Home আঞ্চলিক আদর্শের চেতনায় রাজিয়া নাসেরের স্মৃতি ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

আদর্শের চেতনায় রাজিয়া নাসেরের স্মৃতি ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

5

স্মরণ সভায় আ’লীগ নেতৃবৃন্দ

খবর বিজ্ঞপ্তি

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু কে স্বপরিবার হত্যার পরে তাঁর ছোট ভাই শহীদ শেখ আবু নাসেরের পরিবার ছিলো অরক্ষিত। এই পরিবারকে হত্যা করতে না পারলেও তাদের উপর তৎকালীন সরকার রাষ্ট্রীয় ভাবে নির্যাতন চালিয়েছে। শেখ আবু নাসেরের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার উপর অলিখিতভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। যে কারনে খুলনার কোন স্কুলে সেখ জুয়েল, শেখ সোহেল, শেখ রুবেল, শেখ বাবু পড়া লেখা করতে পারে নি। সেই দু:সময়কে অত্যন্ত ধৈর্য্যশীলতার সাথে মোকাবেলা করেছেন শেখ রাজিয়া নাসের। তাদের শেরে বাংলা রোডস্থ বাসভবনকে শীলগালা করে দেয়া হয়। তিনি খুলনায় তৎকালীন সময়ে জিয়া, মোস্তাক গংদের অত্যাচারে টিকতে না পেরে শিশু সন্তানদের শিক্ষিত করতে পাবনায় তাঁর পিত্রালয়ে অবস্থান করেন। এবং সেখানে থেকে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শেখান। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, শেখ হেলালকে হত্যার উদ্দেশ্যে ক্যাডেট কলেজে গ্রেফতার করতে সেনাবাহিনী পাঠানো হয়। কিন্তু আল্লাহ পাকের কৃপায় কলেজের অধ্যক্ষ শেখ হেলালকে সরিয়ে দেন বিধায় আজ তিনি বেঁচে আছেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এত মানসিক চাপের মধ্যেও তিনি শুধু তাঁর সন্তানদেরকেই শিক্ষিত করেন নি; তিনি খুলনার স্থানীয় রাজনীতিকেও অভিভাবকের মত ঘরে বসে নির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর নিদের্শনা নিয়ে খুলনায় সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা পিতামাতা হীন হয়ে পড়ে। শেখ রাজিয়া নাসের তাঁদেরকে বাবা মায়ের মত আগলে রেখেছেন। কখনও বাবা মায়ের অভাব তিনি বুঝতে দেন নি। তিনি মহিয়ষী নারী হিসেবে শুধু তাঁর পরিবারের সদস্যদেরই নয়; এ অঞ্চলের রাজনৈতিক কর্মীদেরও যথাযথ মূল্যায়ন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন। রাজিয়া নাসেরের গুরুত্বপূর্ণ অবদান, ধৈর্য্য, ত্যাগের ফসলের অংশ হিসেবে আজ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। তাঁর দুই ছেলে ও পৌত্র সংসদ সদস্য, এক ছেলে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, দুই ছেলে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তিনি একজন সফল রতœগর্ভা মহিয়সী নারী। নেতৃবৃন্দ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঐক্যের ভিত্তি দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করতে হবে। আদর্শের চেতনায় রাজিয়া নাসেরের স্মৃতি ধারণ করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। রাজিয়া নাসেরের মত ধৈর্য্য, ত্যাগ স্বীকার করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

শুক্রবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে শেখ রাজিয়া নাসের স্মরনে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজওয়ান এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ সৈয়দ আলী, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, মো. সফিকুর রহমান পলাশ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহবার হোসেন শিকদার, এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, কাজি আমিনুল হক, শেখ হায়দার আলী, এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, কাজী এনায়েত হোসেন, নুর ইসলাম বন্দ, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, এ্যাড. আইয়ুব আলী, শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. নব কুমার চক্রবর্তী, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, ফেরদৌস আলম চান ফারাজী, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হালিমা ইসলাম, অধ্যা. আলমগীর কবীর, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, কাজী শামীম আহসান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, শেখ নুর মোহাম্মদ, শেখ মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর মোশারাফ হোসেন, মো. মোজাম্মেল হক হাওলাদার, এ্যাড. রবিন্দ্র নাথ ম-ল, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, শহিদুল ইসলাম বন্দ, এস এম আনিসুর রহমান, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, এ্যাড. আব্দুল লতিফ, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর এমডিএস এম খুরশীদ আহমেদ টোনা, মাহফুজুর রহমান লিটন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, প্যানেল মেয়র এ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, অধ্যা. হোসনে আরা রুনু, এস এম আকিল উদ্দিন, মো. আমির হোসেন, মীর বরকত আলী, এস এম হাফিজুর রহমান, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, শেখ আব্দুল আজিজ, মো. জাকির হোসেন, ফেরদৌস হোসেন লাবু, চ. ম মুজিবর রহমান, শেখ আবিদ উল্লাহ, মঈনুল ইসলাম নাসির, আব্দুল হাই পলাশ, জামিরুল হুদা জহর, শেখ জাহিদ হোসেন, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, হাসান ইফতেখার চালু, মো. শিহাব উদ্দিন, শেখ মো. রুহুল আমিন, মনিরুজ্জামান সাগর, আতাউর রহমান রাজু, এমরানুল হক বাবু, মীর মো. লিটন, ওয়াহিদুল ইসলাম পলাশ, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মমতাজ বেগম, বলাকা রায়, পারভীন ইলিয়াছ, শারমীন রহমান শিখা, নূরীনা রহমান বিউটি, নুর জাহান রুমি, তাছলিমা আখতার, বিউটি, কাজল, আফরোজ বেগম, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, কাজী কামাল হোসেন, শেখ আব্দুল কাদের, মো. তাজুল ইসলাম, কাজী ইব্রাহিম মার্শাল, কবির পাঠান, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মহিদুর রহমান মিলন, মোস্তফা শিকদার, মশিউর রহমান সুমন, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, জব্বার আলী হীরা, মাহমুদুর রহমান শাওন, সানা, মাহমুদুর রহমান রাজেশ, আব্দুল কাদের সৈকত, ওমর কামাল, মোকতাজুল ইসলাম সোহান সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্মরণ সভা শেষে শেখ রাজিয়া নাসেরের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আ. খ. ম জাকারিয়া।