ঢাকা অফিস
কঙ্বাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালীর গহিন পাহাড়ে তিনটি মরদেহের মন্ধান মেলেনি। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। তবে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে ছয় রাউন্ড গুলি, গুলির খালি খোসা, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি।
জানা যায়, এদিন সকাল ছয়টার দিকে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরসংলগ্ন পাহাড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, এসআরবি ও পুলিশের সদস্যরা এ অভিযান চালান। এ সময় ড্রোনের সাহায্যেও পাহাড়ে নজরদারি করা হয়। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযানে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। আপাতত অভিযান শেষ হলেও প্রয়োজনে আবারও অভিযান চালানো হবে।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় টেকনাফের রঙ্গীখালী এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত চৌধুরী জানান, এ ধরনের একটি তথ্য তাদের কাছে এলেও সেখানে আদতেই কোনো লাশ রয়েছে কি না বা থাকলে কতটি রয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। এছাড়া টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম লাশের বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছেন যে বর্তমানে সেখানে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কঙ্বাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লাশের খবরটি তারা শুনেছেন এবং পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার টেকনাফের রঙ্গীখালী এলাকার গহীন পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর ওই অভিযানে সশস্ত্র মানবপাচারকারী দলের গুলিতে মো. তিতাস শেখ (২৮) নামের এক সেনা সদস্য নিহত হন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছিল, প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালি নাগরিককে জিম্মি করে রাখার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়েছিল।











































