Home আঞ্চলিক খুলনার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বয় জরুরী: উপাচার্য

খুলনার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বয় জরুরী: উপাচার্য

10

খুবির সামনে ওভার ব্রিজ নির্মাণে সওজ এর সাথে আলোচনা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২০খ্রি. তারিখ সকাল ১১ টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে প্রস্তাবিত ওভার ব্রিজ নির্মাণে স্থান নির্ধারণ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। উপাচার্য বলেন, খুলনার উন্নয়নে এখন বড় বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। অনেক প্রকল্প পাস হয়েছে, আবার অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। তবে অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায় খুলনায় একটি প্রকল্প প্রণয়ন বা বাস্তবায়নের সময় যদি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ বা সংস্থাকে নিয়ে প্রাথমিক দিকে কাজ করা হয় তা হলে তা ফলপ্রসু হয়, জটিলতা ও সময় কম লাগে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জিরো পয়েন্ট থেকে গল্লামারী ব্রিজ পর্যন্ত এক কিলোমিটার মহাসড়ককে শহিদস্মরণি নামকরণ করা, মাস্টার ড্রেনকাম ফুটপাথ ও ওভার ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব ভবিষ্যৎ প্রয়োজনীয়তার নিরিখেই দেওয়া হয়েছে। এরই আলোকে ওভারব্রিজ নির্মাণে স্থান নির্ধারণ ও সম্ভাব্যতা নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাজ করায় তিনি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সচিব, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। আলোচনাকালে ওভারব্রিজসহ সম্প্রসারণাধীন মহাসড়কের এই অংশের বিভিন্ন বিষয় জরুরী প্রয়োজনগুলো সংশোধিত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির আহবান জানান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. খন্দকার মাহফুজ-উদ-দারাইন, সহকারী অধ্যাপক এস এম নাজিমুদ্দীন, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুম মুনীর, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, উপ-প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামান মাসুদ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার পারভেজ ও মাহবুব ব্রাদার্সের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হেদায়েত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। পরে স্থপতি শিক্ষক ও প্রকৌশলীবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পশ্চিম দিকে ২য় ফটকের কাছে ওভার ব্রিজের জন্য সম্ভব্য স্থান উপযোগী বলে মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তা ও দূরদর্শীতার কারণে স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তবে রূপলাভ করেছে: খুবি উপাচার্য

খবর বিজ্ঞপ্তি

আজ ১০ ডিসেম্বর মহান বিজয়ের মাসে সুদীর্ঘকালের প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানোর কাজ সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হওয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন সকল প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নিজস্ব অর্থে এই সেতু নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর সাহস, দৃঢ়তা, মনোবল, দূরদর্শীতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তবে রূপলাভ করতে পেরেছে। সেতুর একচল্লিশতম স্প্যান বসায় এখন পদ্মার দুই তীর তথা দেশের দুটি বৃহৎ ভূ-খন্ডের সংযোগ সাধিত হয়েছে। পদ্মা সেতু উন্নয়নের মাইল ফলক যা এদেশের মানুষের কাছে নতুন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। একই সাথে এই সেতু যতোদিন থাকবে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অমর কীর্তিরূপে গৌরব বহন করবে। এই সেতু নির্মাণে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে এবং সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। পদ্মা সেতুর প্রেরণা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের সকল উন্নয়ন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপাচার্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পদ্মা সেতু নির্মাণের সাথে প্রকৌশলী, কর্মকুশলী ও শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকেও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

খুবির জীববিজ্ঞান স্কুলে কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস এ্যাওয়ার্ড প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রি. তারিখ দুপুরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি ডিনস এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন তারা তাদের কর্ম প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। একই সাথে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা অনুপ্রাণিত হবে এবং ভালো ফলাফল অর্জনে প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। তিনি স্কুলের এই এ্যাওয়ার্ড প্রদানের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। তিনি এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্ষেত্রে এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান প্রথা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে ভালো ফলাফল অর্জনের কৃতিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে। তিনি তাদের পেশাগত জীবনের সাফল্য কামনা করে ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ডিন ও ডিসিপ্লিন প্রধানবৃন্দ এবং অনলাইনে দেশে এবং বিদেশ থেকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যুক্ত ছিলেন। এই স্কুলে প্রথমবারের মতো ৭টি ডিসিপ্লিনে ¯œাতক(সম্মান) ও ¯œাতকোত্তর পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তরা হলেন: ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের মোঃ ফাহাদ আল জুবায়ের (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৯), বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের শেখ রায়হানা ইসলাম (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৮), এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের সন্দীপনা সরকার (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৭), এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের আসমা সাফিয়া দিশা (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৮), ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের মাইশা মালিহা মেধা (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯৫), সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের বাঁধন আহমেদ (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৮)। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তরা হলেন: ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের খাদিজা খাতুন (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৬), বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের শারমিন আক্তার (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮৮), এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের নন্দিতা রায় (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯২), এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের ইসরাত আলম প্রত্যাশা (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৮১), ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের প্রত্যাশা শিকদার (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯৫)।