Home আঞ্চলিক নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে দেশে গভীর চক্রান্ত চলছে: তুহিন

নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে দেশে গভীর চক্রান্ত চলছে: তুহিন

23

দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি সভা

।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, দেশে একটা গভীর চক্রান্ত চলছে। ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হওয়ার কথা, সেই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ওই গোষ্ঠী চেষ্টা করছে। এই মুহুর্তে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধের কোন বিকল্প নেই। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনার মাধ্যমে আমরা যেভাবে লড়াই করেছিলাম ভূখণ্ডের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য, আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। সেইভাবে আমরা আবারো আমাদের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করব, লড়াই করে যাব।


শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকাল ৫টায় বিএনপি কার্যালয়ে দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে শেষ প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরের ওপর হামলা এবং কাকরাইলে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনা দেশের মানুষের জন্য একটি ম্যাসেজ মাত্র। আমরা গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক অত্যন্ত নাজুক সময়ের মধ্যে আছি। যার প্রথম পদক্ষেপ হলো জাতীয় নির্বাচন। সম্মিলিতভাবে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আজকের মতো অস্থিতিশীলতামূলক ঘটনা ছড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের গণতন্ত্রের পথে এগোনোকে ব্যাহত না করে।

তুহিন আরো বলেন, গণতন্ত্রপন্থী অংশীজনরা, যার মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররাও রয়েছে, তাদের অবশ্যই সংযম ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা অবশ্যই জয়ী হবে। দেশকে অবশ্যই মবের শাসন এবং বর্তমান অস্থিরতার শৃঙ্খল থেকে বের করে আনতে হবে। দেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। কেউ নির্বাচনের বিরোধিতা করলে বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। কেউ কেউ অজুহাতে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায়। দেশে নির্বাচনী আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। প্রার্থীরা গণসংযোগ শুরু করেছে। এখন যদি কেউ নির্বাচন বিরোধী বক্তব্য দেয় তবে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক যথাক্রমে শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, থানা সভাপতি কে এম হুমায়ূন কবির, মুর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, থানা সাধারন সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, মিজানুর রহমান মিলটন, রকিবুল ইসলাম মতি, যুবদলের আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, জাসাসের ইঞ্জি. নুর ইসলাম বাচ্চু, এম এ জলিল, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, শ্রমিকদলের মজিবর রহমান, কৃষকদলের আক্তারুজ্জামান সজিব তালুকদার, মহিলা দলে সৈয়দা নার্গিস আলী, এড. হালিমা আক্তার খানম, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসির উদ্দিন, শেখ আলমগীর হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মীর শওকত হোসেন হিট্টু, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা, ছাত্রদলের সৈয়দ ইমরান, আরিফুর রহমান আরিফ প্রমূখ।