রাজধানীতে বাসে আগুন লাগিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও (৪৪) গ্রেফতার করা হয়।
রোববার (২৮ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর রায়েরবাজার বাসা থেকে নিপুণ রায় ও তার সহযোগী গ্রেফতার হন।
সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ।
তিনি বলেন, রাজধানীতে বাসে আগুন লাগিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
নিপুণ রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা ও থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
এদিকে নিপুণ রায়ের গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি। উদ্বেগের কথা জানিয়ে দলটির দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।
নিপুণ রায়কে আটকের ঘটনায় বিএনপির উদ্বেগ
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি।
রোববার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ উদ্বেগের কথা জানান বিএনপির দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
তিনি বলেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীকে বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে তার ঢাকার রায়েরবাজারের বাসভবন থেকে আটক করা হয়। ডিবি পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী প্রচুর সংখ্যক ব্যক্তি আকস্মিকভাবে বিনা ওয়ারেন্টে প্রবেশ করে তাকে নিয়ে যায়। এ পর্যন্ত বিভিন্ন থানা এবং ডিবি অফিসসহ সংশ্লিষ্ট স্থানে খোঁজ নিলেও তার খবর পাওয়া যাচ্ছে না।’
বিএনপি এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে নিপুণ রায় চৌধুরীর সন্ধান ও তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছে বলে জানান দলটির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক।
তিনি বলেন, ‘সরকারের ধারাবাহিক হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে যে জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে জনদৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার নাটক শুরু হয়েছে। আমরা অবিলম্বে সরকারের প্রতি এ সর্বনাশা খেলা বন্ধ করার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’









































