Home খেলাধুলা টি-টোয়েন্টিতে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক, ইতিহাস গড়লেন রশিদ খান

টি-টোয়েন্টিতে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক, ইতিহাস গড়লেন রশিদ খান

5


স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করে ইতিহাস গড়লেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান। আজ সোমবার দিল্লিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে মুহাম্মদ আরফানকে আউট করে এই কীর্তি গড়েন তিনি। ম্যাচ শুরুর আগে তার ঝুলিতে ছিল ৬৯৯ উইকেট। আমিরাত ইনিংসের ১৬তম ওভারে আরফান ‘হিট উইকেট’ হলে ৭০০-তে পৌঁছে যান রশিদ—যা ছিল ওই ম্যাচে তার শেষ ওভার।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৯৮ ও ৬৯৯তম উইকেট নেওয়ার পর এই ম্যাচে প্রথম ৩.২ ওভারে সাফল্য পাননি তিনি। ২০ বলে ১৭ রান খরচ করার পর আরফান রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে সম্পূর্ণ মিস করেন এবং নিজের স্টাম্পে আঘাত করেন। মাইলফলক ছোঁয়ার পরও খুব বেশি উদযাপন করেননি রশিদ, কারণ সুপার এইটসে উঠতে আফগানিস্তানের জয় এবং অন্য ফল নিজেদের পক্ষে আসা—দুটিই প্রয়োজন ছিল।

টি-টোয়েন্টিতে উইকেটশিকারিদের তালিকায় অনেক দিন ধরেই সবার শীর্ষে রশিদ। অবসর নেওয়া ডোয়েন ব্রাভো আছেন দ্বিতীয় স্থানে ৬৩১ উইকেট নিয়ে। সক্রিয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সুনীল নারাইন আছেন তৃতীয় স্থানে, তার উইকেট ৬১৩।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও রশিদ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ৭০০তম উইকেটটি ছিল এই সংস্করণে আফগানিস্তানের হয়ে তার ১৯১তম শিকার। তার পেছনে আছেন নিউজিল্যান্ডের দুই বোলার—টিম সাউদি (১৬৪) ও ইশ সোধি(১৬২)।

বিশ্বকাপের আগে ও চলাকালীন সংবাদমাধ্যমে ৭০০ উইকেটের প্রসঙ্গ বারবার উঠেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রশিদ বলেছিলেন, ‘৭০০ উইকেট হোক বা অন্য কোনো অর্জন, আমি নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ঠিক করে খেলি না। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে খেললে শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি। দল যখন প্রয়োজন বোধ করে, তখনই উইকেট আসে।’

ফরম্যাটটির ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটশিকারি হলেও ২০২৩ সালে পিঠের অস্ত্রোপচারের পর কিছুটা ছন্দ হারিয়েছিলেন রশিদ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজ জয়ে তিন ম্যাচে ১২ ওভারে মাত্র ৫১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি, যা ছিল উচ্চ স্কোরিং ম্যাচেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের নজির। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১ উইকেট নেন ৩৬ রান খরচে, আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে সাশ্রয়ী ছিলেন কেবল মুজিব-উর-রহমান।