Home Lead ‘শক্তি’র প্রভাবে খুলনার উপকূলে বৃষ্টি, পানি বৃদ্ধি, বেড়িবাঁধ নিয়ে শঙ্কা

‘শক্তি’র প্রভাবে খুলনার উপকূলে বৃষ্টি, পানি বৃদ্ধি, বেড়িবাঁধ নিয়ে শঙ্কা

16

স্টাফ রিপোর্টার।।


বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’তে রূপ নিয়েছে। যদিও এটি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে না, তবুও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে খুলনার উপকূলীয় এলাকায়।


বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকেই পাইকগাছা, দাকোপ ও কয়রায় বৃষ্টি হচ্ছে। খুলনা মহানগরীতেও সকাল ৬টা ও দুপুর ১২টায় দুই দফায় বৃষ্টি হয়েছে। দিনের শুরু থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি আকাশে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে এক ফুট বেশি পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ অবস্থায় মোংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর এবং খুলনা অঞ্চলের নদ-নদীতে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

খুলনা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের কোথাও ঘূর্ণিঝড় শক্তি আঘাত হানবে না। এটি মধ্যরাতে ভারতের উড়িষ্যায় আঘাত হানতে পারে। তবে এর প্রভাবে খুলনা অঞ্চলে রাতভর ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

ঝড়ের প্রভাবে নদীতে পানির চাপ বাড়ায় আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে পাইকগাছার দেলুটি ও দাকোপের লক্ষীখোলায় দুর্বল বেড়িবাঁধ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেলুটি ইউনিয়নের ইউপি মেম্বার পলাশ রায় জানান, “কয়েকদিন আগেই ফাঁটল ধরা বেড়িবাঁধ মেরামত করা হয়েছে। তবে পানির চাপ বাড়লে যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে এবং এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

তবে আতঙ্কের কারণ নেই বলে দাবি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। খুলনা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, ‘ঝড় সরাসরি খুলনায় আঘাত হানবে না। বৃষ্টির কারণে পানির চাপ বাড়লেও বাঁধ ভেঙে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুত আছি। কোথাও ফাটল বা ভাঙন দেখা দিলে তাৎক্ষণিক মেরামতের ব্যবস্থা নেয়া হবে।’