- স্টাফ রিপোর্টার
ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে নতুনহাট খেয়াঘাটে যাওয়ার রাস্তায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সেলিম গাজী (৩০) কে গ্রেফতার করেছে ।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সেলিম গাজী যশোর জেলার অভয়নগর থানার সিদ্ধিপাশা আমতলা গ্রামের আলম গাজীর ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ তোফায়েল আহমেদ জানান, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে আমার নেতৃত্বে অভিযান করেন পুলিশ পরিদর্শক সেখ কনি মিয়া ও এসআই মুক্ত রায় চৌধুরী। এসময় খেয়াঘাটে যাওয়ার রাস্তার প্রবেশ মুখ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ সেলিম গাজীকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথামিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনাস্থলে অস্ত্র-গুলিসহ অন্যন্য সন্ত্রাসীদের নিয়ে অবস্থনের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করে। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ফুলতলা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মুক্ত রায় চৌধুরী ৫দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ সেলিম গাজীকে আদালতে প্রেরণ করেছেন।

কয়রায় র্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৫ডাকাত গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলার কয়রা থানাধীন গোবরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতার ৫ডাকাত হলেন খুলনা জেলার কয়রা থানার গোবরা গ্রামের মো. ছবেদ আলী সরদারের ছেলে মো. আব্দুল কাদের সরদার (৩৬), মো. শামসুল রহমান ঢালির ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৮), আব্দুর রহিম কাদেরের ছেলে মো. শহিদুল্লাহ খোকন (৩৮), মৃত. কুদ্দুস সরদারের ছেলে মো. আমাজাদ সরদার (৪০) ও মো. আকবর আলী সরদারের ছেলে মো. ছায়ফুল্লাহ (৪০)।
র্যাব-৬ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কয়রা থানাধীন গোবরা গ্রামে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের ল্েয বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-৬, (স্পেশাল কোম্পানী) এর একটি চৌকস বিশেষ আভিযানিক দল। এসময় মো. শামসুর রহমান সরদারের খেজুর বাগান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, একটি এয়ারগান, ১১রাউন্ড শটগানের তাঁজা কার্তুজ ও ৪টি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃত ডাকাতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা কয়রা থানাধীন এলাকায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে কয়রা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।









































