স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) একযোগে বিশেষ অভিযান ও সামাজিক মেলবন্ধনের নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কেএমপি কমিশনারের সার্বিক নির্দেশনায় গত ১১ জুন সন্ধ্যা ৬.০০টা হতে ১২ জুন সকাল ১০.০০টা পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে মাদক ও অপরাধে ব্যবহৃত সরঞ্জাম। অপরদিকে, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে কেএমপির স্কুল মাঠে থানা পর্যায়ের বিজ্ঞান মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন করা হয়েছে।
বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গ্রেফতার
কেএমপি সূত্রে জানা গেছে, মহানগরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পরিচালিত ২৪ ঘণ্টার এই বিশেষ অভিযানে খুলনা থানা থেকে ০৮ জন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা থেকে ০৬ জন, লবণচরা থানা থেকে ০৩ জন, দৌলতপুর থানা থেকে ০৩ জন, খালিশপুর থানা থেকে ০১ জন, আড়ংঘাটা থানা থেকে ০১ জন এবং খানজাহান আলী থানা থেকে ০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
• ১৭ মামলার আসামী মনিরুল গ্রেফতার: এই অভিযানের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে খালিশপুর থানার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মনিরুল ইসলাম মন্ডল (৩৮)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ১১ জুন রাতে খালিশপুর থানাধীন প্রভাতী মাঠ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে হাউজিং পুরাতন কলোনি এলাকার আঃ মান্নানের ছেলে। মনিরুলের রেকর্ড পর্যালোচনা করে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, দসিয়ুতা, মাদক, মারামারি, চুরি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। সে একটি দস্যুতা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামী এবং তার বিরুদ্ধে জিআর ওয়ারেন্ট ছিল। উল্লেখ্য, এই মনিরুল ইসলাম ইতিপূর্বে গ্রেফতারকৃত ২৫ মামলার আসামী নজরুল ইসলামের আপন ভাই।
• ‘গ্রেনেড বাবু গ্রুপ’-এর সদস্য নূরু গ্রেফতার: সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ বিশেষ ডিউটি করাকালে ১২ জুন রাতে সাত্তার বিশ্বাস সড়কস্থ ‘করবী’ বাড়ির সামনে থেকে ৩০ পিস ইয়াবাসহ নূর আলম ইসলাম ওরফে নূরু (২৭)-কে গ্রেফতার করে। সে সোনাডাঙ্গা খোকন কমিশনারের কালভার্ট এলাকার শাহ আলম আকনের ছেলে। আটকের সময় তার হেফাজত থেকে ৩০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ১৫,৫০০/- টাকা এবং একটি রানার (Runner) মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। নূরুর বিরুদ্ধে এর আগেও সোনাডাঙ্গা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক উপাদান আইনসহ ৪টি মামলা রয়েছে।











































