ঢাকা অফিস।।
গাজীপুরে কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে খুনের ঘটনায় পলাতক গৃহকর্তা ফোরকান মোল্লার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘‘মোবাইলটি পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি জায়গায় পাওয়া গেছে। পুলিশ ধারণা করছে, আসামি হয়ত আত্মহত্যার উদ্দেশে পদ্মা সেতু থেকে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন।
শনিবার সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রাম থেকে পাঁচজনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পাঁচজন হলেন- শারমিন আক্তার (৩০), তার তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) ও শ্যালক রসুল মিয়া (২২)।
শারমিন ও রসুলদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পাইকান্দি উত্তর চরপাড়ায়।
প্রায় দেড় যুগ আগে গোপালঞ্জের গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি গ্রামের ফোরকান মোল্লার সঙ্গে বিয়ে হয় শারমিনের। তিন সন্তান নিয়ে এই দম্পতি কাপাসিয়ায় থাকতেন। ফোরকান পেশায় গাড়ির চালক।
শনিবার লাশ উদ্ধারের পর থেকে ফোরকান মোল্লা পলাতক রয়েছেন। বিভিন্ন আলামত ও স্বজনদের ভাষ্য থেকে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, ‘পারিবারিক কলহের’ জেরে ফোরকান এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
শনিবার রাতেই নিহত শারমিন আক্তারের বাবা সাহাদত মোল্লা বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় জামাতা (শারমিনের স্বামী) পলাতক ফোরকানসহ অজ্ঞাত পরিচয় ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়।









































