Home আঞ্চলিক শেখ কামাল ছিলেন মেধাবী, তেমনি বড় মাপের সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সংগঠক:সিটি...

শেখ কামাল ছিলেন মেধাবী, তেমনি বড় মাপের সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সংগঠক:সিটি মেয়র

5

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, শেখ কামাল যেমন ছিলেন মেধাবী, তেমনি বড় মাপের একজন সাংস্কৃতিককর্মী ও ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। ক্রীড়াঙ্গনেও তার অবদান ছিলো বিশাল। অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতার অধিকারী শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধেও সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। শেখ কামাল আসলে এক অনন্য মানুষ ছিলেন। অনেক গুণে গুনান্বিত এই মানুষটির বিচরণ যেমন ছিলো ক্রীড়াঙ্গনে, সাংস্কৃতিক পরিম-লে, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে। সর্বত্রই বিচরণ ছিলো তার। তিনি আরো বলেন, শেখ কামাল জাতির পিতার সন্তান হওয়া সত্ত্বেও একেবারেই সাধারণ জীবনযাপন করতেন। সবার সঙ্গে তিনি যেভাবে মিশতেন এবং সুসংগঠিত করতেন, আজ এত বছর পরেও কিন্তু তিনি আমাদের মধ্যে চিরঞ্জীব-চিরভাস্বর হয়ে আছেন। এক মিনিটের জন্যও যারা তার সান্নিধ্যে এসেছেন তারা এখনও তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। তরুণ সমাজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তরুণ সমাজ শেখ কামালের জীবন থেকে অনেক শিক্ষাগ্রহণ করতে পারেন। তরুণ সমাজের কাছে তার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে অনেক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ বাকি আছে। শেখ কামালের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে দেশকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, নতুন প্রজন্মের সেদিকে মনোনিবেশ করতে হবে। ১৫ আগস্টের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ১৫ আগস্ট আমরা শেখ কামালকে হারিয়েছি। তিনি যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে জাতির পিতা যে স্বপ্ন দেখতেন, তা আরও আগেই তিনি বাস্তবায়ন করতেন।

বুধবার বিকাল ৫টায় খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল  এর ৭০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাড. কাজী বাদশা, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আকতারুজ্জামান বাবু।

সভা পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, নুর ইসলাম বন্দ, কামরুজ্জামান জামাল, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, রফিকুর রহমান রিপন, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জাহাঙ্গীর হোসেন খান, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, কামরুল ইসলাম বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, শেখ নুর মোহাম্মদ, অধ্যা. আশরাফুজ্জামান বাবুল, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এ্যাড. রবিন্দ্র নাথ ম-ল, অধ্যা. রুনু ইকবাল, মনিরুজ্জামান খান খোকন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মো. মোতালেব হোসেন, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, শেখ মো. আবু হানিফ, শেখ মো. ফারুক হাসান হিটলু, খান সাইফুল ইসলাম, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, মো. জামিল খান, মো. ইমরান হোসেন, চ. ম. মুজিবর রহমান, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, মো. কামরুল ইসলাম, দুলু, কাজী কামাল হোসেন, মো. তাজুল ইসলাম, কবীর পাঠান, মাসুমুর রশীদ, ইলিয়াছ হোসেন লাবু, রকিবুল হাসান লাবু, মৃনাল কান্তি, মাহফুজুর রহমান সোহাগ, মাসুদ হোসেন সোহান, জব্বার আলী হীরা, মাহমুদুর রহমান রাজেস সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

আলোচনা সভা শেষে শেখ কামাল সহ ১৫ আগস্টে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দলীয় কার্যালয়ে কোরআন খানি অনুষ্ঠিত হয়। মুজিববর্ষে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে শহীদ হাদিস পার্কে বৃক্ষরোপন করা হয়।