মোঃ শামীম হোসেন, দাকোপ।।
সুন্দরবনে বাঘের মুখে গড়ে উঠেছে অবৈধ রিসোর্ট ভির বাড়ছে পর্যটকের নেই কোন নিরাপত্তা যেকোনো মুহূর্তে গঠে যেতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা কে নিবে এর দায়ভার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নদীর একপারে সুন্দর বন ওপর পারে রিসোর্ট। ফলে যে কোন সময় বাঘ এসে আক্রমণ করতে পারে বলে ধারণা এলাকাবাসীর। এছাড়াও সুন্দরবনে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দস্যু বাহিনী। ফের অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক তৎপরতা শুরু হয়েছে। একসময় জেলে,বাওয়ালি থেকে শুরু করে পর্যটোকরাও থাকতেন আতঙ্কে। ছয় বছর আগে বনদস্যুদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের নভেম্বরে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়। এখন আবারও সুন্দরবনে তৎপর হয়ে উঠেছে বনদস্যুরা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময়ে জেল ভেঙে পালানো দাগি দন্ড-প্রাপ্ত দস্যু এবং ছয় বছর আগে আত্মসমর্পণ করা দস্যুরা সুন্দরবনে গিয়ে শুরু করেছে দস্যুতা। জেলে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, মাছ ছিনতাই, চাঁদা আদায়সহ নানা ধরনের অপরাধ ঘটছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। সর্বশেষ গত ৪ নভেম্বর রাতে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি নদীর তক্কাখালী এলাকায় বনদস্যুর কবল থেকে ১০ জেলেকে উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। মুক্তিপণ আদায়ে জেলেদের আটক করার খবর পেয়ে বন বিভাগ অভিযানে নামে। এরপরও রীতিমতো বন্দুকযুদ্ধ হয় দুই পক্ষের মধ্যে। বনদস্যুদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে তিনটি নৌকা, সোলার প্যানেল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে বন বিভাগ। বনদুস্যুদের বেপরোয়ার এই অবস্থায় সুন্দরবন ঘেষে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে রিসোর্ট। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই সুন্দরবনে ৩৫ রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। আইনের তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা এসব রিসোর্ট একদিকে যেমন বনের পরিবেশের ক্ষতি করছে অপরদিকে রিসোর্টে ঘুরতে আসা পর্যটকদের নেই কোন নিরাপত্তা কি বাঘ কি দস্যুবাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার মতো। সুন্দর বনে গড়ে উঠা রিসোর্টের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম বলেন সুন্দর বনের কোল ঘেষে এসব রিসোর্ট তাদের ইচ্ছে মতো গড়ে তুলছে। নিরাপত্তার জন্য আমাদের কোন সহযোগিতা না নিয়ে তারা তাদের নিজেদের মতো চলছে। এদিকে বন বিভাগও এই গড়ে উঠা রিসোর্ট এর নিরাপত্তার দায়-ভার নিতে চায় না। তবে কিভাবে গড়ে উঠছে এই রিসোর্ট একের পর এক প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন এলাকা বাসীর।










































