খুলনাঞ্চল ডেস্ক।।
ভেনেজুয়েলায় রোববার ভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এই ভোটকে ক্ষমতাসীন দল ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টি অব ভেনেজুয়েলার (পিএসইউভি) জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর থেকে ১১ বছর ধরে প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন নিকোলাস মাদুরো। টানা তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়ছেন তিনি। স্বৈরশাসক মাদুরো কি আবার ক্ষমতায় আসবেন, নাকি ক্ষমতাচ্যুত হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ এডমান্ডো গঞ্জালেজ উরুতিয়া। তিনি সাবেক কূটনীতিক। বিরোধী দলগুলোর জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন গঞ্জালেজ। ভোটের আগের বিভিন্ন জরিপ বলছে, গঞ্জালেজের চেয়ে প্রায় ৪০ পয়েন্টে পিছিয়ে আছেন মাদুরো। তবে মাদুরো নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি তা মেনে নেবেন কিনা, তা নিয়ে বিশ্লেষক-সমালোচকরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
দেশটির ভোটাররা ভেনেজুয়েলার বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দমনপীড়ন নিয়ে হতাশ, ক্ষুব্ধ। মাদুরো তাঁর সমর্থকদের বলেছেন, যেভাবেই হোক, তিনি নির্বাচনে জিতবেন। এতে ফল কারচুপির শঙ্কা আরও জেঁকে বসেছে। দেশটিতে ভোট পর্যবেক্ষণে খুবই সীমিত সংখ্যক স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুযোগ পেয়েছেন। জাতিসংঘের চারজন এবং কার্টার সেন্টারের একটি টেকনিক্যাল টিম পর্যবেক্ষণে থাকছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকদের উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের প্রধান, যিনি প্রেসিডেন্ট মাদুরোর ঘনিষ্ঠ মিত্র। মাদুরো সরকারের উচিত নির্বাচনে সম্ভাব্য পরাজয় মেনে নেওয়া– এমনটি বলার পর আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজকেও আর আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মিত্র দেশগুলোর শত শত অতিথিকে স্বাগত জানিয়েছেন মাদুরো। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার।









































