Home আঞ্চলিক নগরীর বাজারে বেড়েছে সবজির দাম

নগরীর বাজারে বেড়েছে সবজির দাম

2

স্টাফ রিপোর্টার।।

খুলনার বাজারে সবজির দাম কমেনি। গত সপ্তাহ থেকে প্রায় সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। বেশিরভাগ সবজিতে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

তবে কাচামরিচের দাম কমেছে। এদিকে মাছের দাম কম থাকলেও মুরগির দাম রয়েছে আগের মতোই। রবিবার (১৯ এপ্রিল) খুলনার নতুন বাজার, নিউ মার্কেট বাজার ও বয়রা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৫০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা কেজি, লাউ ৪০-৫০ টাকা প্রতি পিস, কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ -৭০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি, শসা ৬০ টাকা কেজি, পটল ৮০ টাকা কেজি, কুশি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পেঁয়াজ ২৫-৩০ টাকা দরে এবং রসুন ৭০-১০০ টাকা কেজি দরে এবং আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা কেজি দরে, সোনালি ৩৩০-৩৫০ টাকা কেজি দরে ও লেয়ার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা আর খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে রুই আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা দরে, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা, কাতল ২৪০-২৫০ টাকা কেজি এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারের খুচরা সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম এখনো কমে পারে নি। বিভিন্ন শাকের দাম কম আছে। তবে মৌসুমের সবজির দাম কিছুটা বাড়তি। তবে সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাবে।

বয়রা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আছাদুল বলেন, সবজির দাম আগের মতোই আছে। কিছু কিছু সবজির দাম বৃদ্ধি পেলেও সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাবে। পাইকার বাজারে দাম বেশী হওয়ায় আমাদেরও বেশী দামে সবজি বিক্রি করতে হয়। তবে কাচামরিচের দাম অনেক কম আছে।

নিউ মার্কেট বাজারের মাছ বিক্রেতা আলিমুল বলেন, ‘সমুদ্রের মাছ আর ঘেরের মাছ অনেক আসছে। তাই দাম আগের মতোই আছে। মাছের বিক্রিও ভালো হচ্ছে।’

নতুন বাজারে আসা ক্রেতা কামরুল গাজী বলেন, ’কাচামরিচের দাম কম আছে। আর ওইদিক সব সবজির দাম বেশী। ১০০ টাকায় দুই পদের সবজি কেনাও কষ্টকর। দাম কিছুটা কম থাকলে ভালো হয়।’

বয়রা বাজারে আসা আজিজ হোসেন বলেন, ’ব্রয়লার মুরগির দাম কমেনি। গরুর মাংস ৭৫০ এর নিচে নাই। আর সবজির দাম বাড়ছে। কমার নাম নাই। একটু বাজার মনিটরিং দরকার। তাহলে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।’