Home আঞ্চলিক পাইকগাছায় মৎস্য ঘের দখল চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে বাসাবাড়ি ভাংচুর

পাইকগাছায় মৎস্য ঘের দখল চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে বাসাবাড়ি ভাংচুর

9


পাইকগাছা প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় লস্কর ইউনিয়নের লক্মীখোলা বাউখোলা নদীর মৎস্য ঘের দখল চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে বাসাবাড়ি ভাংচুর, দুই কর্মচারী’কে মারপিটে আহত করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ ধরে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে ঘের মালিক সেলিম জাহাঙ্গীর জানান। মঙ্গলবার ভোর ৬ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে দুটি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয়দের আশংঙ্কা (বদ্ধ) নদীর দখল নিয়ে যে কোন মুহুর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। উপজেলার লতা ইউনিয়নের আবু বক্করের ছেলে ডিড মালিক সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, মঙ্গলবার ভোরে শিমুলের নেতৃত্বে সম্রাট-তুহিনসহ ১৫/২০ জন লাঠিসোটা নিয়ে মৎস্য ঘের দখল চেষ্টা চালায়। এ সময় বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষের মারপিটে কর্মচারি রনি ও ওসমান আহত হয়। তিনি আরো জানান, বাউখোলা জলমহালভুক্ত বন্দোবস্তকৃত ভরাটি জমি ৫ বছর মেয়াদী ডিড নিয়ে মৎস্য ঘের করছেন।
এদিকে জলমহালের ৩৩ একর জমির মধ্যোহতে ৫ টি মৌজায় ৪’৮৬ একর জমি লস্কর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মচারি আরাফাত ও লক্মীখোলার শহিদুল মোল্লার ছেলে সাদ্দাম হোসেন খাস আদায় নিয়ে দেখাশুনার দায়িত্ব দেয়। ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ২৪ সালের ১৭ এপ্রিল সাদ্দাম হোসেন শর্তভঙ্গ করে ইমরান,সম্রাটদের কাছে হস্তান্তর করেন। যার পরিপেক্ষিতে ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা চলতি ৭ নভেঃ সাদ্দামকে অব্যাহতি দিয়ে ভূমি অফিসের বিকাশ পাল ও আরাফাত গাজীকে পুনরায় দেখভালের নিযোগ দেন। এ বিষয সাদ্দাম হোসেনের নিকট দখল ও মারপিটের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন এমন কোন ঘটনা ঘটেনি আর বাকি কথা পরে বলবো। জানাগেছে, এ জলমহালটি নিয়ে ইতোপূর্বে দখল ও পাল্টা চেষ্টা, বাসাবাড়ী ভাংচুর, ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় দু’পক্ষই সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।