির্দেশনা মেনে সকলকে চলতে হবে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের হবেন না। নিজে সুস্থ্য থাকুন পরিবারকে সুস্থ্য রাখুন।
মোড়েলগঞ্জে ইমামদের মাঝে ইফতার সামগ্রী দিলেন ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল
স্টাফ রিপোর্টার
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ইমামসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী তুলে দিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত মো.সাইফুল ইসলাম। তিনি ইউনিয়নের ইমাম, গ্রামপুলিশসহ অসহায় একশত মানুষের মাঝে এ ইফতার সামগী তুলে দেন। ইফতার সামগ্রীর প্যাকে ছিলো ছোলা, চিনি, চিড়া, মুসরী ডাল, তৈল, খেজুর, কোরআন শরীফ পড়ার রেল, ট্যাংক, জুস ও লাবন।
এ সময় মো, সাইফুল ইসলাম বলেন, করোনা সচেতনতায় সরকারের স্বাস্থ্য সেবায় নির্দেশনা মেনে সকলকে চলতে হবে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের হবেন না। নিজে সুস্থ্য থাকুন পরিবারকে সুস্থ্য রাখুন। একই সাথে আমার রাজনীতির অভিবাবক বাগেরহাট-২, আসনের মাননীয় এমপি শেখ সারহান নাসের তন্ময়, বাগেরহাট-৪, আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন ও বাগেরহাট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন-এর জন্য সকলে দোয়া করবেন।
মোড়েলগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। লিখিত অভিযোগ বলেন, তাদের জমিজমা ও মৎস্য ঘের দখলের ষড়যন্ত্রের মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।
রোববার মোড়েলগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ সুতালড়ি ভাষান্ডা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত বেপারীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, একই গ্রামের প্রতিবেশী জালাল হাওলাদারের নেতৃত্বে কতিপয় কুচক্রী প্রভাবশালী মহল তার পৈত্তিক সম্পত্তি ও ঘের দখল করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।
সম্প্রতি তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে ভূল তথ্য পরিবেশন করে অপপ্রচার করেছে। মুক্তিযোদ্ধা ওই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে বসত বাড়ির সামনে থেকে তাদের ব্যক্তি মালিকানাধিন সম্পত্তিতে পারিবারিকভাবে চলাফেরার জন্য ভেরিবাঁধ নির্মাণ করে উক্ত ভেরিবাঁধের সংলগ্নে সরকারি রাস্তাটি অনেক পূর্বেই বিলীন হওয়ায় স্থানীয় লোকজন তাদের ব্যক্তি মালিকানা ভেরিবাঁধ থেকে চলাফেরা করে। প্রভাবশালী ওই মহলটি স্থানীয়দেরকে উস্কানি দিয়ে তাদের ব্যক্তি মালিকানা ভেরিবাঁধের রাস্তা সরকারি দাবি করে তার ভাইকে জড়িয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ১৯৯৪ সাল থেকে মর্জিনা বেগম তার পিতার জমিতে মৎস্য ঘের করে আসছে। এ ঘটনায় তিনি তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনের জন্য উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। #
মোড়েলগঞ্জে ছাত্রদল নেতার পিতার ইন্তেকাল
স্টাফ রিপোর্টার
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম অনির পিতা পৌর শহরের ফল ব্যবসায়ী মো. আবুল হোসেন আবু (৪৭) ইন্তেকাল করেন(ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।
পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার রাত ১টায় পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। শনিবার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলেসহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
এদিকে ছাত্রদল নেতার পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, বাগেরহাট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুজা উদ্দিন মোল্লা সুজন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ-এর সাবেক সদস্য ফয়সাল আহম্মেদ সোহেল প্রমুখ।
রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে জনজীবনে নাবিশ্বাস
শামীম খান জনী,মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমনে লগডাউন চলছে। এদিকে রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতিতে জনজীবনে নাবিশ্বাস উঠেছে। বাজার মনিটরিং না থাকায় রমজানের শুরুতেই ঝিনাইদহের মহেশপুরে খাদ্যপন্যের দাম হু-হু করে বেরেই চলেছে। মাত্র ৭-১০ দিনের মধ্যে নিত্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর দাম বেরেছে দ্বিগুন। এতে করে অসন্তোস প্রকাশ করেছে ক্রেতারা। প্রয়োজনের তাগিদে বেশি দাম দিয়ে খাদ্য সামগ্রী কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদেরকে। গুটি কয়েক অসাধু পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতারা অধিক মুনফার প্রত্যাশায় এ সকল পন্য সামগ্রী বেশি দামে বিক্রি করছেন। বাধ্য হয়ে অনেক খুচরা ব্যবসায়ীরাও আগের দামের চাইতে বেশি দামে খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করছেন।
রমজান মাসে রোজাদারদের জন্য যে খাদ্যসামগ্রী গুলো বেশি চাহিদাপূর্ন যেমন-ছোলা,চিনি,খেজুর,গুড়,পাকা কলা,শশা,চিড়া,মুড়িসহ অন্যান্য প্রতিটি খাদ্যপন্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। রমজানের শুরুতেই এগুলো কেজিপ্রতি ৫ টাকা থেকে শুরু করে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষ দ্বিগুনও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রমজান মাসে খাদ্য পন্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে মূল্য তালিকা লিখিত আকারে প্রদর্শন করার নিয়ম থাকলেও প্রশাসনের বাজার মনিটরিং না থাকায় সিংহভাগ দোকান গুলোতে নেই কোন মূল্য তালিকা।
মহেশপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুড়ে দেখা যায়,কয়েক দিন আগেও যে সাগর কলার দাম ছিলো ২৫ টাকা তা বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা,৩৫ টাকার বর্তমান কলার এখর মূল্য ৬০-৬৫ টাকা,১০০ টাকার খেজুর হয়েছে কমপক্ষে ১২০ টাকা আবার ক্ষেত্রভেদে ৩০০ টাকা,রমজানের আগে ৩০ টাকা কেজি প্রতির শশা বেড়ে হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা,৩-৫ টাকার কাগুজি লেবুর দাম বেড়ে হয়েছে ৭-১০ টাকা,চিনি ৪৮ টাকা থেকে ৫৪ টাকা,ছোলা ৫৫-৬০টাকা থেকে ৬৫-৭০ টাকা। রমজান মাসে নিত্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগীসহ কাঁচা তরিতরকারীর কমবেশি দাম বেড়েছে ।
কলা ব্যবসায়ী রফিক বলেন,বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলেই বেশি দামেই বিক্রি করছি। ক্রেতা মহেশপুরের শহীদ আলম,আব্বাস শিকদার,মিজানুর রহমানসহ অন্যরা জানান, করোনা ভাইরাসের মধ্যেও রমজানকে পুজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনফা করছে। বাজারের দিকে নজর দিয়ে পন্যের দাম স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি তারা দাবি জানিয়েছেন।











































