Home Lead নাব্যতা সংকট: ৮ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত, ভোগান্তি চরমে

নাব্যতা সংকট: ৮ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত, ভোগান্তি চরমে

23

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।


নাব্যতা সংকটে ডুবোচরে আটকা পড়ে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে টগড়া-চরখালী ফেরি চালাচল। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পারাপারের অপেক্ষায় থাকছে বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন পিরোজপুর-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা-খুলনাসহ আটটি রুটের চলাচলকারী সহস্রাধিক যাত্রী সাধারণ।


জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম নদীবহুল জেলা পিরোজপুর। সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের জন্য পিরোজপুরের টগড়া-চরখালী ফেরিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শীতে নাব্যতা সংকটের কারণে ডুবোচরে টগরা-চরখালি ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়। এতে ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এ পথে চলাচলকারী যাত্রীদের।

এ জেলার সঙ্গে একদিকে ঢাকা অন্যদিকে মোংলা বন্দরের যোগাযোগ এবং আভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহনে চরখালী ফেরি একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ ফেরিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বলেশ্বর ও কঁচা নদীর মোহনায় ডুবোচর জেগে কয়েক বছর ধরে শীতের এ সময়ে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

চরখালী ফেরির ম্যানেজার সুমন হাওলাদার বলেন, ‘কঁচা নদীর চরখালীর-টগরা ঘাটের প্রান্তে কয়েক কিলোমিটার চর জেগে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শীতের এ সময় যানবাহন পারাপার করতে গিয়ে দুপারে ফেরি আটকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের। ফলে যাত্রীদের প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

তিনি আরও জানান, অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্সে গুরুতর রোগী নিয়ে পারাপার করতে হয়। এ সময় ফেরি আটকে গেলে রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এমনকি কয়েক বছর আগে একবার ফেরি নদীতে আটকা পড়লে একজন রোগীর মৃত্যুও হয়।


যাত্রীদের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে বলেন, ‘নদী ড্রেজিংয়ের জন্য বিআইডব্লিউটিএ এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আশা করি তারা শিগগিরই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

অন্যদিকে পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবু জাফর মো. রাশেদ খান জানান, টগরা-চরখালী ফেরি ঘাটের দুপাশের নদী খননের জন্য পানি উন্নয়নের মেকানিক্যাল ডিভিশনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

প্রতিদিন টগড়া-চরখালী ফেরিতে বরগুনা-পাথরঘাটা-ভাণ্ডারিয়া-মঠবাড়িয়া-পিরোজপুর-বাগেরহাট-ঢাকা-খুলনাসহ প্রায় ১০টি রুটের কয়েক হাজার যানবাহন ও অর্ধলক্ষাধীক যাত্রী চলাচল করে।