আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতাহানীর ঘটনায় প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আটক করেছেন পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ উপজেলা সদরের কোদন্ডা গ্রাম থেকে প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করেন।
আশাশুনি কে বি এ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক কোদন্ডা গ্রামের মৃত বাবর আলি কারিগরের পুত্র মইনুর ইসলাম ভিকটিম ছাত্রীর বাড়ীতে যান। ছাত্রী যথানিয়মে শিক্ষকের সাথে কুশল বিনিময় করে বারান্দায় চেয়ারে বসতে দেয়। এসময় ছাত্রীর পিতা-মাতা বাঁশ কাটতে গিয়েছিল। শিক্ষক অভিভাবকদের অবস্থান জেনে শুনে সুযোগ বুঝে ছাত্রীকে কথা আছে বলে ঘরের ভেতরে ডেকে নেয়। কোমলমতি শিশু সরল মনে স্যারের ডাকে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। তখন শিক্ষক মেয়েটিকে ঝাপটে ধরে চুমু খেয়ে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটায়।
এক পর্যায়ে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। এরপর মেয়েটি তার ঢাকায় থাকা বড় বোনের সাথে মোবাইলে কথা বলার পর ঘটনাটি জানাজানি হয়। বেলা ১২টার দিকে মঈনুর পুনরায় ছাত্রীর বাড়ীতে গেলে বাড়ীর লোকজন থানা পুলিশকে জানায়। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ গোলাম কবির ঘটনাস্থলে পৌছে শিক্ষক মঈনুরকে আটক করে এবং ভিকটিমকে থানায় নিয়ে আসেন। এব্যাপারে মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে মঈনুরকে আসামী করে এজাহার দাখিল করেছেন। শিক্ষক মঈনুর ইসলাম জানান, আমি মেয়েটির বাড়ী যাই এবং স্কুলের বেতনের কথা বলি।
ছাত্রীটি বলেন, আমার বাবা মা বাড়ী নেই। এরপর আমি আমার বাড়ীতে ফিরে আসি। ছাত্রীটি মেধাবী হওয়ায় ছোট বেলা থেকে আমি তাকে কোলে পিঠে করে যত্ন করি। শ্লীলতাহানীর ঘটনা অমুলক। শ্লীলতাহানীর ঘটনা শুনে কোদন্ডা গ্রামের জনৈক এক ব্যক্তির সঙ্গে আমি পুনরায় মেয়েটির বাড়ীতে যাই। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আমাকে আটক করেন।









































