Home আঞ্চলিক অসুরকে বিনাশ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই দূর্গাপুজার অন্তর্নিহিত বাণী: শফিকুল আলম...

অসুরকে বিনাশ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই দূর্গাপুজার অন্তর্নিহিত বাণী: শফিকুল আলম তুহিন

16

বিভিন্ন পুজামন্ডপ পরিদর্শনকাল

।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালি জাতির হাজার বছরের ঐতিহ্যের অংশ। এ উৎসব শুধু ধর্মীয় নয়, বরং আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতির প্রতীক। দূর্গাপুজার অন্তর্নিহিত বাণীই হচ্ছে-হিংসা, লোভ ও ক্রোধরুপী অসুরকে বিনাশ করে সমাজে স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। নির্যাতন, নিপীড়ণ ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার মধ্য দিয়ে যারা সমাজকে, মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করতে চায়, প্রতিষ্ঠিত করতে চায় কুশাসন তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার অন্তর্নিহিত তাগিদ।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নবতরুণ সংঘ বাগানবাড়ি ও রুপসা মহাশশ্মান ও কালি মন্দিরে পুজামন্ডপ পরিদর্শণকালে পুজারীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূলে রয়েছে সহাবস্থান ও সম্প্রীতির শিক্ষা। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান-সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছে। দুর্গোৎসব সেই সহাবস্থানের অন্যতম অনন্য উদাহরণ। দুর্গোৎসব আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়। এই উৎসব নতুন প্রজন্মকে শেখায়-মানুষে মানুষে ভেদাভেদ নয়, ঐক্য ও সম্প্রীতিই হচ্ছে সত্যিকার শক্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই শারদীয় দুর্গোৎসব দেশের প্রতিটি ঘরে আনুক আনন্দের বার্তা, মুছে দিক অশান্তি ও বিভেদের কালো ছায়া। বাংলাদেশ হোক শান্তি, সমৃদ্ধি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উৎসব যে ধর্মেরই হোক, উৎসবের প্রাঙ্গণ সব মানুষের জন্য অবারিত। যে কোন ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত হয়। সকল ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানব কল্যাণ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, শ্রমিক দলের মহানগর আহবায়ক মজিবর রহমান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবীর, মো. নাসির উদ্দিন, সওগাতুল ইসলাম সগীর, মেহেদী হাসান লিটন, সাগর আকন, শুকুর আলী, জালাল প্রমূখ।