স্পোর্টস ডেস্ক।।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জয় দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। স্বাগতিকদের জয়সূচক গোলটি করেছেন বদলি হিসেবে নামা মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তবে তাকে মাঠে নামানোর সময় গোলের প্রত্যাশা করেননি কোচ থমাস ডুলি।
বরং তার পরিকল্পনা ছিল, ইব্রাহিমের মাধ্যমে সতীর্থদের দিয়ে গোল করানো।
শুরুর একাদশে ছিলেন না ইব্রাহিম। ডিফেন্ডার থেকে স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলা বিশ্বনাথ ঘোষকে তুলে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ফর্টিস এফসির এই ফুটবলারকে মাঠে নামান ডুলি। এর কয়েক মিনিট পরই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইব্রাহিম। তার এই গোল কোচের কাছেও ছিল অপ্রত্যাশিত।
ম্যাচ শেষে ডুলি বলেন, ‘ম্যাচের একপর্যায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে বিশ্বনাথ হাঁপিয়ে উঠেছিল। বক্সের কাছে বল ধরে রাখতে পারে, এমন একজন খেলোয়াড়ের প্রয়োজন ছিল। তাই বিশ্বনাথকে তুলে ইব্রাহিমকে ১০ নম্বর পজিশনে এবং শমিতকে একেবারে ওপরে খেলানোর পরিকল্পনা করি। এতে শমিত গোলের সামনে কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে হেডে গোল করার চেষ্টা করতে পারবে। আমি ভাবিনি ইব্রাহিম নিজেই গোল করে বসবে। ভেবেছিলাম, সে হয়তো কাউকে দিয়ে গোল করাবে। তবে ভালো ফুটবলাররা এমন মুহূর্ত তৈরি করতে পারে।’
এদিকে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের কোচ। তার মতে, বিশ্বনাথের খেলার ধরন ও শারীরিক সামর্থ্য তাকে আক্রমণভাগে কার্যকর করে তুলতে পারে। তবে সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলালে পেনাল্টি কিংবা কার্ডের ঝুঁকি থাকে।
ডুলির ভাষ্য, ‘বিশ্বনাথ খুবই তীব্রতা নিয়ে খেলে। সেন্টার ডিফেন্সে তাকে খেলালে পেনাল্টি কিংবা কার্ডের ঝুঁকি থেকে যায়। আমি ভেবেছিলাম, তার বিকল্প হতে পারে রাইট ব্যাক। সেখানেও তাকে মাঝেমধ্যে বক্সে আসতে হয়। ফরোয়ার্ডের নয় নম্বর পজিশনে চোট পাওয়ার ভয় থাকে, কিন্তু বিশ্বনাথ এসব ভয় পায় না। আশা করেছিলাম, সে গোল পাবে। দুর্ভাগ্যবশত পায়নি। তবে তার খেলায় আমি সন্তুষ্ট।’
ভুটান ম্যাচের আগে শেষ মুহূর্তে একাদশ থেকে ছিটকে যান অধিনায়ক তপু বর্মণ। ওয়ার্ম-আপের সময় অস্বস্তি অনুভব করায় তাকে নিয়ে ঝুঁকি নেননি কোচ। এ প্রসঙ্গে ডুলি বলেন, ‘ওয়ার্ম-আপে নামার পর সে অস্বস্তি বোধ করে। তার ফিটনেস ছিল ফিফটি-ফিফটি। খেলতে হলে শতভাগ, অন্তত ৮০ শতাংশ ফিট থাকতে হবে।’











































