স্পোর্টস ডেস্ক।।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসা কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা এবার নতুন ক্লাব খুঁজে পেয়েছেন। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলোতে যোগ দিচ্ছেন। শুক্রবার ক্লাবটির সভাপতি আনিবাল মোসা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট থাকা ভোজিনহা খুব শিগগিরই চিলিতে পৌঁছাবেন। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (মেডিকেল) সম্পন্ন করার পর কোলো কোলোর নিজস্ব মাঠ এস্তাদিও মনুমেন্তালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
ভোজিনহাকে দলে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আনিবাল মোসা বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি চিলিতে আসছেন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি আমাদের দলের অংশ হবেন।’
তবে ক্লাব ও খেলোয়াড়ের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি এখনো সম্পন্ন হয়নি। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্ট দিয়ে ভোজিনহার আগমনের ইঙ্গিত দিয়েছে কোলো কোলো। কেপ ভার্দের এই গোলরক্ষকের কোঁকড়ানো চুলের ইঙ্গিতপূর্ণ একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘অরা’।
পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শাভেসের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবেই ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে নামেন ভোজিনহা। কিন্তু পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স তাকে বিশ্বের অন্যতম আলোচিত গোলরক্ষকে পরিণত করে।
বিশ্বকাপ শেষে তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হয়। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৮৩ লাখে। সমর্থকদের ভোটে তিনি জায়গা করে নেন টুর্নামেন্টের সেরা একাদশেও।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভোজিনহা বলেন, ‘আমি এমন একটি ক্লাবে খেলতে চাই, যারা আমার ফুটবল দক্ষতাকে মূল্যায়ন করবে। শুধু মার্কেটিংয়ের জন্য আমাকে দলে নেবে না।’
সাক্ষাৎকারের পর তাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তার গন্তব্য হতে যাচ্ছে চিলির সবচেয়ে সফল ক্লাব কোলো কোলো।
১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কোলো কোলো চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোভিত্তিক অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাব। বর্তমানে দলটির কোচ আর্জেন্টিনার ফার্নান্দো অর্তিজ। স্কোয়াডে রয়েছেন চিলির অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার আর্তুরো ভিদালের মতো তারকাও।
ক্লাবটি এখন পর্যন্ত ৩৪টি চিলিয়ান লিগ, ১৪টি কোপা চিলি এবং ১৯৯১ সালের কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপা জিতেছে। ওই লিবার্তাদোরেস শিরোপাটি এখনো পর্যন্ত কোনো চিলিয়ান ক্লাবের একমাত্র মহাদেশীয় শিরোপা হিসেবে বিবেচিত হয়।











































