স্পোর্টস ডেস্ক।।
জার্মানি জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই গণমাধ্যমকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, তার পরিবারের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করা হলে তিনি কোনো দ্বিধা ছাড়াই দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন।
শুক্রবার চার বছরের চুক্তিতে জার্মানির প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান লিভারপুলের সাবেক এই সফল কোচ। তিনি ইউলিয়ান নাগেলসমানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ের কাছে জার্মানির অপ্রত্যাশিত হারের পর পদত্যাগ করেন নাগেলসমান।
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই ৫৯ বছর বয়সী ক্লপ গণমাধ্যমকে সতর্ক করে বলেন, ‘আপনারা যদি বাজে আচরণ করেন এবং আমার পরিবারকে শান্তিতে থাকতে না দেন, তাহলে আমি চলে যাব। আমি স্রেফ মুখ ফিরিয়ে নেব।’
তিনি বলেন, জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন দেশের ফুটবলের জন্য, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়।
ক্লপ বলেন, ‘আমি জানি, এমন আরও দেশ আছে যেখানে জাতীয় দলের কোচদের সঙ্গে আরও খারাপ আচরণ করা হয়। আমি এই চাকরিটা নিজের জন্য করছি না, আপনাদের জন্য করছি। ইউলিয়ান নাগেলসমান ও টমাস টুখেলের সঙ্গে আপনারা কীভাবে আচরণ করেছেন, সেটা দেখার পরও আমি এই দায়িত্ব নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই কাজটা ভালোবাসি, কিন্তু প্রয়োজন হলে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে আমি সবসময় প্রস্তুত।’
বিশ্বকাপ থেকে জার্মানির বিদায়ের পর সাবেক কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমান এবং ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল দুজনকেই তীব্র গণমাধ্যম সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
বিশেষ করে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও ইংল্যান্ডের ২-১ গোলে হারের পর টুখেলের রক্ষণাত্মক কৌশল ও খেলোয়াড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই ক্লপের এই মন্তব্য জার্মান ফুটবল ও দেশটির গণমাধ্যমে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।









































